/ হোম / সখীপুর
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীর জোরপূর্বক টিকটক ভিডিও ভাইরাল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীর জোরপূর্বক টিকটক ভিডিও ভাইরাল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্কুলের নিরাপত্তাকর্মী জোরপূর্বক ‘টিকটক’ বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্তসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী আরিফ মিয়া তার পরিবারের সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর ধরে নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। এরই সূত্র ধরে আরিফ বছরখানেক আগে এই স্কুলে নিরাপত্তাকর্মী পদে চাকরি পান। চাকরি পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে আসছেন। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা এর আগে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ১৪ আগস্ট নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সঙ্গে স্কুল মাঠে টিকটক করাতে বাধ্য করে এবং তার ফেসবুক পেজে তা আপলোড করে। মুহূর্তে টিকটকটি ভাইরাল হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দিলেও তিনি তা আমলে নেননি। পরে স্কুলের সব শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী বরাবর অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয় এবং অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মীকে চাকরিচ্যুতসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবক জানান, স্কুলের নিরাপত্তাকর্মীর উত্ত্যক্তের সব দায় প্রধান শিক্ষকের। দ্রুত এই নিরাপত্তাকর্মীকে চাকরিচ্যুত করাসহ সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. তোফাজ্জল হোসেন তার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি বলে দাবি করেন।

এদিকে উপজেলার নির্বাহী অফিসার ফারজানা আলম জানান, স্কুলের নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২২ ০৪:৩৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে আড্ডা; আটক ১৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে আড্ডা; আটক ১৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্কুল ও কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেস্টুরেন্টে আড্ডা দেওয়ার অভিযোগে ১৩ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে পৌর এলাকার নিশ্চিন্তপুর ও বাঁশবাড়ী রেস্টুরেন্টে অড্ডা দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়।

পরে আটককৃত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, বখাটেপনা, কিশোর অপরাধ, ইভ টিজিং প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে। এ সময় ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেস্টুরেন্টে আড্ডা দেওয়ায় ১৩ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, পরে অভিভাবকদের মুচলেকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিশোর অপরাধ, ইভ টিজিং নির্মূল করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২২ ০৩:৫৭:এএম ৪ বছর আগে
সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য আটক - Ekotar Kantho

সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য আটক

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ।সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার (২১ আগস্ট) বিকালে পৌর এলাকার মোখতার ফোয়ারা চত্বর, হাসপাতাল গেট, সখীপুর পিএম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ওই ১১ বখাটে ও উত্যক্তকারীকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের বাড়ি পৌর এলাকা ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

সখিপুর থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মনিরুজ্জামান জানান, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে স্কুল- কলেজের আশপাশ থেকে ছাত্রীদের উত্যক্তকারী ওই বখাটে ১১ কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, আটককৃতদের অভিভাবক ডেকে এনে মুসলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৪:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেতুর ওপর বাঁশের সাঁকো; জনদূর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেতুর ওপর বাঁশের সাঁকো; জনদূর্ভোগ চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছোট মৌশা-সিলিমপুর সড়কে খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। গ্রামীণ সড়কটি পাকা করার পর ওই পুরোনো সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়।

এ বছরের জুলাই মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো পুরোনো সেতু অপসারণের কাজই শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে উপজেলার ছোট মৌশা, কৈয়ামধু, সিলিমপুর, প্রতিমা বংকীসহ অন্তত আরো ১০ গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে ছোট মৌশা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাধ্য হয়ে পুরোনো ভাঙা ওই সেতুর ওপর বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হয় শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্রামীণ সড়কের ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যর সেতুটির নির্মাণকাজ পেয়েছে মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চলতি বছরের জুলাই মাসেই সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ঠিকাদার বলছেন, জানুয়ারিতে আকস্মিক বৃষ্টির কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুরোনো সেতুর ভাঙা পিলারের ওপর বাঁশের সাঁকো। সাঁকোর নিচেই লম্বালম্বি দাঁড়ানো চিকন রড। পা পিছলে পড়ে গেলেই নিশ্চিত বড় ধরনের দুর্ঘটনা। সেতুর পাশ দিয়ে বিকল্প সড়ক করার নিয়ম থাকলেও তা মানেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রয়োজনের তাগিদেই সেতুর ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে পারাপার হন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

