একতার কণ্ঠঃ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ তার তিন সফর সঙ্গীর সন্ধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(১৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণের সচেতন ছাত্র ও যুব সমাজের ব্যানারে শহীদ মিনারের সামনে উপস্থিত হয়ে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা।এতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।
এসময় নিখোঁজ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা আদনানসহ তার সাথে নিখোঁজ হওয়া তিন সফর সঙ্গীদের অতি দ্রুত সন্ধানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বক্তারা বলেন, তরুণ ও মেধাবী ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ তার সফরসঙ্গী আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ নিখোঁজ রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পুলিশ চাইলেই সবকিছু সম্ভব হয়। কিন্তু নিখোঁজ আবু ত্ব-হা আদনানদের বেলায় তা হচ্ছে না কেন? এ দেশের নাগরিক হিসেবে নিখোঁজদের সন্ধান চেয়ে দাবি জানানোর অধিকার আমাদের রয়েছে। কিন্তু এতো দিনে পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান না পাওয়াটা উদ্দেগজনক।
উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসময় আরো বলেন,অতি দ্রুত ত্ব-হা ও অন্যদের সন্ধান দিতে হবে।অন্যথায় টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে গণআন্দোলনের হুশিয়ারি দেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশন ও আওয়ামীলীগ সমর্থক পরিবারের ব্যানারে সোমবার(১৪ জুন) সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত শ্রমিকদের কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এই কর্মবিরতি পালন কালে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে এক কাউন্সিলরের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, জেলা রিকশা ও হোটেল শ্রমিকদের উপর কথিত ‘খান পরিবারের’ হামলা ও হুমকির প্রতিবাদ এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়।সোমবার সকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা খন্ড খন্ড বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে একত্রিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সমাবেশে মিলিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বালা মিয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি, বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক চিত্র রঞ্জন সরকার, জেলা অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সবুর মিয়া, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কোরবান আলী, জেলা নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিপ্লব সবুর খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন ও আতিকুর রহমান মোর্শেদ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন, জেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা মুন্সী তারেক পটন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় আসামি হয়ে তথাকথিত ‘খান পরিবারের’ চার ভাই আত্মগোপণে চলে যাওয়ার পর টাঙ্গাইলের মানুষ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছিল। কিন্তু খান পরিবারেরর এক ভাই আমানুর রহমান খান রানা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তারা আবার টাঙ্গাইলকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পেটে রিভলভার ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। শ্রমিকদের উপর হামলা করা হচ্ছে, হুমকি দিয়ে শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পায়তারা করছে।
বক্তারা শ্রমিকদের উপর হামলা ও হুমকি বন্ধ এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।
এরআগে জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বানে সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালের নতুন করে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজনের বাড়ি দেলদুয়ার ও একজনের বাড়ি কালিহাতী উপজেলায়। এ নিয়ে রোববার(১৩ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জেলায় নতুন করে আরও ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঘাটাইলে ১০ জন, দেলদুয়ারে ৭ জন, কালিহাতীতে ৫ জন, গোপালপুরে একজন রয়েছেন।জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৫৫ জন। জেলায় মোট শনাক্তের হার ১৪.৪৭ ভাগ।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, শনিবার টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় ৭১টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এতে নতুন করে ২৩ জন করোনা ভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয় এবং ৪৮ জনের করোনা নেগেটিভ আসে- যা একদিনে শতকরা শনাক্তের হার ৩২.৩৯ ভাগ।
করোনায় মোট সুস্থ হয়েছে চার হাজার ৩১২ জন, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৪১৯ জন। বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে এক হাজার ২২ জন। এখন পর্যন্ত মোট ২৬ হাজার ৪১৩ জনকে কোয়ারেন্টাইনে আনা হয়েছিল।
এর মধ্যে ২৫ হাজার ৯০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৬৯০টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
এর মধ্যে মোট পাঁচ হাজার ৪৫৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলায় মোট করোনা শনাক্তের হার ১৪.৪৭ ভাগ।
একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।রোববার(১৩ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।তিনি টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।
কথা বলার একপর্যায়ে তিনি তাঁকে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না’। তা ছাড়া তিনি নানা অশ্লীল বক্তব্য দেন।
তাঁর ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।অনেকেই তাঁকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ মজিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাফিজুর রহমান স্বপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
এর আগে গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তির কারণে ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুরটাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর প্রথমে ছাত্রদল ও পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালের জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
যোগদানের পরই তিনি প্রথমে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পরে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পর পর চার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসিন্দা মৌসুমী মাহমুদা নামে এক নারী উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে জমি বিক্রির চেষ্টায় বাঁধা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (১২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে তিনি ওই সংবাদ সম্মেলন করেন। মৌসুমী মাহমুদা শহরের ১৭ নং ওয়ার্ডের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মোহাম্মদ আলী শাহাজাদার মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৌসুমী মাহমুদা জানান, উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বিশ্বাস বেতকা মৌজায় নিজের ৬ শতাংশ বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করেন। বাড়ি কেনার আগ্রহী ক্রেতারা তার সাথে কথা বলে চলে যাওয়ার পর বর্তমান কাউন্সিলর তাদের হুমকি-ধমকি দেন। ওই জমি কিনলে তাদের হাত-পা কেটে ফেলবে বলে হুমকি দেওয়ায় ক্রেতারা তার বাড়ি কিনতে আসেন না। কাউন্সিলর মোর্শেদ তার প্রায় কোটি টাকা মূল্যের বাড়িটি মাত্র ২০-২৫ লাখ টাকায় তার কাছে বিক্রি করতে বলেন। আতিকুর রহমান মোর্শেদকে বাড়ি দিতে অস্বীকার করায় তিনি অন্য কারও কাছে বাড়ি বিক্রি করলে তাকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী মাহমুদা আরও জানান, কাউন্সিলর মোর্শেদের হুমকিতে নিজের বাড়িতে তিনি বসবাস করতে পারছেন না। শহরে অন্যের ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মৌসুমী মাহমুদার মা মাহমুদা আলী, ভাবি সুমাইয়া আক্তার তৃষা ও তার দুই কন্যা শিশু।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত নানা প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার(৯ জুন) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাছ কাটা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি সমস্যা সমাধান না করার অভিযোগ তুলে ওই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেয়- মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, খোদা-ই-খেদমতগার, মওলানা ভাসানী আদর্শ অনুশীলন পরিষদ, মওলানা ভাসানী মুরিদানও অনুসারী সংঘ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, মওলানা ভাসানী পরিষদ, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সরকারি শিশু স্কুল, রাণী দীনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সূচী শিল্প স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কোরআন ও সুন্নাহ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। আরও গাছ কাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
বক্তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এসব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। যেসব গাছ কাটা হয়েছে সেগুলো বিক্রির টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি করেন। নতুন করে আর কোন গাছ কেটে যেন স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে এজন্য সরকারের হস্তক্ষেপও কামনা করেন বক্তারা।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু,
ইসলামিক বিবি শিশু স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, রাণী দীণমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা ইসলাম, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বালক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক
মামুনুর রহমান, মওলানা ভাসানী মুরিদান অনুসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, মানবাধিকার কর্মী আবদুল গনি আলরুহি, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত করিম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শোভা খানসুর প্রমুখ ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলিমপুর ইউনিয়ন। বুধবার(২ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ন ফাইনাল মাচে ট্রাইব্রেকারে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল এই জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট(অনুর্ধ্ব-১৭) এর আয়োজন করে।
খেলার শুরু থেকে দু’দলই আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলে কাঙ্খিত গোল বের করার চেষ্টা করতে থাকে। সিলিমপুর ইউনিয়নের স্টাইকার আকাশ খেলার ১৩ মিনিটের সময় চমৎকার দুরপাল্লার শটে কাতুলী জালে বল পাঠিয়ে দিয়ে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। খেলায় পিছিয়ে পড়ে কাতুলী ইউনিয়ন গোল করে খেলার সমতার আনার চেষ্টা করতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের সময় কাতুলী ইউনিয়নের রিফাতকে সিলিমপুর ইউনিয়নের ডিবক্স্রে মারাত্বক ফাউল করলে পেনাল্টি পেলে রেজাউল তার থেকে গোল করে(১-১) খেলায় সমতা আনে। এরপর খেলার ১৬ মিনিটের সময় সিলিমপুরের ডিবক্স্রে রানাকে ফাউল করলে আবারো কাতুলী আবারো পেনাল্টি পায়। পেনাণ্টি থেকে রেজাউল গোল করে(২-১) দলকে এগিয়ে নেয়।
সিলিমপুর ইউনিয়ন গোল পরিশোধের জন্য একচেটিয়া আক্রমন করতে থাকলে খেলার শেষ মুর্হুতে সিলিমপুরের শামীম চমৎকার শটে কাতুলীর জালে বল পাঠিয়ে (২-২) সমতা আনলে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হয়ে যায়। শিরোপা নির্ধারনী পেনাল্টি শুটআউটে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
সিলিমপুর ইউনিয়নের পক্ষে জাহিদ, শান্ত, শাওন, জাহিদুল, জাফর ও সাব্বির গোল করে। আর কাতুলী ইউনিয়নের পক্ষে সুজন, রেজাউল , রিফাত হাসান, রানা ও মুন্না আহমেদ গোল করে।
খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজান আনছারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, কাতুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক তারকা ফুটবলার বজলুর রহমান ও গোবিন্দ চন্দ্র।
