একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আর্জেন্টিনার পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে তানভীর হাসান তন্ময় (১৩) নামের এক স্কুলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার(১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের ভাই ভাই সিনেমা হলের সামনে ( ৩ নম্বর ওয়ার্ড) এই দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তন্ময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জার্মান প্রবাসী সোহেল রানার ছেলে।
সে স্থানীয় সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভঃ স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সমর্থক তানভীর হাসান তন্ময় কাঁচা বাঁশে পতাকা টানাতে গিয়ে বাসার ৫ তলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়। পরে তাক আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আয়েশা জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে। মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম তন্ময়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) নামের এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার(১৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের কালিয়ান গ্রাম থেকে জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই গ্রামেরই ফজলুর রহমান খানের ছেলে।
তার পরিবারের সদস্যরা জানান, জাহাঙ্গীর কয়েক দিন আগে সিঙ্গাপুর থেকে বাড়ি ফিরেছেন। বাড়ি ফেরার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সোমবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তিনি নিজের ঘরেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। পরে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মতিন জানান, ‘মরদেহটির সুরতহাল তদন্তে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে হয়েছে। তারপরও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইলে জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১১ নভেম্বর)সকালে তার নানা বাড়ী উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়া বোয়ালী গ্রামের প্রবাসী রিপন মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, রিয়া আক্তার উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে তার নানা ফয়েজ আলীর বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো।
সম্প্রতি ক্লাসেরই এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিয়ার পরিবার বিষয়টি জানার পর অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করে। রিয়া তার প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে ছেলেটি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। অভিমানে শুক্রবার সকালে তার ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, খালেদা জিয়াকে আবারও জেলে পাঠানোর কথা বলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঠিক হয়নি। কারণ কারো উপকার করে তা বলতে হয় না। আপনার বাবা শুনলে (বঙ্গবন্ধু) রাগ করতেন, কষ্ট পেতেন।
দেশের বিভিন স্থানে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেওয়া ও গাড়ি বন্ধ করাও ঠিক হয়নি। গাড়ি চালু থাকলে যে লোক হতো গাড়ি বন্ধ করায় পায়ে হেঁটে সমাবেশে তার চেয়ে বেশি মানুষ হয়েছে। তাই এসব করে পার পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন কাদের সিদ্দিকী।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি দেশের মালিক নন সেবক।
শনিবার(৫ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচনই হয়নি। সবাই বলে সেটা ছিল ভোট চুরির নির্বাচন। আমার মেয়ে যদি নির্বাচিত হত তাহলে আমরাও হতাম ভোট চোরের দল। ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারাও চুরির ভোটে নির্বাচিত।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, আমরা ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম ড. কামালকে ভালো নেতা মনে করে। কিন্তু তিনি ভালো নেতা নন, ভালো মানুষ। অনেকেই ভাবছেন আমরা কোন দিকে যাব? আমাদের পথ হলো সিরাতুম মুস্তাকিম, আমরা আল্লাহর পথে আছি।
সভায় আবদুস ছবুরের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, নাসরিন সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলুয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, হাবিবুন্নবী সোহেল, এ টি এম সালেক হিটলু, সানোয়ার হোসেন, আবু জাহিদ রিপন, আলমগীর সিদ্দিকী, দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩ নভেম্বর) বেলা তিনটার দিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষকের নাম গৌরাঙ্গ সরকার (৪৮)। তিনি উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এর আগে বুধবার (২ নভেম্বর)রাতে ওই ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে সখীপুর থানার পুলিশ প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একাধিক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর বিকেলে বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর পঞ্চম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ডেকে নেন প্রধান শিক্ষক। সেখানে তিনি মুঠোফোনে গান বাজিয়ে ছাত্রীকে নাচতে বলেন। ছাত্রী রাজি না হওয়ায় তিনি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম জানান, ‘যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করার চিঠিটি ই–মেইলে একটু আগে পেয়েছি। গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির লোকজন ওই শিক্ষকের বিচার দাবি করে আমার দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।’
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মামলায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৌরাঙ্গ সরকার (৫২) নামের এক প্রধান শিক্ষককে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে হাতীবান্ধা মহিষডাঙ্গা নিজ এলাকা থেকে আটক করেছে সখীপুর থানা পুলিশ।
তিনি উপজেলার হাতীবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের সভাপতি জোসনা সরকার বুধবার (২ নভেম্বর)ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরাঙ্গের বিচার ও বদলি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী ও মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার( ২৭ অক্টোবর)স্কুল ছুটির পর একটি কক্ষে ওই শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১১) কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। ওই শিক্ষার্থী উচ্চস্বরে চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেয় প্রধান শিক্ষক। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য এ সময় ওই শিক্ষার্থীকে হুমকি দেয়। শিক্ষার্থী ভয়ে দুইদিন কিছু না বললেও পরবর্তীতে গত রবিবার(৩১ অক্টোবর) তার পরিবারের কাছে সবকিছু প্রকাশ করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য নিপেন মজুমদার জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি প্রমাণ রয়েছে। লজ্জায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা গোপন রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার জানান, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জোসনা সরকার জানান, ওই শিক্ষকের অসভ্যতার কারণে দিনদিন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। তিনি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাফিউল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পর শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষার্থীর চাচা বলাই বাদ্যকরের অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আমির হামজা (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কালিয়া পশ্চিম ঘোনারচালা এলাকায় নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি ওই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হামজা মাদকসেবী ছিলেন। তিনি মাদকের জন্য নিয়মিত তাঁর মায়ের কাছে টাকা দাবি করত। মঙ্গলবার সকালেও টাকা চাইলে মা তাঁকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
পরে হামজা অভিমান করে ঘরের দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে ডাকলে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁকে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ছেলেটি মাদকসেবী ছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে খাওয়ার ওষুধ মনে করে বিষ পানে শতবছর বয়সী চান মাহমুদ নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তার বাড়ি উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের গিলারচালা গ্রামে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ অক্টোবর) বৃদ্ধ চান মাহমুদ দুপুরের খাবারের পর নিজের খাওয়ার ওষুধ মনে করে ভুলক্রমে ঘরে রাখা ঘাস মারার বিষ পান করে ফেলেন। পরে তিনি অসুস্থবোধ করলে মেয়েকে ডেকে বলে ‘ দেখত মা ইডা আমি কি খাইলাম ।’ প্রথমে তাকে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তার মৃত্য হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ওই বৃদ্ধের লাশ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলী আজম (৪০) নামের এক পল্লী চিকিৎসক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার ( ২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লাঙ্গুলিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে । সে লাঙ্গুলিয়া গ্রামের আবুল বেপারীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পল্লী চিকিৎসক আলী আজম বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিওতে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। লোনের কিস্তি নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতেন। বাড়িতে সকালের খাবার খেয়ে দোকানে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই গলায় রশি দিয়ে দোকানের আড়ার সাথে ফাঁসি নেন।
পল্লী চিকিৎসক আলী আজমের আত্মহত্যার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়েন উদ্দিন জানান,ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.রেজাউল করিম জানান, লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া ঘোনারচালা পূর্ব পাড়া এলাকার কৃষক আনোয়ার বাদশার গোয়াল ঘরে আগুন লেগে দু’টি গরু ও পাঁচটি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত ভোর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন নেভানোর আগেই গরু ও ছাগলগুলো মারা যায়।
জানা যায়, কৃষক আনোয়ার বাদশা মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিনের মতো গোয়াল ঘরের পাশে লাকড়ির মধ্যে আগুন দেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে এ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
আরো জানা যায়, আগুন লেগে দুটি গরু, পাঁচটি ছাগলসহ টিনের গোয়ালঘরটিও পুড়ে গেছে।সবমিলে অন্তত ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিওতে দেড় লক্ষ টাকা ঋণ রয়েছে বলেও জানা যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আনোয়ার বাদশা জানান , কৃষি জমি চাষাবাদ করে ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে অভাবের সংসার আমার। গরু ও ছাগলগুলো মারা যাওয়ায় আমি একদম নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এসএম কামরুল হাসান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি জানান, কৃষক আনোয়ার বাদশার গরুগুলো পুড়ে মারা যাওয়াতে তার বড় ক্ষতি হয়ে গেল। এ অবস্থায় তার সহযোগিতা প্রয়োজন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে অপহৃত শিশু রীমাকে (৫) সাভারের হেমায়েতপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়।
অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুর সৎচাচা ফেরদাউস হাওলাদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপহরণের ঘটনায় রীমার বাবা রাসেল খান সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, রাসেল পরিবার নিয়ে সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েকদিন আগে তার সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসেন। রবিবার (১৬ অক্টোবর) ফেরদাউস শিশু রীমাকে অপহরণ করে সাভার নিয়ে যান। সেখানে এক দোকানের সামনে রীমাকে রেখে তিনি দূরে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখতে থাকেন। রীমা কান্না শুরু করলে লোকজন ভিড় করে। কাউকে না পেয়ে স্থানীয়রা শিশুটিকে গার্মেন্টকর্মী আর্জিনার আক্তারের জিম্মায় দেন। পরে ফেরদাউস হাওলাদার রীমার বাবা রাসেল খানের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
পুলিশ ফেরদাউসকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেলে থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে নিয়ে শিশু রীমাকে আরজিনার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। সখীপুর থানার ওসি রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাসেল খান জানান, সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসে। পরে সে আমার মেয়েকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও সখীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মির্জাপুর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড ও সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী কলাবাগান এলাকায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়ার বদর সিকদারের ছেলে এলিম সিকদার (৪২) ও সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী বটতলা এলাকার ফজল হকের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫৪)। নিহত এলিম সিকদার পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ও মনোয়ারা বেগম পেশায় গৃহিণী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এলিম সিকদার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি বাস তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, মনোয়ারা বেগম সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী কলাবাগান এলাকায় রাস্তা পাড় হচ্ছিলেন। একপর্যায়ে একটি অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এ সময় মনোয়ারা বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল দুই জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।