/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলে রাইস মিলের জ্বলন্ত চুল্লি থেকে নারী এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাইস মিলের জ্বলন্ত চুল্লি থেকে নারী এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রাইস মিলের জ্বলন্ত চুল্লি থেকে সুরমা আক্তার (৩২) নামে এক নারী এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার( (১৪ মে)সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভাধীন চাটিপাড়া এলাকায় রাইস মিলের চুল্লিতে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।

নিহত এনজিওকর্মী সুরমা আক্তার উপজেলা সদরের চাটিপাড়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় এনজিও সেবালয়ের কর্মী।

স্থানীয়রা জানায়, সুরমা আক্তার কি কারণে তিনি আগুনে পুড়ে মারা গেছেন তা জানাতে পারছেন না প্রতিবেশীরা। এরকম চুল্লিতে আত্মহত্যা করা সম্ভব নয়। কোনো রহস্য থাকতে পারে।

নিহতের বড় বোন সুমনা বলেন, ইফতারের পর রাইস মিলের পাশ থেকে লোকজনের কোলাহল শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি চুল্লির ভিতরে একটা মানুষ আগুনে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভাতে নেভাতেই মারা যায়, মৃত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে।

সাত মাস আগে সুরমা আক্তারের ডিভোর্স হয় কালিহাতী পৌর এলাকার সওদাগর পাড়ার আসাদ সওদাগরের সঙ্গে।থ্রি স্টার রাইস মিলের ভাড়ায় চালিত মালিক শ্রীদাম জানান, চুল্লিতে আগুন দেওয়া শ্রমিক ঘটনা জানায়।

কালিহাতী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে একটি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।

কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ থানায় মামলা করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২১ ১১:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চলাচল শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চলাচল শুরু

একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার(৬ মে) সকাল থেকে  টাঙ্গাইলে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বাস চলাচল করায় যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি প্রকাশ করছে পরিবহন চালকরা। দুরপাল্লার গাড়ী চলাচল না করায় টাঙ্গাইলের বাসস্ট্যান্ডেই রয়েছে দুরপাল্লার বাসগুলো। শুধু লোকাল বাস ও নন সিটিং সার্ভিস বাসগুলো চলছে টাঙ্গাইল জেলায়।

স্বাস্থবিধি মেনে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা থাকায় ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। তারপরও কিছুটা স্বস্তির কথা জানিয়েছেন সাধারন যাত্রীরা। কিন্তু দুরপাল্লা  গাড়ী চলাচল না করায় তেলের খরচও উঠছে না বলে জানিয়েছেন পরিবহন চালক ও  মালিকগণ।

বাস চালক মিজানুর রহমান জানান,  যাত্রী সংখ্যা কম হওয়াতে  গাড়ীর তেল খরচ উঠানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তার পরও সরকারকে ধন্যবাদ বাস চলাচলের অনুমোদি দেওযার জন্য।

বাস মালিক এহসানুল হক বলেন,  শুধু মাত্র শুধুমাত্র জেলার মধ্যে বাস চলাচলে মালিক-চালক-শ্রমিক কারো কোন লাভ হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিদিস্ট রুটে বাস চলাচল করার অনুমোদি দিলে সব  দিক যাত্রী- মালিক উভয়ই লাভবান হতো। আশা করি, সরকার বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মে ২০২১ ০৩:৩৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রসূতির পেটে গজ: পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রসূতির পেটে গজ: পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ৩১ জানুয়ারি প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাই করার ঘটনায় পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার( ৬ মে)দুপুরে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতের  সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রসূতির বাবা এস,এম, মাহবুব হোসাইন এই মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকি মিয়া জানান, আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশের তদন্ত ব্যুরোকে (পিবিআই) তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

বাদী এস,এম, মাহবুব হোসাইন জানান, গত ৩১ জানুয়ারি তার মেয়েকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তান হয়। এরপর তার মেয়ের পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেন চিকিৎসকেরা। এরা হলেন হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নিসফুন নাহার, ডা. অপু সাহা, ডা. আবেদা সুলতানা, ডা. ফজলুল হক ও ডা. জাকির।

