/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।

সোমবার (৯ মে) সকালে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের দুই স্ত্রীর সন্তান।

নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।

এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আটক ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আটক ৫

একতার  কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভুয়া ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুট কাণ্ডে চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এদের মধ্যে রবিউল করিম সুলভ (৩০) ও মাসুম বিল্লা ওরফে মুন্না (২৮) কে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এ ছাড়া ইউসুব কাজী (৭০) ও জাকির হোসেন বাবু (৩৩) কে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানা এলাকা থেকে এবং নাটোর জেলার লালপুর থানা এলাকা থেকে সেলিম মিয়া (৩৬) কে আটক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গত ১০ এপ্রিল কালিহাতীর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শামছুল হক কলেজের সামনে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চক্রটি বিকাশ এর ডিএসও পদে চাকরিরত রাসেল মিয়ার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে এলোপাথাড়ি মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ ৬ লাখ টাকা লুট করে নেয়। পরবর্তীতে তাকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা বাইপাস এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় তারা। পরে রাসেল গত ১৯ এপ্রিল কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় কালিহাতী থানা পুলিশ ও টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ চক্রের ৫ সদস্যকে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়। এসময় নগদ দুই লাখ টাকা, দুই সেট ডিবি পুলিশের পোশাক, এক জোড়া হ্যান্ডক্যাপ, একটি সিগন্যাল লাইট, একটি ওয়্যারলেস সেট ও বিভিন্ন ব্যান্ডের তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে চারজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে দোষ স্বীকার করে বৃহস্পতিবার( ২১ এপ্রিল) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দি দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২২ ১০:৩২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহেদী হাসান সজীব (২২) নামের এক যুবক প্রেমিকা ভাবীর সাথে অভিমান করে সিংগাপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

রবিবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টার দিকে তার নিজ বাসার গোসলখানার গ্রিলের সাথে গলায় রশি বেধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সজীবের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় সিংগাপুর পুলিশ।

নিহত মেহেদী হাসান সজীব উপজেলার বেড়বাড়ী দাখিল মাদ্রাসা এলাকার মতি মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত মেহেদী হাসান সজীবের সঙ্গে প্রতিবেশী এক ভাবীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া ছিল। রবিবার তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা কাটাকাটি হলে রাত ৮ টার দিকে সিংগাপুরের নিজ বাসার গোসলখানার গ্রীলের সঙ্গে গলায় রশি বেধে  আত্মহত্যা করে সজীব ।

যাদবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ধলা সজীবের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে সন্তানের লাশ দেশে আনার সহায়তা চান নিহতের বাবা- মা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৬:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ আল-আমীন (৪০) ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল খানের বড় ছেলে তিনি।

বিয়ে করেছিলেন একই উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে শিলাকে। সম্প্রতি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

আশরাফুল নামে তাদের দুই বছরের এক ছেলে রয়েছে। কিন্তু স্ত্রী শিলার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সন্তানকে কাছে রাখতে না পেরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।

এই হতাশা থেকে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন আল-আমীন। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে ঘাটাইল থানা পুলিশ মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এর আগের দিন শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে আল-আমীন বিষপান করেন। প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। একটি চিরকুট লিখে যান তার ছোট ভাই মাহমুদের কাছে। সেই চিরকুটে আত্মহত্যার কারণ লিখে যান আমীন।

চিরকুটটির হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ভাই আমার জীবন আর চালাই নিতে পারছিনারে ভাই। প্রতিটি মুহূর্ত যন্ত্রণার। মাহমুদ, অনেক ভালোবাসি ভাই তোকে। আমাকে মাফ করে দিস। আমার সংসারটা শিলার বাবা, মা আর ওর ভাই নাহিদ নষ্ট করে দিছে। আমার কলিজা টুকরাকেও নিয়ে গেছে ওরা। ভাই, প্রতিদিনের এই যন্ত্রণা কষ্ট থেকে এটা ছাড়া উপায় ছিলনা। ভাই আমার অসহায়ত্ব আর চোখের পানিও ওদের কাছে হাসি তামাশার মনে হয়েছে। ভাই বাবুকে দেখে রাখিস। আর পারলাম না ভাই। একটু একটু করে মরার চেয়ে একেবারেই মরে যাওয়া ভালো। তাও যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাব। আমার আব্বা মাকে মাফ করে দিতে বইলো ভাই। আল-আমীন ১৭/২/২২’।

Ekotar kantho

আল-আমীনের হাতে লেখা চিরকুট

আর সেই সুইসাইড নোটটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেছেন মাহমুদ।

