একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ রবিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মাঠে টাঙ্গাইলে সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিকসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম খুনের মামলার প্রধান আসামী স্বামী মিজানুর রহমান মিজানকে (৪৫) গ্রেপ্তারে পুলিশ সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশের ধারণা, পরিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকা- হয়েছে। নিহতের ভাই খন্দকার আসাদুল ইসলাম আবিদ বাদী হয়ে শনিবার(১৭ মার্চ) রাতে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুরের রোমানতলা এলাকার মৃত রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সেখানেই লাশ দাফন করা হবে। তার পলাতক স্বামী সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ী পাবনায়।
মামলার বাদী নিহতের ভাই খন্দকার আসাদুল ইসলাম আবিদ বলেন, ২০১৯ সালে আমার বোনের সাথে ব্যাংকার মিজানের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে জানতে পারি ও আরেকটি বিয়ে করেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় আমার বোনের সাথে মিজানের ঝগড়া বিবাদ হতো। মিজান বোনকে খুন করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। হাসপাতালে আমার বোনকে মিজানই খুন করেছে। আমরা দ্রুত খুনীর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে আরো বলেন, চোখের সামনে আর কারো যেন অকালে তার বোনের লাশ দেখতে না হয়।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার এসআই শাহ্জাহান খান বলেন, তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ ছিল। বিরোধ মিমাংসা করতে জেলা কর্মকর্তারা একটি উদ্যোগও নিয়েছিলেন। সেই কলহের জের ধরেই এ হত্যাকা- ঘটে থাকতে পারে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। আসামী মিজানুর রহমানকে ধরতে আমরা জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আশা করি অতি দ্রুতই ধরা পরবে।
এ মর্মান্তিক হত্যাকা-ে জেলায় ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীনের খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি। যাতে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাতে আর কেউ সাহস না পায়।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের একটি ভিআইপি কক্ষ থেকে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মির্জাপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ জানান, রেদওয়ানা প্রসব ব্যাথা নিয়ে গত ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে কন্যা সন্তানকে আইসিও’তে রাখা হয়। গত চারদিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দেন। কিন্তু জন্ম নেওয়া মেয়ে হাসপাতালে থাকার কারনে রেদওয়ানা হাসপাতালেই থেকে যান। শনিবার সকালে তার স্বামী মিজানুর রহমান আসেন হাসপাতালে রেদওয়ানার সাথে দেখা করতে। বিকেলে হাসপাতালের নার্স রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কক্ষের বিকল্প চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টাকালে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতায় শনিবার(২৭ মার্চ) বিক্ষোভ মিছিল বের করার সময় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা মৎস্যজীবীদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ও জেলা যুবদলের সদস্য কামাল হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবদল-ছাত্রদলের ব্যানারে শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া থেকে একটি বিক্ষোভ বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাঁধা দেয়। এসময় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ড ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া করলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, বিএনপির সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টাকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ইয়াং টাইগার’স অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় (ঢাকা বিভাগ উত্তর) টাঙ্গাইল জেলা গাজীপুর জেলাকে ১১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে জয়ের ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৭ মার্চ) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে “খ” গ্রুপের শেষ দিনের খেলায় মুখোমুখি হয়েছিল টাঙ্গাইল জেলা দল বনাম গাজীপুর জেলা ক্রিকেট দল।সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাঙ্গাইল জেলা দল দিনের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে দিব্য সরকার সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে। এ ছাড়া টাঙ্গাইল দলের অপর দুই ব্যাটসম্যান নাঈম ৩৭ ও লিমন ৩৩ রান করে।
জবাবে গাজীপুর জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ৩৮ ওভার তিন বল খেলে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৬ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক বাহাতি স্পিনার ইমতিয়াজে ঘূর্ণি বলের সামনে গাজীপুর জেলা দল কোন ব্যাটসম্যান দাড়াতেই পারেনি। ইমতিয়াজ একাই ৫টি ইউকেট লাভ করে।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ১০ ওভার বল করে ২০ রানে ৫টি উইকেট দখল করে। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের অলরাউন্ডার নাঈম ও মাইন হোসেন ২টি করে উইকেট দখল করে। খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায় ইমতিয়াজ আহমেদ। ফলে খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ১১৭ রানে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে।
