/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ককে জেরে ডেকে এনে প্রেমিকাকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণের মূলহোতা মোহাম্মদ আলীকে শুক্রবার ( ১৮ আগস্ট) ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ আলী(২৫) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার মহেলা এলাকার সেকান্দর আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাযিল ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে গত সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে আসে। পরে ভুক্তভোগীকে উপজেলার পৌলী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মোহাম্মদ আলী । ধর্ষণের পর তার বন্ধু সোহেলের কাছে ভুক্তভোগী তরুণীকে তুলে দেয়। বন্ধু সোহেলও ওই তরুনীকে ধর্ষণ করে।
এ সময় ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশকে সংবাদ দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগী ওই তরুণীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশ আরো জানায়,ভুক্তভোগী তরুণীর পিতা থানায় প্রেমিক মোহাম্মদ আলী (২৫) ও বন্ধু সোহেল (৩০)কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে কালিহাতী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে এসআই সাজ্জাত হোসেন ও এএসআই রাকিবুল ইসলামের একটি পুলিশী টীম উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামী মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বুধবার গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামীর বন্ধু ফটিকজানী গ্রামের শাজাহানের ছেলে সোহেল রানা (৩০) কে আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়। ভিকটিম ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২৩ ০৭:৩৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিরূপ মন্তব্য করে বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি ফেসবুকে পোস্ট ছাত্রলীগ নেতার! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিরূপ মন্তব্য করে বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি ফেসবুকে পোস্ট ছাত্রলীগ নেতার!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জায়ামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাযার ছবিতে বিরূপ মন্তব্য করে ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। পরে তার দেয়া পোষ্টটি মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

তবে আলোচনা ও সমালোচনার মুখে বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) সকালে নিজের ফেসবুকে দেয়া পোষ্টটি ডিলিট করেন ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল। তার পোষ্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জানাযায় মানুষের সংখ্যা কম এবং জামায়াত নেতা সাঈদীর জানাযায় বিপুল সংখ্যাক মানুষের উপস্থিতির ছবি ছিল।

বুধবার (১৬ আগষ্ট) রাতে ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন তার ব্যবহৃত ফেসবুকে ওই পোষ্ট করেন। এরআগে বুধবার বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে ”মো. সৈকত মৃধা বরিশাল” নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্ট করেন। তার ওই ফেসবুক পোষ্টটি শেয়ার করেন গোপালপুরের ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন।

ছাত্রলীগ নেতা ইকবালের পোষ্টে দুই ছবি দিয়ে লেখা ছিল, “ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, একজনের জানাযায় মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় নাই। আরেকজনের জানাজা পড়ার জন্য লাখো মানুষ জীবনবাজি রেখে লড়াই করছে। আল্লাহু আকবার। এটাই জীবনের সফলতা।”

পোষ্ট শেয়ার দেয়ার বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্টটি ভুলবশত করে ফেলেছি। পরে ফেসবুক থেকে মুছে (ডিলিট) করে দিয়েছি। একজন দুইজনের জানাযার ছবি দিয়ে পোষ্ট দিয়েছিল সেটার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট করেছিলাম।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বুধবার রাতে বিতর্কিত পোষ্টটি সে শেয়ার করেছিল। পরে তাকে সেটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করার জন্য বলা হলে সেটি ডিলিট করে ফেলেছ। ছাত্রলীগের নেতা হয়ে সে ওই ধরণের বিতর্কিত পোষ্ট করতে পারে না। বিষয়টি জেলা নেতাবৃন্দকে জানানো হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, কয়েকদিন নিয়মিত প্রোগ্রাম থাকাতে কোন কিছু জানতে পারিনি। এই বিষয়ে আমার জানা নেই। কেউ অবহিতও করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোবাইলে প্রেম; দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইলে প্রেম; দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

একতার কণ্ঠঃ মোবাইলে প্রেম করে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলি এলাকায়।

সোমবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে পৌলি এলাকায় সড়ক ও জনপথের (সওজ) একটি ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণের শিকার হয় ওই তরুণী।

এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ। এ ঘটনার প্রধান আসামি প্রেমিক মোহাম্মদ আলী (৩০) পলাতক রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত প্রেমিকের বন্ধু মো. সোহেল রানা (২৩) সে এলেঙ্গা পৌরসভার ফটিকজানী এলাকার মো.শাজাহানের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলীর সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে আসে প্রেমিক।

তিনি আরও জানান, পরে ওই তরুণীকে উপজেলার পৌলি এলাকায় সড়ক ও জনপথের (সওজ) ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মোহাম্মদ আলী । ধর্ষণের পর প্রেমিকের বন্ধু সোহেলের কাছে ওই তরুণীকে রেখে চলে যায় সে।

