একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে এলমা নামের দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) উপজেলার কচুয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত এলমা উপজেলার কচুয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার জহিরুল ইসলামের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশেই খেলছিল এলমা। একপর্যায়ে সবার অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়।
এদিকে বাড়ির লোকজন এলমাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পাশের পুকুরে এলমার কাপড় ভাসতে দেখে বাড়ির লোকজনের আর্তচিৎকারে সবাই এগিয়ে আসে।
স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মামা-ভাগ্নেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সকালে সখীপুর উপজেলার বাটাজোর সড়কের পাথার পুরাতন বাজার এলাকায় ও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের আনালিয়াবাড়ী এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে উপজেলার ইছাপুর এলাকার ওয়াহেদ আলীর ছেলে মো. মাছুদ (২৫) ও একই গ্রামের আ. সালামের ছেলে সাকিবের (২০) পরিচয় মিলেছে।
সখীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির বলেন, তারা সকালে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাটাজোড় বাজারে নিজেদের দোকানে যাচ্ছিলেন। পথে একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান। ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেলেও ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা সেবা লাইনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে এলেঙ্গা থেকে মোটরসাইকেলযোগে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু সেতুর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাসটি মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই আরোহী মারা যান।
ওসি আরও বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বাসটি আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে থিনার ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে দগ্ধ আল আমিন (১৮) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আল আমিন পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে।
সখীপুর থানার ওসি মো. রেজাউল করিম আহত আল আমিনের মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন।
জানতে চাইলে সখীপুর বাজার বণিক বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম.এ মামুন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিস্ফোরণের দিন একজন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হলো। আমরা সকল ব্যবসায়ীকেই সতর্কতার সাথে কাজ করার পরামর্শ দিচ্ছি।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে আহত আতিকুল ও আল আমিন থিনার ভর্তি ওই ড্রামটি খোলার জন্য এতিমখানা রোডের এস এম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে যান। ওয়ার্কশপের কর্মচারী ইয়াকুব রাজু ওই ড্রামটি খুলতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ইয়াকুব রাজুর মৃত্যু হয়।
আহত হন আলামিন (১৮) আতিকুল (৪০) ও সবুজ (২৬)। আহতদের প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
ড্রামটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয় এবং আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরিত ড্রামটি নিহত রাজুকে আঘাত করে উড়ে ১০০ গজ দূরে গিয়ে পড়ে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করছেন এক স্কুলছাত্রী। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ভুয়াইদ এলাকার প্রেমিক রাসেলের (২০) বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।
ঘটনার পর থেকে প্রেমিক রাসেল বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন।
রাসেল ওই গ্রামের প্রবাসী সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে কালিহাতী লাইয়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজে অধ্যায়নত রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের তক্তারচালা জিনিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে এ বছর সখীপুর পিএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেছেন।
ওই ছাত্রী জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিক রাসেল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। সম্প্রতি তার কয়েকটি বিয়েও ভেঙে দেয় রাসেল। পরে বিষয়টি দুই পরিবার জেনে যায়। এরপর থেকেই রাসেলকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন তিনি। রাসেলের পরিবার এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে তিনি অনশন শুরু করেছেন। প্রেমিক বিয়ে না করলে আত্মঘাতি হবেন বলেও জানান ওই ছাত্রী।
পলাতক থাকায় এ নিয়ে প্রেমিক রাসেলের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে রাসেলের এক স্বজন বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক নেই। তবে তাদের মধ্যে পরিচয় থাকতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ নিয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গর্ভবতী এক মা ও তার গর্ভের শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত মাজেদা আক্তার(২৫) উপজেলার কচুয়া গ্রামের মো. আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