ইতিপূর্বে টাঙ্গাইল জেলা দল গ্রুপ পর্বে তাদের প্রথম ম্যাচে নেত্রকোনা জেলা দলকে ১৫ রানে এবং শেরপুর জেলাকে ৩ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের টিম অফিসিয়াল হিসেবে আছেন, সামছুল হক ও ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন এবং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ আরাফাত রহমান।
আগামী ৩১ মার্চ বুধবার কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ” ক” গ্রুপের রানার-আপ নরসিংদী জেলা ক্রিকেট দলের সাথে সেমিফাইনাল মুখোমুখি হবে।
আগামী ১ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়রের ফুটবল দলের মধ্যে এক উত্তেজনাপূর্ণ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। শুক্রবার(২৬ মার্চ ) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও টাঙ্গাইল পৌরসভার আয়োজনে এই ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।
দু’দলেই ১১ জনের বেশী খেলোয়াড় নিয়ে খেলেও দলকে বিজয়ী করতে পারেনি। জেলা প্রশাসক ফুটবল দলের অধিনায়কত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম এবং টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষে অধিনায়কত্ব পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর।
আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ৯ মিনিটের সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা নুর আলম প্রথম গোল করে। খেলায় পিছিয়ে পড়ে পৌর মেয়র ফুটবল দল এক চেটিয়ে আক্রমন করে খেলে খেলার শেষ দিকে রিপন কুমার সরকার প্লেসিং শটে সমতা সূচক গোলটি করেন। গোল পরিশোধের পর দু’দলই আক্রমন করে খেলেও গোল করতে না পারলে খেলা ড্র হয়।
খেলা শেষে দু’দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম।
খেলায় অংশগ্রহনকারী উল্লেখ যোগ্য খেলোয়াড় হলো জেলা প্রশাসকের দলের পক্ষে এ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর, নুর আলম, আনিসুর রহমান আলো, সাংবাদিক ইফতেখারুল অনুপম ও বিপ্লব সরকার প্রমুখ।
পৌর মেয়রের পক্ষে মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন, মুন্না চৌধুরী, রকি হায়দার, ফারুক হোসেন, পৌরসভার কর্মকর্তা রুবেল মিয়া, আম্পায়ার রিপন কুমার সরকার, ক্রিকেট কোচ ইসলাম খান, জাহিদ হাসান, সুমন হাসান ও সাংবাদিক মোজাম্মেল হক।
খেলায় রেফারী ছিলেন তুহিনুর রহমান সেলিম এবং সহকারী রেফারী ছিলেন সালাউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) সূূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৫০ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
জেলা সদরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর জেলা পুলিশ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব, জেলা পরিষদ, সিভিল সার্জন অফিস, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় । পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সুব্রত কুমার সিকদার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার(২৬ মার্চ) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বেলুন উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসস্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা ভাষ্কর্য প্রত্যয়’ ৭১ এর পাদদেশে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রত্যয়’ ৭১ এ অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন অফিসার্স এসোসিয়েশন, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাঁধন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন সংগঠন। স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সকাল ১০ টায় কেক কাটা ও আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাত ৯.০১ মিনিটে জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ মিনিট বিদ্যুৎসহ সব ধরনের বাতি বন্ধ রেখে ‘ব্লাক-আউট’ করা হয়। পরে প্রত্যয়’ ৭১ এর পাদদেশে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।
এছাড়া বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীতে উপলক্ষে টাঙ্গাইলে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড.মোঃ আতাউল গণি। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ শাহানা আক্তার প্রমুখ।
চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা ‘ক’ এবং ‘খ’ ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় প্রায় ২ শতাধিক প্রতিযোগিরা অংশ গ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল ইয়াং টাইগারর্স অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় উত্তেজনাপূর্ণ এক ম্যাচে শেরপুর জেলাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। মঙ্গলবার(২৩ মার্চ) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ঢাকা বিভাগের(উত্তর) “খ” গ্রুপের তৃতীয় দিনের ম্যাচে শেরপুর জেলা দলকে ৩ রানে পরাজিত করে টাঙ্গাইল জেলা দল। এই জয় টাঙ্গাইল জেলা দলের সেমিফাইনাল খেলার পথ সহজ করে দিয়েছে।
সকালে টস জিতে টাঙ্গাইল জেলা দলেল অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহম্মেদ ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাটস ম্যানদের ব্যার্থতায় টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারিনি।
