/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ৬ জুয়ারি কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৬ জুয়ারি কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ছয় জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে গোপালপুর থানা পুলিশ।

বুধবার (১০ মে) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হচ্ছেন, ঘাটাইল উপজেলার পাঞ্জনা গ্রামের মো. শাহাদৎ খানের ছেলে মো. সিয়াম খান (২৭), গোপালপুর উপজেলার সুন্দর গ্রামের মো. মজিবর রহমানের ছেলে মো. আব্দুল মোমিন (২৮), নন্দনপুর ফকিরবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল সামাদের ছেলে খন্দকার আব্দুল জলিল (৫০), ঝাওয়াইল গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জহির মিয়া (৩০), ডুবাইল আটাপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল কাশেমের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৪) ও মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মোহাম্মদ আলী আহমেদ সোহাগ (২৮)।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৯ মে) মধ্য রাতে থানার এসআই মো. শফিকুল ইসলাম ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধার ডিউটি করার সময় খবর পান নন্দনপুর গ্রামের রঞ্জু মিয়ার পতিত জমিতে তাস দিয়ে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলা চলছে।

তিনি আরোও জানান, পরে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনের চার ধারায় মামলা করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৩ বছর আগে
৫ বছরেও নির্মিত হয়নি বাসাইলের সেই হেলে পড়া সেতু - Ekotar Kantho

৫ বছরেও নির্মিত হয়নি বাসাইলের সেই হেলে পড়া সেতু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়া সেতুটি ৫ বছর পরেও নির্মিত হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সেতুটি না থাকায় পার্শ্ববর্তী ১০ গ্রামের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুন। উদ্বোধনের পূর্বেই হেলে পড়া সেতুটি উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের নিরাইল এলাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিজ খরচে পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় প্রকল্প পরিচালক। কিন্তু তা আর আলোর মুখ দেখেনি। অভিযোগ রয়েছে বাসাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) যোগসাজসে পার পেয়ে গেছেন ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে উদ্বোধনের আগে হেলে পড়া সেই সেতুটি। দেখে মনে হয় এক অভিসপ্ত নগরির ধ্বংসাবশেষ।এলাকাবাসীর অভিযোগ বার বার জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সেতুটির বিষয়ে কোন প্রকার সুরাহ হয়নি।

সূত্রমতে, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ১২৮টি সেতু নির্মাণ করে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়। বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় ৬০ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মানের কাজ পায় মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপাইজ নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় উদ্বোধনের পূর্বেই সেতুটি হেলে পড়ে। এ সময় বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত শেষে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিজ খরচে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়ার নিদের্শ দেয়।

এরপর পরই ঠিকারদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটি পুনরায় নির্মাণের লক্ষে সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙ্গা শুরু করে। এর অংশ হিসাবে সেতুটির উপরের অংশ ভেঙ্গে রড বের করে নিয়ে যায়। কিন্তু এরপর ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটি পুনরায় নির্মাণ না করে দিয়ে কাজ শেষে করে বিল তুলে নেয়। ঐ সময় অভিযোগ ওঠে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন সাত লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রতিবেদন দেন। এতে করে ওই প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ শেষ না করেই সেতুটি ভেঙ্গে ব্যবহৃত রড ও কংক্রিট নিয়ে যায়। এতে করে সড়ক ব্যবহারকারীদের দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করে।

এদিকে দীর্ঘ দিনেও ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পার্শ্ববর্তী বালিয়া, ফুলকি, ফুলবাড়ি, বাঘিল, নিরাইলসহ অন্তত ১০ গ্রামের মানুষের। একজন মুমূর্ষ রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে ১০ কিমি রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নিরাইল এলাকার রবি মিয়া বলেন, হেলে পড়া সেতু দিয়ে বড় গাড়ি চলাচল না করতে পারলেও সাধারন মানুষ পাড় হতে পারতো। কিন্তু সেতুটি ভেঙ্গে ফেলায় এখন আমাদের দূর্ভোগ আরোও বেরে গেছে। আমাদের এলাকা কৃষি প্রধান এলাকা। সেতুটি না থাকায় আমরা কৃষি পন্যেরও ন্যায্য মূল্য পাই না।

স্কুলছাত্র মো. রামিম বলে, বর্ষা মৌসুমে আমার দূর্ভোগের কোন সীমা থাকে না। বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় অনেক সময় আমাদের বই খাতা ভিজে যায়।

