/ হোম / অপরাধ
বদলি হয়ে থানার এসি-টেলিভিশন খুলে নিলেন ভূঞাপুরের সেই আলোচিত ওসি - Ekotar Kantho

বদলি হয়ে থানার এসি-টেলিভিশন খুলে নিলেন ভূঞাপুরের সেই আলোচিত ওসি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বদলি হওয়ায় থানায় লাগানো এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিয়েছেন। এভাবে থানার জিনিসগুলো খুলে নেওয়ার ঘটনায় আলোচনা- সমালোচনার ঝড় বইছে।

শুক্রবার (২৫ আগষ্ট) রাত ৯টার দিকে থানার পুলিশ সদস্য উদয় ও বহিরাগত আরিফ এবং ভ্যান চালকের সহায়তায় থানার কক্ষ থেকে জিনিসপত্রগুলো খোলা হয়। এরপর সেগুলো থানা থেকে ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে নেওয়া হয়।

এ দিকে থানার সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য যারা জিনিসগুলো উপহার দিয়েছেন তারা বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এছাড়াও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, একজন ওসি ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তা। সর্বসাকুল্যে তিনি ২২ হাজার টাকা মূল বেতন ও আনুষাঙ্গিক মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকার মত বেতন পান। (হিসেবটি আনুমানিক ধরা হয়েছে, চাকরির মেয়াদ, ইনক্রিমেন্ট অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে)

এ টাকার বেতনভুক্ত একজন সরকারি কর্মচারী একটি ১ টনের এসি, ৫৬” এলইডি স্মার্ট টেলিভিশন, সোফা সেট কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য রাখেন না। যদি না তিনি এসবকারও কাছ থেকে উপহার হিসেবে পান। সেই উপহারের জিনিস ওসি বদলি হওয়ায় খুলে নেওয়া এলাকাজুড়ে চলছে সমালোচনা, কানাঘুষা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৫১৭০/১ (৪৯) (আরওআই) আদেশে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার এই বদলির আদেশের পরের দিন শুক্রবার রাতে থানার এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা জানান, থানায় জিনিসপত্র ব্যক্তিগত কাউকে দেওয়া হয় না। থানায় যে ওসি আসবে সেই ব্যবহার করবে। এজন্যই জিনিসপত্রগুলো কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এতো নিচু মন মানসিকতার ওসির সেটা জানা ছিল না।
থানার পুলিশ সদস্য উদয় বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে জিনিসপত্রগুলো খুলে নেওয়া হয়েছে। এরপর সেগুলো ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে রাখা হয়েছে।

নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জুরান মন্ডল বলেন, থানার সৌন্দর্য্য বর্ধন ও থানার যেই ওসি আসুক তারা যেন সুবিধা ভোগ করতে পারে সেজন্য বালু মহলের টাকা দিয়ে জিনিসপত্রগুলো দেওয়া হয়েছে। থানার স্বার্থে, কারও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। শুনেছি তিনি সেগুলো খুলে নিয়ে যাচ্ছেন, এটা ঠিক না। তাকে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া হয়নি। তার চেয়ারটাকে সম্মান করে দেওয়া হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান জানান, ওসির টাকায় কেনা জিনিসপত্র হলেতো সে নিতেই পারে। এই বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই।

বদলি হওয়া ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যেগুলো থানা হতে খোলা হয়েছে সেগুলো ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কেনা। সুতরাং সেগুলো আমি নিতেই পারি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কারও অনুদানের টাকায় কিনে থাকলে সেগুলো ওসি নিতে পারেন না। যদি ব্যক্তিগত টাকায় কেনা হয় তাহলে নিতে পারবেন। যদিও এই বিষয়ে কিছুই জানি না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২৩ ০১:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আবাসিক হোটেলে অভিযান, ১৩ নারীসহ আটক ২৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আবাসিক হোটেলে অভিযান, ১৩ নারীসহ আটক ২৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৩ নারীসহ ২৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের গোড়াই এলাকায় ইয়ার গার্ডেন আবাসিক হোটেল থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

