/ হোম / অপরাধ
মগড়া বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ - Ekotar Kantho

মগড়া বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

শিক্ষাবোর্ড থেকে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৪০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও এই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৫’শত টাকা নেয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।

তবে সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের দাবি, ভালো ফলের জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা কোচিং ফি বাবদ নেয়া হয়েছে। এছাড়া কোন বেতন নেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণ করেছে মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থী। এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া যাবে সেটি নির্ধারণ করে দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি ১ হাজার ৬২৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৫১৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ১৪০ টাকা। বাণিজ্য বিভাগ ও মানবিক বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড ফি ১ হাজার ৫৩৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৪৮৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ২০ টাকা হারে নির্ধারণ করে গত ১৭ অক্টোবর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফরম পূরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করা হলেও মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ৪ হাজার ৭০০ টাকা রশিদ ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানায়, ৫ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে এসএসসি ফরম পূরণ করতে হয়েছে। মেয়ে বাড়ি গিয়ে জানিয়েছে, এ টাকা না দিলে নাকি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। তাই কি করমু ডাবল টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করতে বাধ্য হয়েছি। এভাবে কি সন্তাদের লেখাপড়া করানো সম্ভব?

তারা আরও জানায়, ফরম পুরণের সময় দুই বছরের বেতন বাবদ ৬০০ ও ৩ মাসের কোচিং ফি বাবদ ২৫০০ টাকা আগে পরিশোধ করতে হয়েছে। এরপর ফরমপূরণের টাকা নিছে।

মো.রফিকুল ইসলাম নামের এক অভিভাবক জানান, আমার সাথে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির ছোট ভাইয়ের সাথে সখ্যতা থাকায় ৩ হাজার ১’শত টাকা দিয়ে মেয়ের ফরমপূরণ করেছি।

তিনি আরও জানান, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ লোক কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। তাদের জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করা খুবই কষ্টের ব্যাপার।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের নবম শ্রেনীর দুই শিক্ষার্থীকে দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন তার নিজের রুম পরিষ্কার করাচ্ছেন।

বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের স্কুলে গত দুই বছর যাবত আয়া নেই। তাই শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ ক্লাসরুম আর অফিস পরিষ্কার করানো হয়।

বিদ্যালয়ের একাধিক সুত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম গত কয়েক বছর যাবত শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকায় সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন ও অফিস সহকারী আমীর হোসেন মিলে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম ও শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন। তারা দুজনেই স্থানীয় হওয়ায় বিদ্যালয়ে অন্য শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না।

সুত্র আরও জানায়, এবারের মোট এসএসসি পরিক্ষার্থী সংখ্যা ১০৫জন। এর মধ্যে অনিয়মিত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৭ থেকে ৮জন। শুধু নিয়মিত পরিক্ষার্থীরাই কোচিং ফি বাবদ টাকা জমা দিয়েছে।

মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মেনহাজ উদ্দিন বলেন, ছাত্রীদের ভালো ফলের জন্য কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সরকারিভাবে কোচিং নিষিদ্ধ হলেও কিভাবে তারা সেটি করাচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য বেসরকারি স্কুল গুলো কোচিং এর আয়োজন করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা শুধু আমরাই নিচ্ছি না,অনেক বিদ্যালয়ই নিচ্ছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক এর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান-বিন-মুহাম্মাদ আলী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমান পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলার বাদীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলার বাদীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার বাদী ক‌লেজছাত্রী আফরোজ মির্জা এশা’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।

গ্রেপ্তারকৃত সৌরভ পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার শ্যামল পালের ছে‌লে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) রা‌তেই তা‌কে গ্রেপ্তার করা হয়। সৌরভের সঙ্গে নিহত বাদী এশার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ ন‌ভেম্বর) দুপু‌রে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আব্দুস ছালাম মিয়া বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

এর আগে শনিবার রাতেই নিহত ক‌লেজছাত্রী এশা মির্জার বড় বোন লুনা মির্জা বাদী হয়ে সৌরভকে প্রধান ও তার আপন বড় ভাই জনি মির্জার নামে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, শনিবার রাতে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে এশা মির্জার বোন লুনা মির্জার আপন ভাই জনি মির্জা ও সৌরভ নামের একজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও বলেন, মর‌দেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিবার ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। গ্রেপ্তারকৃত সৌরভ‌ পাল‌কে জিজ্ঞাসাবা‌দের জন্য ৫‌ দি‌নের রিমান্ড চে‌য়ে আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌য়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় নিহত এশা মির্জা বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় এশা ধর্ষণের কারণে অন্তঃসত্তা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। পরে ৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয় ওই কিশোরী।

