একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) গভীর রাতে র্যাবের সহযোগিতায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ১১ জন অবৈধ বালু উত্তোলন কারীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের এলেংজানী নদীর উত্তর তারটিয়া অংশে ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের মূলহোতা উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. উজ্জ্বল মিয়াকে(৪৮) ৩ মাস, একই এলাকার পূর্ব লামছী গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে রায়হানকে(২৫) ৭ দিন ও বাকি ৯ জনকে ৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডিত অন্যরা হচ্ছেন- উত্তর তারটিয়া গ্রামের মো. হুরমুজ আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক(৪০), বররিয়া গ্রামের মৃত খন্দকার রকিবুল হকের ছেলে খন্দকার মাসুম(৪৩), উত্তর তারটিয়ার মো. সামাদ খানের ছেলে মো. নিলয় খান(২২), কালাচাদের ছেলে মো. মঞ্জুর(৩০), মো. তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৩৮), একই এলাকার খাবিদা গ্রামের আ. মজিদ খানের ছেলে মো. রাসেল খান(৪০), গোলড়া গ্রামের মো. সোহেল মিয়ার ছেলে মো. অভি(২০), বররিয়া গ্রামের নারায়নের ছেলে নিরঞ্জন(১৯) এবং কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটী গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে মনির(২০)।
সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারায় মূলহোতা মো. উজ্জ্বল মিয়াসহ ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত চারটি ড্রাম ট্রাক ও একটি ভেকু জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্ক: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের কাজীর বাজার এলাকায় যমুনা নদীতে অবৈধ ড্রেজার এর মাধ্যমে বালু উত্তোলনের দায়ে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারা লংঘন করায়, হুগড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে তোফাজ্জল হোসেনকে ৫০০০০/ ( পঞ্চাশ হাজার) টাকা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একই এলাকার মোঃ চান মোল্লার ছেলে মাজেদুর রহমানকে ১০০০০/-(দশ হাজার) টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার(২৬ এপ্রিল) দুপুরে, টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি )ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধ ড্রেজার এর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ অবশেষে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশ বিপর্যস্ত হলে এবার লকডাউন ঘোষনার পর সরকারী কিম্বা বেসকারী পর্যায়ে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীর ৭০০ সদস্যদের মাঝে শনিবার(২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত কোন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়নি । বিভিন্ন গণমাধ্যমে যৌনকর্মীদের অধাহারে-অনাহারে জীবন-যাপনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলো।রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় শহরের কান্দাপাড়ায় জেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়াও লেডিস ক্লাবের উদ্যোগে শিশুদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।করোনাভাইরাসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়া টাঙ্গাইল যৌন পল্লীর সদস্যদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রীও বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, সহাকারি কমিশনার (ভূমি) মো. খায়রুল ইসলাম, ডেপুটি নেজারত কালেক্টটর (এনডিসি) আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহকারি কমিশনার মোছা. নুর নাহার বেগম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় যৌনপল্লীর ৫৫০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক লিটার তেল, এক কেজি ডাল, এক কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি ছোলা, এক কেজি চিনি, এক কেজি লবণ বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ঈদে নতুন জামা কেনার জন্য ১২০ জন শিশুর মাঝে নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১১ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ২০০ বছরের পুরোনো কান্দাপাড়া যৌন পল্লীটি ৩০২ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এর ৫৯টি বাড়িতে প্রায় ৭০০ যৌনকর্মী বসবাস করে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত বছরের ২০ মার্চ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি জনকে ৩০ কেজি করে চাল দিয়ে এই পল্লীকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর পর ঈদুল ফিতরের আগে প্রতি সদস্যকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ৫০০ করে টাকা দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ী এলাকায় ছেলের নামে জমি লিখে না দেয়ায় বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
ছেলের এমন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ছেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ি পুলিশের কাছে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
এ ব্যাপারে অসহায় বৃদ্ধা বাবা মোহাম্মদ আলী পল্টু জানান, তার স্ত্রী রুমিছা বেগমের নামে বাড়ির সাড়ে ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। সেই জমি ছেলে শুকুর আলী তার নামে লিখে দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ প্রয়োগ করে আসছে। প্রতিনিয়তই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে।
তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৯ এপ্রিল) আবারও জায়গা লিখে দিতে বলে ছেলে শুকুর আলী । তার কথায় রাজি না হওয়ায় ছেলে, ছেলের বউ, নাতি, ছেলের শ্যালকসহ কয়েকজন মিলে মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী রুমিছা বেগমকে মারধর করে।
এ সময় মোহাম্মদ আলীর আরেক ছেলে ও নাতিরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। এতে আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
মোহাম্মদ আলী পল্টুর আরেক ছেলে ফজল হক বলেন, গায়ের জোরে শুকুর বাবা-মাসহ সবাইকে লোক ভাড়া করে মারধর করেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলী বলেন, বাবা-মাকে মারধর করার ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। ছেলে হয়ে বাবা-মায়ের গায়ে হাত তোলা ঠিক হয়নি। তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
টাঙ্গাইলের কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানি। তবে শুনেছি তারা সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধান করবেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টাঙ্গাইলে লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে শহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে ওই ইফতার সামগ্রী দুস্থ ও অসহায়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াসেদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কায়ছার হাসান পাপ্পু সহ ছাত্রলীগ নেতারা স্থানীয় চার শতাধিক অসহায় রোজাদারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। পুরো রমজান মাস জুড়ে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে নেতারা জানান।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের গদুরগাতি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা গাজী মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন সরকারের বাড়িতে চুরি হওয়ার কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্তরা। চুরি হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধার মেয়ের জামাই মো. শাহ আলম বাদি হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেও কোন সুরাহা পায়নি। আতঙ্কে দিন পার করছে মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় শাহ আলম ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। বিকেলে বাড়িতে এসে তিনি দেখতে পান ঘরের দরজার সিটকিনি ভাঙ্গা, জিনিসপত্র এলোমেলো। আলমারি থেকে নগদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। পরে বিষয়টি প্রতিবেশিদের সাথে কথা বলে থানায় অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও আজও পর্যন্ত কোন সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগি পরিবার।
মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে শিক্ষক সালমা আক্তার বলেন, ‘১৩ ডিসেম্বর আলমারিতে টাকা ও স্বর্ণালংকার রাখার দৃশ্যটি জানালা দিয়ে পাশের বাড়ি মোতালেব খন্দকারের ছেলের স্ত্রী ফাউজিয়া দেখেছেন। আমার ধারণা ফাউজিয়া তার দেবর মানিককে সকল তথ্য দিয়ে চুরি করাইছে। মানিক চুরির ঘটনার আগে থেকে সকাল আমাদের ঘরের পিছনে দাড়িয়ে থাকতো। মানিক এলাকায় মাদক সেবী হিসেবে পরিচিত। যে দিন চুরি হয় ওই দিন মানিকের ছোট ভাই মোমিনও বাড়িতে ছিলো। আমার বাড়িতে চুরি হয়েছে অথচ মানিকরা ২৫-৩০ জন লোক এনে আমাদের হুম ধামকি দিয়েছে। আমরা সব সময় আতঙ্কে আছি। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বাদি অভিযোগে কারো নাম উল্লেখ করেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন। বাদি আসামীদের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলে আসামীদের গ্রেফতার করতে সহজ হবে।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(১৯ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায় শহরের কাগমারী, সন্তোষসহ আশে পাশে এলাকায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক তানভীরুল ইসলাম হিমেল ও শাফিউল আলম মুকুল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাইয়ুম চাকলাদার, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ ফরিদ, সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রওনক সবুজ বাবু, রুহুল আমিন রানা, জুয়েল রানা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের রতন চাকলাদার, বিজয়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় কাগমারী, সন্তোষসহ আশে পাশে এলাকার ১২০ জনের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন মিষ্টি তৈরী করায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে অবস্থিত ফনিন্দ্র মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমাবার(১৯ এপ্রিল)দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী।
অভিযান পরিচালনাকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন মিষ্টি তৈরী করায় টাঙ্গাইলে ফনিন্দ্র মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন,রমজান উপলক্ষে আমাদের বিশেষ মনিটরিং টিম জনসাধারণের ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি সবসময় অব্যাহত থাকবেও বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