এ বিষয়ে ফুলকি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সামছুল আলম (বিজু) বলেন, যখন ওই সেতুটি নির্মাণ হয়, তখন আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। তবে আমি চাই আমার এলাকার জনগণের সুবিধার জন্য ওই স্থানে একটি সেতু পুনরায় নির্মাণ হোক। এ জন্য আমি খুব শীঘ্রই জেলা প্রাশাসক বরাবর একটি আবেদন করবো।

এ ব্যাপারে জানতে বাসাইল উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘুষ গ্রহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের ক্ষতি হবে জেনে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করে দেয়নি। এ ছাড়া ওই স্থানে প্রতিষ্ঠানই সেতু নির্মানের কোন প্রকার প্রকল্প পুনরায় হাতে নেয়নি বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার জানান, দুর্নীতির বিষয়ে যাচাই বাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জনগনের সুবিধার জন্য সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করার জন্য খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০২:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফার বিরুদ্ধে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও তার পরিবার গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশা গ্রামে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী মো.শাহীন আলম এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী মো. শাহীন আলম বলেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের ৯ তারিখে সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত মৈশা মৌজার সাড়ে ৪৬ শতাংশ চাষের জমি আমার নিকট বিক্রির প্রস্তাব করে। যাহার বিক্রি মুল্যে নির্ধারিত হয় ৫ লাখ ৭৭ হাজার সাত শত টাকা। ওই দিনই ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করিয়া ও ৫২ হাজার ৭’শ টাকা বাকি রাখিয়া স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মজনু সরকার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পঞ্চতারা বেগমের স্বাক্ষীতে উক্ত জমির বায়না পত্র সম্পন্ন করি। উক্ত জমির বায়না সম্পন্ন হওয়ায় ওই জমির উপর আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি স্থাপন করি। বর্তমানে এই ফ্যাক্টরিতে ৩০ জন শ্রমিকের কর্মরত আছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৭ বছরেও তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার বায়নাকৃত সম্পত্তি আমাকে রেজিস্ট্রি দলিল না করিয়া দিয়া, নানান তালবাহানা করে আসছে। উপরন্ত জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দিলে গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার ক্যাডার বাহিনীর প্রধান ফরিদসহ বেশকিছু সন্ত্রাসী আমার প্রতিষ্ঠানে আসিয়া প্রাণনাশ ও গুম করিয়া ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে বাঁশের খাম দিয়া সন্ত্রাসী ফরিদ আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার ডাক চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। পরে উক্ত জমি রক্ষায় গত ৫ মার্চ টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়ায়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এছাড়া টাঙ্গাইল সদর থানায় জীবন রক্ষার্থে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি)করতে গেলে আওয়ামী লীগ নেতার প্রভাবে উক্ত জিডিটি গ্রহন করেননি।

তিনি বলেন, আমার ওই ফ্যাক্টরিটি ব্যাংক ও ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্থাপন করেছি।বর্তমানে ওই আ’লীগ নেতার ভয়ে আমি ও আমার পরিবার এলাকা ছাড়া হওয়ার ফ্যাক্টরিটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে থাকায় ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তার প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের জীবন রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য মো. শওকত আলী, স্থানীয় মাতাব্বর আজিবর দেওয়ান, তায়েজ উদ্দিন, সামাদ মিঞা, আবু হানিফ ,আব্দুল মান্নানসহ শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
বাচ্চাটা আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম - Ekotar Kantho

বাচ্চাটা আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে রাইসকুকার কার্টুনের ভেতর থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে এলেঙ্গা-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার সিংগুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার পশ্চিম পাড়া কবরস্থান জামে মসজিদের পাশ থেকে অজ্ঞাত নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া নবজাতকের সাথে কার্টুনে লেখাযুক্ত একটি কাগজের টুকরো পাওয়া যায়। এতে লেখা ছিল- ‘দয়া করে আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম। বাচ্চাটা ১২ ঘণ্টা বেঁচে ছিল।’ নবজাতকের সাথে কার্টুনে এক হাজার টাকাও ছিল।

এই নবজাতকটি দেখতে স্থানীয় ও আশ-পাশের এলাকার বিভিন্ন লোকজন ভিড় করে।

এ ঘটনায় মসজিদের ইমাম গোলাম মোস্তফা জানান, ফজরের নামাজ ও সকালে মক্তব শেষে বাড়িতে ধানের কাজ করছিলাম। সে সময় খবর আসে মসজিদের দরজার পাশে একটি রাইসকুকার রাখা। রাইসকুকারের কার্টুনটি দেখে কেউ কেউ ধারণা করছিল অন্যকিছু থাকতে পারে। তাই ভয়ে কেউ কার্টুনটি খুলতে সাহস পাচ্ছিল না।

