/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে  নিহত ১ আহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ২

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বেপরোয়া গতির দুই মোটর সাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত ও দুই জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে  টাঙ্গাইল-নাগরপুর আঞ্চলিক সড়কের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি এলাকায়  এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই মোটর সাইকেল চালক হচ্ছেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে নাজিম মিয়া (২৫)।
আহতরা হচ্ছেন, বরুহা এলাকার গোলাপ মিঞার ছেলে সোহেল রানা (২২) ও  টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেকপুরের তারেকের ছেলে তন্ময় (২৬)।

এ প্রসঙ্গে  দেলদুয়ার থানার এসআই এম এ আলমগীর জানান, দুই মোটরসাইকেলে দুই দিক থেকে তিন জন যুবক বেপরোয়া গতিতে  তাদের গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুইমোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২১ ১০:৪৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নতুন করে ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে  জেলায়  ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবউদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৯ জন, দেলদুয়ারে তিন জন, মির্জাপুর নয় জন, কালিহাতীতে দুই জন, ঘাটাইলে দুইজন, মধুপুরে একজন এবং ভূঞাপুরে পাঁচজন নিয়ে মোট ৪১ জন।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো চার হাজার ২৭৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন তিন হাজার ৮৭৯ জন। এ পর্যন্ত জেলা মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৬৮ জন।

এদিকে, টাঙ্গাইল করোনা ডেডিকেটেড জেনারেল হাসপাতালে সর্বমোট ২১৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৫৭ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৫৪ জন করোনা রুগীকে। বর্তমানে টাঙ্গাইলে জেনারেল হাসপাতালে ছয় জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাটিচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাটিচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল  পৌর এলাকার কাগমারা মেছের মার্কেট এলাকায় মাটিচাপা পড়ে মো. কবির মিয়া (৩৫) নামে  এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কবির দেলদুয়ার উপজেলার গোমজানি এলাকার মো. আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম  জানান, মেছের মার্কেট এলাকায় করিম মিয়ার বাড়িতে কুপ খননের কাজ করছিলেন কবিরসহ তিন শ্রমিক। খননের একপর্যায়ে ওপর থেকে মাটির একটি বড় চাপ কবিরের ওপরে পড়ে। এতে তিনি মাটি চাপা পড়েন।

বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম  জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল  মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন  জানান, মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২১ ০৪:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজের প্রয়োগ শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজের প্রয়োগ শুরু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি প্রথমে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহনের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এর পর সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ অনেকেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেন।

এর আগে বুধবার(৭ এপ্রিল) দ্বিতীয় ডোজের ৬৩ হাজার করোনা টিকা টাঙ্গাইলে পৌঁছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে প্রথম ধাপে এক লাখ ২০ হাজার ডোজ টিকা পৌঁছায়। সেখান থেকে বুধবার পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার ৪২টি কেন্দ্রে ৯৭ হাজার ১৭৮ জন করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেন।

এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৫জন, মির্জাপুর, ভূঞাপুর ও কালিহাতীতে একজন করে রয়েছেন।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল চার হাজার ২৩৩জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৮জন। সুস্থ্য হয়েছেন তিন হাজার ৮৬৩ জন। হাসপাতালে ২৭৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ - Ekotar Kantho

লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সর্তকতামুলক ব্যবস্থা হিসেবে পৌর শহর ও গ্রাম অঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও নিত্যপন্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু এসব দোকান সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যায়। গণপরিহন বন্ধ থাকার জন্য শুন্য হয়ে পড়ছে রাস্তা-ঘাট ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছে সাধারণ শ্রমজীবি মানুষ। রাস্তা-ঘাটে  দু’ একটি রিক্সা, অটোরিক্সা দেখা গেলেও যাত্রী পাচ্ছেনা চালকরা। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।

এ দিকে জেলা উপজেলায় গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকান পাট ,যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ বাহিনী। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালারচর এলাকার রিক্সা চালক ইয়াকুব হোসেন বলেন, একদিন রিক্সা না চালালে খাবার জুটেনা।শহরের রাস্তায় তেমন লোকজন নাই তাই কামাই হয় না।
লকডাউনের আগে প্রতিদিন ৪’শ-৫’শ টাকা কামাই করতাম কিন্তু বর্তমানে এমন অবস্থা ৬০ টাকা কামাই করেছি। আয়-রোজগার না থাকলে কিস্তি দিমু কেমনে?শহরের আরেক রিক্সা চালক জানায়,এ অবস্থায় আমাদের কামাই রোজগার একবারেই কমে গেছে যদি বড়লোকেরা আমাদের একটু সাহায্য করতো তাহলে ছেলে সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম।