এদিকে গজ পেটে রয়ে যাওয়ায় পর দিন থেকেই তার মেয়ের পেটে ব্যথা শুরু হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সন্দেহে এই হাসপাতালেই টানা ২২ দিন চিকিৎসা চলে। অবস্থার অবনতি হলে মেয়েকে ঢাকায় নেয়া হয়। গত ১ মার্চ ঢাকার হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যানে পেটের ভেতরে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়ে। ৩ মার্চ অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে প্রায় এক ফুট লম্বা গজ বের করেন চিকিৎসকেরা।

তিনি জানান, চিকিৎসকদের এই অবহেলার জন্য তিনি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্ত ও সব আসামির বিচার চান।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, হাসপাতালের পক্ষ থেকে করা তদন্তে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ও অনাকাঙ্খিত। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কৈফিয়ত দাবি করব এবং সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করব।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৮:৩৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনা ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনা ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট, কেক, ব্রেড তৈরি করায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যমুনা ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে(বেকারী) ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার(৪ মে) বিকালে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ওই জরিমানা করেন।

ইফতেখারুল আলম রিজভী জানান, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনাকালে মানহীন নোংরা পরিবেশে বেকারী পণ্য উৎপাদন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করায় যমুনা বেকারীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় বেকারীতে কর্মরত সংশ্লিষ্টদেরকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।পরবর্তীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মে ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন ফের না মঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন ফের না মঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবার না মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ নিয়ে ছয় বার তার জামিন আবেদন না মঞ্জুল হলো।

মঙ্গলবার (৪ মে) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়িত্বে থাকা দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাউদ হাসান এ জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, গত ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তার পক্ষে আইনজীবী আব্দুল বাকী মঙ্গলবার (৪ মে) ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে আদালতে জামিন আবেদন করেন। তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন মঞ্জুরের দাবি জানান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত জামিন না মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।ফারুক হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিছুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামক দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাই তৎকালীন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। তারপর তারা আত্মগোপনে চলে যান। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ এ মামলায় আমানুর ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেন। ছয় বছরেরও বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর মুক্তি গত ২ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মে ২০২১ ০৬:২০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সন্তোষে খোদা-ই-খেদমতাগার এর ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সন্তোষে খোদা-ই-খেদমতাগার এর ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে খোদা-ই-খেদমতাগার এর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(৪ মে) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কুরআন ও সুন্নাহ কেন্দ্রে এ দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খোদা-ই-খেদমতাগার ও ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি মো: হাসরত খান ভাসানী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ১০ নং হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা।

প্রধান আলোচক হিসেবে মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মো: দেলোয়ার হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে খোদা-ই-খেদমতাগার এর উপদেষ্টা অহেদুর রহমান মতি ও মওলানা ভাসানী মুসাফির খানার সাধারন সম্পাদক মো: আলিমুদ্দিন তালুকদার বক্তব্য রাখেন।

ইফতার ও দোয়ায় নাগরপুর জনতা কলেজের শিক্ষক মো: আব্দুর রহমান, ন্যাপ ভাসানীর যুগ্ম-মহাসচিব মো: আলাউদ্দিন, মাভাবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: মফিজুল ইসলাম মজনু, মুরিদান সংঘের সাধারন সম্পাদক মো: আবু সাইদ আজাদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কুরআন ও সুন্নাহ কেন্দ্রের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দসহ ভক্ত-মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মে ২০২১ ০২:১৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ’বেড়াডোমা ব্রিজ’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ’বেড়াডোমা ব্রিজ’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন 