তিনি আরো জানান, এরপর ঘটনাস্থল মসজিদে এসে দেখি সামনের দরজার পাশে কার্টুন। পরে মসজিদ কমিটির লোকজনদের সাথে নিয়ে কার্টুনটি খুলে দেখি ফুটফুটে এক মৃত নবজতাক ও সাথে লেখা যুক্ত এক টুকরো কাগজ রয়েছে। এ বিষয়টি জানাজানি হলে নবজাতকটি দেখতে ভিড় করে উচ্ছুক জনতা। তারপর পুলিশকে খবর দিলে নবজাতকটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কার্টুনসহ নবজাতকটির মরদেহ উদ্ধার ও সুরতাহাল শেষে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে নবজাতকটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দিনের বেলায় কেটে নিয়ে গেলো গজারী বাগানের সব গাছ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দিনের বেলায় কেটে নিয়ে গেলো গজারী বাগানের সব গাছ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইাল উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ভেলুয়াটিকি বাইকার চালা এলাকায় দিনের বেলায় সংঘবদ্ধ চিহ্নিত গাছ চোরের দল কেটে নিয়ে গেছে মুল্যবান গজারীর গাছ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ধলাপাড়া রেঞ্জের আওতাধীন বটতলী বীটের অন্তর্ভুক্ত বাইকার চালা পাহারী অঞ্চলে দুইমাসে প্রায় ১০লক্ষাধিক মুল্যবান গজারী গাছ কেটে নিয়েছে এলাকার চিহ্নিত গাছ চোর চক্র।

গত দুইমাস আগে মুল্যবান গজারী গাছ থাকলেও দুইমাস পরে গিয়ে দেখা যায় বাগান মরুভুমির মতো খালি পড়ে আছে।

এলাকার এক বাসিন্দা জানান, এই বাগানে প্রায় ৫০০ শত মুল্যবান গজারী গাছ ছিলো কিন্তু চোরের দল দিনে দুপুরে কেটে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মুল্য ১০লাখ টাকা হতে পারে ।এভাবে দিনের বেলায় গাছ চুরি যাওয়াতে প্রকৃতির বিরুপ প্রভাব পরছে পরিবেশের উপর।

এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মুঞ্জরুল ইসলাম জানান, আমরা কিছু গাছ উদ্ধার করেছি বাকিটা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে জামাল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহফুজ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত মাহফুজ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুমিনপুর গ্রামের ছোবহান মন্ডলের ছেলে।

কোম্পানী অধিনায়ক জানান, রোববার (৭ মে) বিকেলে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার নলমারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব শক্রতার জের ধরে গত ২২ এপ্রিল ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন জামাল। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন ঢাকা মহানগরের সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন জামাল।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহত জামাল হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ মাসুদা বেগম ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ধনবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ধনবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০২:২৮:এএম ৩ বছর আগে
স্বজনদের দাবি, মাদকাসক্ত স্বামীই স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন - Ekotar Kantho

স্বজনদের দাবি, মাদকাসক্ত স্বামীই স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন

একতার কণ্ঠঃ স্বামী শাহেদ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস একে একে বিক্রি করেন। সর্বশেষ গত সপ্তাহে তাঁর টিনের ঘরটিও বিক্রি করে দেন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছিল। এর জেরে স্ত্রী মনিরা বেগম ও দুই সন্তানকে শাহেদ হত্যা করে পালিয়েছে, এমন ধারণা করছেন মনিরার পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা। পুলিশও বিষয়টি সামনে রেখে তদন্তে নেমেছে।

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে গতকাল শনিবার(৬ মে) সন্ধ্যায় মো. শাহেদের স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাশেই বিছানায় পড়ে ছিল শাহেদের দুই ছেলে মুসফিক (৮) ও মাশরাফির (২) লাশ। ঘটনার পর থেকে শাহেদ পলাতক।

রোববার(৭ মে) দুপুরে মনিরার মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, মামলায় মনিরার স্বামীসহ তিনজনের নাম রয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিন–চারজনকে আসামি করা হয়েছে। সুরতহালে দেখা গেছে, দুই ছেলেকে ঘাড় মটকে হত্যা করা হয়েছে। মনিরার মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বোঝা যাবে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের পর রবিবার দুপুরে তিনজনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখার সময় নিজ গ্রামে তাঁদের দাফনের প্রস্তুতি চলছিল।

