/ হোম / অপরাধ
আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ এবার অস্ত্রের মুখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে রাজধানীর তুরাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এরআগে শুক্রবার (২৯ মার্চ ) রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর তুরাগ থানায় প্রিয়াংকা সিটি আবাসিক এলাকায় বড় মনিরের ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। তাকে জোর করে ওই বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

পুলিশের ভাষ্য, বড় মনির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।

ওই শিক্ষার্থী মামলায় অভিযোগ করেন, ফেসবুকে বড় মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। প্রথম পর্যায়ে হাই-হ্যালো হতো। এক পর্যায়ে বড় মনির ভুক্তভোগীকে ছোট বোন বলে সম্বোধন করে। এরপর তার সঙ্গে ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিওতে কথা হতো।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইফতারের পর বড় মনির ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেসেজ দিয়ে জমজম টাওয়ারের সঙ্গে এপেক্স শোরুমের সামনে থাকতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় এপেক্স শো-রুমের সামনে অপেক্ষা করি। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বড় মনির রিকশা নিয়ে আসে এবং রিকশায় উঠতে বলে। ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সঙ্গে রিকশায় ওঠেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তুরাগের প্রিয়াংকাসিটির ৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের তৃতীয় তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের রুমের ভেতর নিয়ে যান। এরপর রুমের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।

এরপর ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে ফোন দেন। তার বাবা ঘটনা শুনে ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে তুরাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। এর আগেও টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মার্চ ২০২৪ ০৪:৩৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িতে হামলা, আহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িতে হামলা, আহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে। এই হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওই নারীর মা, ভাই বোনসহ ৪ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলের বেলটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন- ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. মকবুল হোসেন (২৫), তার মা মোছা. নূরন্নাহার বেগম (৬০), বোন মোছা. ফাতেমা বেগম (২৪) ও স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া বেগম (২৩)।

আহতদের মধ্যে মকবুল হোসেন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অপর আহতরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়।

হামলার শিকার আহত মকবুল হোসেন বলেন, প্রায় ১ বছর আগে আমার ছোট বোনের অর্ধনগ্ন ছবি প্রতিবেশি চাঁন মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। পরে ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জানাজানি হয় এবং বিষয়টি আমরা জেনে স্থানীয় জনপ্রতিধি ও মাতাব্বারদের জানালে তারা মিমাংসার আশ্বাস দিয়েও পরে সমাধান দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, এর কিছুদিন পর আমার বোনের নামে ফেক আইডি খুলে চাঁন মিয়া তার নিজের ছবিই ফেসবুকে পোস্ট করে আমার উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এনিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এনিয়ে আবারও মাতাব্বরদের জানালে তারা সমাধান না দিয়ে কতিপয় কিছু মাতাব্বর উল্টো আমাদের উপর দোষ চাপায়।

তিনি বলেন, এরই জেরে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমের মদতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার নেতৃত্বে ফিরোজ, সজিব, বাবলু, ফিরোজ (২), সোহেলসহ ১৪ থেকে ১৫ জন লোক বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে মারধর করে এবং আমার বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে, অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মকবুল আমাকে ফাঁসানোর জন্য আপনাদের কাছে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা জানান, বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের খবরের বিষয়টি জানতাম না। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাই। ভুক্তভোগীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, হামলার ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৪ ০৩:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল এক নারীর প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল এক নারীর প্রাণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় খাদিজা আক্তার (২৫) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪ টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদিজা আক্তার উপজেলার দৈবগাতী গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকালে জোকারচর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক পারাপার হওয়ার জন্য সড়কের দক্ষিণপাশে দাঁড়িয়ে ছিল খাদিজা। পথিমধ্যে উত্তরবঙ্গগামী বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৭ টা ১০ মিনিটের দিকে সে মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে সেখান থেকে দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৪ ০৩:০৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল সংখ্যক নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল সংখ্যক নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ৯৬৬ বোতল নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪।

বুধবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদরের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হচ্ছেন- লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার সেবকদাস গ্রামের মো. কফুর উদ্দিনের ছেলে মো. দুলু মিয়া(৪০), একই এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে মাইক্রোবাস চালক মো. রিপন ইসলাম(২২), মো. আমিনুল হকের ছেলে মিনাজুল ইসলাম(২১) এবং একই উপজেলার সেবকদাস নিথক গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. রহিম বাদশা(২৭)।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ৮টার দিকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাসে গাড়িতে তল্লাশি চালায় র‌্যাব-১৪। তল্লাশিকালে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাসে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৯৬৬ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ ও ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল সেট, নগদ এক হাজার ৬৫০ টাকা ও ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলস্বন করতেন। তারা রংপুর জেলা থেকে আমদানী নিষিদ্ধ অবৈধ ভারতীয় ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন।

তিনি জানান,আটককৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৪ ০১:০৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিনের জব্দকৃত ট্রাক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিনের জব্দকৃত ট্রাক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে রাতে পলিথিন বোঝাই কাভার্ডভ্যান জব্দ করার পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন। পরে কতিপয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেনদরবার শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি নিষিদ্ধ পলিথিন আটকের পর অবৈধ সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। আর সচেতন মহলের মধ্যে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে তিন গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধেও। এসআই ট্রাক জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য সকল অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সোমবার দিবারগত রাতে মধুপুর ট্রান্সপোর্টের নামের নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ডভ্যান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের তারটিয়া এলাকায় পৌঁছলে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. বেল্লাল হোসেনের টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানে নিষিদ্ধ পলিথিন থাকায় তা জব্দ করে ভোর রাতেই থানায় নিয়ে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় তদবির। এ কাজে যোগ দেন দুই মিশ্র টেলিভিশনের প্রতিনিধিসহ তিন গণমাধ্যমকর্মী।তিনি জানান, শহরের ছয়আনী বাজারের আনোয়ার হোসেন পলিথিন ব্যবসায়ী এবং কালিহাতীর দুই সংবাদকর্মী ও টাঙ্গাইলের এক গণমাধ্যমকর্মী নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যানটির মালামালসহ ছাড়িয়ে নিতে ভোর রাতেই থানায় উপস্থিত হন। পরে দেনদরবার শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তা মালামালসহ মঙ্গলবার দুপুরে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন।জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে জেলার এক মিশ্র টেলিভিশনের গণমাধ্যমকর্মী ঢাকার অফিসের টিমের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্য দুইজন পেয়েছে বাকী টাকা। টাকার এই অসম ভাগাভাগি নিয়েও মনোমালিন্য হয় তাদের মধ্যে।

এদিকে ট্রাকটি ছাড়িয়ে নেওয়ার পর থানা পুলিশের ভেতর থেকেই ঘটনাটি জানাজানি হয় সর্বত্র। জানাজানির পর বইতে থাকে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।

পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার সাবেক কর্মকর্তা ও পরিবেশ কর্মী সোমনাথ লাহিড়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবেশের জন্য মরণঘাতী এ পলিথিন উচ্চ আদালতে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাত করণ এবং ব্যবহারে নিষিদ্ধ পণ্য। নিষিদ্ধ পণ্য জব্দের পর তা ধ্বংস না করে ছেড়ে দেয়া অতীব গর্হিত কাজ। এ কাজের মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চরমভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।

এ বিষয়ে মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মো. কায়ছার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে আমাদের গাড়িতে এ ধরনের মালামাল বহন করা হয় না।
তিনজন গণমাধ্যম কর্মীর একজন বলেন, ভোর রাতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে প্রাইভেটকারযোগে মহাসড়কে চা খেতে গিয়েছিলাম। তখন ট্রাক জব্দের কথা জানতে পেরে এসআই বেলালকে অবহিত করলে তিনি অস্বীকার করেন। যে তিন লাখ টাকা লেনদেনের কথা হচ্ছে, আমি এ বিষয়সহ কোন কিছুই জানি না।

সদর থানার উপপরির্দশ (এসআই) মো. বেল্লাল হোসেন জানান, পলিথিনের ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে আর কিছু জানি না। সব জানে ওসি স্যার। ওসির সাথে আপনারা কথা বলেন। এটা নিয়ে খুবই প্যারায় আছি।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, এধরণের কোন ট্রাক আটক বা জব্দ করা হয়নি। তবে রাতে মাটিবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। থানায় চর্তুদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। থানায় আনার পর সেই ট্রাক ছাড়ার সুযোগ নেই। হয়ত ভুলভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২৪ ০৬:৩৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছিনতাইকালে আটক ২ পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছিনতাইকালে আটক ২ পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের মির্জাপুরে ছিনতাইকালে দুই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারের পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের দুজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেপ্তারকৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ার ময়নাল হকের ছেলে মো. মোহসীন মিয়া এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কৈলা রাজবংশীর ছেলে রিপন রাজবংশী। এই দুই কনস্টেবল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় কর্মরত আছেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া ফ্লাইওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একটি পিকআপকে থামার সিগন্যাল দেয় তারা। এ সময় চালক ও হেলপারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশেই দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে চালক ও হেল্পারদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যদের ধরে ফেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার ২১০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ, পুলিশের পোশাক ও বেল্ট উদ্ধার করা হয়।

