একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া-রাজাবাড়ি ইউনিয়নের তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়ায় সরকারি পুকুর (সায়রাত মহল) থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শামীম সহ তক্তারচালা নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরহাদ সিকদার, মো. শান্ত মিয়া, সোহেল সিকদার ও তুহিন মিয়া।
সরেজমিনে দেখাযায়, উপজেলার তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়া গ্রামের ৭২ শতাংশ আয়তনের একটি সরকারি পুকুর থেকে ভেকু বসিয়ে ১৫-২০টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি কেটে সততা এন্টার প্রাইজের রশিদের মাধ্যমে বিক্রি করছেন একটি মহল। সরকারি শাল-গজারী বনের মধ্যে অবস্থিত পুকুরটি থেকে মাটি কাটতে গিয়ে অনেক মুল্যবান বনজ গাছ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশের বাড়ি গুলোতে লাল মাটির ধুলার আস্তরণ পড়ে গেছে। এই মহলটি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।

এছাড়াও কোটি টাকা ব্যয় করে নতুনভাবে সংস্কার করা তক্তার চালা-বাইটকারচালা সড়কটিতে দিনরাত ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ওই সড়কটি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছে।
তারা আরো জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তারা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতর থেকে বনভুমি বিনষ্ট করে লাল মাটি কাটার সাহস পাচ্ছে। গত একমাস যাবৎ তারা ভুমি অফিসে মাটি ফেলার নাম করে সরকারি ওই পুকুর থেকে মাটি কাটছে। লোক দেখানোর জন্য নাম মাত্র ইউনিয়ন ভুমি অফিসে অল্প কিছু মাটি ফেলছে। পুকুরের নব্বই শতাংশ মাটি তারা রশিদের মাধ্যমে অন্যত্র বিক্রি করছে। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয় বলে তারা জানান।
এ প্রসঙ্গে মাটি ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা শামীম মিয়া মুঠোফোনে জানান, সরকারি পুকুর থেকে মাটি কেটে সখিপুর উপজেলা চত্তর ও হাতীহান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মাটি ফেলা হচ্ছে। অন্যত্র মাটি বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারী হামিদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি, এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না। আপনি ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তার কাছে জানেন।
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা সাঈদা নাজনিন জানান, ওই পুকুর থেকে সরকারি ভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। কিছু মাটি ভূমি অফিসে ফেলা হচ্ছে। আর অবশিষ্ট মাটি অন্যত্র বিক্রি করে তাদের ভেকু খরচ উঠিয়ে নিচ্ছে।
সখীপুর সহকারী কর্মকর্তা(ভূমি) হা-মীম তাবাসসুম প্রভার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, সখিপুরে হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে নিচু জায়গা ভরাট করার জন্য ওই সরকারি পুকুর থেকে মাটি কাটার বিষয়টি আমি জানি। সরকারি বিধি মোতাবেক মাটি ভরাট করতে গেলে সময় ও ব্যায় বেশি হওয়ায় মৌখিকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জাহানারা (২৪) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার(২১ এপ্রিল) ভোরে স্বামীর বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জাহানারা উপজেলার চতলবাইদ দক্ষিণপাড়া এলাকার আনিছ মিয়ার স্ত্রী ও গজারিয়া গ্রামের জোয়াহের আলীর মেয়ে।
গৃহবধূর বাবার বাড়ির সদস্যদের দাবি, তাঁকে খুন করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্বামীর দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
জাহানারার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে উপজেলার চতলবাইদ গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে আনিছের সঙ্গে জাহানারার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে আহসান হাবীব (৪) নামের একটি ছেলেও রয়েছে। কয়েক মাস ধরে আনিছ বিদেশে যাওয়ার জন্য জাহানারাকে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা এনে দিতে বলছিলেন। কিন্তু এতে রাজি হয়নি জাহানারা। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে খবর আসে জাহানারা ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
জাহানারার মা মমতা বেগম জানান, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার(২০ এপ্রিল) ৮টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়। তখনো সব ঠিকঠাকই ছিল। রাত ১টার দিকে খবর পাই মেয়ে মারা গেছে। কয়েক দিন ধরে মেয়েকে টাকার জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছিল জামাই।’
চাচাতো ভাই শাওন আহমেদ জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ওই বাড়িতে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে বোনের মরদেহ। আমাদের ধারণা, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,এ নিয়ে থানায় হত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।’
