/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে স্ত্রী-সন্তান বাড়ি না থাকায় যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী-সন্তান বাড়ি না থাকায় যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নিজ ঘরে এখলাছ উদ্দিন (৩৫) নামে এক যুবক ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার চর অলোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের মাধ্যমে এ খবর পেয়ে দুপুরে নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

সে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের চর অলোয়া গ্রামের সোহরাব আলী মুন্সীর ছেলে। এখলাছ তিন সন্তানের বাবা। সে শ্রমিকের কাজ করতো।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, এখলাছ উদ্দিন মানসিক রোগে ভুগছিলেন। এছাড়া ৪-৫ মাস আগে স্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট ভাইয়ের ঝগড়ার ঘটনা ঘটে এবং মামলা হয়। পরে এখলাছের তিন সন্তান নিয়ে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান। স্ত্রী শ্বশুর বাড়ি চলে যাওয়ায় এখলাছ আরও হতাশায় ভুগছিলেন। এ অবস্থাতেই শ্রমিকের কাজ করতো সে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় তার মা খাবারের জন্য ডাকতে গেলে দেখতে পান ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে। পরে তার মা ডাক-চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন এসে ঘরের আড়ার থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ নিচে নামায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরফান আলী জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার এবং মরদেহের সুরতাহল শেষে থানায় নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরোও জানান, পরে বিকালে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার স্ত্রী বাড়ি না থাকায় হতাশায় হয়তো সে আত্মহত্যা করতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২৩ ০৩:২৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার এস.এস.সি পরীক্ষার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার এস.এস.সি পরীক্ষার্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে এস.এস.সি পরীক্ষা শেষে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয়েছে আলিফ লাম (১৭) নামে এক পরীক্ষার্থী।

বুধবার (১৭ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেটের সামনে হামলার শিকার হয় আলিফ।

পরে স্থানীয়রা আহত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে রক্তাত্ব অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হামলার শিকার আলিফ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা শিবরাম গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে এ বছর দাইন্যা বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে (মানবিক বিভাগ) এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী আলিফ নিজে বাদী হয়ে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের সাকরাইল বটতলা পাশ্ববর্তী এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে আমিনুর রহমান (১৬) সহ অজ্ঞাত ১২ থেকে ১৩ জনের নামে কাগমারী পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করে।

হামলা প্রসঙ্গে, বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, হামলাকারী আমিনুর রহমান ইতোপূর্বেও আমার স্কুলের সামনে এসে দলবল নিয়ে গ্যাদারিং করত। স্কুলের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে এসে বিড়ি-সিগারেট খেয়ে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করত ও ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করত। পরে আমরা স্কুলের শিক্ষকরা মিলে ঐ কিশোর গ্যাংকে পুলিশে সোপর্দ করি।

তিনি আরোও জানান, বুধবার এস.এস.সি পরীক্ষা শেষে আমার এক শিক্ষার্থীকে ঐ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মারধর করেছে। এ অবস্থায় আমার ওই শিক্ষার্থীর পরবর্তী পরীক্ষাগুলো দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ শাহীনুর রহমান জানান, আলিফ নামে এক এস.এস.সি পরীক্ষার্থী অভিযোগ দায়ের করেছে। আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২৩ ০২:১৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর ইসমাইল হত্যা, দুই ভাই আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর ইসমাইল হত্যা, দুই ভাই আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ইসমাইল হোসেন মোল্লাকে হত্যার ঘটনায় বুধবার(১৭ মে) দুই ভাইকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব-১৪)।

বুধবার (১৭ মে) দুপুরে র‌্যাব-১৪ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আটককৃতরা হচ্ছেন- সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালোমেঘা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জালাল মোল্লার ছেলে জাকারিয়া মোল্লা(৩২) ও এনামুল মোল্লা(৩০)।

তাদেরকে ঢাকা মহানগরের খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ এলাকা থেকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১৪ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য ঢাকা মহানগরের নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুই ভাইকে আটক করে। র‌্যাব সদস্যরা ইতোপূর্বে ওই হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরেক আসামি মো. আজিজুল হক মোল্লাকে আটক করে।

প্রকাশ, সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা সিন্দুরিয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন মোল্লার সঙ্গে মো. আজিজুল হক মোল্লা ও তোফাজ্জল হোসেন মোল্লার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