এ অবস্থায় এইসব মানুষের পাশে এসে দাড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন(রানু)। তিনি বলেন,কোভিট-১৯ এর প্রভাবে সারাবিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। এই দুর্যোগ মোকাবেলা করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়,প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা। আপনাদের একটি ছোট উদ্যোগ বাঁচাতে পারে অনেকের প্রান।
সেই সাথে তিনি আরও বলেন, করোনার প্রকোপ বেড়ে  যাওয়ায় আপনাদের ভালোর জন্যেই ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া আপনারা কেউ বাহির হবেন না। এবং মাস্ক ও সামাজিক দুরত্বের ব্যাপারে সবাইকে সচেনত হতে হবে।

এদিকে করোনা সর্তকতায় যানবাহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়,নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। অসহায় এই মানুষগুলোর সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের  সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার  করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৬ নং  ওয়ার্ডের কান্দাপাড়া কলোনীর পাশের রাস্তা থেকে বুধবার ( ৭ এপ্রিল) সকালে ১০০  লিটার চোলাই মদ সহ চার মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- শহরের কান্দাপাড়ার(রবিদাস পাড়া) জয়নাল রবিদাসের ছেলে কৃষ্ণ রবিদাস(৩৫), মৃত অন্তু রবিদাসের ছেলে কৈলাস রবিদাস(৩৩), মৃত শিবু রবিদাসের ছেলেতুলসী রবিদাস(৪২) ও শহরের পাড়দিঘুলিয়ার মো. আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে মো. এহসানুল হক মিলন(২৬)।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের কান্দাপাড়া কলোনীর পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে ১০০লিটার চোলাই মদ সহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে।পরে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের পূর্বক তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০২:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন - Ekotar Kantho

ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি স্মরণ করলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক মওলানা ভাসানীর সন্তোষের বসতবাড়ি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদী ও দরবার হল পুড়িয়ে দেয়া দিন। এ উপলক্ষে রবিবারস (৪ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে একটি পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব এবং বিভিষিকাময় সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি স্মরণে ভাসানী পরিষদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ হোসেন শুরুতেই মওলানা ভাসানীর সেই সময়কার বসত-ভিটা চিহ্নিত করেন এবং উপস্থিত সকলে তা সংরক্ষণের জন্য জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রি দ্বিপ্রহরে পাকিস্তানি হানাদাররা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর। আক্রমণ করে আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর পিলখানা, পুলিশ সদর দপ্তর রাজারবাগ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে আর ২৬ মার্চ শুরু হয় প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর একটি প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল টাঙ্গাইল, বিশেষত সন্তোষ। ৩ এপ্রিল তারা টাঙ্গাইলে এবং ৪ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর খোঁজে সন্তোষে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে না পেয়ে তারা তাঁর বসতবাড়ি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ছাঁই হয়ে যায় তাঁর স্বপ্নের ক্যাম্পাস, বসতবাড়ি। পুড়ে যায় স¤্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে লিখা কোরআন শরীফসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ। এরপর তারা পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তাঁর প্রিয় সন্তোষ দরবার হলে। কিন্তু অলৌকিকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিভে যায়। অতপরঃ সন্তোষে ভাসানীকে না পেয়ে ৬ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার বর্বর হানাদাররা মাইল দু’য়েক পশ্চিমে বিন্যাফৈর গ্রামে প্রবেশ করে। হানাদাররা গ্রামটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গোলাগুলি শুরু করলে গ্রামবাসী দিক-বিদিক ছুটে পালাচ্ছিল। মওলানা ভাসানী হানাদার বাহিনীর বিন্যাফৈর উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রথমে বাড়ির উত্তর দিকের পুকুর পাড়ে অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে গান-পয়েন্টে এগিয়ে আসা হানাদারদের পাশ দিয়েই চাঁদর মুড়ি দিয়ে হাটুরে জনতার সাথে মিশে পশ্চিম দিকে চলে যান। এক সময়ে স্ট্রেচার বুলেট দিয়ে দূর থেকেই আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তাঁর এই বাড়িতে। এতটুকু ঘটাতে সাকুল্যে পাঁচ মিনিটের মতো লেগেছিল; কিন্তু কার্যত একটা একতরফা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মওলানা ভাসানী আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে ছদ্মবেশে তা মোকাবেলা করে যমুনার চরের দিকে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে নৌকাযোগে ধলেশ্বরী-যমুনা হয়ে রৌমারীর নামাজের চর সীমান্ত দিয়ে তিনি ১৫-১৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লকডাউনে বাজার গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লকডাউনে বাজার গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে  স্বাস্থ্য বিধি মান হচ্ছে না কোন ধরনের খুচরা ও পাইকারী বাজার গুলোতে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পরিদর্শন ও তৎপরতা চলাকালে  স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার চেষ্টা করা হয়।  তারা চলে গেলেই  মানা হচ্ছে না কোন স্বাস্থ্য বিধি। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে বাজার কমিটির দৃশ্যমান কোন ধরনের তৎপরতা   চোখে পড়েনি। তবে  ব্যতিক্রম দৃশ্য  দেখা যায় টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালে। টাঙ্গাইল বাসটার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোন গাড়ি ছেড়ে যায়নি ও কোন গাড়ি শহরে প্রবেশও করেনি। মহাসড়কেও দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলতে দেখা যায়নি।

