একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ওড়নার কাপড় দিয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার(২৯ অক্টোবর )বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা বেলতলী এলাকায় বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া সড়কের পাশে মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ‘সকালে স্থানীয় এক কাঠমিস্ত্রি সড়কের পাশে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খবর দেয়। এলাকার কেউ লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোনো এলাকায় ওই যুবককে হত্যা করে, গভীর রাতে এখানে লাশ ফেলে রেখে গেছে।’
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, রোববার সকালের দিকে কালমেঘা বেলতলী গ্রামে একটি আকাশমনি গাছের বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় এখনও মামলা বা নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের (৩৩) গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকান্দর মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাছুম বলেন, তার গ্রামের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা ও ভাই থাকেন। মা ও ভাই কান্নাকাটি করছেন। বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।
জানা গেছে, নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজ ২০০৯ সালে পুলিশে যোগ দেন। তারা দুই ভাই। চাকুরির সুবাদে পারভেজ পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই থাকেন। গ্রামের বাড়িতে তার বৃদ্ধ বাবা-মা ও ভাই থাকে। ২০১২ সালে তিনি বিয়ে করেন। তাদের ঘরে ৬ বছর বয়সী তানহা ইসলাম নামের একজন কন্যা সন্তান রয়েছে।
উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী বলেন, সংঘর্ষে নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। ওই পুলিশ সদস্যের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ছিল। কিন্তু নদী ভাঙনে তাদের বসতভিটা হারিয়ে পার্শবতী দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বসবাস করেন। ফয়েজপুরে বসবাস গড়ে তুললেও এখনও তারা দৌলতপুর এলাকার ভোটার।
জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকায় জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। নিহতের পরিবার যেভাবে চাইবে সেইভাবে হবে।তার জানাযা নামাজ ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সুমী আক্তার (২৭) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বনবাড়ী গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমী উপজেলার আটাবাড়ী গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী হাসমত আলীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, গৃহবধূ সুমী আক্তার বিয়ের পর তার স্বামীর বাড়িতে বসবাস করলেও বিভিন্ন কারণে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনেদের সাথে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। তাই সুমীর বাবা মেয়ের সুখের কথা ভেবে তার কাছাকাছি বাড়ী করে দেন। সেখানেই সুমী তার একমাত্র ছেলে সোহাগ কে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।
শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে সুমীর ছেলে সোহাগ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে তার মাকে (সুমী) ডাক দিলে কোন প্রকার শব্দ না পেয়ে রুমের দরজা খোলা দেখতে পায়। এক পর্যায়ে তার মা সুমীকে বিছানা থেকে রুমের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে সে দৌড়ে তার নানার বাড়ীর লোকজন ডেকে আনে। খবর পেয়ে পুলিশ সুমী আক্তারের লাশ শনিবার সকালে উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, সুমী আক্তার নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।উপজেলার বেড়ী পটল গ্রামে মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে হামলার শিকার ওই যুবক বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকালে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক।
নিহত আব্বাস আলী (২৬) ওই গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে। হামলায় তার বড় ভাই আক্তার হোসেনও (২৮) আহত হয়েছেন।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, আব্বাস আলীর কাছে সদর থানার কাকুয়া ইউনিয়নের পোলী গ্রামের নুরুর ছেলে সোহেলের কাছে মোবাইল বিক্রির দুই হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। সেই টাকার জন্য মেয়ের জামাই আব্দুল মমিনকে নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আব্বাসের বাড়িতে যান তিনি।
সেখানে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা আব্বাস আলীকে চাপাতি ও লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। ভাইকে রক্ষায় আক্তার হোসেন এগিয়ে এলে তাকেও গুরুতর আহত করা হয়।
স্থানীয়রা দুই ভাইকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। আহত আক্তার হোসেনের পা ভেঙ্গে যাওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আর চাপাতির কোপে মাথায় আঘাত পাওয়া আব্বাসের ক্ষতস্থানে চিকিৎসক সেলাই করে দিলে তিনি বাড়ি চলে যান। পরে বুধবার বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পূজায় নতুন পোশাক না পেয়ে অভিমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গাছের সাথে ঝুলে ঝুমা গুহ (২২) নামের এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুর্গোৎসবের নবমীর সন্ধ্যা রাতে মধুপুর পৌর শহরের দেবের বাড়ি পূজা মন্ডপের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ঝুমা ওই এলাকার দর্জি জনৈক নিতাই চন্দ্র গুহের মেয়ে। সম্প্রতি তিনি স্বামীর থেকে ডির্ভোস নিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ঝুমা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
