একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠেছে।
শনিবার (৩ আগষ্ট) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব চত্বর ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সমবেত হন প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দেশব্যাপি ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি হিসেবে টাঙ্গাইলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ পুলিশকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ সহ সরকার বিরোধী নানা স্লোগান দেওয়া হয় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে।
প্রেসক্লাব চত্বরে সরকার পতনসহ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হত্যাকারিদের বিচার দাবি করে বক্তব্য রাখেন মিছিলের সমন্বয়করা।
পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নিরালা মোড় হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে জমায়েত হন।
মিছিলে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন। শহরের কর্মসূচি শেষে দেশ ব্যাপি ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দেওয়াল লিখন ও শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এ সময় রুপক, সনি, আমেনাসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, এখন আমাদের এক দাবি সরকার পতন। এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। পতন ব্যতিত এই সরকারের কাছে আমাদের কোন দাবি নেই।
মিছিলে আসা এক অভিভাবক বলেন, সন্তানদের যৌক্তিক দাবি পূরণে আমিসহ অনেক অভিভাবক এসেছেন এই মিছিলে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আমরাও আছি। নীরবে আর সরকারের এত অত্যাচার সহ্য করা যায়না।
শনিবার সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হলেও কোনো ধরনের সহিংসতা ঘটনা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দিন জানান, পুলিশ ধৈর্য সহকারে ও জান মালের নিরাপত্তা দিতে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, গণগ্রেপ্তার ও হত্যার প্রতিবাদে এবং নয় দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কয়েক সহস্রাধিক বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
শুক্রবার (২ আগস্ট) জুমার নামাজের পর শহরের হেলিপ্যাড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ করে।
পরে নগরজলফৈ বাইপাসে গিয়ে একঘন্টা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মহাসড়কের উত্তরবঙ্গ ও ঢাকা যাওয়ার দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এতে দুই পাশে অন্তত ১৭ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।
এদিকে বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুরো শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ দোকানপাট। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ৯ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন জানান, পুলিশ অতি ধৈর্য সহকারে দায়িত্ব পালন করেছে। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করে ফিরে গেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুষম বন্টন ও বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। বন্টন ও বাস্তবায়ন সঠিক হলে সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় উন্নয়নে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অপরিসীম।
রবিবার (৭ জুলাই) সকালে বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী নাগরপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৬ষ্ট উপজেলা পরিষদের প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বন্যা কবলিত স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সার্বক্ষনিক মনিটরিং করার আহ্বান জানান। কোথাও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে তাৎক্ষণিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে উপজেলা চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার শালমান শামস (জিