একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে চুরি,ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণসহ নানা অপরাধ বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হওয়ায় ওসি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সখীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের প্রতীমাবংকী গ্রামের শোলাপ্রতীমা বাসস্ট্যান্ডে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় গ্রামবাসী,ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি শাহআলম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ সিদ্দিকী,৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাছুদ রেজা, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ নেতা নাছিম সিদ্দিকী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সখীপুরে গত কয়েক মাসে অব্যাহত চুরি,ডাকাতি, খুন, ছিনতাই,ধর্ষণ,জমি দখল, ইভটিজিং, অপহারণসহ নানা ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলার এহেন অবনতিতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করে অবিলম্বে তার প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের হিংগানগর কামান্না সরকার পাড়া মন্দিরে শুক্রবার(২২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
মন্দির কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য পরিমল দে জানান ,আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের মন্দিরে প্রতিমা নির্মাণ করা হচ্ছে। শনিবার সকালে দেখতে পাই মন্দিরের ভেতরে থাকা গণেশ সরস্বতী অসুরসহ কয়েকটি প্রতিমার একাধিক স্থানে ভাঙা। কে বা কারা শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে? পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে বিষয়টি দেখে গেছেন। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার চাই।
এদিকে স্থানীয়রা জানায় ,এ এলাকায় মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এলাকায় নিয়মিত চুরি হয়ে থাকে। টিউবওয়েলের মাথা, গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল এবং পানির পাম্প প্রতিনিয়ত চুরি হলেও হচ্ছে না প্রতিকার।
আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং দেলদুয়ার উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণকান্ত দে সরকার বলেন, আমাদের এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ়। এ ঘটনাটি দুঃখজনক।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, খবর পেয়ে আমরা শনিবার(২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই মন্দির পরিদর্শন করেছি। তেমন বড় ঘটনা নয়। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নজরুল ইসলামের (৪০) বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ফলে ওই স্কুল ছাত্রী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ধর্ষক নজরুল ইসলাম উপজেলার আগচারান এলাকার মৃত খালেক মিয়ার ছেলে। নজরুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী।
জানা যায়, গত রোববার ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক নজরুলের বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।
মেডিকেল রির্পোটের ভিত্তিতে জানা যায়, দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণের ফলে স্কুল ছাত্রীটি বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ফলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নজরুলের স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রীকে মাঝে মধ্যে সাংসারিক কাজের জন্য ডেকে নিয়ে যেতো। একদিন নজরুল জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি ঘরে নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষণের কথা বাড়িতে বা কাউকে বললে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। এভাবে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ই সে ওছাত্রীকে ধর্ষণ করে আসছিল অভিযুক্ত নজরুল।
ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তার শরীরের পরিবর্তন ঘটে। ফলে পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। তাকে জিজ্ঞাসা করলে তখন সে নজরুলের ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে। এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষক নজরুল এখনো ধরা-ছোয়ার বাইরে।
ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী জানায়, নজরুল ইসলামের স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ায় সাংসারিক কাজের কথা বলে আমাকে মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে ডেকে নিতো। একদিন নজরুল জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি ঘরে নিয়ে আমাকে ধর্ষণ করে। এ কথা কাউকে বললে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় আমাকে।