ঝুমার ভাই নবীন চন্দ্র গুহ জানান, দরিদ্র বাবার কাছ থেকে পূজায় আমরা কেউ কিছু পাইনি। বাবা দিতে পারেননি। এ নিয়ে ঝুমার দুঃখ ছিল। এ দুঃখে সোমবার বিকেল থেকে ঝুমা ক্ষিপ্ত হয়ে সবার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। সন্ধ্যার পর সবার অলক্ষ্যে বাড়ির কাছের পূজা মন্ডপের পাশের গাছের বাগানে ওড়না দিয়ে ফাঁস দেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাশ দিয়ে স্কুলের ছাত্ররা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে যাওয়ার পথে ঝুমাকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করে উঠে। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বিষয়টি দেখতে পায়।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, বিষয়টি দুঃখজনক, এইমাত্র খবরটি পেলাম। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলের মধুপুরে ফাতেমা বেগম (১৮) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের দড়িহাসিল গ্রামের একটি কলা বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
ফাতেমা বেগম উপজেলা মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের দড়িহাসিল গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে এবং হাজীপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে আনাম আলীর স্ত্রী।
ফাতেমার স্বামী আনাম আলী জানান, রাতে একসাথেই পূজা মন্ডপ থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। পথিমধ্যে ফাতেমা দৌড়ে কলাবাগানে প্রবেশ করে। তাকে অনেক খোঁজাখুজি করে পাইনি। ফাতেমা প্রতিবন্ধী। তাই পরে ফিরে আসবে ভেবে আমি বাড়ি এসে ঘুমিয়ে পড়ে ছিলাম। মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে কলাবাগানে গিয়ে দেখি ফাতেমার মরদেহ পড়ে আছে।
মির্জাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুয়েল আহমেদ জানান, সোমবার রাতে ফাতেমা বেগম ও তার স্বামী আনাম মির্জাবাড়ী ঘোষপল্লী এলাকার পূজা দেখতে যান। সেখানে তারা পূজার অনুষ্ঠান দেখে। পরে রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কায়ছার আহমেদ তার বোন ফাতেমা ও ফাতেমার স্বামী আনামকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
তিনি আরও জানান,মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় কফি ক্ষেতের এক শ্রমিক কলাবাগানে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানান। পরে আশ-পাশের লোকজন ছুটে আসে এবং পুলিশকে জানানো হলে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় । পরে মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এনিয়ে কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ধর্ষণের শিকার হয়ে এক কিশোরী মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র মানিক মিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২২ অক্টোবর) ওই কিশোরীর বাবা অভিযুক্ত মানিক মিয়াকে একমাত্র আসামি করে সখীপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের এক ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই কলেজ ছাত্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। রবিবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত মানিক মিয়া উপজেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের প্রতিমা বংকী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো। গত রমজান মাসে ওই কিশোরীর ঘরে ঢুকে মানিক মিয়া একাধিকবার ধর্ষণ করেন। মেয়েটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। রবিবার মেয়েটির বাবা ওই কলেজ ছাত্রকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন জানান, ওই কিশোরীর মেডিকেল করার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান-স্টপক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, মামলা দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাকের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এটি এখন টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে তাঁকে অশোভন আচরণ করে ভিডিও কলে কথা বলতে। এ নিয়ে টাঙ্গাইল ছাত্রদলে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।
সদস্য সচিব রাজ্জাক (২৭) সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের সিরাজুল হক সিরুর ছেলে।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে অনেকে মন্তব্য করেন যে, দল যেখানে বিভিন্ন আন্দোলন নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও কলে ব্যস্ত।
ভাইরাল হওয়া ছাত্রদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এটি একটি চক্র। প্রথমে আমার সাথে বন্ধুত্ব করে, তারপর উলঙ্গ হয়ে আমার সাথে ভিডিও কলে কথা বলেছে। সেগুলো স্ক্রিন রেকর্ড করে আমার কাছে টাকা চেয়েছে। সাথে এটাও বলেছে আমি যদি টাকা না দেই তারা আমার ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। আমি টাকা দেইনি দেখেই এখন তারা সেই ভিডিও ভাইরাল করছে।
এবিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবদুল বাতেন বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। সে যেটা করেছে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এবিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতাদের সাথে কথা বলতে চেয়েছি। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনের কারনে কেন্দ্রের সবার সাথে কথা বলতে পারিনি। তবে খুব অচিরেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে কথা বলে তারা যে সিদ্ধান্ত দেয়, সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে হাকিম মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। স্ত্রী বাবার বাড়ি গিয়ে আর ফিরে না আসায় তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) রাতে পৌর এলাকার বাওয়ার কুমারজানি মহিলা কলেজ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হাকিম মিয়া উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের আড়াইপাড়া গ্রামের ফটু মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি অটোরিকশার চালক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, হাকিম মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে মহিলা কলেজ পাড়ার একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। এক সপ্তাহ আগে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে স্ত্রী বাপের বাড়ি গাইবান্ধায় চলে যান।
অটোরিকশা বিক্রি করে দুই দিন আগে হাকিম স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান। কিন্তু স্ত্রী ফিরে না আসায় বুধবার রাতে তিনি আত্মহত্যা করেন। এর আগে মা-বাবাকে তিনি মোবাইলে আত্মহত্যা করার কথা জানান। খবর পেয়ে পুলিশ রাত আড়াইটার দিকে ওই বাসার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় হাকিমের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে ৩ দিন ধরে অবস্থান করছেন তিন সন্তানের জননী। শনিবার (১৪ অক্টোবর) থেকে পরকীয়া প্রেমিক যুবক আবুল হোসেনের বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী। এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবক গা ঢাকা দিয়েছেন।
অভিযুক্ত পরকীয়া প্রেমিক আবুল হোসেন উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার হিজুলী গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে। তিনি ওয়ালটন কোম্পানিতে কর্মরত আছেন।
ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় ৭ বছর ধরে আবুল হোসেনের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার আমাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। কোনো উপায়ন্তর না দেখে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছি।
স্থানীয় কাউন্সিলর মুক্তার আলী জানান, ছেলের সঙ্গে ওই নারীর ঘটনার বিষয়ে মীমাংসা করে দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত হয়নি। চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান মনির জানান, এ ঘটনায় কেউ এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত পরিবহনের মাধ্যমে চোরাই মালামাল লোড-আনলোড করে গুদামজাত ও স্থানান্তর করে একটি চক্র চোরাই মালের রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
জানা গেছে, ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পূর্বপাড় থেকে এলেঙ্গার ভাবলা, সল্লা, আনালিয়াবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাক, বাস, লড়িসহ বিভিন্ন পরিবহনে আনা চোরাই মালামাল লোড-আনলোড ও ক্রয়-বিক্রয়ের নিরাপদ পয়েন্ট হিসাবে বেছে নিয়েছেন চোরাকারবারিরা। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ওই সকল পয়েন্টে প্রকাশ্যে চলে চোরাই মাল লোড আনলোড ও ক্রয় বিক্রয়ের কারবার।
দীর্ঘদিন ধরে চোরাই ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল গুদামজাত করার জন্য চরভাবলা ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়ে রেল স্ট্রেশন এলাকায় বেশ কয়েকটি ঘর ভাড়া নিয়ে গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করে নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এই চক্রটি ট্রাক, বাস, লড়িতে করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রড, স্টীলসীট, কেরোসিন ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন, গম, ভুট্টা, আদা রসুন, জিরা, এলাচ, লংসহ মশলা জাতীয় পণ্য, ভারতীয় শাড়ী এমনকি বিভিন্ন নেশা জাতীয় পণ্যে এনে জেলায় নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।
এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম শান্ত নামের জনৈক সরকারি কর্মচারী জোকারচরের রমজান আলী ও চরভাবলার প্রভাবশালী ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তিকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবত নির্বিঘ্নে চোরাই মালের ব্যবসা করে অগাধ বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক সারারাত পরিবহনে আসা চোরাই মালামাল লোড-আনলোড করে গুদামজাত ও স্থানান্তরের কাজ করে থাকেন। পরিবহন চালক সুপারভাইজার ও হেলপারদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তারা নির্ধারিত পয়েন্টে ওইসব মালামাল আনলোড করে এবং মূল্য পরিশোধ করে থাকেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম শান্ত জানান, চোরাই মালামাল লোড-আনলোড ও ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে আমি জড়িত নই।
এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, এলেঙ্গা থেকে ব্ঙ্গবন্ধু সেত পূর্ব এই এলাকাটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অধিনে বিধায় এ বিষয়ে আমার কোন ধারনা নেই।
বঙ্গব্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর আশরাফ জানান, তিনি এই থানায় নতুন এসেছেন তাই এই চোরা কারবারিদের সম্পর্কে কোন ধারণা নেই তার।
এ প্রসঙ্গে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইন মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্য্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার দক্ষিণ বিলডগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগির নাম হায়দার আলী খান। তিনি উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ বিলডগা গ্রামের মৃত ইদ্রিস খানের ছেলে।
হায়দার আলীর চাচা হাতেম আলী খান বলেন, প্রতিবন্ধী হায়দার আলী রেলওয়ে চাকরি নিয়ে জয়দেবপুরে কর্মরত ছিলেন। এরআগে বেলুয়ার একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা ও উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বড়শিলার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রথম স্ত্রী থাকা পরও হায়দার আলী আবার বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকতেন। উভয় সংসারে একটি করে ছেলে হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে একটি গরু কিনে বাড়িতে আসলে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে পুরো ঘরে রক্ত ছিটিয়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে তাকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এদিকে ঘটনার পর রাতেই প্রথম স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।
গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিম আল রাজি জানান, রক্তক্ষরণের কারণে রোগীর অবস্থা গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বিশেষ অঙ্গটি সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তের মা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।