গত ১৪ মে(রোববার) জমিটি প্রতিপক্ষরা দখলের চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে ইসমাইল হোসেন মোল্লার উপর হামলা করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ওই ঘটনায় ইসমাইল হোসেন মোল্লার ছেলে মো. মামুন মোল্লা বাদি হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৩ ০৯:৩৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ মে) ভোরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের ট্রেনলাইনের জোড়বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের গড়াশিন মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে হাবিল মিয়া (১৭) ও একই উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশানন্দনাল গ্রামের মনজুরুল ইসলামের মেয়ে রিতা আক্তার (১৫)।

তারা দুজনেই ভাতকুড়া এলাকায় আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে শ্রমিকের কাজ করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিল ও রিতা আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে একত্রে শ্রমিকের কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। পারিবারিকভাবে তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তারা দুজনে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে তারা বাসাইল জোড়বাড়ী এলাকায় গিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। পরে সকালে স্থানীয়রা তাদের লাশ দেখতে পেয়ে রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। এসময় প্রেমিক হাবিলের পরিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

জোড়বাড়ী লেভেলক্রসিংয়ে গেট কিপার সুলতান মাহমুদ বলেন, ভোর ৪টার দিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ এসে নিহতদের লাশ নিয়ে গেছে।

ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের এএসআই ফজলুল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রেমঘঠিত কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৩ ০৭:৪৬:পিএম ৩ বছর আগে
বাসাইল পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা - Ekotar Kantho

বাসাইল পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়ার (২৪) বিরুদ্ধে ঘরে ঢুকে এক নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে সাকিব ও তার আরও দুই সহযোগির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামি সাবিক মিয়া উপজেলার বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে। মামলায় অন্য দুই আসামী হচ্ছেন, বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত হাকিম মিয়ার ছেলে সাইদুল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে মো. শাহেদ (২৫)।

মামলা ও ভিকটিম সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ মে) দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব ও তার দুইজন বন্ধু ওই গৃহবধূর স্বামীকে ডাক দেন। এসময় সাকিব জানায় তার এক স্বজন অসুস্থ তাকে দেখতে যেতে হবে। এজন্য সাকিব ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেলটি চেয়ে নেন। পার্শ্ববর্তী বাড়ি হওয়ায় সরল বিশ্বাসে গৃহবধূর স্বামী ঘর থেকে মোটরসাইকেলটি বের করে দেন। পরে মোটরসাইকেলটি কিছুদূর নিয়ে যাওয়ার পর পুনরায় তার স্বামীকে ডাকতে থাকেন এবং মোটরসাইকেলটি স্টার্ট করে দিতে বলেন। এসময় তার স্বামী মোটরসাইকেলটি স্টার্ট দিতে গেলে কৌশলে সাকিব ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে মুখ বেধে ধর্ষণ করতে থাকে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মুখের বাধন খুলে গেলে তিনি চিৎকার শুরু করেন। এসময় তার স্বামী ও আশপাশের লোকজন এসে সাকিবকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে তার অন্য সহযোগিরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাকিবকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে কাউকে জানালে বা মামলা করলে হত্যারও হুমকি দেওয়া তাদের।

এদিকে, এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাসাইল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলেও আদালতে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ওই মেয়ের মাত্র তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে। এই সময়ে বখাটে সাকিব এরকম ঘটনা ঘটিয়েছে। সাকিব উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউসের ভাতিজা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। এঘটনায় ভিকটিমের পরিবার চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কামরান খান বিপুল বলেন, ঘটনায় ছাত্রলীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নের্তৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস জানান, এই ধর্ষণের ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো নাটক। পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ওই গৃহবধূকে দিয়ে এই ধর্ষণ মামলাটি করিয়েছে।

এঘটনায় অভিযুক্ত সাকিব মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভূক্তভোগি নববধূর মামলা না নেওয়ার বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কেউ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করতে থানায় আসেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের এলেংজানী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মাটি খেঁকো সালাম খান গংদের বিরুদ্ধে। ফসলি জমি দিয়ে ট্রাক নিতে বাঁধা দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা করেছে বালু খেঁকোরা। এতে দুই বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ তিন জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলার পর এক আসামীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