এশার দায়ের করা ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বর্তমানে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে মুক্ত রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২৩ ০৯:১৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে আগুনের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কমিউটার ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রেনের তিনটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল রেলস্টেশন সহকারী মাস্টার তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি এশা’র ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি এশা’র ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাকারী কলেজ ছাত্রী এশা মির্জার (২২) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ নভেম্বর )দুপুরে করের বেতকা এলাকায় তার নিজ বাসার ৩য় তালা থেকে এশার মরদেহ উদ্ধার করা করে পুলিশ।

নিহত আফরোজ মির্জা এশা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের করের বেতকা গ্রামের লতিফ মির্জার মেয়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শরফউদ্দিন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দুপুরে নিজ বাসার রুমের ভিতর শার মির্জার শিশু পুত্রের কান্না শুনতে পায় স্থানীয় তনিমা আক্তার নামের এক নারী। পরে আশপাশের লোকজনকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি মির্জা আফরোজ এশা তার তিনতলা বাসার নিজরুমে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল রাতে অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় এশা টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

সম্প্রতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির উচ্চ আদালতে জামিন নিয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
ট্রেনে আগুনের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন - Ekotar Kantho

ট্রেনে আগুনের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলে ঘা‌রিন্দা রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এ সময় জেলা পু‌লি‌শের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নাশকতার জন্য ট্রেনে আগুন দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

বৃহস্প‌তিবার (১৬ নভেম্বর) সকা‌লে টাঙ্গাইল ঘা‌রিন্দা স্টেশ‌নে গি‌য়ে আগুন লাগা টাঙ্গাইল ক‌মিউটার ট্রেন প‌রিদর্শন ক‌রে‌ছে পু‌লিশ ও রেলও‌য়ে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে রাত ৩টার দি‌কে দাঁড়িয়ে থাকার ট্রেনে আগুন ধ‌রি‌য়ে দেয় দুষ্কৃ‌তিকারীরা। য‌দিও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক কর‌তে পা‌রে‌নি পুলিশ।

ঘা‌রিন্দা স্টেশন সূত্রে জানা গে‌ছে, ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একটি ট্রেন স্টেশনে থাকায় কমিউটার ট্রেনটি দেখা যাচ্ছিল না। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন স্টেশন ত্যাগ করার পরেই আগুনের ধোয়া দেখতে পায় স্টেশনে থাকা রেল কর্তৃপক্ষ। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

টাঙ্গাইল রেলস্টেশনের বুকিং মাস্টার সেলিম জানান, বুধবার সকাল সাতটা থেকে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়ি‌য়ে ছিল টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা এতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ট্রেনের দুটি বগি পুরোপুরি ও একটি বগির আংশিক পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইদ্রিস আলী জানান, আগুনের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এ সময় ট্রেনের দুইটি বগির সিট, ফ্যানসহ পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া একটি ব‌গির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি নাশকতা।

পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতা।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, নাশকতা করার জন্য ট্রেনে আগুন দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। কয়েকদিন যাবৎ অবরোধ চলছে। অবরোধে নাশকতা এড়াতে আগে থেকেই আনসার পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত ছিল। বুধবার দিবাগত রাতে দুষ্কৃতিকারীরা ট্রেনে আগুন দিয়েছে। এতে দুইটি বগি পুরোপুরি পুড়ে গেছে এবং একটি বগির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

তি‌নি আরও জানান, এটি একটি নাশকতা। এই ব্যাপারে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মামলা করবে। আমরাও বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২৩ ০৮:৪৮:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কমিউটার ট্রেনে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত দুটি বগি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কমিউটার ট্রেনে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত দুটি বগি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কমিউটার ট্রেনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী কমিউটার ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ ইদ্রিচ বলেন, রাত ৩টার দিকে খবর পেয়ে স্টেশনে গিয়ে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ট্রেনের ইঞ্জিনের কাছাকাছি দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কমিউটার ট্রেনটি টাঙ্গাইল টু ঢাকা অভিমুখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, রাত ৩টায় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন টাঙ্গাইল স্টেশন ত্যাগ করার পর আগুন লাগে। আগুনের সূত্রপাত তদন্ত শেষে জানা যাবে।

ঘারিন্দা রেলস্টেশনের বুকিংমাস্টার সেলিম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ৩টার দিকে ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটির তিনটি বগিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে এক ঘণ্টার মতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি কেউই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২৩ ০৫:১২:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রী বেদেনা বেগমকে (৫০) হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৫ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার ইচাইল গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