স্বামী আনিছ মিয়া জানান, ‘তুচ্ছ ঘটনায় আমার মা-বাবার সঙ্গে রাগ করে আমার স্ত্রী নিজ ঘরেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম জানান, ‘আপাতত একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দেবরের লাঠির আঘাতে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রুহুল আমিনকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১ এপ্রিল)গভীর রাতে উপজেলার সুরীরচালা গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (২ এপ্রিল) সকালে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ওই গ্রামের গৃহবধূ জরিনা বেগম (৪২) হত্যাকাণ্ডে ইন্ধনদাতা হিসেবে মামলার আসামি হওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রুহুল আমিন কাকড়াজান ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ, মামলার বাদী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার(৩১ মার্চ) সকালে উপজেলার সুরীরচালা গ্রামের প্রবাসী সাহেব আলীর স্ত্রী জরিনা বেগমের সঙ্গে তাঁর দেবর আবদুস ছালাম মিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আবদুস ছালাম লাঠি দিয়ে তাঁর ভাবি জরিনার মাথায় আঘাত করেন। এক দিন পর শনিবার জরিনা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে নিহত জরিনার মেয়ে স্বপ্না আক্তার বাদী হয়ে তাঁর চাচা আবদুস ছালাম মিয়াকে প্রধান আসামি করে সাতজনের নামে সখীপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় ইউপি সদস্য রুহুল আমিনকেও হত্যাকাণ্ডের ইন্ধনদাতা হিসেবে আসামি করা হয়। পুলিশ রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করলেও মামলার প্রধান আসামিসহ ছয়জন পলাতক রয়েছেন।
নিহত জরিনার মেয়ে স্বপ্না আক্তার জানান, ‘ছোট্ট একটি ঘটনায় ওরা সবাই মিলে আমার মাকে মেরে ফেলেছে। রুহুল মেম্বার আমার চাচাকে না থামিয়ে উল্টো উসকে দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রবিবার সকালে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে ইউপি সদস্যকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য হওয়ার পর নানাভাবে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া রুহুল আমিন। সম্প্রতি স্থানীয় একটি সমিতির সদস্যরা প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে মানববন্ধনও করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দেবর সালাম মিয়ার লাঠির আঘাতে ভাবি জরিনা আক্তার (৪২) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে স্বপ্না আক্তার সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
শনিবার(১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার(৩১ মার্চ) সকালে তিনি গুরুতর আহত হন।
নিহত জরিনা আক্তার উপজেলার সুরীরচালা গ্রামের প্রবাসী সাহেব আলীর স্ত্রী।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে দেবর সালাম মিয়ার সাথে জরিনা আক্তারের তুচ্ছ বিষয় কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সালাম মিয়ার একটি কাঠ দিয়ে জরিনার মাথায় আঘাত করলে তিনি আহত হন। স্থানীয়রা ও পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মামলার বাদী স্বপ্না আক্তার বলেন, ‘ছোট্ট একটি ঘটনায় সবাই মিলে আমার রোজাদার মাকে হত্যা করেছে। আমি মায়ের হত্যার বিচার চাই।’
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে স্বপ্না আক্তার মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অনিক চন্দ্র কোচ (১৮) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাজারের শ্রীবাস সরকারের বাইসাইকেল গ্যারেজের ছাদে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অনিক চন্দ্র কোচ বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ঘাটেশ্বরী গ্রামের শচীন্দ্র কোচের ছেলে ।
সে নলুয়া বাজারে শ্রীবাস সরকারের বাইসাইকেল গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো।
ওই দোকানের মালিক শ্রীবাস সরকার জানায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে অনিল ও তার বন্ধুরা মিলে দোকানের ছাদে পিকনিকের আয়োজন করে। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পুড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মাসুদ রানা জানায়, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বন্ধুদের সহায়তায় একাধিকবার এক স্কুলছাত্রী (১৫) কিশোরীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ উঠেছে এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা।
এক পর্যায়ে ওই কিশোরী তার প্রেমিক ছানোয়ার হোসেনকে (১৮) বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে তাদের শারিরীক সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।
অভিযোগ ওঠেছে, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় মেয়ের পরিবারকে নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন স্থানীয় কিছু মাতাব্বর।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়নের শিরিরচালা পূর্বপাড়া গ্রামে।
ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী । অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ার একই এলাকার তোফাইনার ছেলে ও ময়মনসিংহের নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

গত সোমবার (২৭ মার্চ) এ ঘটনায় সখীপুর থানায় ছানোয়ারকে একমাত্র আসামি করে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা । অভিযোগের চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ, এমনটি জানিয়েছে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর পরিবার।
মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে প্রতিবেশী ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে । বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১ম বার শারিরীক সম্পর্ক করে এবং ভিডিও ধারন করে। পরে গত ৬ মাসে ওই তরুণীকে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধু একই এলাকার আজমত আলীর ছেলে মাছুম (২২) এবং আবু হানিফ মিয়ার ছেলে শাওন আহমেদ (১৮) এর সহযোগিতায় তাকে একাধিকবার মেলামেশা করাতে বাধ্য করা হয়। এক পর্যায়ে ছানোয়ারকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।
অভিযোগকারী কিশোরীর বাবা, দ্রুত বখাটে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে ওই তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে।
এ ব্যাপারে নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সখীপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ট্রান্সফরমার চুরি ঠেকাতে আর চোর ধরে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর পিডিবির (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর তালুকদার।
