একতার কণ্ঠঃ দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ মে) কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
এ বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেছন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সখীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (ঘোড়া) প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপি সংশ্লিষ্ট কেউ উপজেলা নির্বাচনে তার পক্ষে প্রচারণা বা কোনো নির্বাচনী কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাকেও সংশ্লিষ্ট সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের নিয়ে জনসভা করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। এসময় তিনি মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করায় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
মঙ্গলবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ মাঠের মুক্ত মঞ্চে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
যদিও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৩২ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শুরুর পরবর্তী ৬৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি কোনো ধরনের জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান করতে বা কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা সংঘটিত করতে বা তাতে যোগদান করতে পারবেন না।
জনসভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনাদের প্রার্থীর পক্ষে পরিশ্রম করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন, এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, আপনাদের কথামতোই সমর্থন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা আওয়ামী লীগ, শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণ সহযোগিতা করেছেন এ বিজয়ের জন্য। আমরা খুব দ্রুত তাদের সংবর্ধনার আয়োজন করবো।
পরে নির্বাচনে এগিয়ে থাকা চেয়ারম্যান প্রার্থী নার্গিস বেগম ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুল ইসলাম বাবু বক্তব্য দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে জানতে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে রাতে ঘোষিত ফলে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ঘাটাইলে আরিফ হোসেন ও কালিহাতীতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএসএম সিদ্দিকী ওরফে আজাদ সিদ্দিকী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, দোকানপাট, বাড়িঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছেন তিনজন।
শনিবার (১৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের তাড়াই, ধুবলিয়া গ্রামে ও পাছতেরিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রাতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী টিউবওয়েল মার্কার সমর্থকরা মোটরসাইকেলে পাছতেরিল্লা যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে তাড়াই এলাকায় তালা মার্কার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এরপর ফেরার পথে আবারও বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তালা মার্কার সমর্থকরা একত্রিত হয়ে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে। হামলার ঘটনায় উভয়পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুবলিয়া গ্রামের রেজাউল, জয়নাল রনির বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ ছাড়া রনির কম্পিউটারের দোকান ও পাঁছতেরিল্লার সোহেল তালুকদারের ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে।
এর আগে রাত ১২টার দিকে একটি মিছিল বের হয়। এ সময় ওই মিছিলকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা ছিল। মিছিলে থাকা লোকজন বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্ল্যাহ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়টি জেনেছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে হেলিকপ্টার প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে দোয়াত কলম প্রতীকের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৭ মে) সকালে উপজেলার ভুঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে আহত হয় উপজেলার শিয়ালখোল গ্রামের আব্বস আলীর ছেলে রোমান।
আহত রোমান জানান, শুক্রবার সকালে চা খাওয়ার জন্য ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ডে শাহাদতের চায়ের দোকানে গেলে তাৎক্ষণিক দোয়াত কলমের সমর্থক জাহাঙ্গীরের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এসে আমার উপর হামলা করে। এসময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে তার। আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আমাকে মাটিতে ফেলে চলে যায়। যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায় যদি হেলিকপ্টার প্রতীকের নির্বাচন করি তাহলে তারা জানে মেরে ফেলবে আমাকে।
এ ঘটনার পর হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ চৌধুরী বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানা ও নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তবে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী নার্গিস বেগম।
ভূঞাপুর থানার অফিসার (ওসি) আহসানুল্লাহ জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।
শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাদেকুল আলম খোকা, জিয়াউল হক শাহীন, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল হক সবুজ প্রমুখ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সদর উপজেলায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে দুইবার জনগণ আমাকে অনেক ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এই সরকার আমার প্রাপ্ত ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে। যে কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সুপারিশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলাম। শুক্রবারের মধ্যে আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করবো।