মির্জাপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোবারক হোসেন খান ও মোতালেব হোসেন খানের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ইয়ার গার্ডেন নামের একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। সেখানে ১০টি কক্ষে প্রতিদিন নারীদের এনে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানো হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এমন খবর পেয়ে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানে হোটেলের ম্যানেজারসহ অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত ১৩ নারী ও ১২ পুরুষকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- হোটেলের ম্যানেজার পিন্টু, বরিশালের উজ্জল হোসেন, কুড়িগ্রামের সাইদুল, রংপুরের মামুন, নারায়ণগঞ্জের আবু তালেব, লালমনিরহাটের সোহাগ, কুড়িগ্রামের ফারুক হোসেন, টাঙ্গাইলের মিজানুর রহমান, পাবনার আলম, বগুড়ার খাজা মোল্লা, কিশোরগঞ্জের মিম আক্তার, কুড়িগ্রামের জয়নব বেগম ও শিল্পী আক্তার, কুষ্টিয়ার হাসিনা বেগম ও রহিমা বেগম, গাইবান্ধার সাথি বেগম, শরিফা আক্তার ও সাবিনা আক্তার, গাজীপুরের কৃষ্টি আক্তার, বরিশালের সোনিয়া আক্তার, দিনাজপুরের হোসনে আরা বেগম, বরিশালের তানজিলা আক্তার ও শেরপুরের নাসিমা আক্তার।

মির্জাপুর থানার দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আইয়ুব খান জানান, গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকায় আবাসিক হোটেলের নামে ইয়ার গার্ডেনে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছিল। অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ছাড়া জড়িত না থাকায় দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অজ্ঞাত এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের সেনের মাকুল্লা গ্রামের বৈরাণ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, স্থানীয় লোকজন নদীর ধারে কাজ করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। লাল শার্ট ও প্যান্ট পড়া লাশের বিভিন্ন অংশ ফুলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মুখে রক্ত লেগে চেহারা বিবর্ণ রুপ ধারণ করেছে।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, স্থানীয়রা নদীর পাড়ে কাজ করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত ওই যুবকের মরদেহটি দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, লাশের শরীরসহ মুখমণ্ডল পচে বিকৃত হয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাজারে বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রশাসনের ব্যবস্থায় সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা ও প্রতিশ্রুত সেবা না দেওয়ার কারনে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টীম বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলুয়া বাজারে একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিশ্রুত সেবা না দেয়ায় এ্যানি ডেন্টাল কেয়ারকে ৫ হাজার টাকা ও সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রচুর পরিমানের মূল্য বিহীন ঔষধ সংরক্ষণ, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা (অবৈধ্যভাবে নামের আগে ডাক্তার লেখা/ভূয়া ডাক্তার) করায় রোকেয়া ডেন্টাল ক্লিনিককে ২০ হাজার টাকাসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়িদের ক্রয়/বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।

এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইলের জেলা পুলিশ। জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করা ও প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকালে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের গোবিন্দাসী বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অর্থদণ্ড প্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন- গোবিন্দাসী বাজারের মো: বেলাল হোসেন ও মো. আলমগীর। এদের মধ্যে বেলালকে ৩ হাজার ও আলমগীরকে ২ হাজার টাকা, মোট ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০-এর মাধ্যমে গোবিন্দাসী বাজারের দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।

সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‍্যাব পরিচয়ে বাস থেকে নামিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‍্যাব পরিচয়ে বাস থেকে নামিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে র‌্যাব পরিচয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা থেকে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার টাকা উত্তোলন করে হেলাল মোল্লা নামে তার এক চাচাত ভাই বাসযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন।

হেলাল মোল্লার বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের গবরা গ্রামে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঘটনাটি ঘটলেও বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার আনা কিছু স্বর্ণ চাচাত ভাই হেলাল মোল্লা মির্জাপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জুয়েলার্সে বিক্রি করেন। ৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা নগদ এবং ১৪ লাখ টাকার চেক দেন ওই ব্যবসায়ী। পরে হেলাল মোল্লা সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা হতে টাকা উত্তোলন করে মির্জাপুর বাইপাস বাস স্ট্যান্ড হতে বিনিময় পরিবহনের একটি বাসে উঠে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শুভূল্যা নামক স্থানে একটি প্রাইভেটকার বাসের গতিরোধ করে।