হামলায় আহতরা হচ্ছেন, উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দুলাল হোসেন ও মো. একাব্বর আলী। এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দুলাল হোসেন বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘারিন্দার রাশেদ খানের হস্তক্ষেপে তার বোন জামাই সালাম খান দীর্ঘ দিন যাবত নওগাঁ ও তারটিয়া গ্রামের এলেংজানী নদী থেকে রাতের আধারে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে। প্রথমে বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী তার জমি দিয়ে ট্রাক নেয়ার অনুমতি দিলেও পরবর্তীতে তিনি মৌখিকভাবে না করেন। সালাম খান বিষয়টি না শোনায় তিনি ফসলি জমির উপর বাঁশ দিয়ে বেড়া দেন। গত ৯ মে সেই বাঁশের বেড়া উঠিয়ে সালাম খান ট্রাক নেয়ার চেষ্টা করে। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী এগিয়ে গিয়ে বাঁধা দিলে তার উপরে হামলা করে। তার আত্মচিৎকারে তার ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দুলাল মিয়া ও একাব্বর আলী এগিয়ে গেলে তাদের উপরও হামলা করে সালাম খান গংরা। তাদের লাঠির আঘাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী ও একাব্বর আলীর ডান পা ভেঙে যায়। তারা বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ১৪ মে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দুলাল মিয়া বাদি হয়ে সালাম খানকে প্রধান আসামী করে চার জনের নাম উল্লেখ করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম হায়দার আলী বলেন, ঘারিন্দার রাশেদ খানের কথায় আমার ফসলি জমির উপর দিয়ে প্রথমে ট্রাক নেয়ার অনুমতি দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আরেক জমি দিয়ে ট্রাক নিতে গেলে সেখানে বাঁধা দেই। তারপর মাটি খেঁকো সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা করে। এতে আমরা তিন ভাই গুরুতর আহত হই। অবৈধ মাটির ট্রাক যেতে বাঁধা দেয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা করা হবে, সেটা কল্পনাও করি নাই। আমি মাটি খেঁকো সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, আহতরা সবাই আমার আত্মীয়। এ বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার পর মৃদুল নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (১৫ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মে ২০২৩ ০৩:২২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ কিশোরী ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ মে)দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রূপম কুমার দাস তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জামিন নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আদালতে হাজির হন। বড়মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। কিন্তু গত ৩০ এপ্রিল চেম্বার জজ আদালত চার সপ্তাহের জামিন স্থগিত করে ২ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। গত রোববার ছিল ২ সপ্তাহের শেষ দিন। টাঙ্গাইল আদালতের একজন আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে গত রোববার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সোমবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে বড়মনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থণা করেন। এসময় অর্ধ শতাধিক আইনজীবী তার জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বাদী পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য,গত ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও মারধর ও ধর্ষণে সহযোগিতা করার জন্য আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় উল্লেখ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নেয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে আবার ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর ওই কিশোরী গত ৬ এপ্রিল বেলা তিনটার দিকে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেসকে জান্নাত রিপা ওই কিশোরীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে কিশোরীকে তার এক আত্মীয় শামীমা আক্তারের কাছে জিম্মায় দেন আদালত। ওই সময় ডাক্তারী পরীক্ষায় ওই কিশোরী ২৫ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্তা বলে জানান টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সাদেকুর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৩ ১০:২০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ইসমাইল হোসেন (৬২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ধলা মিয়া (৪০) নামের আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছে।

রোববার (১৪ মে) সকালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা সিন্দুরিয়াপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত ইসমাইল হোসেন ওই এলাকার খোরশেদ আলম ওরফে খুরছু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মামুন মিয়া বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন ওই এলাকার নছুমুদ্দিনের কাছ থেকে ১ একর জমি ক্রয় করে। এরপর থেকে জমিটি ওই এলাকার নতু মোল্লার ছেলে আজিজ মোল্লা, তোফাজ্জল মোল্লা, নব্বে মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম গোনাই এবং আবুল হোসেনের ছেলে কামরুল হাসান ও সাইফুল ইসলাম তাদের বলে দাবি করে কয়েকবার দখলের চেষ্টা করে। এ নিয়ে বিরোধ চলছিল।

রবিবার সকালে আজিজ মোল্লা ও রফিকুল ইসলাম গোনাইয়ের নেতৃত্বে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ধান কাটতে গেলে ইসমাইল হোসেন বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা ইসমাইল হোসেনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী মামুন মিয়া জানান, টাকা দিয়ে জমি কিনে বিনিময়ে বাবার লাশ পেয়েছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নুরে আলম মুক্তা জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। সালিশে জমিটি ইসমাইল হোসেনের বলে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত জমিটি প্রতিপক্ষ দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গেলে ইসমাইল হোসেনের ওপর হামলা চালায়।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৩ ০২:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
সন্তোষের জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা নির্মানের প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