নিহত বেদেনা বেগম ওই গ্রামের অটোচালক রহুল আমিনের স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩৫ বছর আগে ইচাইল গ্রামের তহিজ উদ্দিনের ছেলে রুহুল আমিনের সাথে উপজেলা মহেড়া ইউনিয়নের ভাতকুড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে বেদেনার বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার রাতেও ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায় ভোর রাতে রুহুল আমিন ছুরি দিয়ে স্ত্রীর বুকে আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ছয়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে বলে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনজুরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। স্বামী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যাত্রী পরিচয়ে বাসে ফেনসিডিল পাচার, যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যাত্রী পরিচয়ে বাসে ফেনসিডিল পাচার, যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যাত্রী পরিচয়ে বাসে মনোয়ার হোসেন (৩৬) নামে এক ফেনসিডিল কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর আশরাফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (১৩ নভেম্বর) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার গোল চত্বর এলাকা থেকে মনোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মনোয়ার হোসেন রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার ধর্মেশ গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে।

র‌্যাব ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব গোল চত্বর এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি বাসে অভিযান চালানো হয়। পরে ১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তিনি যাত্রী পরিচয়ে মাদক পাচার করতেন।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর আশরাফ জানান, সোমবার রাতে সেতু পূর্ব গোল চত্বরে অভিযান চালিয়ে ওই মাদক করবারিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

তিনি আরও জানান, পরে মনোয়ারকে সেতু পূর্ব থানায় হস্তান্তর করলে মঙ্গলবার সকালে তাকে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের পাঁচ কোটি টাকা লোপাটে ম্যানেজার বরখাস্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের পাঁচ কোটি টাকা লোপাটে ম্যানেজার বরখাস্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় গ্রাহকের সঞ্চয়পত্রের ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে ম্যানেজার শহিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আত্মসাতের এসব টাকা সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় তার ভাই, বন্ধুর শাশুড়ি সহ একাধিক একাউন্টের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও টাঙ্গাইল প্রিন্সিপাল কার্যালয় হতে আলাদা আলাদাভাবে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানাগেছে, শহিদুল ইসলাম ম্যানেজার হিসেবে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় ২০২০ সালে যোগদান করে। এরপর দীর্ঘ ৩ বছর ২ মাস কাজ করেন সেখানে। এই দীর্ঘ সময়ে তথ্য প্রযুক্তিতে মেধাসম্পন্ন শহিদুল ইসলাম কৌশলে ব্যাংকের ১৩০ জনের সঞ্চয়পত্রের টাকা লুজ চেকের (জরুরী উত্তোলনের জন্য একক পাতা) মাধ্যমে অন্য একাউন্টে ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা সরিয়েছেন। এছাড়া উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের হত দরিদ্রদের ভাতার ৬ লাখ ৮১ টাকাও গায়েব করা হয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম তার বড় ভাই ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের মহির উদ্দিন তালুকদারের এগ্রো ফার্ম ও কালিহাতি উপজেলার আদাবাড়ি গ্রামের খালেদা বেগম নামে পলাশ এগ্রো ফার্মেও একাউন্টসহ তার বন্ধু বান্ধবদের একাউন্টের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেন।

খালেদা বেগমের মেয়ের জামাই পটুয়াখালী জেলায় দুদকের উপ-পরিচালক মামুন চৌধুরীর সাথে শহিদুল ইসলামের বন্ধুত্বের কারণে ওই হিসাব নম্বর ব্যবহার করে টাকা সরানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সোনালী ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গোবিন্দাসী শাখা হতে ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শহিদুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী গ্রাহক উপজেলার কয়েরা গ্রামের মর্জিনা জানান, মেয়েদের বিয়ে দেয়ার জন্য জমিজমা বিক্রি ও অন্যান্য মিলিয়ে ২১ লাখ টাকা ব্যাংকে সঞ্চয়পত্রে রেখেছিলাম। কিন্তু পরে লভ্যাংশ তুলতে গিয়ে দেখি সঞ্চয়পত্রে টাকাই জমা হয়নি। ব্যাংক ম্যানেজার কৌশলে অনেক গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

রুহুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেফালী বেগম জানান, রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে কি করবো আমরা। কয়েক মাস লাভের টাকা তুলেছিলাম। ম্যানেজার শহিদুলকে বদলি করার পর ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারি আমার সঞ্চয়পত্রই খোলা হয়নি। প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর কাছে অভিযোগ দিয়েছি।

তালুকদার এগ্রো ফার্মেও স্বত্বাধিকারী মহির উদ্দিন বলেন, ব্যাংকে একাউন্ট করার পর ৭ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ঋণের টাকাসহ জমি বন্ধক রেখে ভাইকে (শহিদুল) আরও দুই লাখ টাকা দিয়েছি। একাউন্টে কয় টাকা আছে বা নেই আমি কিছুই জানিনা। চেকের পাতাগুলোতে স্বাক্ষর নিয়ে রেখেছিল সে।