এসময় রমজান কে কেন্দ্র করে সকল ব্যবসায়ীকে অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এসএস যুব সংঘের কার্যালয়ে রবিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে(সেহরির পর) অভিযান চালিয়ে ১৩ জুয়াড়িকে আটক করেছে র্যাব-১২। র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন বেড়াডোমা এলাকার মৃত দেলু মিয়ার ছেলে মো. দুলাল মিয়া(২৫), মো. আবুল কাশেমের ছেলে মো. সোহেল মিয়া(৩০), মাইশা নন্দলাল এলাকার মৃত ইমান আলীর ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম(২৫), পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মো. ইমান আলীর ছেলে উসমান গনি(২৮), মৃত কদম আলীর ছেলে মো. ফিরোজ মিয়া(৪৮), মো. সুজন মিয়ার ছেলে মো. রিফাত মিয়া(১৯), মো. ফজর বেপারীর ছেলে আব্দুর রহমান(২৫), মৃত উমর আলীর ছেলে মো. রানা মিয়া(২৬), আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইমন মিয়া(২০), দুলাল চোহাংয়ের ছেলে রিপন চোহাং(২০), মো. হযরত বেপারীর ছেলে মো. আমিন কিময়া(২৪), আব্দুর রাজ্জাকের দুই ছেলে মো. শাকিল মিয়া(২৮) ও মো. শাওন মিয়া(১৯)।
সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার এসএস যুব সংঘ নামে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের টিনসেড ঘরের ভেতরে প্রতিদিন ভোরে নিয়মিত তাস দিয়ে জুয়ার আসর চালানো হচ্ছে। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার মাধ্যমে খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে রোববার সেহরির পর অর্থাৎ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে র্যাবের একটি চৌকষ দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে জুয়ার আসর থেকে একসেট তাস ও নগদ ১১ হাজার ৭৩০টাকা জব্দ এবং ১৩ জুয়াড়িকে আটক করা হয়। আটককৃতরা জব্দকৃত তাস দিয়ে জুয়া খেলার আসর চালানো হতো বলে স্বীকার করেছে।
তিনি আরও জানান, আটককৃতদের নামে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে মামলা দায়ের পূর্বক টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে, শহরের পাঁচআনি বাজার ও ছয়আনি বাজার এলাকায় , টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারনে , পাঁচআনি বাজারে এক মিষ্টি ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় ছয়আনি বাজারে এক দোকানিকে ৫ হাজার টাকা এবং ছয়আনি বাজারে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাস্ক ব্যবহার না করার , একজনকে ২ শত টাকা সহ সর্বমোট ১৫২০০( পনেরো হাজার দুইশত) টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর য সদস্যরা উপস্থিত ছিল।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম জানায়, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য লকডাউন পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বুলবুল (৬০) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকায় জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তার ভাই কামরুজ্জামান খান জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে পহেলা এপ্রিল এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার আড়াইটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মরদেহ টাঙ্গাইল আনা হবে। তারাবির নামাজের পর টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে তিনি জানান।
প্রকাশ, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে টাংগাইল সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক, টাংগাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, টাংগাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনিরুজ্জামান বুলবুল দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনিরুজ্জামান বুলবুল ১৯৯৭ সালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ৯০ দশকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার(৯ এপ্রিল)দিবাগত রাতের কোন এক সময় করটিয়া শীলপাড়া ভবতোষ মাঝির পরিত্যক্ত ঘরে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের নাম মল্লিকা বেগম (৩০)। সে সদর উপজেলার গোসাইবাড়ী কুমল্লি গ্রামের মো. মিন্টু মিয়ার মেয়ে।
জানা গেছে, আট বছর পুর্বে মির্জাপুর উপজেলার হাট ফতেপুর এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে বাদল মিয়ার সাথে পারিবারিক ভাবে মল্লিকার বিবাহ হয়। তাদের ঘরে মোস্তাকিন (৬) ও মুজাহিদ (৪) নামের দু’টি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্বামী বাদল মিয়া অটোরিক্সা চালক। শুক্রবার রাত থেকে মল্লিকার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
নিহতের বাবা মিন্টু মিয়া জানান, শনিবার সকালে শীলপাড়া এলাকার ভোজন শীল ফোনে তাকে জানায়, শীল পাড়ায় তার মেয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাহিনকে ঘটনাটি জানান। পরে শাহীন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্বার করে।
এ বিষয়ে করটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন,যেহেতু ফাঁসির ঘটনা, ময়না তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না ।
টাঙ্গাইল মডেল থানার সহকারী পরিদর্শক(এস আই) মো. ওয়াজেদ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই । নিহতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নিহতের বাম হাতে একাধিক ক্ষত চিহ্নের দাগ পাওয়া গেছে।সম্ভবত ব্লেড দিয়ে কাটার ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতকে কেউ আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
প্রকাশ, এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে ভোজন শীলের সাথে নিহত মল্লিকার সর্ম্পক ছিল। মনমালিন্যের কারনে মল্লিকা আতœহত্যার পথ বেছে নিতে পারে।