সোমবার(৫ এপ্রিল) সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের পাইকারী বাজার পার্ক বাজার, বটতলা, সাবালিয়া, আমিন বাজার, ছয়আনি বাজার,সদর উপজেলার করটিয়া সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের ন্যায় দোকান খুলে মালামাল কেনাবেঁচা করছে। কাঁচা বাজার ছাড়াও অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এই বাজার গুলোতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য  কোন ধরনের তৎপরতা কিম্বা বিধি নিষেধ  মানছেনা ব্যবসায়ী  ও ক্রেতাগণ।

ব্যবসায়ীরা জানায়, সামনে বৈশাখের পর পরই পবিত্র রমজান- এ সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। এছাড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকল্প নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন স্বাস্থ্য বিধি  বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করায় তারা ওই সময় দোকানপাট বন্ধ রাখলেও পর মুহূর্তেই খুলছেন।সবজির বাজার খোলা জায়গায় নেওয়ার নিদের্শনা থাকলেও  বাজার কমিটি তা বাস্তাবয়ন করিনি।  ব্যবসায়ীদের দাবী, নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা  দিতে হবে।

ক্রেতারা জানায়, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই তারা বাজারে এসেছেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তারা মাস্ক ব্যবহার ও দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করার চেষ্টা করছেন। তবে অধিক সংখ্যাক ক্রেতার কারনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কেনা-কাটা করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সাময়িক অসুবিধা হলেও তা জীবনের চেয়ে বড় নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া সর্বসাধারণকে তিনি সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।

এদিকে টাঙ্গাইলের পার্ক বাজারে লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে বেঁচাকেনা করার দায়ে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ডেপুটি নেজারত কালেক্টর(এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সোমবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শহরের পার্ক বাজারে হোটেলে বসে খাবার খাওয়ার অভিযোগে তিন ব্যবসায়ীকে আড়াই হাজার টাকা ও পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সকলকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতসহ সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য তাগিদ ও মাইকিং করা হয়।

লকডাউন বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০২:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
অনুর্দ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল জেলা দল - Ekotar Kantho

অনুর্দ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল জেলা দল

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ( বিসিবি) আয়োজিত বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের ২০২১ মৌসুমের প্রথম আসরের ট্রফি ঘরে তুললো টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেটের( ঢাকা বিভাগ উত্তর) ফাইনাল ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল  শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে অনায়াসে  ২০ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে।

যে সব তরুন ক্রিকেটারদের সাফল্যের জন্য টাঙ্গাইল জেলার এই গৌরব অর্জন তারা হলোঃ টাঙ্গাইল জেলার অধিনায়ক ও তরুন লেগস্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদ, সহ-অধিনায়ক বাহাতি ওপেনার খন্দকার তাসিন মাহতাব, উইকেট কিপার গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ, , অলরাউন্ডার মাইন উদ্দিন, দিব্য কর্মকার, মিডিয়াম ফাস্ট বোলার তারেক মিঞা , ফেরদৌস হাসান লিমন, সুমন মিঞা, মাহির আশহাব , সাজ্জাদ হোসেন এবং পেসার সাদিদ দিপ।

