/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌরসভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌরসভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় মঙ্গলবার(২২ জুন) ভোর ৬টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে শহরের নতুন বাসটার্মিনাল থেকে মঙ্গলবার ভোরে দূর পাল্লার কিছু যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে গেছে। কঠোর বিধি নিষেধের কারণে শহরের মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু কিছু ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল করছে। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছে।

এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দশকের ঘর পেরিয়ে ১০১- এ দাঁড়াল।

সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালা মোড়, বটতলা মোড়, শান্তিকুঞ্জ মোড়, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, কুমুদিনী কলেজ মোড়, নতুন বাস টার্মিনাল, বেবীস্ট্যান্ড ঘুরে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। কোথাও জনসমাগম লক্ষ করা যায়নি। তবে মঙ্গলবার সকালে নতুন বাসটার্মিনাল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন গন্তব্যে দূর পাল্লারর বাস ছেড়ে যায়। পরিবহন কর্মীরা জানান, বাস বন্ধ করার কোন নির্দেশনা তারা পাননি, তাই গাড়ি চালাচ্ছেন।

জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে রাবনা বাইপাস থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে। কোন বাস শহরে প্রবেশ করছে না। প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে যানবাহন চালানো হচ্ছে।

এছাড়া শহরের প্রবেশমুখ আশেকপুর বাইপাস রোড, বিলঘারিন্দা রোড, এলজিইডি রোড, ধুলেরচর মাদ্রাসা রোড, কাগমারী কলেজ রোড, বেড়াডোমা-বাঘিল রোড, বাজিতপুর-দেলদুয়ার রোডে পুলিশি ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। শহরের সড়কগুলো ফাঁকা পেয়ে স্থানীয় কতিপয় কিশোর-যুবক বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

শহরের পাইকারী কাঁচা বাজার পার্ক বাজার, বটতলা, ছয়আনী, বেবীস্ট্যান্ড, সাবালিয়া, আমিন বাজার, বউ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতা কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। উন্মুক্তস্থানে কাঁচা বাজার বসানোর নির্দেশনা থাকলেও কোন বাজারেই তা করা হয়নি। এ বিষয়ে স্ব স্ব বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি।

উন্মুক্ত স্থানে কাঁচা বাজার বসানো প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) রানুয়ারা বেগম জানান, জেলার সর্ববৃহৎ পার্ক বাজারটি পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, দ্রুতই তারা পার্ক বাজারের পাশে কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠে সাময়িকভাবে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহন করবে। কাঁচা বাজার সাময়িক স্থানান্তরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বিপিএম জানান, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের জন্য টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় পুলিশের ১৩টি চেকপোস্ট ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় পাঁচটি চেকপোস্টের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নাগরিক সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহায়তা প্রত্যাশা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২১ ১১:৩৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ৫ দালালকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ৫ দালালকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

একতার কন্ঠঃ  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে ৫ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২১ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খায়রুল ইসলাম অভিযুক্ত ৫ জনকে সাজা প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমান আদালত, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবালিয়া এলাকার মৃত সামাদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামকে ১৫ দিন, একই এলাকার মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে তারেক, কোদালিয়া এলাকার পরেশ চন্দ্রের ছেলে পল্লব চন্দ্র, দেলদুয়ার উপজেলার পরাইখালী গ্রামের মালেক সিকদারের ছেলে রাকিব সিকদার ও কালিহাতী উপজেলার ভূক্তা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে নাহিদ হাসানকে ৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।সোমবার (২১ জুন) দুপুরে হাসপাতালের বাইরে অবস্থানকালে তাদের আটক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে  সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি দালাল চক্র দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগী ও স্বজনদের নানাভাবে হয়রানী এবং প্রতারনা করে আসছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২১ ০৪:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একদিনে করোনা শনাক্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড ৪৩%, কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একদিনে করোনা শনাক্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড ৪৩%, কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অতীতের রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড ৪২ দশমিক ৮৫ শতাংশ করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিন ৩৮৫টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৬৫জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ক্রমাগত করোনা শনাক্তের হার বেড়ে যাওয়ায় টাঙ্গাইল পৌরসভা ও কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় মঙ্গলবার(২২ জুন) ভোর ৬টা থেকে আগামি ২৮ জুন(সোমবার) রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান সোমবার(২১ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় রোববার(২০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডক্টর মো. আতাউল গনি সাক্ষরিত ৯ দফা নির্দেশনা সহ একটি বিধিনিষেধ জারি করা হয়।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধে গৃহীত কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সোমবার(২১ জুন) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা তথ্য অফিস, জেলা পুলিশ এবং বিভিন্ন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে, টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করায় শহরে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা, এটিএম বুথ, কাঁচা বাজার, শপিংমল ও বিপনী বিতানগুলোতে উপচেপড়া ভীর দেখা গেছে। শহরের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।

সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৯৯জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৮৫টি নমুনা পরীক্ষায় রেকর্ড সংখ্যক ১৬৫ জনের কোরোনা শনাক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, একমাস ধরে জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তায় গাণিতিক হারে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে- যা জেলার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জনস্বার্থে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌরসভায় ২২ জুন(মঙ্গলবার) থেকে ২৮ জুন(সোমবার) পর্যন্ত সাতদিনের কঠোরবিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২১ ০৩:০১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমিকের প্রতারণায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিকের প্রতারণায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী শারমীন আক্তার প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে রোববার (২০ জুন) দিনগত রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি করটিয়া ইউনিয়নের খাগজানা গ্রামের মনছুর আলীর মেয়ে।

পারিবারি সূত্রে জানা যায়, খাগজানা গ্রামের মনছুর আলীর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শারমীন আক্তারের(২০) সাথে একই এলাকার খসরু মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলামের(২৫) দীর্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। ওই প্রেমের সম্পর্ক এক পর্যায়ে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়। শারমিন আক্তার ইতোপূর্বে প্রেমিক সাইদুলকে একাধিকবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে নানা তালবাহানা করতে থাকে। সর্বশেষ রোববার(২০ জুন) বিকালে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সাইদুল তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। উপান্তর না দেখে শারমিন আত্মহননের পথ বেছে নেয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শারমীনের মা পারভীন বেগম জানান, তার মেয়ের সাথে সাইদুলের দীর্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দু’জনে স্বামী-স্ত্রীর মতো চলাফেরা করতো। সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে আদালতে হলফ নামার মাধ্যমে বিয়ে করে। কাবিন রেজিস্ট্রি করতে বলা হলে সাইদুল তার পরিবারের চাপে অস্বীকার করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ জানান, ছেলে-মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকার সবাই জানে। ছেলে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় মেয়েটি আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২১ ০৩:২৬:এএম ৫ বছর আগে
ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর তানাকা - Ekotar Kantho

ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর তানাকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা শনিবার(১৯ জুন) দিনগত রাতে পারদিঘুলিয়ার নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি শহরের পারদিঘুলিয়ার বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। তিনি মা, বাবা, স্ত্রী এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকার বাবা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় তানাকা শনিবার (১৯ জুন) রাতে ঘুমোতে যায়। রোববার(২০ জুন) সকালে তার মা ঢাকা যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। ঘুম থেকে না উঠায় শরীর ধরে ধাক্কা দেন। কোন সাড়া না দেওয়ায় দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রোববার বাদ যোহর পারদিঘুলিয়া জামে মসজিদে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা নামাজে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা, পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন, পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আনোয়ার সাদাৎ তানাকা ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ১১:১৭:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর সভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর সভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইল পৌরসভা ও কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌর এলাকায় মঙ্গলবার(২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার (২০ জুন) দুপুরে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি এ ঘোষণা করেন ।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে টাঙ্গাইল শহর ও কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ২২ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সাত দিনের সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এসব এলাকার কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পণ্য পরিবহন ছাড়া হোটেল ও মার্কেটসহ সবই বন্ধ থাকবে। এ সময় সকল ধরণের গণপরিবহন, রিকশা, ইজিবাইক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালানো যাবেনা। এক সপ্তাহ পরে করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এদিকে, টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল পর্যন্ত ১৫৩টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৭ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

জেলায় আক্রান্তের হার ৩০দশমিক ৭১শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৭ জন, কালিহাতীতে ১৭ জন, ঘাটাইলে ৯ জন, সখীপুরে ৪ জন রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ছয় হাজার ১০৯ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৯৬ জন। করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৯৮ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ১০:০৬:পিএম ৫ বছর আগে
করটিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত - Ekotar Kantho

করটিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে।বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কে করটিয়া বাইপাস এলাকার সীমান্ত বণিক মার্কেটে শুক্ররার(১৮ জুন) দিনগত রাতে ওই অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার দিবাগত রাতে বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান।রাত ১২টার দিকে বাজারের মোন্নাফের শাকিল ষ্টোর নামে মনোহারি দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়।

মূহুর্তের মধ্যে আগুণের লেলিহান শিখা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ০১:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ - Ekotar Kantho

আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ

একতার কণ্ঠঃ “শেকড়ের সন্ধানে ছুটে চলা’ – এই প্রত্যয় কে ধারন করে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের এক ঝাক তরুন সাংবাদিক একত্রে হয়েছিলেন শুক্রবার(১৮ জুন) সকালে। এই দিন ছিলো আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলন। একই অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়।

চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কালের কন্ঠের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি এবং আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের বিশেষ প্রতিবেদক অরণ্য ইমতিয়াজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রথম আলো এর স্টাফ রিপোর্টার কামনা শীষ শেখর, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তরুন ইউসুফ, একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তবে  মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সত্যের পথে আছি এবং শেখরের সন্ধানে ছুটে চলছি। তাই আমি আজকের দিনে বলতে চাই- যারা আমাদের সাথে রয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম আজ ২ য় বর্ষে পদার্পণ করেছে। আজকের এই আনন্দের দিনে আমি আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই পোর্টালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি- এ অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকুক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, মত প্রকাশ করা আমাদের মৌলিক অধিকার। তবে গণমাধ্যমে কর্মরতদের মনে রাখতে হবে সেই মত প্রকাশ যাতে হয় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বাহক হিসেবে কাজ করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পোর্টালের রির্পোট আমি পর্যবেক্ষন করে থাকি এবং আমার উপজেলায় কোনো সমস্যা থাকলে তাৎক্ষনিক সমাধানের চেষ্টা করি। টাঙ্গাইলের এবং সমাজ পরিবর্তনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কাজী জাকেরুল মওলা বলেন, এই পথচলাকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম একটি ভালো ও জনপ্রিয় পত্রিকা এবং এই জনপ্রিয়তা কে ধরে রাখতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হাবিবুল্লা শেফুল বলেন একটি পোর্টালের জন্য ১ বছর খুব বেশি সময় নয়। এই অল্প সময়ে টাঙ্গাইলের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে কাজ করে যাবে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম।

শেষ পর্বে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রতিনিধিদের সংবাদিকতার কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন ,কামনা শীষ শেখর, অরন্য ইমতিয়াজ, তরুণ ইউসুফ এবং মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৩:৪০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সিনোভ্যাক্স ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সিনোভ্যাক্স ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চীনের উৎপাদিত সিনোভ্যাক্স টিকা(ভ্যাকসিন) প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে   টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তৃতীয় ধাপে জেলায় মোট ১৫ হাজার ৬০০ ডোজ চীনে তৈরি সিনোভ্যাক্স ভ্যাকসিন এসেছে। অনলাইনে নিবন্ধিত তালিকানুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে।

সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার প্রায় ৪২ লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১২ লাখ ৮ হাজার ২৯৭ জন অনলাইনে করোনা ভাইরাসের টিকার জন্য আবেদন করেন।

এরমধ্যে ১০ লাখ এক হাজার ৫৩২জন টিকার প্রথম ডোজ এবং ৭৫ হাজার ৬৯৪জন দ্বিতীয় ডোজ গ্রহন করেছেন। এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৮৩৮জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাননি।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন আরো জানান,  গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৯২জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার শতকরা ৩৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।শনিবার(১৯ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ছয় হাজার ৬২ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ০১:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা পরিস্থিতি উর্দ্ধমূখী, নতুন করে ১৪৫ জন আক্রান্তঃ মৃত্যু ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা পরিস্থিতি উর্দ্ধমূখী, নতুন করে ১৪৫ জন আক্রান্তঃ মৃত্যু ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৫ জনের দেহে  করোনা ভাইরাস  সনাক্ত হয়েছে। যা শতকরা ৪৩ দশমিক ২৮শতাংশ । এ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউপি চেয়্যারম্যন মৃত্যু বরণ করেছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৮২ জন, কালিহাতীতে ৩৪ জন, মির্জাপুরে ৯ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, ধনবাড়িতে ১৪ জন ও ভূঞাপুরে ২ জন রয়েছেন।

এ নিয়ে  শুক্রবার( ১৮ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫৯৭০ জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪৩৮৬ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৪৮ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫১৬৪ জন।এ পর্যন্ত সর্বমোট মৃত্যু ৯৬ জন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকপ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। আমরা কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আগামী রবিবার( ২০ জুন) মিটিং এর মাধ্যমে লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এদিকে শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার নাটশালা নিবাসী ৬ নং দিঘলকান্দী ইউনিয়নের দুইবারের সফল বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম  শুক্রবার বেলা আনুমানিক ১১টার সময় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।  তার পরিবারের  বেশ কয়েকজন সদস্যও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২১ ০১:০১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন

একতার কণ্ঠঃ  সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও জেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার(১৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পদ্মমনি (বড়) পুকুর পাড়ে এ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাদেকুল আলম খোকাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব নিম গাছের চারা রোপন করা হয়। জেলার অন্যান্য উপজেলা পর্যায়েও বৃক্ষ রোপন করা হবে বলেও দলীয় সূত্র জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২১ ০১:৫৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনায় আরও এক জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনায় আরও এক জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জন

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়।গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১১৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জনের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৪ জন, কালিহাতী ২০ জন, মির্জাপুরে ১০ জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরেএক জন, বাসাইলে আটজন, ঘাটাইলে আট জন, মধুপুরে একজন, ভূঞাপুরে তিন জন ও গোপালপুরে দুই জন রয়েছেন। জেলায় করোনা শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল পাঁচ হাজার ৮২৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৭১জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৯৬জন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেছে।বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। জেলায় কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

আগামি শনিবার(১৯ জুন) মিটিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে।একই সাথে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা তাদের বিরদ্ধে জরিমানা করা হলেও কাঙ্খিত মাত্রার ফল পাওয়া যাচ্ছেনা।

প্রতিদিনই করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আগামি শনিবার ‘জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি’র সভা শেষে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জেলার অধিক সংক্রমিত টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর এই তিনটি উপজেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২১ ০২:০২:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।