সকালে দেলদুয়ার উপজেলার চকতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামজুড়ে শোক বইছে। মনিরার বাবার বাড়ি ও স্বামীর বাড়ি রাস্তার এপার-ওপার। মনিরার ঘর খোলা পড়ে আছে। সেখানে ঢুকে দেখা যায়, ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে তাঁদের জামাকাপড়। ঘরের পেছন দিকে সিঁধ কাটা। স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, এ সিঁধ কেটেই ঘর থেকে মনিরার স্বামী পালিয়ে গেছেন।
ওই গ্রামের শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া জানান, মনিরার স্বামী শাহেদের বাবা ফজলু মিয়া পুলিশে চাকরি করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর একবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনিও মাদকাসক্ত ছিলেন। কয়েক মাস আগে একটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর গ্রাম ছেড়েছেন।

শাহেদ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তিনি স্ত্রীর গয়না, ঘরের থালাবাটি বিক্রি করে নেশা করতেন। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সর্বশেষ গত সপ্তাহে তাঁর বসতঘর ২০ হাজার টাকায় চাচাতো ভাইয়ের কাছে বিক্রি করেন। ঘর ভেঙে নেওয়ার পর শাহেদ স্ত্রী–সন্তানদের নিয়ে তাঁর বাবার ঘরে ওঠেন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কয়েক দিন ধরে ঝগড়া চলছিল। ঝগড়ার জেরে স্ত্রী–সন্তানদের হত্যা করেছেন বলে মনে করছেন মনিরার মা আবেদা বেগম।

মনিরার ফুফাতো ভাই জামাল মিয়া জানান, শাহেদ নেশা করতেন। হত্যা করার আগে স্ত্রী–সন্তানকে কোনো ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে হত্যা করতে পারেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, শনিবার সন্ধ্যার দিকে যখন ঘর থেকে মনিরা ও তাঁর দুই ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়, তখনো শাহেদ বাড়িতে ছিলেন। পরে একপর্যায়ে চলে যান। একে একে তাঁদের অন্য চাচাতো ভাইয়েরা বাড়ি ত্যাগ করেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, শাহেদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দ্রুত এ হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২৩ ০১:০৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাসহ ২ ছেলের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাসহ ২ ছেলের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাসহ দুই শিশু সন্তানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার(৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চকতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান তাহমিনা হক।

তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যায় চকতৈল গ্রামের শাহেদের স্ত্রী মনিরা বেগম(২৫) তার দুই ছেলে মুশফিক (৫) ও মাশরাফিকে (২) হত্যা করে নিজে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের তিনজনের লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ লাশ তিনটি উদ্ধার করে।

তবে একসঙ্গে দুই ছেলেকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা নাকি তাদেরকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি হত্যা করেছে এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।

স্থানীয়দের ধারণা, তিনজনকে হত্যা করে সিঁদ কেটে কেউ পালিয়ে গেছে।

এদিকে হত্যার আলোচনা উঠায় নিহত মনিরা বেগমের স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছে। ফলে সন্দেহের তীর শাহেদের দিকে। শাহেদ দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফজলুর ছেলে।

স্বামীর আত্মগোপন ও মনিরা বেগমের ঝুলন্ত লাশ মাটিতে লেগে থাকায় সন্দেহের গভীরতা বাড়ছে।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, আমি ঘটনাস্থলে। লাশ তিনটি উদ্ধার হয়েছে। স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছ। শাহেদকে খুঁজে পেলে এবং লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মে ২০২৩ ০৩:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ - Ekotar Kantho

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বটতলায় নির্মানাধীন চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু অভিযোগ করে বলেন, জেলা ও উপজেলার কোন নেতা বা জনপ্রতিনিধিদ্বয় চায়না প্রজেক্টের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। চায়না প্রজেক্টের দায়িত্ব বাদল এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. বাদল মিয়া নেওয়ার পর থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অযুহাতে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নতুন করে পুনরায় ৩০ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। এ জন্য তিনি চায়না প্রজেক্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কাশিল লেক ভিও নিয়েও মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