পরে তারা র‌্যাবের পরিচয়ে টাকাসহ হেলাল মোল্লাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে তুলে চোখ বেঁধে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে মহাসড়কের জামুর্কী কবরস্থান নামক স্থানে হেলালকে ফেলে ছিনতাইকারীরা কার নিয়ে চম্পট দেয়। ছিনতাইকারীদের পরনে র‌্যাবের কালো কটি ও হাতে পিস্তল এবং ওয়্যারলেস ছিল বলে হেলাল মোল্লা জানিয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা বুধবার বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস এম মুনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দুই ব্যবসায়ীকে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন টাঙ্গাইল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে এ অভিযান পরিচালনা করেন তাঁরা।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারি পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টিম উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় সংরক্ষণ মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এল.পি.জি. গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, লাইসেন্স ছাড়া এবং গ্যাসের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ না রাখায় রাহাত গ্যাস স্টোরকে ১০ হাজার ও মাসুদ এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।

তবে অভিযানের সংবাদ পেয়ে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দ্রুত উধাও হয়ে যায়।

এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সাহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।

জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:১০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার আবাসন আইন অমান্য করে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন ওই এলাকায় বসবাসরত পাঁচটি পরিবার। স্থানীয় মাতাব্বরদের মধ্যস্থতায় এর নিস্পত্তি না হওয়ায় সমস্যা নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ওই পরিবারগুলো।

প্রায় দুই বছর ধরে এমন অমানবিকতার শিকার হচ্ছেন টাঙ্গাইল পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের কচুয়াডাঙা প্রাইমারী স্কুলের সামনে বসবাসরত পাঁচ পরিবার।

সমস্যা সমাধানে দফায় দফায় স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও এর স্থায়ী কোন সুরাহা পায়নি পরিবারগুলো। পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার সিদ্ধান্ত দেন বৈঠকের স্থানীয় মাতাব্বররা। মাতাব্বরদের রাস্তা ছাড়ার সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেই দেয়াল নিমার্ণ করেছেন ওই প্রতিবেশী বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসির অভিযোগ, প্রভাবশালী কতিপয় মাতাব্বরের ইন্দনে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আবাসন আইনে প্রতিবেশীদের চলাচলের জন্য রাস্তা ছাড়ার বিধান থাকলেও ওই মাতাব্বরদের প্ররোচনায় সে আইনের তোয়াক্কা করছেন না জমি ক্রেতারা। রাস্তা না থাকায় অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে পরিবারগুলোর চলাচল করতে হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ অনৈতিক। স্থানীয়রা নীরিহ হওয়ায় এ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মিজানুর রহমান, আব্দুল্লাহ্, শাহাদত, শাওন ও মনিদের পরিবার। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, ইতোপূর্বে এই স্থান দিয়ে চলাচলের রাস্তা ছিল। দুইজন ওই স্থানের ৮ শতাংশ জমি কিনে চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় মাতাব্বররা দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার জন্য বললেও এ জমির ক্রেতা সেই সিদ্ধান্ত না মেনেই দেয়াল নির্মাণ করেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা চর থেকে এসে এখানে বাড়ি করেছি বলে এমন অত্যাচারের শিকার হচ্ছি। রাস্তা না থাকার কারণে মানুষের বাড়ির উপর দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে নানা ধরণের সমস্যায় রয়েছি আমরা। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবগত করা হলেও এর কোন সুরাহা পায়নি।

আব্দুল্লাহ্ বলেন, অতীতে জমিগুলো ফাঁকা ছিল। এ কারণে চলাচলের কোন সমস্যা হত না। সম্প্রতি জমিটুকু বিক্রি হওয়াসহ সেই জমিতে দেয়াল নির্মাণ করার কারণে চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মাতাব্বররা দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার জন্য জমি ক্রেতাদের বললেও রাস্তার জন্য কোন জায়গা ছাড়ছেন না তারা। এতে আমাদের পাঁচটি পরিবারের যাতায়াতে চরম সমস্য দেখা দিয়েছে। পৌর আইনে প্রতিবেশীদের চলাচলের সুবিদ্ধার্থে রাস্তা ছাড়ার বিধান থাকলেও সেই আইনী সুবিধা পাচ্ছিনা আমরা।

চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের কথা স্বীকার করেছেন জমি ক্রেতা রহিম। তিনি বলেন, আমার দুই শালিকার নামে ওই জমিটুকু কেনা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলরের হস্তক্ষেপে দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাস্তার জন্য ছাড়া ওই দুই ফুট জায়গার বিপরীতে রাস্তা সুবিধাভোগীরা আমাকে দুই ফুট জায়গা দেয়ারও সিদ্ধান্ত দেন কাউন্সিলর। প্রতিবেশীরা জায়গা না দেয়ায় আমি দেয়াল নির্মাণ করেছি।

জমি ক্রেতা সত্তর বলেন, আমার জমি এক অংশ দিয়ে রাস্তা ছাড়া আছে। এক জমির দুই দিক দিয়ে রাস্তা দেয়া কি সম্ভব ?

পাঁচ পরিবারের চলাচলে চরম অসুবিধার কথা স্বীকার করেছেন স্থানীয় মাতাব্বর বাবর আলী। তিনি বলেন, আমরা কয়েকবার রাস্তার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। সমাধানের জন্য আমি ওই জমি ক্রেতাদের রাস্তার জন্য তিন ফুট জমি ছাড়লে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দুই ফুট জমি নিয়ে দিব এমন প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। তবে রহস্যজনক কারণে আমাদের সেই প্রস্তাবও মানেননি তারা। বিষয়টির সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান আলীম বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোছা: মাহমুদা বেগম জেবু জানান, প্রতিবেশীদের চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে অবশ্যই রাস্তা ছাড়তে হবে জমির মালিকদের। লিখিত অভিযোগ দিলে পৌর কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূ সাহিদা হত্যাকাণ্ড: ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ সাহিদা হত্যাকাণ্ড: ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৃহবধূ সাহিদা বেগমকে (৪০) হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী সোনা মিয়াকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৯ মাস পর মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সকালে সাভারের ধামরাই এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোনা মিয়া তাঁর স্ত্রী সাহিদাকে নিয়ে লাকড়ি কাটতে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে দেওবাড়ি বনে যান। সেখানে দুজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সোনা মিয়া দা দিয়ে সাহিদাকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

এ সময় মাথার মগজ ও ভুঁড়ি বের হয়ে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সোনা মিয়া পলাতক ছিলেন। তিনি উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাহিদার বড় ভাই হাফেজ আলী বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ সোনা মিয়াকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরেনি স্কুল ছাত্র - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরেনি স্কুল ছাত্র

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম কে.আর.এস ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থী দীপ্ত সরকার (১৪) দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে।

পরিবার ও জিডি সূত্রে জানা যায়, দীপ্ত সরকার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ভাতগ্রাম কে.আর.এস ইনস্টিটিউশনে ৮ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সকালে সে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যায়। দীর্ঘসময় পর বাড়িতে না ফেরায় তাকে খোঁজাখোঁজি করা হয়। এরপর থেকেই দীপ্তর পরিবার আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার (১৮ আগস্ট) ওই ছাত্রের বাবা মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

দীপ্তর বাবা প্রণব কান্তি সরকার বলেন, মির্জাপুর ও পার্শ্ববর্তী দুটি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান মিলছে না। পুলিশ জানিয়েছে তারা দীপ্তকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার এস.আই মাহফুজুর রহমান জানান, একটি জিডির কপি পেয়েছি। ওই ছাত্রকে উদ্ধারের জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) রাতে জেলার কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার উত্তর রাজবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নাম মোঃ আব্দুল মান্নান। সে এলেঙ্গা পৌরসভার উত্তর রাজবাড়ী এলাকার মৃত হামিদ সিকদারের ছেলে।

এ প্রসঙ্গে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার রাত্রে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি দক্ষিণ)পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার উত্তর রাজবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান কালে এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আবুল মান্নানকে নিষিদ্ধ মাদক ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, আটককৃত নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত মান্নানের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতেই কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২৩ ০৯:১৯:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।