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসির তথ্যমতে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই ইসি ও সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, এ সরকারের অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় কোনো নির্বাচনই অবাধ সুষ্ঠু হয়নি। তাই আমরা এ নির্বাচনে যাচ্ছি না। যে কারণে সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুধীজনদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক-সৌহার্দ্য-সংস্কৃতি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ইউকেএইড’র অর্থায়নে এ কর্মশালার আয়োজন করে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশলান, বাংলাদেশ চ্যাপ্টার।
কর্মশালায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের ধারণা, রাজনৈতিক পরিসরের ধারণা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা সমুন্নত রাখার গুরুত্ব ও কৌশল এবং রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমস্যাগুলি হলো- শহরের যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা।
নাগরিক প্রত্যাশা বিষয়ক কর্মশালা হতে উঠে আসা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমূহ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপনা করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকলের পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোকপাত করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ অঞ্চলের সিনিয়র রিজিওলান ম্যানেজার নার্গিস আক্তার।
এতে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপিত নাজমুল হুদা নবীন, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নাছিমা বাছিদ, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের (বিএনপি) সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম একটি বহুদলীয় স্বেচ্ছাসেবী রাজনৈতিক ফোরাম। যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
একতার কণ্ঠঃ দেশজুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। তীব্র গরম হতে দেশবাসীকে রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ওই ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত, ছাত্রলীগ নেতা আসিফ হোসেন, রাকিব, নিরব, রিপন, রামিম, নাসিম, স্বাধীন, আবির প্রমুখ।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নির্দেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই বৃক্ষরোপণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন ধরনের ২০টি চারা রোপণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এক কর্মীসভায় রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছার।
শনিবার (৪ মে) সন্ধ্যায় মধুপুর পৌরসভার কাঁঠালতলা এলাকায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছরোয়ার আলম আবু খাঁর নির্বাচনী কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি রাজনীতিতে ফেরার আভাস দিয়েছেন।
সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছার বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে দীর্ঘদিন বাইরে থাকলেও বঙ্গবন্ধুর নীতি দর্শনের বাইরে নেই। আমি সাংস্কৃতিকভাবে আওয়ামী ঘরোনার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার দিক থেকে আমার বড় বোনের মত ছিলেন, আছেন এবং চিরদিন থাকবেন। বাংলার নেত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদ ও নির্দেশে আমি মধুপুরে এসেছিলাম। আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ ঘটনা, শ্রেষ্ঠ উপহার মধুপুর। আমি ২৩ বছরেও রাজনীতিক অঙ্গনে মধুপুর আসিনি। তবে আজকে এসেছি। মনে প্রাণে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু খার বিজয় হোক এটাই চাই।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে টাঙ্গাইলে সৃজনশীল সকল কর্মের সাথে যতদিন বেঁচে থাকি আমি অবশ্যই জড়িত থাকব। বৃহত্তর স্বার্থে সব কিছুইতো রাজনীতি। আজকে আমার এই কর্মীসভায় উপস্থিতি সেটাও রাজনীতি। আমি জনগণের দিকে তাকিয়ে থাকি। জনগণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, আমিও জনগণের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। তারা চাইলেই যে কোনো প্রয়োজনে আবার আমাকে সক্রিয়ভাবে পাশে পাবে। মধুপুর যা আমাকে দিয়েছে তা অতুলনীয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছরোয়ার আলম খান আবু বলেন, আবুল হাসান চৌধুরী মধুপুরের কৃতী সন্তান। তিনি মধুপুরের দুই দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। মধুপুরের সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাক সাবেক প্রতিমন্ত্রী কায়ছার চৌধুরীকে মধুপুরে তার নিজ বাড়িতে আসতে দেননি। তবে তিনি আবার দীর্ঘ ২৩ বছর পর মধুপুরের রাজনীতিতে সক্রিয় হলেন। দীর্ঘদিন পর তার সক্রিয় আগমনে মধুপুর ও আলোকদিয়ার মাটি ধন্য হল। তার উপস্থিতিতে এবারের দোয়াত কলম মার্কার আরও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে বিকেলে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছারকে উপজেলার গাংগাইর এলাকা থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে হাজার হাজার নেতাকর্মী মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে মধুপুরে কর্মীসভাস্থলে নিয়ে যান।
সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মন্টুর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল আহম্মেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজীব নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন।