নির্মানাধীন প্রকল্পটি সম্পূর্নরূপে চালু হলে অন্তত ৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। যারা এমন একটি শিল্পকে ব্যহত করতে চায়, আমি তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আগামী দিনে যদি কেউ এ প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবি করেন, তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খান বাহাদুর, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো.আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো.আতিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলমগীর হোসেন, আওয়ামী যুবলীগের নেতা মহসিন মিয়া ,মো.শাহ আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. উজ্জ্বল মিয়া, কাশিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শুভ জমাদারসহ স্থানীয় শতাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, আমি কোন শিল্পের বিরুদ্ধে নই। আমি শুধু তিন ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার প্রতিবাদ করেছি। এছাড়া তিনি কারো নিকট কোন প্রকার চাদা দাবি করেননি বলেও জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ১১:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিসিক শিল্প নগরীর ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিসিক শিল্প নগরীর ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিসিক শিল্প নগরীর মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের বাজার তদারকি টিম।

বুধবার(৩ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বাধীন তদারকি টিম ওই জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, বাজার তদারকিমূলক অভিযান চলাকালে অনুমোদনহীন ভাবে কেক তৈরি, মোড়কে মূল্য ও মেয়াদ না থাকা, নোংরা পরিবেশ এবং বাসী কেক ও বিস্কুট পুনরায় ব্যবহার করায় মেসার্স মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি জানান, তদারকি টিমের অভিযান পরিচালনাকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

তিনি আরো জানান, ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচার রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে মাইকিং ও মচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি টিম পরিচালনায় জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ০৩:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
নাজমুস সাকিবের ধর্ষণের শিকার ছোট্ট শিশুটি এখন বাক প্রতিবন্ধী - Ekotar Kantho

নাজমুস সাকিবের ধর্ষণের শিকার ছোট্ট শিশুটি এখন বাক প্রতিবন্ধী

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় ২০১১ সালে ৫ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল দেশজুড়ে। কেমন আছে সেই ছোট্ট শিশুটি? খোঁজ করতে গিয়ে জানা গেল, ওই ঘটনার পর কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে সে। বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটির এখন নির্মম জীবনযুদ্ধ। আর, সেই ধর্ষক নাজমুস সাকিব আয়েশী জীবন কাটাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনের আশ্রয় নিলেও বিচার পায়নি ছোট্ট শিশুটি। অর্থের বিনিময়ে শিশুটির বাবার মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল ধর্ষকের পরিবার। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার বিচার ছাড়া আর কিছুই চায়নি। মামলাও করেছিলেন তারা। তবে ধর্ষক নাজমুস সাকিব ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাবশালী জলিলুল আজমের ছেলে হওয়ায় পার পেয়ে গেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর বাসাবোর সবুজবাগ এলাকার ২৮ নম্বর মায়াকাননের পেছনে ৩টি বাড়ির পর একটি টিনশেডের ঘরে পরিবারের সঙ্গে থাকতো শিশুটি। পিতা সিএনজি অটোরিক্সা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছিলেন। ঘটনার দিন ফুটফুটে ছোট্ট শিশুটিকে চকলেটেরে লোভ দেখিয়ে ২৮ মায়াকাননে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান মাদকাসক্ত নাজমুস সাকিব। এরপর ছাদে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে শিশুটিকে নিচতলার গ্যারেজে রেখে পালিয়ে যান নাজমুস সাকিব। এরপর শিশুটির কান্নাকাটির শব্দ শুনে এগিয়ে আসেন বাড়ির কেয়ারটেকার বাচ্চু মিয়া। শিশুটির করুণ অবস্থা দেখে তার চিৎকারে জড়ো হন এলাকাবাসী। পরে শিশুটি পুরো ঘটনা জানান।

এ ঘটনার পর নাজমুস সাকিবের বাবা জলিলুল আজমমহ শিশুটির বাবা মিলে তাকে প্রথমে মুগদা হাসপাতালে নেন। শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে মুগদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করে। সেখানে প্রায় ২৮ দিন চিকিৎসার পর প্রাণে বেঁচে গেলেও শিশুটি হয়ে পড়ে বাক প্রতিবন্ধী। ধর্ষণের শিকার, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে শিশুটি।

সে সময় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য নাজমুস সাকিবের মামা ও বাবা মেয়েটির পরিবারকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু শিশুটির বাবা টাকা না নিয়ে বিচার চান।

নাজমুস সাকিবের প্রভাবশালী বাবা ও মামার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সবুজবাগ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

মামলার পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকেন নাজমুস সাকিব। তিনি এখন দেশ ছেড়ে থিতু হয়েছেন আমেরিকায়। সেখানে বসে কথিত এক টিভিতে বিভিন্ন মিথ্যা ও গুজব ছড়ানোর কাজ করছেন। নিজেকে পরিচয় দেন বার্তা-সম্পাদক।