খেলা আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক জাহিদ তারেক খান জুয়েল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ধারা ভাষ্যকার অনিক রহমান বুলবুল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নুর-ই-খোদা রায়েজ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে নিহতের স্বজন ও হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার(১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা না দিয়ে সিট না থাকায় মেঝের(ফ্লোরের) বিছানায় রাখা হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স একটি ইনজেকশন দিতে তার স্বজনদের কাছে চার হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর অসুস্থ্য বীরমুক্তিযোদ্ধাকে ইনজেকশন দেওয়া হলেও কোন ডাক্তার তাকে দেখতে আসেন নি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ মারা যান। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালের জানালা ভাংচুর করে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব কয়েকজন কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তিকে নিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর পাল্টা হামলা চালায়। এ হামলায় নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের মধ্যে অন্তত পাঁচ জন আহত হয়। পরে স্বজনরা বীরমুক্তিযোদ্ধার লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লাশ নিতে বাঁধা দেন। এ সময় আবার উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে নিহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ইমরান ৯৯৯- এ ফোন করেন। ৯৯৯- এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজের ছেলে ইমরান জানান, একজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মারাত্মক অন্যায় করেছে। মৃত্যুর পর বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ স্বজনদের নিতে না দিয়ে আরএমও ডা. সজিব চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তিনি আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা জানান, তার সামনেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লোকজন নিয়ে নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে আহত করেছে এবং মরদেহ নিতে বাধা দিয়েছেন। তিনিও অভিযুক্ত আরএমও’র শাস্তি দাবি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, রোগীর স্বজনরা অহেতুক হাসপাতালে ভাংচুর চালিয়েছে ও নার্সের শরীরে আঘাত করেছে। এ কারণে উপস্থিত হাসপাতালের স্টাফদের সাথে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় সৈয়দ আসাদুল্লাহ(৫০) নামে এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বঙ্গবন্ধুসেতু- ঢাকা মহাসড়কের করটিয়া বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী সৈয়দ আসাদুল্লাহ জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি মেডিকন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিল। পরে মোটরসাইকেলটি করটিয়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি ট্রাক এসে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক ছিটকে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের লাশটি হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে তিনটি ফার্মেসীকে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যান আদালত ওই জরিমানা করেন।
এ সময় র্যাব-১২ সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও র্যাব সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার স্বর্গীয় মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে অরুণ চন্দ্রের রিমু সিমু ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা, আদালত পাড়ার মৃত সজল আলীর ছেলে মো. আনিছুর রহমানের মধুবন ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা এবং সদর উপজেলার পিচুরিয়ার আবুল কাশেমের ছেলে আ. মজিদের কশেম ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, ফার্মেসীগুলোতে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(গ) ধারায় জরিমানা পূর্বক সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পরে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সি-এন্ড-বি রোড ( বটতলা) থেকে এক নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। সোমবার (৩১ মে) ১২ টার দিকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। কন্যা শিশুটির লাশ নাভি কাটা এবং পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ রফিকুল ইসলাম ও রেজাউল করিম জানান, সি-এন্ড-বি রোড দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ দেখি পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতকের লাশ। পরে ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। কোন পশু-পাখি যেন নবজাতকের লাশটি নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা এখানেই দাড়িয়ে ছিলাম।
টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহাব জানায়, সাড়ে ১১ টার দিকে ৯৯৯ এ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নাভি কাটা পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ দেখতে পাই। পরে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল করার জন্য পাঠিয়ে দেই। তিনি আরো জানায়, ধারনা করা হচ্ছে সকালের দিকে কোন এক সময় চলন্ত অটো রিক্সা অথবা সিএনজি থেকে লাশটি এখানে ফেলে গেছে। নবজাতকের লাশটি সুরতহাল করে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে করটিয়া ইউনিয়নকে হারিয়ে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে। রবিবার (৩০ মে) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হলো উপজেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান আনছারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান মজনু এবং কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন।
কাতুলী বনাম করটিয়া মধ্যকার খেলায় ১৪ মিনিটের সময় করটিয়া ইউনিয়নের ডি-বক্স্রের জটলা থেকে কাতুলী ইউনিয়নের মধ্যমাঠের খেলোয়ার রিফাত হাসান প্লেসিং শটে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়।করটিয়া ১ গোল খেয়ে খেলায় পিছিয়ে পড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে পাল্টা আক্রমণ করে খেলতে থাকে। ১৭ মিনিটের সময় পাল্টা আক্রমণে কাতুলী ইউনিয়নের লেফট উইংগার রিফাত মিয়া প্রায় ৩০ গজ দুর থেকে গোল বারে শট নিলে, বলটি বাঁক খেয়ে ক্রস বারে লেগে জালে ঢুকে যায়। ফলে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীর্য়াধে করটিয়া ইউনিয়ন তুলনামূলক ভাল খেলেও কোন গোল না করায় খেলায় ফিরতে পারেনি। কাতুলী ইউনিয়ন পাল্টা আক্রমণ করে আর গোল করতে না পারলে করটিয়া ইউনিয়ন ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে মাঠ ত্যাগ করে।কাতুলী ইউনিয়ন ম্যাচে জয়লাভ করে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে।
আগামীকাল সোমবার (৩১ মে) দ্বিতীয় ম্যাচে কাকুয়া ইউনিয়ন ও সিলিমপুর ইউনিয়ন মুখোমুখি হবে।