পলাশ এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী খালেদা বেগম বলেন, একাউন্টের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কত টাকা আছে বা নাই। মেয়ের জামাই মামুন চৌধুরীই একাউন্টে লেনদেন করতো তার লোকজন দিয়ে। ব্যাংক ম্যানেজার শহিদুল তার বন্ধু ছিল। তাই গোবিন্দাসী শাখায় একাউন্ট খোলা হয়েছিল। ঝামেলার কারণে দেড় মাস আগে একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছি।

পটুয়াখালী জেলার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মামুন চৌধুরী বলেন, শহিদুলের সাথে ঢাকায় পড়াশুনার সুযোগে পরিচয় হয় তাঁর। পরিচিত হওয়ায় তার ব্যাংকে একাউন্ট খোলা হয়েছে শাশুড়ির নামে।
বিভিন্ন সময় ব্যাংকে লেনদেন করা হয়েছে। শাশুড়ির একাউন্টেতো নগদ টাকা জমা দেয়া হয়েছে কিন্তু সেখানে যদি ম্যানেজার অন্য একাউন্ট থেকে টাকা তার একাউন্টে জমা দিয়ে উত্তোলন করে তাহলে কিছু করার নেই।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বলেন, ম্যানেজারের আইডি হ্যাক করে ব্যাংকের লোকজন টাকাগুলো আত্মসাৎ করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে বদলি করার পর আমার আইডি ব্যবহার করে টাকা সরানো হয়েছে। সঞ্চয়পত্রের কাগজপত্রগুলো ব্যাংকের পিয়ন লাভলুর বাড়িতে পোড়ানো হয়েছে। এছাড়া এখনও গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখার ম্যানেজার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, যেহেতু তদন্ত হচ্ছে সেহেতু এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা যাবে না। প্রতিদিনই ভুক্তভোগী গ্রাহকরা ব্যাংকে ভিড় করছেন টাকা ফেরতের জন্য।

সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপাল অফিস ঘাটাইলের ডিজিএম আব্দুল্লাহ ফয়সাল বলেন, গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম দোষ স্বীকার করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান কার্যালয় তদন্ত করছে। অন্যদিকে দুদকে একটি মামলা হয়েছে। গ্রাহকদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা টাকা ফেরত পাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তাহাজ্জুদ পড়ার কথা বলে বেরিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তাহাজ্জুদ পড়ার কথা বলে বেরিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ধানক্ষেত থেকে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের হলুদিয়া গ্রাম থেকে আলোকদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে।

নিহত ওমর আলী হলুদিয়া গ্রামের মৃত আইন উদ্দিন ওরফে আনু সুতারের ছেলে। তিনি পেশায় আনারস ব্যবসায়ী ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলোকদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজহার।

জানা যায়, এর আগে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাতে ঢাকা থেকে মধুপুর থানায় ফোনে জানানো হয়, ওমর আলী নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করবেন জানিয়ে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেছেন। পরে মধুপুর থানা নিকটস্থ আলোকদিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানায়।

এ বিষয়ে ওমর আলীর স্ত্রী বুলবুলি বেগম বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আমার স্বামী মসজিদে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন বলে বেড়িয়ে যান। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে তার সন্ধান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তার ফোন বন্ধ পেয়ে আমি, আমার সন্তান এবং প্রতিবেশীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরে বুধবার (১ নভেম্বর) বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ধানক্ষেতে তার মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা।

ওমর আলীর সঙ্গে কোনো মনোমালিন্য হয়েছিল কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুলবুলি বেগম বলেন, মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। তখন ওমর আলীর আচরণ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কি কারণে এমন করলো তা জানি না।

আলোকদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজহার বলেন, মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে ঢাকা থেকে মধুপুর থানায় জানানো হয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ওমর আলী নামের এক ব্যক্তি ফোন করে জানান বিষপানে তিনি আত্মহত্যা করবেন। ওই সংবাদ পেয়েই আমরা ওমর আলীর বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীর নম্বর থেকে ওমর আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেন। কয়েক মিনিট পর থেকেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ভোর পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মো. আজহার আলী আরও বলেন, বুধবার রাতে হলুদিয়া গ্রামের এক ধানক্ষেতে ওমর আলীর লাশ পাওয়া যায়। তার মুখ থেকে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধের প্রথমদিনে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) আওয়ামী লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পরিষদ রোডস্থ জেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন ইয়াকুবের মোটরগ্যারেজের সামনে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, টাঙ্গাইলে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকির (৫৫) ও তার ছেলে ইব্রাহিম ফকির (২৩) এবং ওই ওয়ার্ডের সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনার মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দ (৩২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার সকালে বিএনপি’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধ বিরোধী মিছিল করতে ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. হুমায়ুন আকন্দ সোনা এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকির তাদের অনুসারীদের নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে অবরোধ বিরোধী মিছিল শেষে ফেরার পথে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের অনুসারীরা সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনার মোটরসাইকেল বহরের কর্মীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এতে দুই পক্ষের কয়েকটি মোটরসাইকেল রাস্তায় পড়ে কয়েকজন কর্মী সামান্য আহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমঝোতা করে দেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ওই ঘটনার জের ধরে আদালত প্রাঙ্গণে ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের কথিত সেরেস্তার সামনে সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দের (সোনা) মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দকে আটকে রেখে মারপিট করে।

খবর পেয়ে সভাপতির অনুসারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলাল ফকিরের অনুসারীদের উপর হামলা করে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকির ও তার ছেলে ইব্রাহিম ফকির এবং সভাপতির মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দ আহত হয়।

এ প্রসঙ্গে আহত টাঙ্গাইলে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকিরের মুঠোফোনে বার বার ফোন করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনা জানান, অবরোধ বিরোধী দলীয় মিছিলে তিনি শতাধিক মোটরসাইকেলসহ অনুসারীদের নিয়ে অংশগ্রহন করেন। প্রথম ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে পৌর মেয়র সমাধান করে দেন। তিনি বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষরা তার উপর হামলা করে। পরে তাকে রক্ষা করার জন্য তার অনুসারীরা পাল্টা হামলা করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন রশীদ আকন্দ সোনা ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ইতোপূর্বে সাধারণ সম্পাদকের ছেলে ইব্রাহিম ফকির একই ওয়ার্ডের সভাপতির ভাতিজাকে কুপিয়ে আহত করে। ওই ঘটনা থেকে উভয়ের মধ্যকার বিরোধ প্রকাশ্যে আসে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের দাফন সম্পন্ন

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের মরদেহ রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকালে তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তার আদি বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের চরকাটারি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সেকেন্দার আলী মোল্লার বড় ছেলে। তাদের বাড়ি যমুনা নদীতে ভেঙে যাওয়ায় তারা বর্তমানে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বসবাস করছেন।

পারিবারিক সিদ্ধান্তে রোববার সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলা সদর সামাজিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এদিকে, স্থানীয় মতিলাল ডিগ্রি কলেজ মাঠে তার মরদেহ পৌঁছলে এক হৃদয় বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়। তাকে শেষ বারের মতো এক নজর দেখতে শ’ শ’ মানুষ ভির জমায়। পরে ওই কলেজ মাঠে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানাজা নামাজ চলছিল।

অপরদিকে, নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের বর্তমান গ্রাম টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুরে এখনও শোকের মাতম চলছে।

নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের চাচা ও টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার এসআই ওয়াজেদ আলী জানান, নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজদের বাড়ি ২০১১ সালের দিকে যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। পরে পরিবারসহ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বাড়ি করেন। তার স্ত্রীর নাম রুমা ও সাত বছর বয়সী মেয়ের নাম তানহা ইসলাম। তিনি স্ত্রী ও কন্যা সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকতেন।

নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের স্ত্রী রুমা আক্তার স্বামীর মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন। তিনি কোন কথা বলছেন না, মাঝে মধ্যে মেয়ে তানহাকে জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় চোখের পানি ফেলছেন।

নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম রাব্বানী জানান, আমিরুল ইসলাম পারভেজরা তার এলাকার ভোটার নয়। বসবাস করার সুবাদে তার সম্পর্কে জানতেন, তিনি অত্যন্ত সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। কখনও কারো সাতে-পাঁচে তাকে দেখা যায়নি। তিনি একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক ছিলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করতেন।

দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের বাবা একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। পারভেজ ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মানিকগঞ্জের ঠিকানায় পুলিশের চাকুরিতে যোগদান করেন। তারা দুই ভাই এক বোন।

ছোট ভাইয়ের নাম আজিজুল হক বিপ্লব। তবে বর্তমানে তার পরিবার টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামের বসবাস করলেও তারা এখনও চরকাটারি ইউনিয়নের ভোটার।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার দৈনিক বাংলার মোড় এলাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পারভেজ আহত হয়। বিকাল ৪টার পর গুরুতর আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।