 একতার কণ্ঠ : টাঙ্গাইল পৌর সভার বেড়াডোমা এলাকায়  লৌহজং নদীর উপর অবস্থিত বেড়াডোমা  ব্রিজের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।  সোমবার( ৩ মে) বেলা ১১ টায়  টাঙ্গাইল পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাইলিং শুরুর মধ্য দিয়ে এই কাজের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত  নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজীব কুমার গুহ, পৌর কাউন্সিলর সাইফুল সরকার, মামুন জামান সজল  সহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ প্রসঙ্গে  এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপর  নির্মিত ব্রিজটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার  হয়নি। ফলে  ব্রিজটি ভেঙ্গে গিয়ে  লৌহজং নদীর  পশ্চিম পাড়ের জনগণ সহ পশ্চিম টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকার মানুষের টাঙ্গাইল শহরের সাথে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়ে চরম ভোগান্তি  শিকার হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,  এই ব্রিজের  নির্মান  কাজ সম্পন্ন  হলে এই এলাকার  যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল ও  জনগণের ভোগান্তি নিরসন হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২১ ০৩:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছ।    শুক্রবার(৩০শে এপ্রিল) বাদ জুম্মা টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে এই পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 কার্যনির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন টাংগাইল-২( গোপালপুর- ভূঞাপুর) আসনের  সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,টাঙ্গাইল  প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ -মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি ও নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যবৃন্দ।
 এই পরিচিতি সভাটি সঞ্চালনা দায়িত্বে ছিলেন নবনির্বাচিত  সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান খান পাঠান( জুয়েল)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২১ ১২:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শ দান কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভাটি বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল ৩ টায় শুরু হয়ে  বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড এ, এস, এম সাইফুল্লাহ। সরকারী কর্মচারী হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মোর্শেদ করোনাকালে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহনকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সবাইকে সুষম খাবার গ্রহন এবং শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।তিনি বলেন, হয়তো করোনাকে নিয়েই আমাদের দীর্ঘদিন বসবাস করতে হবে, তাই স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

আলোচনা থেকে সকলে একমত হন যে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে পাঠদানের ব্যবস্থা থাকা উচিত। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিষ্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন অফিসের প্রধান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শতাধিক অংশগ্রহনকারী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্র ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা অর্জন বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও পরামর্শ বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। কেন্দ্রের পরিচালক জানান, এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আওরঙ্গজেব আকন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৫:০৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন পবিত্র রমজানে প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক  দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতারি বিতরণ করছে। গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল)  বিকালে  টাঙ্গাইল সদরে ঘুরে ঘুরে  প্রায়  তিন শত জন দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন করেন সংগঠনের  সেচ্ছাসেবীরা।

শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মঈদ হাসান তড়িৎ জানান, গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি। তারই ধারাবাহিকতায় নিজেরা রান্না করে টাঙ্গাইলের রাস্তায় ছিন্নমূল অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ১১টি জেলায় প্রায় ৯ হাজার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা সদর বস্তির বাসিন্দা শাহিদা বেগম (৫০)। প্রায় ৩৫ বছর আগে বিয়ে হয়। স্বামী রিকশা চালক। বিয়ের পর থেকেই সংসারে সুখের টানাটানি।

একে একে তাদের সংসারে এলো তিন মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েদের বিয়ের পর তারা স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। ছেলেও বিয়ের পর পৃথক হয়েছে। এদিকে প্রায় ১৫ বছর ধরে স্বামী ভরণপোষণ দেন না।

অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে সংসার চলে তার। টানাটানির সংসারে ভালো মানের খাবার জোটানো স্বপ্নের মতো লাগে। কোনো রকম সেহেরি ও ইফতার খেয়ে রোজা রাখেন।

এ অবস্থা দেখে তার পাশে দাঁড়িয়েছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ সংগঠন। প্রতিদিন তাকে ভাল মানের ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়।

শুধু শাহিদা বেগম নয়, তার মতো প্রতিদিন টাঙ্গাইল শহরের অসহায়  তিন শতাধিক দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ নামের এই সংগঠনটি।

শাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী আমাকে দেখাশোনা করেন না। ছেলেও খোঁজ খবর নেয় না। নিজে অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলি। ভালো মানের ইফতার কখনও তৈরি করতে পারি না। শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন আমাকে প্রতিদিন অনেক ভালো মানের ইফতার সামগ্রী দেয়। তাদের জন্য দোয়া করি। তারা যেনো আমার মতো মানুষের পাশে সবসময় এভাবেই দাঁড়াতে পারে।’

ইফতার সামগ্রী পাওয়া বস্তিবাসী রত্না বেগম বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে তারা ইফতার সামগ্রী দিচ্ছে। এমন ইফতার সামগ্রী বানানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাদের দেওয়া ইফতার সামগ্রী দিয়ে পরিবারের সবাই মিলে আমরা ইফতার করি।’

হাসনা বেগম বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে আয় রোজগার বন্ধ। অনেকের ঘরে খাবার নেই। আবার অনেকেই খাবার পায় না। এই খাবার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। খাবার পেয়ে অনেকেই খুশিতে কেঁদে ফেলেছে।’

কদবানু বেগম বলেন, ‘আমি রাস্তায় ঘুরে ঘুরে টাকা তুলি। কিনে ইফতার খেতে হয়। আজ বানানো ইফতার পেয়ে খুব আনন্দিত।

রিকশা চালক হারুন মিয়া বলেন, ‘সারাদিন রিক্সা চালিয়ে শহরের শহীদ মিনারে এসে বসলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের লোকেরা ইফতার দিয়ে যান। কোনো দিন বিরিয়ানি আবার কোনো দিন খিচুড়ি দিয়ে থাকেন। আবার কোনো দিন ছোলা, মুড়ি, খেজুর দেন।’

স্বেচ্ছাসেবক কাজী সিনথিয়া জেরিন বলেন, ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে খুব ভাল লাগছে। মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করাও মানবতা। ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করিয়ে নিজেদের ইফতার করার মধ্যে এক আত্মতৃপ্তি থাকে। ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হয়।’

অপর স্বেচ্ছাসেবক তানজিলা ইসলাম সেমন্তি বলেন, ‘এই কাজটা করতে আমাদের অনেক ভাল লাগে। মানুষের পাশে দাঁড়ালে তারাও আমাদের ভালবাসে এবং আমাদের জন্য দোয়া করেন। তারা দোয়া পাওয়াই অনেক বড় ব্যাপার।’

স্বেচ্ছাসেবক তাহমিদ সাম্য বলেন, ‘আমরা যখন ইফতার বিতরণ করি ছিন্নমূল মানুষগুলো অনেক খুশি হয়। মন থেকেই আমাদের জন্য তারা দোয়া করেন। মানুষের ভালবাসা পেয়ে আমরা অনুপ্রাণিত হচ্ছি। নিজ বাসায় ইফতার করা বাদ দিয়ে ছিন্নমূল মানুষের সাথে ইফতার করি। তাদের সাথে ইফতার করতে আমাদেরও ভাল লাগে। সারাদিন রোজা রাখার পর আমাদের ইফতার পেয়ে তারা যে হাসি দেয়। সেই হাসি দেখার জন্য বাড়ি থেকে তাদের কাছে ছুটে আসি।’

মুঈদ হাসান তড়িৎ বলেন, ‘লকডাউন উঠে গেলে মার্কাস  মসজিদ ও এতিমখানায় ইফতারের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়াও ঈদের আগের দিন ছিন্নমূল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে চাল, ডাল, সেমাই, মাংস, দুধ চিনিসহ ঈদ বাজার পৌঁছে দেওয়া হয়। এ বছরও দেওয়া হবে। ছিন্নমূল শিশুদের জন্য ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হয়। এ বছর প্রায় এক হাজার শিশুকে ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হবে। সবার সহযোগিতায় আগামী বছরগুলোতেও এমন আয়োজন করা হবে। এমন কাজে সামর্থ অনুযায়ী সবার সহায়তায় এই মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইন্টার্ন চিকিৎসক‌দের ধর্মঘট - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইন্টার্ন চিকিৎসক‌দের ধর্মঘট