এদিকে দিনের শুরুতে টসে হেরে যায় টাঙ্গাইল জেলা দল। টসে জয়ী ময়মনসিংহ জেলা দলের অধিনায়ক সামিউল ইসলাম সামি টাঙ্গাইলকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানায়। আমন্ত্রন গ্রহন করে টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করে।

অলরাউন্ডার মাইন হোসেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করে। এছাড়া ওপেনার তাসিন মাহতাব ২৮ ও সুমন মিঞা ২৩ রান করে।বোলিংয়ে ময়মনসিংহ জেলা দলের অফ স্পিনার সাকিন ৪৩ রানে ৩টি উইকেট দখল করে।

১৭৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৯ ওভারে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করে ।ফলে ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের চির প্রতিদ্বন্দী  ময়মনসিংহ জেলা দলকে  ২০ রানের ব্যবধানে হারিয়ে তাদের কাঙ্খিত  বিজয় অর্জন করে। ব্যাটিংয়ে ময়মনসিংহ দলের মাহিন আহমেদ সর্বোচ্চ ৩১ রান করে।

বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ ৩টি, লিমন ও তাসিন ২টি করে উইকেট দখল করে।

ফাইনাল খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দলের মাইন হোসেন ৬০ রান ও ২৫ রানে ১টি উইকেট দখল করায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হয়।

টাঙ্গাইল জেলা দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান ও অফিসিয়াল হিসেবে ছিলেন মোঃ সামছুল হক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২১ ০৩:০১:এএম ৫ বছর আগে
অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল - Ekotar Kantho

অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দলকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ ঢাকা বিভাগ (উত্তর) ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা দল।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) প্রতিযোগিতা ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহ জেলা দল ও টাঙ্গাইল জেলা দল।

বুুধবার(৩১ মার্চ) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২য় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় টাঙ্গাইল জেলা দল ও নরসিংদী জেলা দল।

খেলার শুরুতে টস জয়ী নরসিংদী ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের পেস ও স্পিন বোলিংয়ের তান্ডবে ৩৮ ওভার ৫ বলে সব ক’টি উইকেটে হারিয়ে নরসিংদী জেলা মাত্র ৮৯ রান করে।

দলের পক্ষে ব্যটসম্যান শামীম সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। এছাড়া চঞ্চল ১৪ ও দিপু ১১ রান করেন।

বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসার তারেক ১১ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। এছাড়া অধিনায়ক স্পিনার ইমতিয়াজ, লিমন ও দিব্য সরকার যথাক্রমে ১৮,১১ ও ১৯ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।

৮৯ রানের  লক্ষে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা  অনুর্দ্ধ-১৮ দল ২৫ ওভার ১ বলে মাত্র  ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে ফাইনাল নিশ্চিত করে।

টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ৫১ বলে ২৯ রান করেন। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের উইকেট রক্ষক গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন।

বোলিংয়ে বিজিত নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দলের দিপু ৩২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।

স্কোরঃ নরসিংদী ৩০.৫ ওভার ৮৯/১০,
ব্যাটিংঃ আবিদ ৯, জয় ৭, সালাউদ্দিন ০, নিহার ০, বাদশা ০, শামীম ২৫, আকরাম ৬, চঞ্চল ১৪, দিপু ১১, শফিক ৩, মাহিম ০, বোলিংঃ তারিক ৭-১-১১-৩, লিমন ৮-১-১৯-২,তাছিন ৪-১-৮-০, ইমতিয়াজ ৭-২-১৮-২, দিব্য সরকার ২.৫-০-৩-২, মাইন ৩-০-১২-০ ও সুমন ২-২-১২-০ টাঙ্গাইল ২৫.১ ওভার ৯১/৩ ব্যাটিংঃ গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ ২০, তাসিন ২৯, মাহির ০, দিব্য ৮(অপঃ) ও লিমন (অপঃ)
আম্পায়ারঃ বিশ্বজিৎ রায় সুমন ও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২১ ০২:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে ৫০০ পিস ইয়াবা সহ মোজাম্মেল (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর একটি দল। বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃত মোজাম্মেল কুড়িগ্রাম জেলার পূর্ব পাখিউড়া গ্রামের জব্বার শেখের ছেলে।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল জেলার সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকার হামিদ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেলের কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছে।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদকসেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্বুদ্ধ করে। আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১০ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২১ ০১:৩১:এএম ৫ বছর আগে
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাব ১ উইকেটে সিটি ক্লাবের কাছে পরাজিত - Ekotar Kantho