সন্তোষের জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা নির্মানের প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত সন্তোষের সরকারি জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ রোধকল্পে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

শনিবার (১৩ মে)দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষ বাজারে মাওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত পীর শাহজামান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি ও বৃহত্তর সন্তোষের সচেতন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

পীর শাহজামান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক হাসরত খান ভাসানী সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ,টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, সমিতির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম আহমেদ ও মশিউর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত এই মার্কেট। মাওলানা ভাসানী বলে গেছেন এখানে খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষরা দোকান করে খাবে। এই মার্কেট কখনও ভেঙ্গে দেয়া হবে না। কিন্তু ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র তাদের মধ্যে ৩৫% ও ৬৫% অবৈধ চুক্তিপত্র করে জলাশয় ভরাট করে এখানে বহুতল মার্কেট নির্মানের পায়তারা করছেন।

তারা আরো বলেন,এখনও সময় আছে এই অবৈধ কাজ বন্ধ করুন। তা না হলে আমরা এর কঠিন জবাব দিতে প্রস্তুত আছি। মানববন্ধন শেষে যে স্থানে মাটি ভরাট কার্যক্রম চলছিলো সেখানে গাছের চারা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বেকুর ড্রাইভারকে বেকু সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মে ২০২৩ ০১:০৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাফা (১৪) নামের সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ মে) সন্ধ্যায় পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

সে উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী জাকির হোসেনের মেয়ে ও সখীপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাফা ও তার ছোট ভাই তাদের মাকে নিয়ে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাসায় ভাড়া থাকত। শুক্রবার দুপুরে তার মা গ্রামের বাড়িতে যান। বিকেল ৫টায় ছোটভাই বাসায় ফিরে স্কুলছাত্রী সাফাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ দৃশ্য দেখে সাফার ছোট ভাই চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, মরদেহের পা মাটির সঙ্গে ঠেকানো ছিল। এতে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা এ নিয়ে বেশ সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করছি।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান , এখনই মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৩ ০৪:২২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীর পা বাধাঁ ঝুলন্ত লাশ উদ্বার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীর পা বাধাঁ ঝুলন্ত লাশ উদ্বার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পা বাধাঁ ও গলায় রশি ঝুলানো অবস্থায় মো. ইফসুব মিয়া (৬০) নামের এক চা কফি ও জুতা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্বার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ মে) সকালে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের পংবাইজোড়া বাজারের একটু অদুরে পুষ্টকামরি সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউ গাছের মাচা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

সে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের ইদ্দিস মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় ইউসুব। সারা দিন পংবাইজোড়া বাজারে তার নিজ দোকানে বেচাকেনা করেন। বিকেল পর্যন্ত দোকানে তাকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন আশ পাশের দোকানীরা। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে শত শত নারী পুরুষ ভীড় জমায় ঘটনাস্থলে। এ সময় সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের হাউজের উপরে লাউ গাছের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

নিহতের ছোট ভাই নূরুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় তার ভাই ইউসুব। চারটার দিকে পংবাইজোড়া বাজারে তার সাথে ভাই ইউসুবের দেখা ও কথা হয়। এর পর আর বাড়ি ফিরেনি সে। শুক্রবার সকালে ভাইয়ের মূত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউয়ের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পান।

স্বামীর মত্যু শোকে কাতর থাকায় তার স্ত্রীর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা । কিন্তু লাশের পা বাঁধা থাকার অবস্থা দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে । থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৩ ১০:৫০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদের আত্মসমর্পণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদের আত্মসমর্পণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার(১১ মে) সকালে শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

তানভীর আহম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেন। রিমান্ড চাইতে বিলম্ব হওয়ায় টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম শাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশদেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, গত শনিবার বিকেলে মা ও দুই ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে মনিরার স্বামী শাহেদকে প্রধান আসমী করে তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত তিন চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে। শাহেদ আত্মগোপন করায় পুলিশ চেষ্টা করেও শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার শাহেদ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেছে। কিন্তু আদালত শাহেদকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে শাহেদের থাকার ঘর থেকে স্ত্রী মনিরা বেগম ও দুই শিশু সন্তান মুশফিক (৮) এবং দুই বছর বয়সী মাশরাফির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মনিরা বেগম একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী মৃত মকবুল হোসেন খান ও আবেদা বেগমের মেয়ে। হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ সাবেক পুলিশ সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজলু মিয়ার ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৩ ০৫:১৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।