ওই রাতেই মধুপুর উপজেলার পিকআপ চালক রানা বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এই ঘটনায় পিকআপ চালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের বহুল আলোচিত কিশোরগ্যাং “বেজী গ্রুপের” প্রধান ও মাদক ব্যবসায়ী মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে (৩২) ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত বুলেট উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের আগত গয়হাটা গ্রামের মৃত. ইসমাইল হোসেন মন্টু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাহাত হোসেন বুলেট দীর্ঘদিন ধরে গোপনে নাগরপুর উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলায় ইয়াবা ও গাজাঁসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করে আসছিল। সে কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যায় এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া অভিযান চালিয়ে উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকার বাবুল মিয়ার দোকানের সামনে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় বুলেটের সাথে থাকা সুমন নামে এক কিশোর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইলে বিজ্ঞ আদালতে মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে প্রেরণ করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২৪ ০১:৫০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে ভেকু ও ট্রাক জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে ভেকু ও ট্রাক জব্দ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদের
(এসডিএস) জমিতে মাটি কাটার অভিযোগে একটি ভেকু ও ৫টি মাটি কাটার ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে ভেকু ও ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন জানান, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে মাটি কেটে আসছিল। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি ভেকু ও ৫টি মাটি কাটার ট্রাক জব্দ করে।

এ বিষয়ে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, আমি মাটি কেটে সামনের রাস্তার ভরাট করছিলাম। যাতে করে ওই স্থানে কোন কারখানা গড়ে তুলতে পারি। পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

উল্লেখ্য, ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭১২ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী। এছাড়া থানায়ও অভিযোগও দেওয়া হয়।

সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ও গদুরগাতি মৌজার ৭১২ শতাংশ ভূমি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদ (এসডিএস) এর মালিকানাধীন। জমিগুলো ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ঋণ নেওয়া হয়। নানাবিধ কারণে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী ২০০২ সালে গ্রেপ্তার হন। ওই সময় দুটি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের উপর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মার্চ ২০২৪ ০৩:৫২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জুয়ার আসর থেকে আটক ১০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জুয়ার আসর থেকে আটক ১০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা থেকে তাদের আটক করা হয়। রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কালোহা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত রবি মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী (৪৮),কোকডোহরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া (৩৫), হাসড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (৩৯), উতরাইল দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে মোঃ রমজান মিয়া (৪৫), রামপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো: আজিবর রহমান (৪২),কাজিবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরফান মিয়া (৪৫), কুকরাইল গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে শাহ আলম (২৮), রামপুর মালিপাড়া গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে মোঃ হাসেম (৫০), বানকিনা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে লোকমান মিয়া (৩০) ও রামপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৪২)।

এলাকাবাসী জানায়, এরা প্রতিদিন বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা এলাকায় হাজার হাজার টাকার জুয়ার আসর বসায়। এলাকার কতিপয় অর্থলোভী প্রভাবশালী লোকদের ম্যানেজ করে জুয়াড়ুরা সারা বছর লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলে থাকে।

কালিহাতী থানার এসআই আলামিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলায় বসে প্রকাশ্যে তাসের মাধ্যমে টাকা দিয়ে জুয়া খেলা চলছিল। পরে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান স্যারের নির্দেশে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়ুকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, এসময় তাঁদের কাছ থেকে তাস ও নগদ ১৭ হাজার ১৫০ টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়েছে। রবিবার আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মার্চ ২০২৪ ০২:০৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাপা নেতার বিরুদ্ধে এসডিএসের ভূমি দখলে নিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাপা নেতার বিরুদ্ধে এসডিএসের ভূমি দখলে নিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭শত ১২ শতাংশ ভূমি নকল দলিল সৃষ্টি করে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ও গদুরগাতি মৌজার ৫১৪ ও ১৯৮ শতাংশ মোট ৭১২ শতাংশ ভূমি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট(আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদ(এসডিএস) এর মালিকানাধীন। জমিগুলো ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ঋণ নেওয়া হয়। নানাবিধ কারণে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী ২০০২ সালে গ্রেপ্তার হন। ওই সময় দু’টি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের উপর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