মাহমুদের চাচা আবুল খায়ের খান বলেন, আল-আমীনের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় ছেলে আশরাফুলকে স্ত্রী (শিলা) নিয়ে যাওয়ার কারণে আমিন মানুষিকভাবে ভেঙে পড়ে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৭:৪০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউলের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউলের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত জেলা শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা(৩৮) বুধবার(২৪ নভেম্বর) বিকেলে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. সজিব মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রেজা শহরের দেওলা এলাকার মো. আজাদ আলমগীরের ছেলে। শ্রমিক লীগের রাজনীতিতে আসার পূর্বে রেজা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

প্রসঙ্গত, রবিবার(২১ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে শহরের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় রেজাউল ইসলামের উপর একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তারা রেজাউলের হাত, পা, মেরুদন্ডসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য  সাভারে অবস্থিত এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  সোমবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায়  তার অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

রেজাউলের মৃত্যুর খবরে তার এলাকায় শোকের পবিবেশ বিরাজ করছে।

রেজাউলের খালাতো ভাই জুয়েল রানা বলেন, রাতে লাশ টাঙ্গাইলে আনা হবে। বৃহস্পতিবার দাফন ও আইনগত ব্যবস্থায় যাবেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ মামলা করে নি। তবে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে ।

রেজাউলের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র নিন্দা  ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা তার খুনিকে অবিলম্বে আইনের আওয়াতায় এনে বিচারের দাবী জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৩৬:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মসজিদ মার্কেটের সামনে বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মো. বদরুল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

অভিযানে গ্রেফতারকৃত মো. বদরুল(৩০) চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা সদরের ঘটাপাড়া এলাকার মো. এনামুল হকের ছেলে।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের(জি) বিএন নেতৃত্বে একদল র‌্যাব অভিযান চালায়। অভিযানে প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ২৬ গ্রাম হোরোইন সহ মো. বদরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত বদরুলের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর গৃহবধূ নার্গিস হত্যার রহস্য উন্মোচন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর গৃহবধূ নার্গিস হত্যার রহস্য উন্মোচন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে গৃহবধূ নার্গিসকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করেন  তার সাবেক স্বামী মনিরুজ্জামান। পরে তার লাশ ধান ক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যান পাষন্ড সাবেক স্বামী  মনিরুজ্জামান। ঘটনার দেড় বছর পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে রবিবার আদালতে জবানবন্দিতে মনিরুজ্জামান এ কথা স্বীকার করেন।সোমবার(১৫ মার্চ)পিবিআই টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সিরাজ আমীন বিভিন্ন  গণমাধ্যাম কর্মীদের এ তথ্য জানান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মধুপুর উপজেলার নেকিপাড়া গ্রামের মো. নাসির উদ্দিনের মেয়ে নার্গিস ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। দুই দিন পর তাদের বাড়ির উত্তর পাশে একটি ধান ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর তার বাবা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে। পরে এ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে।

পিবিআই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ঘটনার সাথে নার্গিসের সাবেক স্বামী মনিরুজ্জামান জড়িত থাকার বিষয়টি চিহ্নিত করে। গত শনিবার মনিরুজ্জামানকে তার বাড়ি ধনবাড়ী উপজেলার কান্দিপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মনিরুজ্জামান নার্গিসকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতে জবানবন্দি দিতেও রাজি হন। রবিবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তিনি জবানবন্দি দেন।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সিরাজ আমীন জানান, জবানবন্দিতে মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন- তার সাথে নার্গিসের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। ফলে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। মনিরুজ্জামান পরে আবার বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ে করার পরে নার্গিসের সাথে আবার যোগাযোগ হয়। নার্গিস তাকে জানায় আগের স্ত্রীকে তালাক দিলে সে আবার বিয়ে করবে।

নার্গিসের কথা মতো মনিরুজ্জামান দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেন। ঘটনার দিন মনিরুজ্জামান নার্গিসদের বাড়িতে যান। সেখানে তাকে একা পেয়ে এক দফা ধর্ষণ করেন। পরে দ্বিতীয়বার ধর্ষণের চেষ্টা করলে নার্গিস বাধা দেন। তখন নার্গিসের গলা চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা শুরু করেন। এক পর্যায়ে নার্গিস মারা যান। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য নার্গিসের গলায় ওড়না শক্ত করে পেঁচিয়ে লাশ ধান ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যান মনিরুজ্জামান। ঘটনার পর মনিরুজ্জামান এলাকা ছেড়ে চলে যান । সে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় আবার বিয়ে করেন তিনি।

টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আকরামুল ইসলাম মনিরুজ্জামানের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২১ ০৩:৫১:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।