মৃত মাজেদার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গর্ভবতী মাজেদার প্রসব বেদনা শুরু হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশ্যে তাকে নিয়ে রওনা হয় তার পরিবার । উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকের দালালদের খপ্পরে পড়েন মৃত মাজেদার পরিবার। পরে মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ভর্তি করানো হয়। উপযুক্ত সময়ে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে ওই গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হয়। ওই ক্লিনিকের একমাত্র চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ শামসুল আলম সকাল সাড়ে সাতটার আগে মৃত মাজেদাকে দেখেননি বলেও অভিযোগ করেছে মাজেদার পরিবার।
মাজেদা আক্তারের স্বামী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, রাতে ভর্তি করানোর পরে ওই ক্লিনিকের কোন চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই শুধু কয়েকটি স্যালাইন ছাড়া। উপযুক্ত চিকিৎসা না পেয়ে আমার স্ত্রী ও তার গর্ভের সন্তান মারা গেছে, আমি এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে ওই ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গর্ভবতী মাজেদা আক্তার রাত তিনটার দিকে আমাদের এখানে ভর্তি হয় । ল্যাব টেকনোলজিস্ট রক্তের গ্রুপ ও পরিমাণ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলাফলে রক্তের পরিমাণ ৮.৬ হওয়ায় রোগীর পরিবারকে রক্তের ব্যবস্থা করতে বলা হয়। পরিবারের লোকজন রক্তের ব্যবস্থা করতে পারেন নাই এবং ডাক্তার সাড়ে সাতটার দিকে এসে রোগীর অবস্থা মুমূর্ষ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, রোগী মারা যাওয়ার পর হইহুল্লার সৃষ্টি হয় যার ফলে আসলেও গর্ভের বাচ্চাটির অবস্থা নির্ণয় করা হয়নি এটি আসলেও ভুলবশতই হয়েছে।
মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকের পরিচালক ও চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ওই রোগী রাতে ভর্তি হলেও আমি জেনেছি ভোর রাতে। টেস্টে দেখি রক্তশূন্যতা ও শ্বাস কষ্ট রোগ রয়েছে। পরে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড করি। রেফার্ডের রোগী অন্য হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হওয়ায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
জানতে চাইলে এ বিষয়ে সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রেজাউল করিম জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করে নাই।
প্রকাশ, গতকয়েক মাস আগেও ওই ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দাহ্য পদার্থ ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় পৌরসভার এতিমখানা রোডের এস এম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজু (৩২) উপজেলার বগা প্রতিমা গ্রামের তাহের আলীর ছেলে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর আতিকুল ইসলাম তার দোকানের কর্মচারী আল আমিন থিনার ভর্তি একটি ড্রাম খোলার জন্য এতিমখানা রোডের এস এম ইঞ্জিনিয়ারিং নামক একটি ওয়ার্কসপে নিয়ে গেলে ওই দোকানের কর্মচারী নিহত রাজু ড্রামটি খোলার চেষ্টা করলে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলেই রাজু নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়।
আহতরা হলেন- জসিমের ছেলে আতিকুল (৪০) এছাক আলীর ছেলে সবুজ (২৬) ও আরেকজন পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়িয়া উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে আল আমিন (১৮)। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.হাবিবা শবনম বলেন, আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
সখীপুর থানার এস আই মজিবুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটানাস্থলে এসেছি। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিস্ফোরণ আইনের মামলায় উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতিসহ তিন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সখীপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক ওরফে বাচ্চু (৫০), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আলী আশরাফ (২৫) ও উপজেলার বেতুয়া গ্রামের বিএনপির সমর্থক জয়নাল আবেদীন (৩৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩০ নভেম্বর পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে সখীপুর থানার এসআই মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় বিএনপির ৩৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল।
সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাসেত মুঠোফোনে বলেন, এ নিয়ে দুই দফায় গায়েবি মামলায় সখীপুরে মোট সাত নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ পণ্ড করতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আজ ভোরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁদের আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগের বিষয় উল্লেখ করে স্ট্যাটাসটি দেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন- ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান সাজু সভাপতি, সখিপুর উপজেলা বিএনপি। সাবেক সহ-সভাপতি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি। সাবেক চেয়ারম্যান ১নং কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদ। আমি আমার পারিবারিক এবং শারিরীক অসুস্থতার কারণে আজ থেকে সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করিলাম।

তিনি আরও লেখেন, আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেকে সকল পদ-পদবী থেকে সরিয়ে নিবো। বিএনপি পরিবারের সকলের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন’।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু জানান, মামলা-হামলার ভয় আমি কোনদিনই করি নাই। এখনও করি না। শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক কারণে আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির সকল পদ-পদবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেব।