ছোট মৌশা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, প্রথম কয়েক দিন পারাপারের সময় খুব ভয় লাগত। কিন্তু এই সড়ক ছাড়া স্কুলে যাওয়ার অন্য কোনো উপায় নেই। এখন ভয় লাগে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, স্কুলের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই ওই সাঁকো পার হয়ে আসে।বাঁশের সাঁকোটি স্কুলের উদ্যোগে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় নির্মাণ করা হয়েছে। তবে অভিভাবকেরা ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, নির্ধারিত সময়ে সেতুটি শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আবদুল হালিম এখলাছ জানান, ‘শুরুতেই আকস্মিক বৃষ্টি হওয়ায় সেতুটির কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। পানিতে বিকল্প সড়কটিও তলিয়ে গেছে। সেতুর ওপর আমরা একটি সাঁকো বানিয়ে দিয়েছিলাম। আশা করছি, কাজের মেয়াদ বাড়ানো হবে। আর পানি চলে গেলেই নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’

বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সখীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি। মূলত কাজ শুরু করার পরপরই বৃষ্টির কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আশা করছি, নভেম্বরের শুরুতেই সেতুটির নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হবে।’

সংবাদ সূত্র-আজকের পত্রিকা আনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২২ ০৯:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে - Ekotar Kantho

চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে হন্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এআইজি (ক্রাইম ইষ্ট) স্বাক্ষরিত (স্বারক নম্বর ১৮৮৬, ২১ জুলাই) চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ বক্সে বাসের ধাক্কা: বৃদ্ধা নিহত

এছাড়া ঘাটাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় আট লাখ টাকা ছিনতাই মামলাও সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, চলতি বছরের ২০ জুন টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসের সাত তলার বাথরুম থেকে শিহাব মিয়া নামক পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। ২৬ জুন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নিহত শিহাব মিয়া টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। সে ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করতো।

এ মামলার আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক নামক এক শিক্ষককে প্রথমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর বুধবার( ১০ আগষ্ট)হত্যা মামলার আসামি চার শিক্ষক আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আত্মসমর্পন করা আসামীরা হলেন বিপ্লব চন্দ্র সরকার (৩০), আসলাম হোসেন আশরাফ (৩০), মাসুম মাসুদ রানা (৪০) ও বিজন কুমার সাহা (৪০)।

এদিকে ঘাটাইলে মোয়াজ্জেম হোসেন খান (৭০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা ছিনতাই হয়। চলতি বছরের ১৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খানের বাড়ি উপজেলার লাহিড়ীবাড়ি গ্রামে। তিনি ঘাটাইল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ডাকাতির মামলাটি আমরা তদন্ত করছি। এ ধরনের নির্দেশনা হয়ে থাকলে সিআইডি তদন্ত করবে।

নিহত শিহাবের বাবা প্রবাসী ইলিয়াস হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ তদন্ত হোক। সিআইডিতে হস্তান্তর করাতেও আমরা খুশি। আমি আমার একমাত্র ছেলে শিহাব হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। মামলাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, শিহাব হত্যা মামলায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি নিবিড় তদন্তের জন্য মামলা ২ টি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২২ ০৫:৫৪:এএম ৪ বছর আগে
প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এসে সুখে সংসার করছেন নেপালি তরুণী - Ekotar Kantho

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এসে সুখে সংসার করছেন নেপালি তরুণী

একতার কণ্ঠঃ প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে সুখের সংসার পেতেছেন নেপালি তরুণী সানজু কুমারী খাত্রী। বাঙালিদের মতোই এখন তার চলাফেরা, খাবার ও পোশাক। এমনকি বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথাও বলছেন তিনি।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের গৃহবধূ সানজু স্বামী-সংসারের জন্য ছেড়েছেন পরিবার-পরিজন এবং ধর্ম। বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী নেপালি তরুণীর বর্তমান নাম খাদিজা আক্তার। স্বামী প্রবাসে থাকায় শ্বশুর-শাশুড়ি আর একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়েই কাটছে তার সময়।

