একতার কণ্ঠঃ বয়স গোপন রেখে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) বাংলা ২য় পত্র চলাকালে কেন্দ্রের সভাপতি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান তাকে বহিষ্কার করেন।
ওই পরীক্ষার্থী নাগরপুর সদর ইউনিয়নের দুয়াজানী গ্রামের মো. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের ছেলে এসএম শামীম আল মামুন।তিনি নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।
জানা যায়, এসএম শামীম আল মামুন ২০০০ সালে মো.শাহীনুর ইসলাম , পিতা. মো.রিয়াজ উদ্দিন নাম দিয়ে চৌহালী জনতা হাইস্কুল থেকে রাজশাহী বোর্ডে অধিনে ৬১৩ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিক পাস করে।
পূর্নরায় ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে নাম পরিবর্তন করে এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী ও পিতা. মো.রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ২০২৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। রোববার( ৩০ এপ্রিল)বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা চলাকালে বিষয়টি কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আসে। ওই কর্মকর্তা তার উর্ধ্বতন অফিসারকে বিষয়টি জানান। এসময় ওই ছাত্রের কাছে জানতে চাইলে অকপটে সব স্বীকার করে। পরীক্ষা শেষে এডমিট কার্ড ও রেজিঃ কার্ড জব্দ করে হল কর্তৃপক্ষ।
এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী বলেন, আমি ২০০০ সালে রাজশাহী বোর্ড থেকে এসএসসি পাস করেছি। সার্টিফিকেটে বয়স কমানোর জন্য নতুন করে ২০০৭ সালে জন্ম তারিখ দেখিয়ে জন্ম সনদ বের করে এবং ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি।
কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা জিএম ফুয়াদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালনকালে ওই ছাত্রকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাই।
কেন্দ্র সচিব ও নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী মনসুর বলেন, ওই ছাত্রর এনআইডি কার্ডে তার বয়স ১৯৮৪ আর জন্ম সনদে তার বয়স ২০০৭।
নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শাহীনুর ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে সে এসএসসি পাস করেছে। সে ২০/২২ বছর পর আবার এসএসসি পরীক্ষা দিতে আসছে। মূল বয়স গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করাটা অপরাধ। এ কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পালিমা এলাকায় চাঞ্চল্যকর আবুল হোসেন (৫৬) হত্যা মামলায় চাচাতো ভাই মকবুল হোসেন, ভাতিজা শরিফ ও মনিরকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২ মে) ভোরে গাজীপুর জেলার বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের আবুল হোসেনকে জোরপূর্বক বিষপানে হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে গাজীপুরে অভিযান চালায় র্যাব। মঙ্গলবার ভোরে জেলার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে মকবুল, শরিফ ও মনিরকে আটক করা হয়। পরে তাদের কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বসত বাড়ির জমি ও শ্যালো মেশিন পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১১-১২ জন মিলে গত ২৭ এপ্রিল রাতে আবুল হোসেনকে হাত-পা বেঁধে জোরপূর্বক মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরবর্তীতে তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহত আবুল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মনোয়ারা বেগম (৪৫) বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বন থেকে এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকার একটি আনারস বাগান থেকে গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় শমসের আলী (৩০) নামের ওই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শমসের আলী উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। সে পেশায় একজন কুলি শ্রমিক ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ইয়াকুব আলী জানান, সোমবার রাতে শমসেরসহ ৪ বন্ধু মিলে স্থানীয় একটি বাড়িতে মদ পান করতে যায়। মদ পান করে ফেরার পথে তাদের মধ্যে কোন বিষয়ে ঝগড়া হতে পারে। এই ঝগড়ার জের ধরে শমসের আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে সুরতহাল রির্পোট শেষে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে থানায় এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) ফারহানা আফরোজ জেমি জানান, সোমবার রাতের কোন এক সময় শমসের আলী নামে এক শ্রমিককে হত্যা করে শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকায় আনারস বাগানে ফেলে রাখা হয়। নিহতের মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। হত্যার কারন ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ বলে জানান এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান ও স্থানীয় সন্ত্রাসী আজাদ দেওয়ান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী (৪৮)।
মঙ্গলবার (২ মে) বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের এস ডি এস এলাকায় চায়না প্রজেক্টের কাজ দেখতে গিয়ে তিনি এ হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাইস চেয়ারম্যানকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান এস.ডি.এস ও ধলেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল, অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটায় বাঁধা প্রদান করায় ভাইস চেয়ারম্যানের ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
হামলার শিকার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহত আব্বাস আলী জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় মানববন্ধন করা হয়। এ কারণে সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ানের সঙ্গে শ্রমিক নেতা আব্বাস আলীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার মাটি কাটার বিষয়ে বাঁধা প্রদান করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। বিকেল চারটার দিকে আমার সাথে লোকজন না থাকায় প্রতিপক্ষ সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান তার লোকজন নিয়ে আমার উপর আতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমি ও গাড়ী চালক জহুরুল ইসলাম (৩৪), সোলায়মান হাসান আইয়ুব (৩৮)সহ তিনজন আহত হয়েছি। বর্তমানে তিনজনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।