সবুজবাগ এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুটির পরিবার যে বাড়িতে থাকতো এখন আর সে বাড়িতে নেই। ধর্ষণের ঘটনার বছর তিনেক পরে ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি। কারণ ধর্ষণের অপবাদ সইতে পারছিল না নিরপরাধ পরিবারটি।

স্থানীয় বাসিন্দা মোবাশ্বের হোসেন জানান, শিশুটির পরিবার লোকলজ্জার কারণে শেষ পর্যন্ত এলাকাই ছেড়ে দিল। কারণ নাজমুস সাকিবের এ ধর্ষণের ঘটনা সবাই জানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রামপুরা টিভি ভবনের পেছনের গলির আমির উদ্দিনের একটি টিনশেডের বাড়িতে থাকে পরিবারটি। দুই রুমের ঘরটিতে দুই মেয়ে আর এক ছেলেকে নিয়ে পরিবারটি কোনমতে টিকে রয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে প্রথমে কথা বলতে না চাইলেও পরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন ধর্ষণের শিকার শিশুটির পিতা।

পাশের রুমে বসে থাকা মেয়েটির দিকে ইশারা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের সুখ কেড়ে নিয়েছে ধর্ষক নাজমুস সাকিব। আমার সুস্থ মেয়েটি সেই ঘটনার ধকল সইতে না পেরে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ওই ঘটনার পর কোন কথা বলতে পারে না। মাসখানেক চিকিৎসার পর এখন কোন মতো বেঁচে আছে। কিন্তু শুধু ঘরের এক কোনায় বসে কান্না করে। মেয়ের এমন কষ্ট দেখে বুকটা ফাইট্টা যায়।’ তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, নাজমুস সাকিব আমার মেয়ের জীবনটা শেষ করে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত নাজমুস সাকিব নিজের খালাতো বোনকেও ধর্ষণ করেন। এরপর গর্ভবতী হয়ে পড়লে পরিবারের চাপে তাকে বিয়ে করেন নাজমুস সাকিব। এ ছাড়া নিজ দাদীসহ এলাকায় একাধিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আছে নাজমুস সাকিবের বিরুদ্ধে। খিলগাঁও, সবুজবাগ এবং মতিঝিল থানায় রয়েছে একাধিক মামলা এবং সাধারণ ডায়েরি। নাজমুস সাকিবের বাসাবোর বাড়ির ভাড়াটিয়া কুমিল্লার দাউদকান্দির এক গৃহবধূকে দলবেধে ধর্ষণ করেছিল নাজমুস সাকিব ও তার দল। ২০১০ সালের সেই ঘটনার পর এলাকা ছাড়েন ওই স্বামী-স্ত্রী। লোকলজ্জার ভয়ে সেইদিন মামলা করেনি, নীরবে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তারা।

ভুক্তভোগী বলেন, নাজমুস সাকিব এখন নাকি আমেরিকায় গিয়ে ইউটিউবে কিশের শো করে। সে দিনের কথা এখন আর মনে করতে চাই না। তার যৌন নির্যাতনের কথা এখনো মনে হলে আমার স্ত্রী আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালায়। আমরা সেই কষ্ট বুকে নিয়ে কোনমতে বেঁচে আছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ০২:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাগ্নের সাথে দুই সন্তানের জননী মামী উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাগ্নের সাথে দুই সন্তানের জননী মামী উধাও

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভাগ্নে (নোনাশের ছেলে ) শাকিব হাসানের (২০) হাত ধরে দুই সন্তানের জননী মামী রত্না বেগম (৩০) পালিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ মে) সকালে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া রত্না বেগমের স্বামী কাচামাল ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ সন্তানদের নিয়ে লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়ীর বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিয়েছেন। ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জয়েন উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রত্না বেগমের সাথে ভাগ্নে (আপন নোনাশের ছেলে) একই এলাকার মৃত সহিদ মিয়ার ছেলে প্রবাসী শাকিব হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন মাস আগে ভাগ্নে শাকিব দেশে ফিরলে তাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে ছোটবেলা থেকে সন্তানের মতো লালন-পালন করা ভাগ্নে শাকিবের সঙ্গে মামী রত্না বেগম তার সন্তানদের রেখে পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে লাঙ্গুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফন্নু এই ঘটনায় সমাজ ও গ্রামের মান ক্ষুন্ন হয়েছে দাবি করে ভাগ্নে শাকিব ও মামী রত্না বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ১২:৫১:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।