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে বকেয়া  সম্মানী ভাতার  দাবি‌তে চি‌কিৎসা‌ সেবা বন্ধ‌ ক‌রে ধর্মঘট পালন কর‌ছেন ইন্টার্ন চি‌কিৎসকরা। বুধবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতা‌লে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন।এদি‌কে চি‌কিৎসক‌দের এমন ধর্মঘটে হাসপাতা‌লে সেবা নি‌তে আসা রোগীরা চি‌কিৎসাসেবা থে‌কে ব‌ঞ্চিত হ‌চ্ছেন।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানান, গত জানুয়ারি মাস থেকে তারা তাদের সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও এ বিষয়ে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাই বাধ্য হয়ে তারা এ অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সম্মানী ভাতার টাকা প‌রি‌শোধ হ‌বে না ততক্ষণ পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।

টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. খন্দকার সাদেকুর রহমান বলেন, হাসপাতা‌লে তত্ত্বাবধায়ক হি‌সে‌বে নতুন যোগদান করেছে তিনি। বিষয়‌টি জানার পরই আন্দোলনরত‌দের সঙ্গে আলোচনা করা হ‌য়ে‌ছে। হাসপাতালের ফান্ডে টাকা নেই।    তিনি আরো জানান,  খুব দ্রুতই তারা তাদের প্রাপ্য সম্মানী ভাতা পেয়ে যাবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা 

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওযার্ডের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকার বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহান(১৭)  পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।  বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে প্রিয়া চৌহান টয়লেট ক্লিনার হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে চিকিৎসার জন্য কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বাবা-মা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
টাঙ্গাইল জেনালের হাসাপাতালের  চিকিৎসক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রিয়া চৌহান এর বর্ণনা অনুসারে সে হারপিক পান করেছে, আমরা সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি।
 পরিবার ও  এলাকায়  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহানের সাথে পাশাপাশি এলাকা  কান্দাপাড়া এলাকার প্রদীপ হরিজনের ছেলে প্রভাত হরিজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ এপ্রিল প্রভাত হরিজনের সাথে কিশোরী  প্রিয়া চৌহান পালিয়ে যায়। পরে তারা কোর্টে হলফনামা এফিডেভিট করে এবং  শাঁখা সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করে।  ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় তার বাবা-মা পুলিশের সহযোগিতায় সামাজিক ভাসব বসে মাতাব্বর নিয়ে একাধিকবার  দেন-দরবার করে  কিশোরী  পিয়া চৌহানকে পরিবারে ফিরিয়ে আনেন ।
 তবে দেন-দরবার করে ফিরিয়ে আনলেও প্রিয়া চৌহান তার বাবা-মায়ের কাছে না থেকে  আবার প্রভাত হরিজনের  সাথে পালিয়ে যায়।  এ বিষয়ে গত  মঙ্গলবার(২৭ এপ্রিল) দুপুরে, দুই পক্ষের মাতাব্বর নিয়ে সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয় ।  সেখানে ছেলের বাবা এবং মেয়ের বাবার মতামতের ভিত্তিতেই কিশোরীকে  প্রভাত হরিজনের বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
  ঐদিন বিকেলে পিয়া চৌহানের বাবা ও মা কাজলি চৌহান একজন মানবাধিকার কর্মীর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ উল্লেখ করে টাঙ্গাইলের সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম কে অবগত করেন৷  মেয়েটির বয়স ১৮ না হওয়ায় এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মেয়েটিকে তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে আসেন।
টাঙ্গাইল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহর খবর পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত চলে যাই এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মেয়েটিকে তার বাবা মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়।
 বাবা বিমল চৌহান বলেন, আমার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার মত অনুসারে আমরা তাকে বিয়ে দেব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ১০:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।