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাব ১ উইকেটে সিটি ক্লাবের কাছে পরাজিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাবকে ১ উইকেটে পরাজিত করেছে সিটি ক্লাব ।সিটি ক্লাবের এই জয় দ্বিতীয় রাউন্ডে “খ”গ্রুপের হিসাবকে জটিল করে লীগকে আরো আর্কষনীয় করে তুলেছে।

রবিবার (২৮ মার্চ ) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের “খ” গ্রুপের ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাব ও সিটি ক্লাবের মুখোমুখি হয়। খেলায় টস জয়ী থানাপাড়া ক্লাবের অধিনায়ক আরিফ প্রথমে ব্যাটিং করার সিন্ধান্ত নেয়।

থানা পাড়া ক্লাব ৪৯ ওভার ১ বল খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৬০ রান করে। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৫ বল বাকি থাকতেই থানা পাড়া ক্লাব অল আউট হয়ে যায়।

দলের পক্ষে ডান হাতি অলরাউন্ডার রাফসান জানি সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে। এ ছাড়া থানা পাড়া ক্লাবের পক্ষে ব্যাটসম্যান শাহিন ৪৯ ও বাহাতি অলরাউন্ডার নাসিউল হক সানি ঝড়ো গতির ব্যাটিংয়ে ৪৫ রান করে। নাসিউল হক সানির ব্যাটিংয়ে দর্শনীয় ৪টি ছয়ের মার ছিল।

অপর দিকে সিটি ক্লাবের ডানহাতি মিডিয়াম পেসার রিজান হোসেন ৮ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখল করে। দলের আরেক লেগ স্পিনার দেবাশীষ সরকার  ১০ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখলে নেয়।

জবাবে সিটি ক্লাব শুরুতে ওপেনার জনির উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ জাতীয় (অনুর্দ্ধ-১৭) দলের ক্রিকেটার রিজান হোসেন  ও  দলের ইউকেট কিপার আরিফুল ইসলাম মুন ৫৯ রানের চমৎকার কেমিও জুটি  দলের প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন।

মনু আউট হয়ে গেলেও রিজান হোসেন,  অপর  ‍দুই ব্যটসম্যান  দেবাশীষ ও সোহাগকে নিয়ে চমৎকার ব্যাটিং জুটি করে দলীয় রান ১৭০ নিয়ে যায়। দলীয় ১৭০ রানে রিজান ফিরে গেলেও সোহাগ, জিহাদ ও উত্তমের ব্যাটিংয়ে ৪৬  ওভার  ৫ বলে ২৬২ রান করে জয়ের লক্ষে পৌছায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে রিজান হোসেন। এছাড়া আরিফ হোসেন মুন ৪০, জিহাদ ৩৩, দেবাশীষ ২৫ ও উত্তম ১২ রান করে।

বোলিংয়ে থানা পাড়া ক্লাবের বিজয় ও রাফসান যথাক্রমে ৩১ ও ৫১ রান দিে ৩টি করে উইকেট দখল করে। এছাড়া সাদ্দাম, শাহিন ও উদয় ১টি উইকেট দখল করে। থানাপাড়া ৩টি খেলায় অংশগ্রহন করে একটিতে জয় ও একটি পরাজয় এবং এক ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যাক্ত হওয়ায় ৩ পয়েন্ট এবং সিটি ক্লাব ৩ ম্যাচে অংশ নিয়ে দুটি জয় ও একটিতে পরাজয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন তমাল বিহারী দাস ও আমিনুর রহমান। স্কোরে ছিলেন রাজিব খান।

উল্লেখ্য, সকালে সিটি ক্লাবের স্বতাধিকারী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান তার দলের খেলা উপভোগ করতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন। তিনি সিটি ক্লাবের খেলোয়ার, কর্মকর্তা ও কোচের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ও মতবিনিময় করেন। পরে তিনি ভিআইপি গ্যালারিতে বসে বেশ কিছু সময় দলের খেলা উপভোগ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২১ ০২:৪১:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।