চেয়ারম্যান হাজতে থাকার সুযোগে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলামের যোগসাজসে সত্য গোপন করে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক নিজ নামে উল্লেখিত ৭১২ শতাংশ ভূমির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭১২ শতাংশ ভূমির মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু মেশিন(খননযন্ত্র) দিয়ে দিনরাত মাটি কাটা হচ্ছে এবং ড্রামট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রাক দিয়ে সেই মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। দিনরাত ট্রাক দিয়ে মাটি আনা-নেওয়া করায় স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছে।

আইআরআই ও এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী অভিযোগ করে জানান, আইআরআই ও এসডিএসের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরে জেলা প্রশাসকের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও তার প্রতিষ্ঠানের অসাধু কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম নিজে দাতা সেজে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হককে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। ওই জমি নিজের দাবি করে হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক মাটি কেটে বিক্রি করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের পাশাপাশি অবৈধভাবে দখল করছেন।

এ বিষয়ে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নামে সারাদেশে ১৩৫টি মামলা দায়ের হলে ২০০২ সালে তিনি গ্রেপ্তার হন। ওইসব মামলার মধ্যে তিনটিতে তার সাজা হয়। ফলে এসডিএসের ৪২জন কর্মকর্তা রেজুলেশন করে মো. নুরুল ইসলামকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। নুরুল ইসলাম ২০১৫ ও ২০১৭ সালে তাকে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এ সময় ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রতিষ্ঠানের কেউ না হয়েও তার কাছ থেকে জমি বিক্রি বাবদ টাকা গ্রহণ করেন। পরে তিনি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে তিনি ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মার্চ ২০২৪ ০৩:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিবেশী নারীকে মারধর করা সেই চেয়ারম্যান কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিবেশী নারীকে মারধর করা সেই চেয়ারম্যান কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রতিবেশী নারীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন করিম দুই পক্ষের শুনানি শেষে এ রায় দেন।

টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নূরে আলম মুক্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে দুপক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মারধরের শিকার জেসমিন আক্তার জানান, ওই চেয়ারম্যান বৃহস্পতিবার আগাম জামিনের জন্য আদালতে গিয়েছিলেন। এ কথা শুনে আমি শুনানি শেষ হওয়ার এক মিনিট আগেই আদালতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাকে মারধরের ভিডিওটি দেখালে আদালত অভিযুক্ত চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২ মার্চ বিকেলে পারিবারিক কলহের জেরে তুচ্ছ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা তাঁর প্রতিবেশী জেসমিন আক্তারকে (৩৫) মারধর করেন। অপর প্রতিবেশী রুবেলকে (৩৭) সঙ্গে নিয়ে চেয়ারম্যানের ওই মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার দিন মারধরের শিকার জেসমিন সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এ নিয়ে ৩ মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এ ঘটনায় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও (বীর উত্তম) নারীকে মারধরে জড়িত চেয়ারম্যানের বিচার দাবিতে স্মারকলিপি দেন। একপর্যায়ে সখীপুর থানা-পুলিশ মারধরের শিকার জেসমিনের অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৪ ০২:১৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন।

দন্ডিতরা হচ্ছেন, জেলার সখীপুর উপজলার মহানন্দপুর গ্রামের আসলামের ছেলে সাগর আহমেদ (২১) এবং একই উপজেলার জিতাশ্বরি মরিচপুরিচালা গ্রামের মৃত আবু সাইদের ছেলে নাইছ আহমেদ (২১)। দন্ডিত দুইজনকেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করেছেন আদালত।

মামলার অপর আসামী ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সহকারি কৌশুলী (এপিপি) মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, দন্ডিত সাগর ১৩ বছর বয়সী এক স্কুল ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০২২ সালের ২৯ জুন রাত নয়টার দিকে নাইছকে নিয়ে ওই ছাত্রীর সাথে দেখা করতে আসেন। পরে ওই ছাত্রীকে বাসারচালা পশ্চিমপাড়া একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরদিন তারা আবার একই স্থানে ডেকে নিয়ে পুনরায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

রায় ঘোষণার সময় দন্ডিত দুইজনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৪ ০২:০৮:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।