তিনি জানান, পরে সোহেলও ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও প্রেমিকের বন্ধু সোহেল রানাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর পিতা সোমবার বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃত সোহেল রানাকে বুধবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ‘ভাড়াটে খুনি’ মান্নান গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ‘ভাড়াটে খুনি’ মান্নান গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ভাড়াটে খুনি মো. মান্নানকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (১৪ আগস্ট) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকার মিরপুর-২ লালকুঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সোমবার দুপুরে মামলার বরাত দিয়ে জানান, ২০১৩ সালের ৩০ জুন রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাংগুরী দক্ষিণপাড়া গ্রামে মো. আসাদুজ্জামান মিয়া তার বাবা আব্দুল আউয়ালকে ভাড়াটে লোক দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক শ্যামল কুমার দত্ত বাদী হয়ে ১ আগস্ট মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক এ ঘটনায় জড়িত চারজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার আগে থেকেই মান্নান পলাতক ছিলেন।

তিনি আরও জানান,সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কিশোরীর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কিশোরীর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর আলমিনা আক্তার (১৫) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৩ আগস্ট) রাত আটটার দিকে উপজেলার কাঁকড়াজান ইউনিয়নের ছোটচওনা গ্রামের একটি পোল্ট্রি খামারের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আলমিনা আক্তার ওই ইউনিয়নের ছোটওচনা গ্রামের হারুন মার্কেট এলাকার আলহাজ মিয়ার মেয়ে। ওই কিশোরী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে তাঁর পিতা জানিয়েছেন।

কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে আলমিনা তার দাদার ঘরের একটি কক্ষে ঘুমাতে যায়। রবিবার (১৩ আগস্ট) সকালে তাকে আর সেখানে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আলমিনাকে না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। পরে রাত ৮টার দিকে খবর আসে স্থানীয় একটি পোল্ট্রি ফার্মের পাশে আলমিনার লাশ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সখিপুর থানা পুলিশ কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

কিশোরীর বাবা আলহাজ মিয়া জানান, তার মেয়েটি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। মেয়ের মৃত্যুতে কারও বিরুদ্ধে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই।

তবে কিশোরী আলমিনার দাদা আবদুল আজিজের দাবি তাকে কেউ হত্যা করেছে। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আলমিনা কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তবে চিকিৎসা করানো হয়েছে, এখন সে সম্পূর্ণ সুস্থ। আমার নাতনির খুনিকে ধইরা দিতে হবো, খুনির উপযুক্ত বিচার করতে হবো। খুন কইরা যারা এখানে ফালাইয়া রাখছে আমি তাগো উপযুক্ত বিচার চাই।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে ওই কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় প্রধান শিক্ষকের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় প্রধান শিক্ষকের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে জামাল হাটকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদীনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৪ আগস্ট) ‍দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী ফারজানা আলম এ দণ্ডাদেশ দেন।

জয়নাল আবেদীন উপজেলার সাড়াশিয়া গ্রামের মর্তুজ আলীর ছেলে।

জানা যায়, জামাল হাটকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নানা সময় উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে।

প্রতিকার চেয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক রেবেকা আক্তার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে সোমবার ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিনি ওই শিক্ষককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, সোমবার বিকেলে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৩ ০১:১১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে প্রাণ গেল  যুবকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে আরিফ সিদ্দিকী (৩৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেলসড়কের মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিফ সিদ্দিকী উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের কাইয়ুম সিদ্দিকীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় কয়েকজন মাদকাসক্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস ও মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় যানবাহন এবং ট্রেন স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের মোবাইল ফোনসহ মালামাল ছিনতাই করে আসছিলেন। শনিবার ভোরের দিকে সংঘবদ্ধ চক্রটি রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ছিনতাই করতে গেলে চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই আরিফ সিদ্দিকীর মৃত্যু হয়।

মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. কামরুল হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেল পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও মোবাইলের তিনটি কভার উদ্ধার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ০১:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে প্রাণ গেল প্রবাসী স্ত্রীর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে প্রাণ গেল প্রবাসী স্ত্রীর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে নিহত হয়েছেন প্রবাসী স্ত্রী। শনিবার (১২ আগস্ট) উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বর্ণী গ্রামের সিদ্দিক পালোয়ানের ছেলে ইরাক প্রবাসী রুবেল পালোয়ানের (৩৫) সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার তারাকান্দি গ্রামের মৃত মোক্তার উদ্দিনের মেয়ে জর্ডান প্রবাসী রুবি আক্তারের (২৭) প্রবাসে থাকা অবস্থায়ই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বছরের ২৯ এপ্রিল রুবেল ইরাক থেকে দেশে চলে আসেন।