নিহত রাজীব হোসেন (৩০) উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম মিয়ার ছেলে। সে ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের আজাহার ও রাজীবের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধের জের ধরে বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি বেল গাছ থেকে বেল পাড়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে আজাহার ও তার পরিবারের লোকজন ধারালো দেশিও অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজীবকে কোপাতে থাকে। এ সময় তার পরিবারের লোকজন বাঁধা দিতে গেলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৫ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত রাজীবের ময়নাতদন্ত মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে টাঙ্গাইলে বিতরণ করা হয়েছে ছাতা। সেই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে সুপেয় পানি ও বিস্কুট। কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে বুধবার (১ মে) দুপুরে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
রোদে সুরক্ষার জন্য ছাতার পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিস্কুট পেয়ে খুশি পথচারীসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। এ সময় ভ্যান চালকদের মাঝেও বিতরণ করা হয় ছাতা।
পথচারী বারেক মিয়া বলেন, মে দিবসের জন্য দোকানপাট বন্ধ। বিস্কুট ও পানি পেয়ে খুব উপকার হলো। এরকম কার্যক্রম চলমান থাকলে পথচারী ও ভ্যান চালকরা স্বস্তি পাবে।
জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে আমরা প্রথমদিনে ৫০ জনের মাঝে ছাতা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পথচারী ও নিম্ন আয়ের এক হাজার মানুষকে সুপেয় পানি ও বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। যতদিন অসহ্য তাপদাহ থাকবে, এ কার্যক্রম ততদিন চলবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, নুর মোহাম্মদ সিকদার মানিকসহ জেলা ও উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষ পৃথকভাবে মহান মে দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেছে।
বুধবার (১ মে) দুপুর ১১টার দিকে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ করে এক পক্ষ। এর নেতৃত্বে ছিলেন, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেডিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদসহ অনেকে।
এদিকে একই সময়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে শ্রমিক সমাবেশ করে টাঙ্গাইল পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। এ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, আমানুর রহমান খান রানা এমপি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারীসহ অনেকে।
মহান মে দিবসকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয় পক্ষ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের ডাক দিলে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয়পক্ষকে একইস্থানে সমাবেশ না করার জন্য বলা হয়। পরে দু’পক্ষ পৃথক স্থানে সমাবেশের আয়োজন করে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে শহরের বটতলা থেকে নিরালা মোড় পর্যন্ত সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ রাখা হয়।

রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মহান মে দিবসে শ্রমিকদের নিয়ে বিশাল শোডাউনের মধ্যে দিয়ে শ্রমিক সমাবেশ করেছে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বুধবার (১ মে) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ২২টি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোহের।

সমাবেশটি উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন। সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা।
পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, শিক্ষা ও মানব-সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকে মহসিন শিকদার, উপ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি শামীমুল আক্তার শামীম, সদস্য আমিরুল ইসলাম খান ও আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হাসান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন জেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন ও টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের বিগত দিনগুলোতে পকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে দুই বছর পূর্বে ২২টি শ্রমিক সংগঠন নিয়ে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠন যে সঠিক পথে চলছে, তার প্রমান এই প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে হাজার-হাজার শ্রমিকদের এই সমাবেশে উপস্থিতি।
বক্তারা আরও বলেন, টাঙ্গাইলে আর কোন শ্রমিক সংগঠনের পকেট কমিটি গঠন করতে দেওয়া হবেনা। প্রতিটি সংগঠনের নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে।
এদিকে, শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশন পৃথক শ্রমিক সমাবেশ করেছে। উক্ত শ্রমিক সমাবেশে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য অনুপুম শাজাহান জয়, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসসদ সদস্য খান আহম্মেদ শুভ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা বাছেদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মে দিবসের কর্মসুচীকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুটি পক্ষই শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের আহবান করে। এনিয়ে শহরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হলে প্রশাসন কোন পক্ষকেই পৌর উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। পরে একটি পক্ষ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ব্যানারে শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও অপরপক্ষ পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে সমাবেশ আহবান করে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুইপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।