টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ


০৯:৫০ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২৩
টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho
অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বন্ধুদের সহায়তায় একাধিকবার এক স্কুলছাত্রী (১৫) কিশোরীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ উঠেছে এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা।

এক পর্যায়ে ওই কিশোরী তার প্রেমিক ছানোয়ার হোসেনকে (১৮) বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে তাদের শারিরীক সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।

অভিযোগ ওঠেছে, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় মেয়ের পরিবারকে নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন স্থানীয় কিছু মাতাব্বর।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়নের শিরিরচালা পূর্বপাড়া গ্রামে।

ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী । অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ার একই এলাকার তোফাইনার ছেলে ও ময়মনসিংহের নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

গত সোমবার (২৭ মার্চ) এ ঘটনায় সখীপুর থানায় ছানোয়ারকে একমাত্র আসামি করে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা । অভিযোগের চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ, এমনটি জানিয়েছে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর পরিবার।

মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে প্রতিবেশী ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে । বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১ম বার শারিরীক সম্পর্ক করে এবং ভিডিও ধারন করে। পরে গত ৬ মাসে ওই তরুণীকে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধু একই এলাকার আজমত আলীর ছেলে মাছুম (২২) এবং আবু হানিফ মিয়ার ছেলে শাওন আহমেদ (১৮) এর সহযোগিতায় তাকে একাধিকবার মেলামেশা করাতে বাধ্য করা হয়। এক পর্যায়ে ছানোয়ারকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।

অভিযোগকারী কিশোরীর বাবা, দ্রুত বখাটে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে ওই তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে।

এ ব্যাপারে নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সখীপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।


পাঠকের মতামত

-মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নিউজটি শেয়ার করুন

কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।