স্থানীয়রা জানান, ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি নেপালি ওই তরুণী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন আলীর মালয়েশিয়া প্রবাসী পুত্র নাজমুল ইসলামের কাছে ছুটে আসেন। সম্প্রতি ওই বাড়িতে গিয়ে প্রেম ও সংসার জীবন নিয়ে কথা হয় সানজুর সঙ্গে। এ সময় সুখেই সংসার করছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি নেপালের কাঠমান্ডু শহরে। বাবার নাম দমর বাহাদুর খাত্রী। তিন বোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। তবে বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করে ধর্ম পরিবর্তন করে এখন আমার নাম খাদিজা আক্তার।

নাজমুলের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় একই কোম্পানিতে কাজ করার সময় নাজমুলের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালের শেষের দিকে মালয়েশিয়া থেকে আমি নিজ দেশে ফিরি। পরে নাজমুলও বাংলাদেশে ফেরেন। এরপর নামজুল তার এক আত্মীয়কে নিয়ে নেপালে আমার বাড়িতে এসে পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরিবারকে রাজি করিয়ে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আমাকে নিয়ে বাংলাদেশে ফেরে নাজমুল। পরে টাঙ্গাইলে আদালতের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজসহ স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। ওই সময় আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি। আমার নতুন নাম খাদিজা আক্তার।

তিনি আরও জানান, বিয়ের কিছু দিন পর তিনি নিজ দেশে ফিরে যান। সেখানে কিছু দিন থাকার পর আবার স্বামীর কাছে বাংলাদেশে চলে আসেন। কিছু দিন সংসারের পর নাজমুল মা-বাবার কাছে তাকে রেখে ফিরে যান মালয়েশিয়ায়।

সানজু বলেন, স্বামী মালয়েশিয়া যাওয়ার পর থেকে শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদ ও একমাত্র মেয়ে তাসফিয়া ইসলাম নূরকে নিয়েই সময় কাটছে। এছাড়া নেপালে আমার মা ও দুই বোনসহ আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। তাদের সঙ্গেও নিয়মিত ভিডিও কলে কথা হয়।

সানজুর শ্বশুর হুমায়ুন আলী বলেন, ‘নেপালি মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে পেয়ে আমি আনন্দিত। আমার ছেলের বউ এখন বাংলায় কথা বলতে পারে। বাঙালি মেয়েদের মতোই তার চলাফেরা। নেপালে তার মা ও দুই বোন রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরাও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে মজার বিষয় হলো, বিয়ের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তাকে দেখার জন্য অনেকেই বাড়িতে আসেন।’

মোবাইল ফোনে কথা হয় নাজমুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সানজুকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমি অনেক খুশি। সে এখন আপাদমস্তক বাঙালি। এছাড়া কোরআন পড়ে, পর্দা করে। বাঙালি নারীদের মতোই সংসার সামলাচ্ছে। আমরা একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সামনের দিনের স্বপ্ন বুনছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২২ ০৬:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজাদের দায়ের কোপে চাচা ফালা মিয়া (৫৫) খুন হয়েছেন। সোমবার ( ৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার হাতীবান্ধা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ সময় নিহত ফালু মিয়ার স্ত্রী ও ছেলেসহ চারজন গুরুতর আহত হয়। ফালু মিয়া ওই গ্রামের মৃত: চান মিয়ার ছেলে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন ফালু মিয়ার স্ত্রী আজীরন (৫০) ছেলে রিপন (২৫) বিয়াই মোংলা (৫০) ও তার স্ত্রী হালিমা (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত ফালু মিয়া ও তার ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে বাবর আলীর ছেলে জাফর ও নাজিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দা শাবল নিয়ে ফালুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবর আলী ও অন্যদের গুরুতর আহত করে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোক এগিয়ে এলে তারা চলে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ফালু মিয়া মৃত্যুবর করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির হোসেন জানান, ফালু ও তার সহোদর ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। একাধিক মামলাও চলছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফালু মিয়া খুন হয়েছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২২ ০২:৫৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায়ের আদেশ দেন।

দন্ডিত ওই যুবকের নাম রবিন মিয়া (২৬)। সে সখীপুর উপজেলার সদরের গজারচালা এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য আসামি দীপ্তি আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌশুলী মোহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস জানান, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সখীপুরের একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রবিন তাদের বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনই ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রবিন মিয়া ও দীপ্তি আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায় ঘোষণার সময় রবিন মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২২ ০৯:২৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তিন মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবকের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তিন মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবকের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার তিনজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় দুই যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৩ আগস্ট)বিকালে তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের মাহমুদুল হাসান (২১) ও একই ইউনিয়নের তৈলধারা গ্রামের নাজমুল (১৯)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) প্রকৌশলী ফারজানা আলম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মাদ্রাসার তিনজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে “নারীর শ্লীলতাহানীর উদ্দেশ্যে কথা ও অঙ্গভঙ্গি করার অপরাধে” দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৫০৯ ধারা অনুযায়ী দুই যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

একই অপরাধে অভিযুক্ত আরেক কিশোর, অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেখা দিয়ে তাকে তার অভিভাবকের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০২:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভূত তাড়ানোর চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূত তাড়ানোর চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে কবিরাজের ভূত তাড়ানোর চিকিৎসায় তাসলিমা আক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ( ২ আগস্ট) বিকেলে ওই গৃহবধূ মারা যান।

মৃত তাসলিমা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে। এ ঘটনায় আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা নিয়েছে সখীপুর থানা-পুলিশ।

তবে গৃহবধূর পরিবারের লোকজন কবিরাজ আসমান আলীকেই দায়ী করছেন। অভিযুক্ত কবিরাজ উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামের তাহের আলী কবিরাজের ছেলে।
সোমবার ভূত তাড়ানোর উদ্দেশ্যে চুন ও পেঁয়াজের রসমিশ্রিত তরল দ্রব্য নাক দিয়ে ঢোকালে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের রাসেল আহমেদের সঙ্গে তাসলিমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তিনি মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তাসলিমা সম্প্রতি বাবার বাড়িতে এলে পরিবারের লোকজন তাঁকে পার্শ্ববর্তী গ্রামের আসমান কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। তাসলিমার ওপর ভূতের আছর পড়েছে দাবি করে বেশ কয়েক দিন ধরেই ঝাড়-ফুঁক করছিলেন ওই কবিরাজ। সোমবার একপর্যায়ে ওই কবিরাজ গৃহবধূর নাক দিয়ে পেঁয়াজের রস, চুনসহ বিভিন্ন গাছের রস ঢেলে দেন। এতে তাসলিমা অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার তিনি মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন বলেন, কবিরাজি চিকিৎসারত অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত গৃহবধূর বাবা মোতালেব হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে কিছুটা মানসিকভাবে দুর্বল থাকলেও মারা যাবে এ রকম অবস্থা ছিল না। কবিরাজের ভুল চিকিৎসার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান , মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি চাষ করার সময় ট্রাক্টরের ফলার আঘাতে সুমন আহমেদ (১৫) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । সোমবার (১৭ জুলাই)সন্ধ্যায় উপজেলার যাদবপুর চাকলাপাড়া এলাকায় ওই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন আহমেদ ওই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ সুমনের খন্ডবিখন্ড লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় সুমনের বাড়ির পাশে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করার সময় চালককে সহযোগিতা করার জন্য ট্রাক্টরে ওঠ বসে সুমন। জমি চাষের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত চলন্ত ট্রাক্টরের ফলার নিচে পড়ে গেলে তার দেহ খন্ডবিখন্ড হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই সজল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২২ ০৯:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কাটতে গিয়ে মামুন(১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ( ১৬  জুলাই), উপজেলার বহেড়াতৈল নকিল বিলে ওই ঘটনা ঘটে৷

নিহত মামুন বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ভূগলিচালা গ্রামের মোঃ হাকিম মিয়ার ছেলে এবং লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মামুন সহ ৪-৫ জন বন্ধু মিলে বহেড়াতৈল নকিল বিলে সাঁতার কাটতে নামে। হঠাৎ মামুন ও শাহেদকে পানিতে ডুবতে দেখে বন্ধুরা চিৎকার শুরু করে।

চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ৫ মিনিটের মধ্যেই শাহেদকে উদ্ধার করা হলেও প্রায় ১ ঘন্টা খোঁজাখোঁজির পর মামুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।]

মামুনকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবার ও তার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুলাই ২০২২ ০১:০৩:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।