এদিকে ১ মে রুবি জর্ডান থেকে দেশে আসেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রুবিকে রিসিভ করে নিজ বাড়ি দেলদুয়ারের বর্ণিতে নিয়ে আসেন রুবেল।

সেখানে ২ মে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে রুবেল সস্ত্রীক শ্বশুরবাড়ি কিশোরগঞ্জে বেড়াতে যান। স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি রেখে রুবেল নিজ এলাকায় চলে আসেন। স্বামী তাকে আনতে না যাওয়ায় ২০ জুন রুবি একাই বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি চলে আসেন। এর পর টাকা লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে একাধিক সময় বাগবিতণ্ডা হয়। ৩ আগস্ট রুবিকে আবার বাবার বাড়ি রেখে আসেন রুবেল। স্বামী না যাওয়ায় ১০ আগস্ট রুবি আবার একাই স্বামীর বাড়ি চলে আসেন। ১১ আগস্ট শুক্রবার ওই টাকার হিসাব নিকাশ নিয়ে তাদের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রুবেল দা দিয়ে রুবির মাথায় একাধিক কোপ দেয়। এতে রুবি গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে রুবি মারা যান।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, অভিযুক্ত স্বামী রুবেলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশ আটক করেছে। থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ১২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার সাবালিয়ায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে চার চিকিৎসকসহ ১০জনকে জেলহাজাতে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীন এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া চার চিকিৎসক হলেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক সিলেট মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লাহ কায়সার, তার স্ত্রী ডা. আসমা আক্তার, টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আজিজুল হক, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তাপস চন্দ্র সাহা।

এছাড়া অন্যরা হলেন- ডা. তাপস চন্দ্র সাহার স্ত্রী মুক্তা রানী প্রামাণিক, মো. ওয়ারেস, আতোয়ার রহমান, মামুনুর রহমান, আব্দুল্লা আল মিলন ও সুলতানা ইয়াসমিন।

আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার সাজ্জাত হোসেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করেন, বিবাদিরা টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকায় তাদের ১০ শতাংশ জমি জাল পর্চা তৈরি করে ক্রয় বিক্রয় করেছেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার মামলার তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রত্যয়নপত্র (অভিজ্ঞতার সনদ) চাওয়ায় লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছে আনোয়ার হোসেন নামে ভুক্তভোগি এক মাদরাসার শিক্ষক। তিনি উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।

এমন অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই মাদরাসায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করলেও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

ভুক্তভোগি সহাকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি মাদরাসার পার্শ্ববর্তী সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহাকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। বিষয়টি মাদরাসার সুপার ও সভাপতিকে অবহিত করলে গত ২৬ জুলাই মাদরাসায় মিটিং আহবান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মিটিংয়ে প্রত্যায়ন প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনির সঙ্গে তর্কবিতর্ক ঘটলে লাঞ্ছিত করে। কমরর্ত এ প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করলেও নানা অজুহাতে আমাকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না। ফলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছি না।

এ বিষয়ে মাদরাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার ও অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডলকে একাধিবার মোবাইল ফোন কল করলেও রিসিভ করেননি।

মাদরাসার প্রধান (সুপার) মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ইংরেজি শিক্ষক সংকট
থাকায় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে প্রত্যায়ন বা অভিজ্ঞতার সনদ দেওয়া হয়নি। তাছাড়া সভাপতির অনুমতি লাগবে।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সভাপতি আলহাজ লায়ন মো. ইমদাদুল হক বলেন, মাদরাসার
স্বার্থে তাকে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি পরে দেখা হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যয়নপত্র আটকিয়ে রাখার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি জানলাম। এনিয়ে সুপারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৯ আগস্ট) ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ইউপি সদস্য শহীদুল ও তার সহযোগী কাজলের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ের চাকরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য আমার মেয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদে যায়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ বন্ধ থাকায় শহিদুল আমার মেয়েকে মিথ্যা কথা বলে, তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী জানান, শহিদুল মেম্বারের সঙ্গে আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখি, ইউনিয়ন পরিষদ তালা বদ্ধ। পরে শহিদুল মেম্বার আমাকে বলে তার বন্ধু জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করে। এ সময় আমাকে নিয়ে সেই বাড়িতে যায়। এ সময় ঘরের ভেতর প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার পরিবারে মা ছাড়া আর কেউ নেই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শহিদুলের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘাটাইল অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১১:১৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় লিটন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার(৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিটন মিয়া জেলার মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামী লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামী ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার ঘরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। পরে বিয়ের কথা বললে, ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি প্রদর্শণ করে। পরে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এস আই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।

উল্লেখ্য,বাদি পক্ষের মামলা দায়ের থেকে মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে এডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১০:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।