ওই স্কুলছাত্রীর মা বলেন, নজরুল আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। সে প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করার কারণে আমরা ভয়ে আছি। আমার মেয়ের মতো আর কারো সর্বনাশ জানি না হয়। প্রশাসনের কাছে কঠোর শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ কামরুল ফারুক জানান, মামলার পর ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযানও চলমান রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর তদারকিমূলক অভিযানে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিহাতী উপজেলার বাঘুটিয়া বাজারে ৩ টি ঔষধের দোকানে এ জরিমানা করেন।
জানা গেছে,টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শিকদার শাহীনুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি টীম কালিহাতী উপজেলার বাঘুটিয়া বাজারে তদারকি করে প্রচুর পরিমানে মূল্য বিহীন ঔষধ পায়।এ অভিযোগ প্রিয়াংকা ফার্মেসীকে ৫ হাজার টাকা কল্পনা ফার্মেসীকে ৫, হাজার টাকা, লাইসেন্স ব্যাতীত প্রচুর পরিমানে মূল্য বিহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ রাখায় ব্রাদার্স মেডিকেল হলকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ২০ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
এছাড়া টাঙ্গাইলের পার্কের বাজারে আলু , পেয়াজের আড়তে মূল্য তদারকি করা হয়েছে।
এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়িদের ক্রয়/বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।
এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাংবাদিকের বৃদ্ধা মা সুলতানা সুরাইয়া (৬৫) কে গলা কেটে হত্যা মামলার দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বুধবার(২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান টাঙ্গাইল পিবিআই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন। সংবাদ সম্মেলনে শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
নিহত সুরাইয়া সুলতানা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম আকন্দের স্ত্রী ও দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার নিউজ এডিটর মো. আবু সায়েম আকন্দের মা।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সিরাজগঞ্জ সদরের পুনর্বাসন এলাকার মো. শাহজাহান ওরফে শাহ জামালের ছেলে মো. লাবু (২৯) ও ভূঞাপুর পশ্চিমপাড়ার সিরাজ আকন্দের ছেলে আল আমিন আকন্দ (২২)।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, আল আমিন আকন্দ ওই বৃদ্ধার আত্মীয়। নিহতের সন্তান ঢাকায় থাকায় আসামীরা অনেক সময় টাকার বিনিময়ে ওই বৃদ্ধার সাংসারিক কাজ করে দিতেন। সেই সুবাদে আসামীরা জানতে পারেন সুলতানা সুরাইয়ার কাছে টাকা আছে। সেই টাকা চুরি করতে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে আসামীরা বৃদ্ধার বাড়িতে যান। রাত ১২ টার পর ঘরে প্রবেশ করার পর বৃদ্ধা তাদের দেখে চিনে ফেলেন। বৃদ্ধা আত্মচিৎকার করার সময় আসামীরা গামছা দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলে। পরে সুইচ গিয়ার ছুরি দিয়ে তাকে জবাই করে। মৃত্যু নিশ্চিত করে বৃদ্ধার সাড়ে ১২ হাজার টাকা ও তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, সাড়ে ১২ হাজার টাকা দুই জনে ভাগ করে ও মোবাইল দুটি লাবুকে দিয়ে দেয়। লাবু সিরাজগঞ্জ সদরে একটি ফোন বিক্রি করে। সেই মোবাইলের সূত্র ধরে প্রথমে লাবুকে ও পরে আল আমিন আকন্দকে চিহ্নিত করা হয়। মঙ্গলবার রাতে লাবুকে সিরাজগঞ্জ সদর ও আল আমিন আকন্দকে ভূঞাপুর সদর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দুই জনেই নিজের দোষ স্বীকার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিবে বলে পিবিআইকে জানিয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত নয় বলেও জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোবাইলে গেম খেলতে না দেওয়ায় রুকন (১৩) নামে এক শিশুর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত রুকন লাঙ্গুলিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। সে স্থানীয় বোয়ালী পশ্চিমপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রুকনকে তার মা মোবাইল রেখে পড়া-লেখা করতে বললে এবং মোবাইল হাত থেকে নিয়ে নিলে সে মায়ের সঙ্গে রাগ করে। এ সময় সে চিৎকার চেচামেচি করে ঘরের ভেতরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পরে তার মা এসে ডাকাডাকি করলে রুকন কোনো সারা শব্দ করে না। পরে দরজা ভেঙে ঘরে গিয়ে দেখে কাপড় রাখার রশি দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে রুকন আত্মহত্যা করেছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে আলু, পেঁয়াজ ও ডিম বিক্রি এবং মূল্য তালিকা না থাকায় টাঙ্গাইলে ৭টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকারের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত দোকানগুলো হচ্ছে- মেসার্স আলম ট্রেডার্স, আলী আজম ট্রেডার্স, মেসার্স বেল্লাল হোটেল ও একটি নাম বিহীন ডিমের দোকান।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপি টাঙ্গাইল পৌর শহরের পার্ক বাজারের পাইকারী দোকানে অভিযান চালিয়ে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং একই বাজারে দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে ৩ টি দোকানে জরিমানা করেন।
টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, সরকার ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারিত করে দেওয়ার ঘোষণা এখনও মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হয়নি। তবে, ডিমের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। বাজার তদারকির ফলে বেশিরভাগ দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা ঝুলানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শনিবার শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পার্ক বাজারের পাইকারী দোকানে তদারকিমূলক অভিযানে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এ সময়ে সিনিয়র কৃষি বিপনন কমকর্তার কার্যালয়ের প্রতিনিধি ফারুক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে।
অপরদিকে, শহরের পার্ক বাজারে বেশি দামে আলু, পেঁয়াজ ও ডিম বিক্রি করায় শনিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ৩ জন ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কবির হোসেন নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চৈথট্ট বটতলী বাজারে একটি ভ্যান চার্জ দেওয়ার গ্যারেজ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কবির উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ধুপা খাগরাটা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। সে পেশায় একজন ভ্যানচালক।
এ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইলের পৃথক পৃথক স্থান থেকে চারটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান জানান, একটি ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা।
এদিকে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জেলার ভুঞাপুরে প্রবাসীর স্ত্রী’র মরদেহ ঘরের বক্স খাটের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর স্বামী মোস্তাক পালিয়েছে। উদ্ধার হওয়া প্রবাসীর স্ত্রী মুনিয়া ইসলাম (৩২) গোপালপুর উপজেলার নলীন এলাকার নুরুল ইসলাম খানের মেয়ে এবং একই উপজেলার বাগুয়াটা গ্রামের আজমত আলীর ছেলে ব্রুনাই প্রবাসী মোস্তাকের স্ত্রী।
একই দিন ভূঞাপুরে ঘর থেকে সুলতানা সুরাইয়া(৬৫) নামের এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুলতানা সুরাইয়া ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার নিউজ এডিটর আবু সায়েম আকন্দের মা এবং পশ্চিম ভূঞাপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম আকন্দের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে পৌরসভার পশ্চিশ ভূঞাপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- একদিন আগে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দৃষ্কৃতিকারীরা। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পৌরসভায় জমি বুঝে পাওয়ার জন্য একটি আবেদন করে খাইরুল। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে তিনিসহ পৌরসভার সার্ভেয়ারসহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা জমি পরিমাপ করতে যান। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোতালেব নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে পৌরসভার লোকজনদের উপর হামলা করে এবং মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দেয়। এ সময় হামলাকারিরা খায়রুলকে ছুরিকাঘাত করলে তার পেট পুরোটা কেটে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কবির হোসেন (২৭) নামে এক অটোভ্যান চালকের রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর)ভোর ৭ টায় উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চৈথট্ট বটতলী বাজারে একটি ভ্যান চার্জ দেওয়ার গ্যারেজ থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কবির উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ধুপা খাগরাটা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোভ্যান চালক। তার দুটি পিকআপ গাড়িও আছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, কবির সহ আরোও তিন অটোভ্যান চালক মিলে স্থানীয় চৈথট্ট বটতলী বাজারে একটি গ্যারেজে প্রতিরাতে ভ্যান চার্জ দেন। ঐ চারজন চালকের মধ্যে একজন করে ভ্যানচালক ঐ গ্যারেজে প্রতিরাতে পাহারায় থাকতেন। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর)রাতে পাহারার পালা ছিল কবিরের। রাতে ভ্যান চার্জ দিয়ে গ্যারেজে ছিলেন কবির ।
ঐ গ্যারেজের একজন ভ্যান চালক জাবির হোসেন মুরগির ট্রিপ দেওয়ার জন্য রাতে বাহিরে ছিলেন। পরে শনিবার দিবাগত রাত ৪ টায় ভ্যান চার্জ দেওয়ার জন্য ঐ গ্যারেজে গেলে কবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে কবিরের পরিবার কে খবর দিলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘাটাইল ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান , একটি ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান,ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মুনিয়া ইসলাম (৩২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ভূঞাপুর পৌর শহরের ঘাটান্দি গ্রামের গণেশ মোড় নামক এলাকায় জহুরুল ইসলামের পাঁচ তলার বাসার তিন তলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মুনিয়া পাশ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার নলিন বাজারের নুরল ইসলামের মেয়ে এবং তার স্বামী মোস্তাক আহমেদ একই উপজেলার বাগুয়াটা গ্রামের আজমত আলীর ছেলে। তাদের দাম্পত্য