/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ ভারতীয় মালিকানাধীন কোম্পানি একটি ওয়ার হাউসে ডাকাতির মামলায় টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চাঁদপুর জেলার পুরান বাজার এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), জামালপুর জেলার পোড়াভিটা গ্রামের স্বজলের ছেলে ফরহাদ ওরফে ফারুক (৩৩) এবং ময়মনসিংহের বালিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (২৭)।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ও বুধবার (২০ ডিসেম্বর) গাজীপুর জেলার বাইমাইল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে লুষ্ঠিত ৩ হাজার ৯১৩ কেজি এ্যালুমিনিয়ামের বিদ্যুতিক তার উদ্ধারসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার আরও জানান, গত ১২ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার বিক্রমহাটিতে ভারতীয় মালিকানাধীন কোম্পানির একটি ওয়ার হাউসে ১ হাজার ২০০ মিটারের বিদ্যুতিক তার, মোবাইল ও সিসি ক্যামেরা ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, এ ঘটনার পর টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে সাইফুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর ২ জনের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, রক্ত দেখে চোর শনাক্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, রক্ত দেখে চোর শনাক্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৩ মাসের ব্যবধানে এক‌টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপ‌জেলার মাইজবাড়ী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার মাদারিয়া গ্রামের রহিজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল (২৫) ও মাইজবাড়ী গ্রামের সোবহান (২০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাতের কোন এক সময় উপজেলার মাইজবাড়ীর একটি দোকানের টিনের বেড়া কেটে দোকানে প্রবেশ করে নগদ টাকা চুরি করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ঘটনাস্থলের কয়েক স্থানে রক্ত পড়ে থাকতে দে‌খে ধারণা করা হয় টিনের বেড়া কাটার সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে রক্ত ঝরেছে।

পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে দুইজন চোর‌কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনের হাত ও পায়ের বিভিন্ন অংশে কাটার দাগ রয়েছে। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চু‌রি করার কথা স্বীকার করেছে তারা।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, দোকানে চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছে। চুরির ২৩ হাজার টাকার মধ্যে ২২ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না সেটি তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর তালা ভেঙে একই দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:১৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দাদা হত্যার ঘটনায় নাতি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দাদা হত্যার ঘটনায় নাতি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পারিবারিক কলহের জেরে দাদাকে হত্যার অভিযোগে নাতি মফিজুলকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলার পাঠন্দ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মফিজুল উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার স্বরূপপুর গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাজ্জাদ হোসাইন জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামি মফিজুল পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পাঠন্দ এলাকা থেকে বুধবার বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) নিহতের মেয়ে নুরবানু বাদী হয়ে মফিজুলকে আসামি করে কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেন।

প্রকাশ, রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আনছের আলীর সাথে তার ছেলে ও নাতির ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আনছের আলীর মাথায় পিঁড়ি দিয়ে আঘাত করে নাতি মফিজুল। এতে তার মাথা থেঁতলে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে বের হওয়ার পর সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারকে মারধর ও তার গাড়িতে হামলার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার শওকত সিকদার এই হামলার জন্য টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের অনুসারীদের দায়ী করেছেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার দিনব্যাপী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগ বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তরা, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশেষ বর্ধিত সভা চলাকালে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারের বক্তৃতা চলাকালে দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের তাকে ধমক দিয়ে বসতে বলেন। এ সময় দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে বর্ধিত সভা শেষে প্রেসক্লাব থেকে বের হয়ে শওকত সিকদার তার জিপ গাড়ির কাছে আসেন। এ সময় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়ির দিকে ধেয়ে আসেন। তখন শওকত সিকদার প্রাণের ভয়ে গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই গাড়ির ওপর হামলা করে এবং সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সিকদারকে এলোপাথারি লাথি ও কিলঘুষি দিয়ে আঘাত করেন এবং গালাগালি করেন। পরে তিনি গাড়িটি নিয়ে দ্রুত প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের অনুসারী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের নির্দেশে তার কর্মীরা আমার গাড়িতে হামলা ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। হামলার বিষয়টি আমি দলের নেতাদের জানিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে আমি বা আমার কোন লোকজন জড়িত না। অন্যরা কেউ করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের জানান, শওকত সিকদারের গাড়িতে হামলা হয়নি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে গাড়িতে দুই চারটা থাপ্পর দিয়েছে বলে শুনেছেন। এ ব্যাপারে তিনি আর কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তবে তিনি অনুসন্ধান করছেন, কারা এটা করেছেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয়। সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার অনুপম শাহজাহান জয়ের পক্ষের নেতা হিসেবে পরিচিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:০৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, তার দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯-এ কল পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং দুই জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধুপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম।

ছেলে আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু সেকের ছেলে কালু মিয়া ও তার ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বাররের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা। মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে।

প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর, সামাদ এ নিয়ে গত কয়েক মাস আগে ওই জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে উত্তেজনা চলছিল।

মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এসময় আলমগীর ও জুব্বার বাঁধা দিতে গেলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এসময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাঁছে বেঁধে রাখা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগমকেও হাত পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় জমিতে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জানেন না। এধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শশুর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মোস্তফা কামাল (৪২) নামের এক ব্যক্তি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফলদা ঘোনাপাড়ায় শশুর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মোস্তফা কামাল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের আনন্দপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে। তিনি সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে সে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের পকেটে একটি ‘চিরকুট’ পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তফা কামালের স্ত্রী রুনা খাতুনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, মোস্তফা কামাল ও স্ত্রী রুনা খাতুনের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এতে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে শশুর বাড়িতে এসে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করে।

মোস্তফা কামালের বড় ভাই সাজেদুল করিম জানান, পরকীয়া নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। যে কারণে কামাল হতাশগ্রস্থ হয়ে তার স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁছিয়ে ফাঁস দিতে পারে বলে ধারণা করছি।

ফলদার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে স্ত্রীর পরকীয়া করার বিষয়টি লেখা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন করাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন করাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেনীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

দন্ডিত যুবক শহীদুল ইসলাম খোকন (২৩)। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ শিমুল গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ জানান, ভিকটিম ঘাটাইল উপজেলার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনির শিক্ষার্থী। দন্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন ভিকটিমের প্রতিবেশি চাচাতো ভাই। সেই সুযোগে খোকন ভিকটিমের বাড়িতে ও মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে খোকন নিজের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

তিনি জানান, এরপর সুযোগ পেলেই দন্ডিত খোকন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারলে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিসের ব্যবস্থা করা হয়। তখন খোকন তাকে বিয়ে করবে এবং ওই অনাগত সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে খোকন মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পরে ওই ছাত্রীর মামা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০মে ঘাটাইল থানায় শহীদুল ইসলাম খোকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি খোকন ওই শিশুর জৈবিক পিতা বলে প্রমানিত হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদনপত্র জমা দেন। পরে এই মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় শহীদুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ। সহযোগিতা করেন সহকারি সরকারি কৌঁসুলি আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস। এ মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইলিয়াস খান পারভেজ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে অগ্নিসংযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে অগ্নিসংযোগ

একতার কণ্ঠঃ নবম দফায় বিএনপি’র হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি শুরুর আগে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটির অধিকাংশ পুড়ে গেলেও কোনো হতাহত হয়নি।

সোমবার(২৭ নভেম্বর )রাত সাড়ে ১১টা দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোস্তাফিজুর রহমান জানান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বাসটি টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে মির্জাপুর ও সখিপুর রোডে যাতায়াত করে থাকে। মাঝে মাঝে মির্জাপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টসের কর্মীদেরও নিয়ে আসা যাওয়া করে বাসটি।

তিনি আরও জানান,সোমবার পোশাক কর্মীদের নামিয়ে বাসটি নাটিয়াপাড়া মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখাছিল। পরে হঠাৎ রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসে ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা হেলপার বাবলু মিয়া আগুন দেখতে পান।”

তার চিৎকারে আশেপাশে থাকা মানুষরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাসের হেলপার বাবলু মিয়া বলেন, “মহাসড়কের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে রেখে আমি ঘুমিয়ে যাই। কিছুক্ষণ পরে দেখি বাসের পিছনে আগুন।”

দেলদুয়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া বলেন, “স্থানীয়রা সংবাদ দিলে আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে এসে বাসটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বাসে শুধু হেলপার ছিলেন, তিনি আগুন দেখেই বের হয়ে আসেন তাই কোনো হতাহত নেই।”তবে বাসের ভেতর অনেকাংশই পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।