অভিযুক্ত সাবেক কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, হামলার ঘটনাটি আমি জানিনা। এছাড়া হামলার ঘটনায় আমি ছিলামও না। আব্বাস ও তার বাহামভুক্তরা দৈনিক এলাকায় বিচারের নামে চাঁদাবাজি করে। এ ক্ষোভে মহিলারা তাকে ধাওয়া দিয়েছে বলে আমি শুনেছি। আমার নাম অহেতুক জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম জানান, হামলার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এখনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধ মাটি ভর্তি ট্রাফি ট্রাক্টরের চাপায় নাসরিন আক্তার (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে।
সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলার কাকাড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত গৃহবধূ নাসরিন ওই গ্রামের জামাল বাদশার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহানন্দপুর গ্রামের মনির হোসেন এবং জিতাশ্বরী গ্রামের ফারুক নিষিদ্ধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটির ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে ওই গ্রামের জামাল বাদশার বাড়িতে অবৈধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ফেলে। এক পর্যায়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টরটি গৃহবধূ নাসরিন আক্তারকে চাপা দেয়। এ সময় তাঁর মাথা পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর ছেলে হৃদয় মিয়া জানান, মা আমাদের তিন ভাই বোনকে এতিম করে চলে গেলেন। ঘাতক চালক একটু সচেতন থাকলে এমন হতো না।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক ও ডেকোরেটরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ভ্রাম্যমান আদালতে এ জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই বৈশাখী মেলা চলছিলো। এসএসসি পরীক্ষার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসন। মেলা বন্ধ হওয়ায় স্টলের ব্যবহৃত বাঁশ শহীদ বেদিতে রাখা হয়।
সোমবার মহান মে দিবস উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে না দিয়ে পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করায় বিষপানে আয়েশা আক্তার আশা (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।
গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ওই ছাত্রীর পরিবার তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সে অভিমানে বিষ পান করে।সোমবার (১মে) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আয়েশা আক্তার উপজেলার কচুয়া গ্রামের আজহার আলীর মেয়ে।সে স্থানীয় সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আয়শা আক্তার আশার সঙ্গে এক প্রতিবেশী সহপাঠীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) তাকে পারিবারিক ভাবে তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয় তার পরিবার। তার মতের বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার কথা শুনেই সে বিষপান করে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার(১ মে) ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বিষপানে আত্মহত্যা করা মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়ার কলেজ পাড়ায় বিয়ের দাবিতে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী। শুক্রবার(২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন কথিত ওই প্রেমিকা।
যুবক সাইফুল ইসলাম বাবু সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার মো. মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.শাহীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া ওই নারী জানায়, সে আর সাইফুল এক সাথে টাঙ্গাইল ‘ল’ কলেজে পড়ালেখা করতো। সেই সুবাদে বিগত ১ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে।
তিনি আরো জানান, সাইফুল তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। এখন বিয়ে করতে অস্বীকার করছে তার প্রেমিক সাইফুল। এমনকি সাইফুলের পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তিনি । তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান ওই নারী।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
অবশ্য সাইফুল ওই মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করছেন।’
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, এ নিয়ে ওই নারী এখনো থানায় কোনও অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া-রাজাবাড়ি ইউনিয়নের তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়ায় সরকারি পুকুর (সায়রাত মহল) থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শামীম সহ তক্তারচালা নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরহাদ সিকদার, মো. শান্ত মিয়া, সোহেল সিকদার ও তুহিন মিয়া।
সরেজমিনে দেখাযায়, উপজেলার তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়া গ্রামের ৭২ শতাংশ আয়তনের একটি সরকারি পুকুর থেকে ভেকু বসিয়ে ১৫-২০টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি কেটে সততা এন্টার প্রাইজের রশিদের মাধ্যমে বিক্রি করছেন একটি মহল। সরকারি শাল-গজারী বনের মধ্যে অবস্থিত পুকুরটি থেকে মাটি কাটতে গিয়ে অনেক মুল্যবান বনজ গাছ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশের বাড়ি গুলোতে লাল মাটির ধুলার আস্তরণ পড়ে গেছে। এই মহলটি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।

এছাড়াও কোটি টাকা ব্যয় করে নতুনভাবে সংস্কার করা তক্তার চালা-বাইটকারচালা সড়কটিতে দিনরাত ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ওই সড়কটি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছে।
তারা আরো জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তারা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতর থেকে বনভুমি বিনষ্ট করে লাল মাটি কাটার সাহস পাচ্ছে। গত একমাস যাবৎ তারা ভুমি অফিসে মাটি ফেলার নাম করে সরকারি ওই পুকুর থেকে মাটি কাটছে। লোক দেখানোর জন্য নাম মাত্র ইউনিয়ন ভুমি অফিসে অল্প কিছু মাটি ফেলছে। পুকুরের নব্বই শতাংশ মাটি তারা রশিদের মাধ্যমে অন্যত্র বিক্রি করছে। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয় বলে তারা জানান।