পদত্যাগের বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান সাজুর পদত্যাগের ব্যাপারে এখনি কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে নাশকতার অভিযোগে বিএনপির চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাতে পৌরশহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সখীপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে পুলিশের একটি টহল দল পৌর এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিল। নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কিছু লোক পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাহার্তা সাবেদের চালা এলাকায় জড়ো হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে টহল দলটি ওই এলাকায় যায়। এ সময় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লোকজন পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত আরও তিনটি ককটেল উদ্ধার করে।
পরে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক বাবু (৪১), উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন (৫০), পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিপু (৪৭) ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রুবেল চৌধুরীকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ওই রাতেই সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইনের ৩, ৪ ও ৬ ধারায় মামলা করেছেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাজাহান সাজু জানান, মূলত আগামী ১০ তারিখে ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ প্রতিহত করার জন্য সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাজানো গায়েবি মামলা দিচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফজলুল হক (৩৫) নামের এক মাদকসেবী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে সখীপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে তার লাশ উদ্ধার করে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বেড়বাড়ী নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ফজলুল ওই গ্রামের এরশাদ মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আনোয়ার হোসেন ধলা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ফজলুল হক খাবার খেয়ে স্ত্রী সন্তানের সাথে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। রাত ১০টার দিকে স্ত্রীর ঘুম ভাঙ্গলে স্বামীকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় মাফলার দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পান। পরে আজ সকালে সখীপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশের সুরতহাল করার পর ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ নির্বাচন কমিশন এখন ক্যামেরা ব্যবহার করে ঢাকা বসে ভোট চুরি দেখেন। আজকাল যাঁরা নির্বাচন কমিশনার হন, তাঁদের মেরুদণ্ড নাই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
বুধবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সখীপুর ডাকবাংলো মাঠে ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ভোটের অধিকার হরণের’ প্রতিবাদে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এ সময় বলেন, ‘যাঁরা নির্বাচন কমিশনার হন, তাঁদের মেরুদণ্ড নাই, তাঁদের কোনো রকমের ব্যক্তিত্ব নাই। মানুষ হিসেবে একটা যে মর্যাদা থাকে এই কমিশনারদের তাও নাই।
সভায় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আরও বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে শুনছি, বন বিভাগ সখীপুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দিচ্ছে। যাঁদের বাড়ি ঘর আছে, যারা ধান ফলায়, পাট ফলায়, সবজি চাষ করে, তাদের এক ইঞ্চি জায়গার মধ্যে যদি বন বিভাগ মাতব্বরি করতে যায়, তাদের সখীপুর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। যার যেভাবে জায়গা আছে, সে ওই ভাবেই ভোগ করবে। এতে কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।’
সভায় দলের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আবদুস ছবুর খান সভাপতিত্ব করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, যুগ্ম সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী, সরকারি সাদত কলেজের সাবেক ভিপি শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, দলের জেলা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, বাসাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি রাহাত হাসান টিপু, দুলাল হোসেন মাস্টার, আশিক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী সোনা মিয়ার দায়ের কোপে স্ত্রী সাহিদা আক্তার(৪২) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে। শনিবার(১৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কৈয়ামধু কারিগর পাড়া জঙ্গল থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে সোনা মিয়া পলাতক রয়েছে।
জানা যায়, সোনা মিয়া ও তার স্ত্রী সাহিদা আক্তার জঙ্গলে লাকড়ি কেটে তাদের সংসার চালাতো। প্রতিদিনে মতো শনিবার সকালে স্বামী-স্ত্রী মিলে কারিগর পাড়া জঙ্গলে লাকড়ি কাটতে যায়। তাদের সাথে পাশের একজন প্রতিবেশীও ছিলো।
হঠাৎ করে তুচ্ছ ঘটনায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে সোনা মিয়ার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদত মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় স্বামী পলাতক রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হয়েছে।