/ হোম / সখীপুর
টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল প্রাইভেটকার চালকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল প্রাইভেটকার চালকের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. শাহীন (২১) নামের এক প্রাইভেটকার চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের সাবেদেরচালা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত শাহীন সখীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের ছেলে। দুর্ঘটনায় একই এলাকার সানোয়ার হোসেন নামের এক যুবক আহত হয়েছেন। আহত সানোয়ার হোসেনকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেট কারের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই চালক শাহীনের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অতিরিক্ত গতিতে একটি গাছকে ধাক্কা দিয়েছে। মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার তিনদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সখীপুরের আবদুর রাজ্জাক (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার ( ৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ টায় সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত রাজ্জাক সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে। সে লাঙ্গুলিয়া বাজারে ফটোকপির ব্যবসা করতেন।

জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসাইল বাসষ্ট্যান্ড পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজ্জাক গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা প্রথমে তাকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওই রাতেই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে তাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি কর হয়। তিনদিন পর ৮ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবার জানায়, রাতে লাশ আসলে রবিবার (৯ অক্টোবর) জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার,ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২২ ০২:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন

একতার কণ্ঠঃ গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করায় ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে বড় বউ মনোয়ারার বিরুদ্ধে। আহত স্বামীর অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত আমিনুল ইসলাম (৩৫) টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ি এলাকার সালাম মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। কিছুদিন যাবত সে বড় বউ নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আমিনুল ইসলাম গোপনে কালিহাতী উপজেলার বানিয়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

এ ঘটনা বড় বউ জানতে পারলে ক্ষিপ্ত হয় এবং রাতে তাদের উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ শান্ত হয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে বড় বউ। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে আমিনুলকে উদ্ধার করে প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। পরে অবস্থা আশঙ্কাজন হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:০২:এএম ৪ বছর আগে
সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল গফুর - Ekotar Kantho

সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল গফুর

একতার কণ্ঠঃ সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইকবাল গফুর।

ঢাকাস্থ শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর)  বিকেলে ঢাকার বিজয়নগর হোটেল অরনেট এর মিলনায়তনে ‘ বিশ্ব শান্তি দিবস ‘ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ইকবাল গফুরের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুসন্ধানী ও সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২১ সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট প্রদান ও উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রথম আলোর সখীপুর প্রতিনিধি ইকবাল গফুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন সাংবাদিককে।

সাবেক তথ্য সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচাপতি মো. নিজামুল হক নাসিম।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, পাঠ ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. শেখ মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মজিবুর রহমান ,কবি শাহ আলম চুন্নু প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মো. আর কে রিপন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:১৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষ ঠান্ডু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষ ঠান্ডু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন।

এছাড়া আদালতের বিচারক দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন।
এ ছাড়া এ হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সখীপুরের ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু, একই গ্রামের সুর্যদ আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর।

মামলায় খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।

রাষ্ট্রের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। তিনি বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আইয়ুব আলী ৫ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেন।

রায় ঘোষণার সময় মিনহাজুর রহমান মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং আব্দুল মালেক শুকুর পলাতক ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৬:পিএম ৪ বছর আগে
সখীপুরে বেত বাগানে চিতাবাঘ দেখার ঘটনা মিথ‍্যা : কিশোরের স্বীকারোক্তি - Ekotar Kantho

সখীপুরে বেত বাগানে চিতাবাঘ দেখার ঘটনা মিথ‍্যা : কিশোরের স্বীকারোক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘ বিচরণ করার বিষয়টি মিথ‍্যা বলে জানিয়েছে বন‍্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট । মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হতেয়া রেঞ্জ অফিসে বন্যপ্রাণী দমন ইউনিটের জিজ্ঞাসাবাদে ফেসবুকে আপলোড করা ওই কিশোর শাকিব মিথ‍্যা প্রচারের স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় কিশোর শাকিব (১৮) ওই বেতবাগানের একটি ছবি তোলে, পরে অনলাইন থেকে একটি চিতাবাঘের ছবি নিয়ে এডিট করে বেতবাগানের ছবিতে বাঘের ছবি বসিয়ে ফেসবুকে ‘বেতবাগানে চিতা বাঘের আতঙ্ক’ শিরোনামে স্ট্যাটাস দেয়। ফেসবুক ভাইরাল হওয়ার জন‍্য এই কাজ করেছে বলে জানায় ওই কিশোর। এ বিষয়ে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ওই কিশোরকে ক্ষমা করেছে তদন্ত কমিটি।

হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের বিচরনের খবর মিথ্যা। ওই কিশোর শাকিব খান মঙ্গলবার বন‍্যপ্রাণী দমন ইউনিটের কাছে একথা স্বীকার করেছে। ভবিষ্যতে এমন মিথ্যা গুজব ছড়াবে না এ স্বীকারোক্তিতে মুচলেকা দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হলে বন‍্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ঘটনা স্থলে গিয়ে এ তথ‍্য মিথ‍্যা বলে প্রমান পেয়েছে। একটি কিশোর এ মিথ‍্যা তথ‍্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের আতঙ্ক এই শিরোনামে স্থানীয় এক কিশোর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। মুহূর্তেই এই তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৪১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করা হামলার শিকার যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করা হামলার শিকার যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মেয়েদেরকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ‌ প্রায় ১ টার দিকে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবকের নাম মো. মাজহারুল ইসলাম(২১)। সে উপজেলার কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

হামলার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শনিবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি মামলায় দায়ের করেছেন।

নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের সমন্বয়ে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে আসা মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে কালিয়ান দোহানিয়া পাড়ার কয়েকজন বখাটে ছেলে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই তাকে কিল, ঘুষি দেয় স্থানীয় বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা।

এর পর খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম (১৯), ছাব্বির আহমেদ (১৯) সহ সাত-আট জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল লোহার রড, দা, দিয়ে মাজহারুলের উপর আবার আক্রমণ করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যান্যরা মাজহারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত প্রায় ১ টায় মাজহারুলের মৃত্যু হয়।

মাজহারুলের বাবা আ. মালেক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। বখাটেদের হামলায় ছেলেটা অবশেষে মারাই গেল।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান,হামলার ঘটনায় মাজহারুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলাতেই ৩০২ ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরও এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরও এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আদনান (১৫) নামের আরো এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আদনান উপজেলার কালিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় ঘোনারচালা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের কালিয়া বাজার এলাকায় আদনানের মোটরসাইকেলকে একটি ট্রাক চাপা দেয়। এতে আদনান ও তার বন্ধু জুবায়ের আহমেদ গুরুতর আহত হয়। আহত আদনানকে ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।অন্যদিকে আদনানের বন্ধু জুবায়েরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানা জানান, মাত্র তিন দিন পরেই আদনানদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এই সময়ে আদনানের মৃত্যুতে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

অপরদিকে, এ মাসের শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিয়াম(১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিয়ামের বন্ধু রানা গুরুতর আহত হয়।

নিহত সিয়াম উপজেলার ফাজিলহাটী এলাকার সানোয়ার হোসনের ছেলে।সে স্থানীয় লাউহাটী আজহার আলী মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

গত তিন মাসে টাঙ্গাইল জেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি একের পর এক স্কুল ও কলেজ ছাত্রের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহল ও অভিভাবকগণ সড়ক ও মহাসড়কে স্কুল-কলেজের মোটরসাইকেল আরোহী ছাত্রদের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:০৫:এএম ৪ বছর আগে
সখীপুরে বেত ‍বাগানে দেখা মিলল চিতাবাঘের, আতঙ্কে এলাকাবাসী - Ekotar Kantho

সখীপুরে বেত ‍বাগানে দেখা মিলল চিতাবাঘের, আতঙ্কে এলাকাবাসী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘের সন্ধান মিলেছে। শনিবার (১০সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ চিতাবাঘ বেতবাগানের মধ‍্যে একটি সুরু রাস্তায় বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পান এলাকাবাসী।হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুহূর্তের মধ্যে ওই চিতাবাঘের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছে।

হতেয়া গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক জানান, কিছুদিন যাবৎ এলাকার অনেকেই দেখেছেন বেতবাগানে চিতাবাঘ। এলাকায় ব‍্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। আতঙ্ক এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান , উপজেলার হতেয়া এলাকায় চিতাবাঘের বিচরণ প্রায় তিন মাসের। এলাকার জনসাধারণের সর্তকতা অবলম্বন করে চলাচলের জন‍্য অনুরোধ করেছি এবং বেতবাগানে জনসাধারণকে প্রবেশ নিষেধ করেছি।

হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন জানান, শনিবার বিকেলে কিছু শ্রমিক বেতকাটতে বাগানে গেলে চিতাবাঘ দেখতে পান। ভয়ে চিৎকার করে ‍বাগান থেকে বের হয়ে আসে। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বনবিভাগের রেঞ্জা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি দ্রুত ব‍্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা ও ভাইদের সাক্ষীতে এক চিহ্নিত মাদকসেবীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে আদালত বসিয়ে এ সাজা দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম।

সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তির নাম ছানোয়ার হোসেন (৩২)। সে উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে। তার মা রহিমা বেগম ছেলের বিরুদ্ধে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ছানোয়ার হোসেন এলাকার একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। মা, ভাই ও স্ত্রী সবাই সানোয়ারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিল। বুধবার ছানোয়ার গাঁজা খেয়ে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে মাতলামি করছিল। এ সময় ওই বাজারের লোকজন উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই বাজারে গিয়ে ছানোয়ারকে মাতলামি করা অবস্থায় খুঁজে পায়।

তিনি আরো জানান, সানোয়ার হোসেনের মা রহিমা বেগম (৬০),দুই ভাই আইয়ুব আলী ও মোতালেব সানোয়ারকে একজন মাদকসেবী বলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন। আদালত তাকে মাদক সেবন ও নিয়ন্ত্রণ আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেয়।

সানোয়ারের মা রহিমা বেগম জানান, তার ছেলেকে মাদক কেনার টাকা না দেওয়া হলে সে আমাদের মারধর করে। ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে সে মাদক কিনে সেবন করে। বাড়ি থেকে কখনো গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে তা বিক্রি করে মাদক সেবন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, মাদক সেবন অবস্থায় ধরে উপস্থিত সাক্ষ্যগণের মোকাবেলায় সানোয়ারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে টিকটকে বাধ্য করা সেই নিরাপত্তাকর্মী বরখাস্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে টিকটকে বাধ্য করা সেই নিরাপত্তাকর্মী বরখাস্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী (দারোয়ান) আরিফ মিয়াকে (২৪) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম রবিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় আরিফের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তি আরিফ উক্ত বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে টিকটক ভিডিও করতে বাধ্য করায়, এমন অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হলো।

 

সম্প্রতি, ওই নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক ছাত্রীর বিদ্যালয় অঙ্গনে করা টিকটক ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আরিফের বিচার দাবি করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

রবিবার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম এ ঘটনার তদন্তে এসে সত্যতা পেয়ে দারোয়ানকে বরখাস্তের জন্য নির্দেশ দেন।

অভিযোগ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার বাসিন্দা আরিফ মিয়া প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সেই পরিচয়ে বছরখানেক আগে ওই বিদ্যালয়ে নিরাপত্তারক্ষী (দারোয়ান) পদে চাকরি নেন আরিফ। মাস ছয়েক ধরে আরিফের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করাসহ কিছু ছাত্রীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও করার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছাত্রীর সঙ্গে আরিফের একটি টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় ওই উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও আরিফ প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকায় তিনি অভিযোগটি আমলে নেননি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে আরিফের বিচার দাবি করে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

রবিবার দুপুরে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান। তিনি দারোয়ান আরিফকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ দেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে দারোয়ান আরিফকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

আরিফের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এর পূর্বে আরিফ মুঠো ফোনে বলেছিলেন, ‘একজন মেয়ের অনুরোধে আমি টিকটকে অংশ নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এখন মেয়েটির সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মেয়েটি আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমি কোনো ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করিনি। আমি প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকি। এটাই আমার কাল হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:০২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলমের হস্তক্ষেপে সোনালী আক্তার (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। সে স্থানীয়  বংকী পাবলিক উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, শুক্রবার (২৬ আগস্ট) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফজরচালা এলাকার সহিদ মিয়ার মেয়ের সঙ্গে উপজেলার যাদবপুর এলাকার আজাহার মিয়ার ছেলে পুলিশ সদস‍্য আলামিনের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিলো।

গোপনসংবাদ পেয়ে ইউএনও প্রথমে স্থানীয় কাউন্সিলরকে পাঠিয়ে বিয়ের প্রস্তুতি বন্ধ করেন। ঘন্টাখানেক পরে গোপনে ফের বিয়ের কার্যক্রম শুধু করলে পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পুনরায় সতর্ক করে আসেন। পরে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে ইউএনওকে মুচলেকা দেওয়ার শর্তে বিয়ে বন্ধ করা হয়।

৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু সাঈদ মিয়া জানান, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি রান্না-বান্নার আয়োজন চলছে। বর পক্ষের লোকজনও সেখানে উপস্থিত আছেন। ইউএনও স‍্যারের নির্দেশে বিয়ে বন্ধ করে দেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, প্রাপ্ত বয়স না হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে মুচলেকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২২ ০৭:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।