গত ১০ দিনে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ১৭টি ফিডারের আওতাধীন ৬টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এতে ভোগান্তি পোহায় বিদ্যুতের গ্রাহকরা। ধারাবাহিক এ চুরির ঘটনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। চুরির ঘটনায় সখীপুর ও মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করাসহ চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ওই পুরস্কার ঘোষণার আহবান করেন ওই কর্মকর্তা।
বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, সখীপুর উপজেলা থেকে এ উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী ৮টি উপজেলার আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ১৭টি ফিডারের আওতায় এ কার্যক্রম চলে। মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের গাইড়াবেতীল রবি টাওয়ার এলাকা থেকে ১৮ মার্চ ২টি, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া শিকদার বাড়ী এলাকা থেকে ১৯ মার্চ ১টি, ২২ মার্চ গজারিয়া ইউনিয়নের পাথরপুর বাঘবেড় এলাকা থেকে ১টি ও একই ইউনিয়নের পাথরপুর চৌরাস্ত থেকে ১টি এবং মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের মোথারচালা এলাকা থেকে ২৫ মার্চ রাতে ১টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটে। আরও ৪টি ট্রান্সফরমার চুরির উদ্দেশ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও নিতে পারেনি, সেগুলো বিদ্যুৎ অফিসে আনা হয়েছে। ট্রান্সফরমার চুরি ও যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ায় বিদ্যুৎ অফিসের প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ওইসব ঘটনায় মির্জাপুর থানায় ২টি এবং সখীপুর থানায় ১টি মামলা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মধ্যে রাতে বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার স্বাভাবিক ঘটনা মনে করেন তারা। কিন্তু পরে সকালে শুনতে পান ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এ কারণে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারের আওতাধীন প্রায় ৯’শ পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ৫টি ট্রান্সফরমার সংযোগ দেওয়া হলেও উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের পাথারপুর চৌরাস্তার ট্রান্সফরমারটি এখনও সংযোগ দেওয়া হয়নি।
লাঙ্গুলিয়া গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক হোসেন জানান, রাতে ট্রান্সফরমার চুরি হয়। পরের দিন সকালে বিদ্যুৎ অফিসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এর দুই দিন পর বিদ্যুৎ অফিস আমাদের ট্রান্সফরমার সংযোগ দিয়েছে। ট্রান্সফরমারের জন্য কোন টাকা লাগেনি, শুধু সংযোগ দেওয়ার সময় কর্মচারীদের খরচ দেয়া হয়েছে।
বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, যারা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরফমার চুরি করেছে তারা সমাজ, দেশ ও জাতির শত্রু। এদের প্রতিহত করতে যার যার অবস্থান থেকে সর্তক থাকতে হবে। চুরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে সখীপুর পিডিবির (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর তালুকদার জানান, আমি গত ২০ মার্চ কর্মস্থলে যোগদান করেছি। আমি ও আমার সহকারী প্রকৌশলী চুরির ঘটনাস্থল গুলোতে গিয়েছি। স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছি কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাইনি। এ কারণে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে পারিনি। গ্রাহকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক মালামাল চুরির ঘটনায় বিদ্যুতায়ন আইনে থানায় অজ্ঞাত নামে মামলা করেছি।
তিনি আরও জানান, চোর ধরিয়ে দিতে পারলে আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাকে ১০হাজার টাকা পুরষ্কার দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দিয়েছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে টেংরা মাদলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির বহিস্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও আওয়ামীলীগ নেতা মান্নান শিকদারের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছে ওই সমিতির সদস্যরা।
বুধবার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের টেংরা মাদলা খাল সমিতির কার্যালয়ে সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানব বন্ধনে মান্নান শিকদারের বিরুদ্ধে সমিতি ও সদস্যদের ৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
মান্নান শিকদার কাকড়াজান ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি এবং ওই সমিতির সাবেক কোষাধ্যক্ষ।
ওই সমিতির সদস্য রেবেকা বলেন, মান্নান শিকদার সমিতির অর্থ সম্পাদক থাকা কালে গাভী দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে মামলার ভয় দেখায়। তাই ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেছি। আমার মত আরো ৫ জন সদস্যের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমরা এই প্রতারকের বিচার চাই।
ওসমান গণি বলেন, এ সমিতিতে বৃক্ষরোপনের একটি প্রকল্প আসে। মান্নান শিকদার তার লোকবল নিয়ে রাতের আঁধারে সেই গাছগুলো তুলে ফেলেছে। ওই প্রতারকের আমরা বিচার চাই।
টেংরা মাদলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির
সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমীন জানান, ৬ জন সদস্য ও সমিতির নিজস্ব তহবিল হতে ৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মান্নান শিকদারকে সর্ব সম্মতিক্রমে কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। টাকা আত্মসাৎ ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে আমাদের বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা মান্নান শিকদার জানান, আমি সমিতির কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি। অভিযোগগুলো মিথ্যা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আশিক(২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার(২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার দামিয়াপাড়া-বানিয়ারছিট সড়কের আড়াইপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিক কালিয়া ইউনিয়নের দামিয়াপাড়া এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক সাব্বির(২০) নামের আরো এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছে। নিহত আশিক ও আহত সাব্বির সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে আশিক ও সাব্বির দামিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে দুজনই গুরুতর আহত হয়। পরে তাদেরকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিককে মৃত ঘোষণা করে।
এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাব্বিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হাবিবা শবনম জানান, মাথায় গুরুতর আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আশিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত সাব্বিরের অবস্থাও আশংকাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
সখীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সামাজিক বনায়ন পরিষ্কার করতে গিয়ে আগুনে পুড়ে ওমর আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৬ মার্চ) বিকালে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বেরিখোলা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি ওই এলাকার মৃত নয়ন উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, সম্প্রতি ওমর আলীর নামে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের একটি প্লট বিক্রি হয়। কয়েক দিন আগে ওই প্লটের গাছগুলো কেটে নেওয়া হয়। রবিবার দুপুরে পরিষ্কারের জন্য বৃদ্ধ ওমর আলী ওই প্লটের ঝোপঝাড়ে আগুন দেন। ওই আগুনে পুড়েই তাঁর মৃত্যু হয়।
বন বিভাগের বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা আমিনুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে আগুন পাশের প্লটে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ওমর আলী তা নেভানোর চেষ্টা করেন। এ সময় একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারান। পরে আগুনে তাঁর মাথা ঝলসে যায়।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় বুধবার (২২ মার্চ) সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে (৬৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বৈলারপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান ওই স্কুল ছাত্রীর সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা। এর সুবাদে মেয়েটির বাড়িতে তার যাওয়া আসা ছিল। কয়েকমাস আগে ফুসলিয়ে এবং প্রলোভন দেখিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে ধর্ষণ করে হাবিবুর রহমান। এরপর নানা ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে। সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর শারীরিক গঠনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দেয়। পরে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হলে তার গর্ভে ৫ মাসের সন্তানের বিষয়টি ধরা পড়ে।
মামলার বাদি এবং ওই ছাত্রীর বাবা জানান, আমরা গরীব মানুষ। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এলাকার অনেকেই আমাদের ভয় ভীতি দেখাইছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়া (ওসি তদন্ত) জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ওই স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল করার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে ১৫-২০ মিনিট পর সিঁড়ি দিয়ে ব্যাংকের নিচে নামতেই আব্দুল মালেক নামের এক ব্যক্তির মুখে চেতনানাশক স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আব্দুল মালেক কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংকের নিচতলার সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
টাকা ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল মালেক জেলার ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।
জানা যায়, রবিবার দুপুরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংকে টাকা তুলতে আসেন মালেক। ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে নিচতলায় নামতেই ছিনতাইকারীর একটি চক্র তার মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
আব্দুল মালেক জানান, প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো টাকা নিজ একাউন্ট থেকে দুপুরে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ব্যাংকের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই ৬ ছিনতাইকারী ঘেরাও করে এবং মুহুর্তেই মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে। পরে টাকাগুলো ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ভূঞাপুর শাখার ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, মালেক ও তার স্ত্রী ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা উত্তোলের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর ব্যাংক থেকে বের হন। এরপর ব্যাংক থেকে নিচের সিঁড়িতে নামতেই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ব্যাংকের নিচে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত পূর্বক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টায় কাজ করছে পুলিশ।