টাঙ্গাইল ৩৮.৫ ওভারে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৫ রান করে। দলের পক্ষে বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ২২ রান করে। এছাড়া আরেক ব্যাটসম্যান দিব্য কর্মকার ১৭ রান করে।
শেরপুর জেলা দলের পক্ষে বোলার ফারুক ও রাজিন যথাক্রমে ৬ ও ৮ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট লাভ করে।
জবাবে ১০৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেরপুর জেলা দল ৪০.৩ ওভারে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে ১০২ রান করে।
টানটান উত্তেজনা পূর্ণ এই ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল শেরপুর জেলা দলকে ৩ রানে পরাজিত করে।
শেরপুর জেলা দলের পক্ষে জীয়ন সর্বোচ্চ ৩৩ ও সিফাত ৩২ রান করে।
বোলিংয়ে বিজয়ী দলের তারেক ১০ রানে ২টি, তাসিন ১৪ রানে ২টি ও মাইন ২২ রানে ২টি করে উইকেট দখল করে।
এছাড়া দলীয় অধিনায়ক ইমতিয়াজ ২৩ রানে ১টি একটি ইউকেট দখল করে।
আগামী বৃহস্পতিবার(২৫ মার্চ) টাঙ্গাইল জেলা দল গাজীপুর জেলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার ক্রিকেটীয় লড়াই লড়বে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কালিপুর শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দিরে গভীর রাতে তালা ভেঙে স্বর্ণলঙ্কার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাতে ছয়টি তালা ভেঙে মূল মন্দিরের ভেতর প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা।
মন্দিরে রক্ষিত দেবতার দুটি চূড়া, গলার চেইন, টিপ, তুলসী পাতা ও কানের দুল সহ প্রায় এক ভরি স্বর্ণলঙ্কার চুরি করা হয়েছে। এছাড়াও মন্দিরের প্রাণামী বাক্সের তালা ভেঙে প্রায় দশ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এর আগেও এই মন্দির থেকে ৬ টি সিসি ক্যামেরা, একটি মোটর, ফ্যানসহ একাধিক সরঞ্জামাদি চুরি হয়েছিল।
লোকনাথ মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ কুমার রায় জানান, গভীর রাতে কে বা কাহারা মন্দিরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার চুরি করেছে সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। এই ঘটনায় আমরা খুবই মর্মাহত এবং আতঙ্কিত। ইতোমধ্যেই পুলিশ মন্দিরে এসে ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।সদর থানায় মন্দির কমিটি দ্রুত এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান,ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার ইতিমধ্যেই মন্দির পরিদর্শন করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করা হবে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে আবারো বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ জন। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ২৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৩ হাজার ৭৪৮ জন। এ পর্যন্ত জেলা মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৬৫ জন।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৯জন, মির্জাপুরে ২জন ও গোপালপুরে ২জন নিয়ে মোট ১৩জন।
এদিকে করোনায় আক্রন্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বেশির ভাগ মানুষের মধ্যেই তেমন কোন সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বেশির ভাগ লোকই পড়ছে না মাক্স। মানছেনা সামাজিক দূরত্ব। এদিকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলাতেই কাজ করে যাচ্ছে।
অন্যদিকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মাক্স বিতরণ ও মাক্স ছাড়া চলাচলকারী অনেক লোককেই সচেতনতা সৃষ্টি ও জরিমানা করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের শালিনা গ্রামে রোববার(২১ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে ৯৫পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. ইয়ামিন হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব-১২)। গ্রেপ্তারকৃত মো. ইয়ামিন হোসেন(২০) কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের আকুয়া গ্রামের মো. আব্বাস আলীর ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি দল শালিনা গ্রামে পুংলী নদীর পাড়ে অভিযান চালিয়ে মো. ইয়ামিন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৯৫পিস বিক্রি নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট, দুইটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেপ্তারকৃত মো. ইয়ামিন হোসেনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠে নেমেছে জেলা পুলিশ। এ উপলক্ষে রোববার (২১ মার্চ) শহরের নিরালা মোড়ে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের নেতৃত্বে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও জনসাধারণদের সচেতন করতে মাইকিংও করা হয়।
এ সময় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী নুসরাত এদীব লুনা, মো. শফিকুল ইসলাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মাস্ক বিতরণকালে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণের পর অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ও মাস্ক ব্যবহার না করেই চলাচল করায় কয়েকদিন যাবত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আইজিপি’র নির্দেশে পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের সচেতন করা হচ্ছে। সারাদেশের ন্যায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। জেলার হাট-বাজার, বাসস্ট্যান্ড, মসজিদসহ প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জনসাধারণদের সচেতন করা হচ্ছে।