জীবনে আল মাসুদ (১০) এবং নবীন (৪) বছরের দুইটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তারা গণেশ মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। এ ঘটনায় আল মাসুদ ও নবীনের প্রবাস ফেরত বাবা মোস্তাক আহমেদ পলাতক রয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তাক আহমেদ ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্রুনাই থেকে দেশে ফিরেন। তারপর থেকেই বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ হতো। দুই ছেলের একজন তার খালার বাসায় ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এক রুমে ছেলেকে ঘুমিয়ে রেখে অন্য রুমে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর মরদেহ বক্স খাটের নিচে রেখে শুক্রবার ভোরে বাসার মুল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে পালিয়েছে মোস্তাক। সকালে ছেলেটা ঘুম থেকে উঠে ডাকচিৎকার করলেও আশপাশের কেউ কোন ভাড়াটিয়া এগিয়ে যায়নি। পরে বাসার কেয়ারটেকার বাসার দরজা খুলে দেয়।
এদিকে, মুনিয়া ইসলামের খোঁজ না পেয়ে বাসার বিভিন্ন রুমে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে স্বজনরা। একপর্যায়ে ছোট ছেলের বক্স খাটের নিচে দেখতে বলে। পরে বক্সখাটের পাতাটন খুলে মুনিয়ার মরদেহ দেখতে পায়। স্বজনদের ধারণা, মোস্তাক তার স্ত্রী মুনিয়া ইসলামকে গলা টিপে বা শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
মুনিয়া ইসলামের ভাই আমিনুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারিবারিক ঝামেলা চলছিল স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে। পরে বড় বোন নাসরিন আক্তার কয়েকদিন আগে দুইজনকে বুঝিয়ে মিমাংসা করে দিয়েছিল। এরপর আর কিছু জানি না। সন্ধ্যায় খবর পেলাম বোনের মরদেহ বাসার বক্স খাটের নিচে রেখে দেওয়া হয়েছে। ওর স্বামী মোস্তাক পালিয়েছে। বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ বক্স খাটের নিচে রেখে পালিয়েছে ঘাতক মোস্তাক। তার শাস্তি চাই।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল শেষে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। মুনিয়া ইসলামের স্বামী মোস্তাক আহমেদ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। এনিয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালিশি বৈঠকে খায়রুল ইসলাম (৪২) নামের এক যুবকের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর,সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কোদালিয়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খায়রুল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নগর জালফৈ এলাকার মো.জিন্নত আলীর ছেলে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর মোছাম্মৎ বিউটি বেগম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পৌরসভায় জমি বুঝে পাওয়ার জন্য একটি আবেদন করেন খায়রুল ইসলাম । ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে পৌরসভার লোকজন জমি মাপতে গিয়ে দুইপক্ষ নিয়ে শালিসি বৈঠক বসে।
তিনি আরও জানান, শালিসি বৈঠকে হঠাৎ কিছু বুঝে উঠার আগেই মোতালেব নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে পৌরসভার লোকজনদের উপর হামলা করে এবং মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দেয়। একপর্যায়ে হামলাকারিরা অভিযোগকারী খায়রুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় খায়রুলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ আবু ছালাম (পিপিএম) জানান, এ ঘটনায় ডলি খানম নামের এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার হাত কেটে যাওয়ায় তাকে পুলিশ পাহারায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘর থেকে সুলতানা সুরাইয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুকবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উদ্ধার হওয়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
সুলতানা সুরাইয়া ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার নিউজ এডিটর আবু সায়েম আকন্দের মা ও পশ্চিম ভুঞাপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম আকন্দের স্ত্রী।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে পৌরসভার পশ্চিশ ভূঞাপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, পশ্চিম ভূঞাপুর এলাকায় একাই বসবাস করতেন হত্যাকাণ্ডের শিকার নারী সুলতানা সুরাইয়া। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশি ও পরিবারের সদস্যরা ব্যবহৃত ফোন বন্ধ পেয়ে বাড়িতে গিয়ে ঘরের লাইট জ্বালানো ও ফ্যানের শব্দে সন্দেহ হওয়ায় গেট টপকে ঘরে উঁকি দেয়। এ সময় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকা তার গলাকাটা নিথর মরদেহ দেখতে পায়।
নিহতের ছেলে ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের নিউজ এডিটর আবু সায়েম আকন্দ বলেন, মা একাই থাকতেন বাড়িতে। কারোর সাথে কোন শত্রুতা নেই। মাদকাসক্তরা চুরি করতে এসে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একদিন আগে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দৃষ্কৃতিকারীরা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।