ওসি মোস্তাফিজুর বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, নাশকতা সৃষ্টির জন্য বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. নভেম্বর ২০২৩ ০৬:০৪:পিএম ২ বছর আগে
জামিন বাতিল, সাবেক মেয়র মুক্তিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ - Ekotar Kantho

জামিন বাতিল, সাবেক মেয়র মুক্তিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে ২০ নভেম্বর দেওয়া জামিন বাতিল করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

তথ্য গোপন করে জামিন নেওয়ার বিষয়টি নজরে আসায় রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

তিনি জানান, গত ২৩ আগস্ট বিচারিক আদালতে ছয় মাসের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এই অবস্থায় তথ্য গোপন করে ২০ নভেম্বর হাইকোর্টে জামিন পান সহিদুর রহমান। এরপর ২২ নভেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। বিষয়টি নজরে আসায় মামলাটি আবার হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় আসে। রবিবার আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে গত ২০ নভেম্বর দেওয়া জামিন বাতিল করে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া তথ্য গোপন ও নোটিশ নিয়ে তার আইনজীবী এম এ মুস্তাকিম ও মো. জাকারিয়া হাবিবকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করেছেন আদালত।

মুক্তি এ মামলার আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তার বাবা আতাউর রহমান খান এ আসনের বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য।

দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়।

এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন।

গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল করেন।

এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত বছরের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট মুক্তিকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরদিন ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।

পরে হাইকোর্টে রুল শুনানি হয়। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রুল শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ হয়। এরপর টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন মুক্তি। একই বছরের ২৪ অক্টোবর তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ২ বছর আগে
সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন স্থগিতের শুনানি ২৭ নভেম্বর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন স্থগিতের শুনানি ২৭ নভেম্বর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন স্থগিতের বিষয়ে শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মতি বেঞ্চে পাঠিয়েছেন চেম্বার জজ আদালত। এ বিষয়ে আগামী সোমবার (২৭ নভেম্বর) শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার জজ আদলত এই আদেশ দেন। আদালতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে তিনি জামিন পান। জামিন আদেশ কারাগারে পৌঁছালে বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

চেম্বার জজ আদালতে বৃহস্পতিবার শুনানির সময় জজ জানতে চান আসামি বের হয়ে গেছেন কি না। রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, তিনি বুধবার দুপুরে বের হয়ে গেছেন। পরে চেম্বার জজ বলেন, যেহেতু বের হয়ে গেছেন সোমবার এটি আপিল বিভাগে থাকবে।

এর আগে সহিদুর রহমান খান হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিন আবেদন বিচারাধীন থাকার তথ্য গোপন করে আরেকটি বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন। গত ১৯ জুলাই করা জামিন আবেদনের ওপর শুনানির সময় বিষয়টি নজরে আনার পর আদালত জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিলেন মুক্তি। চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।

পরে আপিল বিভাগ গত ২৭ আগস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌঁছালে বুধবার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

সহিদুর রহমান এই মামলার অন্য আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তার বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অন্য তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশ হেফাজতে ট্রাকচালকের মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশ হেফাজতে ট্রাকচালকের মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় পুলিশের হেফাজতে সুমন মিয়া (২৬) নামের এক ট্রাকচালকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানায় ট্রাকের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় ওই ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। থানা থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত সুমন মিয়া ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের জামুরিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে ঘাটাইল পৌরসভার কলেজ মোড় এলাকায় মাটিভর্তি দুটি ট্রাক জব্দ করে পুলিশ। ঘাটাইলের সাগরদিঘি এলাকা থেকে মাটি নিয়ে যাচ্ছিল ট্রাক দুটি। চালকসহ ট্রাক দুটিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১০টার পর জব্দ করা ট্রাকের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ট্রাকচালক সুমন মিয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে চেয়ার থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শহিদুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।

জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান জানান, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে সুমনের লাশ দেখতে পান। কী কারণে, কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসাইন জানান, বালুভর্তি দুটি ড্রামট্রাক জব্দ করে থানায় আনার পর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার সময় চেয়ারে বসা ট্রাকচালক সুমন মিয়া অসুস্থ বোধ করেন। একপর্যায়ে তিনি চেয়ার থেকে মাটিতে ঢলে পড়েন। দ্রুত তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৪০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গ্রাহ‌কের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় মাইকিং, ব‌্যাং‌কে পু‌লিশ মোতা‌য়েন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্রাহ‌কের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় মাইকিং, ব‌্যাং‌কে পু‌লিশ মোতা‌য়েন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপু‌রে সোনালী ব্যাংক গো‌বিন্দাসী শাখায় গ্রাহকের সঞ্চয়প‌ত্রের টাকা আত্মসা‌তের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় মাইকিং করায় ব্যাংকে পু‌লিশ মোতায়েন করা হ‌য়ে‌ছে। প‌রে ভুক্ত‌ভোগী গ্রাহকরা এক‌ত্রিত হ‌য়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কা‌ছে প্রতিকার চে‌য়ে অ‌ভি‌যোগ ক‌রেছেন।

সোমবার (২০ নভেম্বর) দুপু‌রে সোনালী ব‌্যাং‌কের অর্ধশতা‌ধিক গ্রাহক উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কা‌ছে অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন। প‌রে কার্যাল‌য়ের সামন‌ে সমা‌বেশ ক‌রে। এতে নেতৃত্ব দেন গো‌বিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদা‌র।

এরআগে র‌বিবার (১৯ ন‌ভেম্বর) সকালে গো‌বিন্দাসী এলাকায় মাইকিং ক‌রে একত্রিত হওয়ার জন‌্য ইউপি চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদা‌রের গরুর ফা‌র্মে আসার আহ্বান জানান। এদি‌কে এলাকায় মাইকিং করার ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার জন্য পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়ায় সোনালী ব্যাংক গো‌বিন্দাসী শাখার সামনে পু‌লি‌শ মোতা‌য়েন করা হয়।

জানা যায়, অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ম্যানেজার হিসেবে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় ২০২০ সালে যোগদান করে। এরপর দীর্ঘ ৩ বছর ২ মাস সেখানে কর্মরত ছিলেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে তথ্য প্রযুক্তিতে মেধাসম্পন্ন শহিদুল ইসলাম কৌশলে ব্যাংকের ১৩০ জনের সঞ্চয়পত্রের টাকা লুজ চেকের (জরুরি উত্তোলনের জন্য একক পাতা) মাধ্যমে অন্য অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা সরিয়ে নেন। এছাড়া উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের ভাতার ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকাও গায়েব করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম তার বড় ভাই মহির উদ্দিন তালুকদার এগ্রো ফার্ম, কালিহাতী উপজেলার আদাবাড়ি গ্রামের খালেদা বেগম ও তার বন্ধুদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেন। টাকা আত্মসাতের অপরাধে ইতোমধ্যে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করেছে।

ভুক্ত‌ভোগী গ্রাহকরা বলেন, দীর্ঘদিন হয়েছে ব্যাংকের তৎকালীন ম্যানেজার শ‌হিদুল ইসলাম ৫ কো‌টির বে‌শি টাকা আত্মসাৎ ক‌রে‌ছেন। এখনও কেউ টাকা ফেরত পা‌চ্ছি না। ওই ম্যানেজারও প্রকা‌শ্যে ঘু‌রে বেড়াচ্ছে। আমরা টাকা ফেরত দেওয়াসহ ম্যানেজা‌রের শাস্তির দাবি করছি।

অভিযুক্ত ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গো‌বিন্দাসী ইউনিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদা‌র ব‌লেন, গ্রাহক‌দের এক‌ত্রিত হওয়ার জন‌্য এলাকায় মাইকিং করা হ‌য়ে‌ছিল। টাকা না পে‌য়ে গ্রাহকরা হতাশ। সকল‌ গ্রাহক গি‌য়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানি‌য়ে‌ছেন। তি‌নি ব‌্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দি‌য়ে‌ছেন।

সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখা ম্যানেজার ফিরোজ আহম্মেদ জানান, এলাকায় মাইকিংয়ের ঘটনায় ব‌্যাংক অ‌নিরাপদ হওয়ায় নিরাপত্তা চাওয়া হয় পু‌লি‌শের কা‌ছে। প‌রে ব‌্যাং‌কে পু‌লিশ মোতা‌য়েন করা হয়।

উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলাল হোসেন ব‌লেন, গ্রাহকরা তা‌দের সঞ্চয়প‌ত্রের টাকা আত্মসা‌তের বিষয়‌টি নি‌য়ে অ‌ভি‌যোগ দি‌য়েছেন। বিষয়‌টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।