এ প্রসঙ্গে মাটি ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা শামীম মিয়া মুঠোফোনে জানান, সরকারি পুকুর থেকে মাটি কেটে সখিপুর উপজেলা চত্তর ও হাতীহান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মাটি ফেলা হচ্ছে। অন্যত্র মাটি বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারী হামিদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি, এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না। আপনি ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তার কাছে জানেন।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা সাঈদা নাজনিন জানান, ওই পুকুর থেকে সরকারি ভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। কিছু মাটি ভূমি অফিসে ফেলা হচ্ছে। আর অবশিষ্ট মাটি অন্যত্র বিক্রি করে তাদের ভেকু খরচ উঠিয়ে নিচ্ছে।
সখীপুর সহকারী কর্মকর্তা(ভূমি) হা-মীম তাবাসসুম প্রভার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, সখিপুরে হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে নিচু জায়গা ভরাট করার জন্য ওই সরকারি পুকুর থেকে মাটি কাটার বিষয়টি আমি জানি। সরকারি বিধি মোতাবেক মাটি ভরাট করতে গেলে সময় ও ব্যায় বেশি হওয়ায় মৌখিকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আপন ভাইয়ের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবুল হোসেন ওরফে গাজী (৫৫) নামের এক ব্যাক্তিকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা সীমাকাছরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবুল হোসেন ওরফে গাজী পালিমা সীমাকাছরা গ্রামের মৃত রিয়াজ মন্ডলের ছেলে।
নিহত আবুল হোসেনের মেয়ে নার্গিস আক্তার জানান, আমার বাবা আবুল হোসেন ওরফে গাজী সীমাকাছরা এলাকার মৃত ইকবাল হোসেনের ছেলে বেলালের সেচ মেশিন লীজ নিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমার মা ও বড় ভাই সালমানের মাধ্যমে জানতে পারি বুধবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে আমার বাবাকে একজন ডেকে নিয়ে যায়। পরে ফজরের আযানের সময় ঘরের বারান্দায় বাবাকে ফেলে রেখে আমার মাকে ডাক দিয়ে চলে যায়। পরে আমার মা বাইরে এসে দেখে বাবার হাত মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা এবং মুখ দিয়ে গোলটা বের হচ্ছে।
তিনি জানান, পরে আমার ভাইকে ডেকে এনে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন তাকে কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। ওয়াশ করে সেগুলো বের করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাক্তার আমার বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান, তার আপন চাচা করিমের সাথে বাড়ির জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত তিনদিন আগেও চাচা করিম, তার ছেলে আশরাফুল ও তার উকিল বিয়াই মকবুল আমার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং আমার চাচা বলে যে পর্যন্ত আবুল কে না মারমু সে পর্যন্ত ভাত খামুনা।
এসময় তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে আমার চাচা করিম ও তার উকিল বিয়াই মকবুলরাই মেরে ফেলেছে।
এবিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান,নিহতের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম কালিহাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে আলমগীর হোসেন (২৩) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে মৃতের দাদির ঘরের আড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
আত্নহননকারী আলমগীর মধুপুর উপজেলার আকাশী গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানা যায়, পারিবারিক কলহে স্ত্রীর সাথে আলমগীরের বেশ কিছু দিন যাবৎ অভিমান চলছিল।
মধুপুর থানার উপ পরিদর্শক(এসআই) আমির আলী জানান, পারিবারিক কলহের জেরে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় রাত দিনের কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ৩ জনের ফাঁসী দেওয়া লাশ উদ্ধার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।
এদের মধ্যে একজন বৃদ্ধ ও দুইজন শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাত থেকে বুধবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার কুড়াতলি, কুইচতারা ও পোস্টকামুরী গ্রামে এই ঘটনা গুলো ঘটে।
মির্জাপুর থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কুড়াতলী গ্রামের আব্দুল কাদের পলান (৬০) বাড়ির পাশে একটি গাব গাছের ডালে দড়ি পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। গভীর রাতে তাঁর স্ত্রীর ঘুম ভেঙে গেলে পলানকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে থাকেন।
পরে বাড়ির পাশে গাব গাছে তাঁর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি।
এ দিকে মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের কুইচতারা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী আব্দুস ছালাম মিয়ার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে সায়মা আক্তার শিমু (১৫) ঘরের সিলিং ফ্যানে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। রাতে শিমুর মা ঘুম ভেঙে মেয়েকে দেখেত না পেয়ে পাশের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় শিমুর মরদেহ দেখতে পান।
এ ব্যাপারে পরিবারের লোকজন মৃত্যুর কারণ পুলিশকে জানাতে পারেনি।
অন্যদিকে, ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের (আর ওয়ান ফাইভ) মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ার কারনে বুধবার সকাল সারে দশটার দিকে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বসবাসরত পোস্টকামুরী গ্রামের আমিনুল হোসেন লিটনের কলেজ পড়ুয়া ছেলে ফয়সাল আহমেদ জয় (১৭) তাঁর কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। জয়ের মা হোসনেয়ারা সকালের নাশতা খেয়ে তাকে বাসায় রেখে পাশেই তার বাবার বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ পর তারই ছোট বোন বাসায় ফিরে এসে জয়কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, লাশ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এ সব ঘটনায় থানায় তিনটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।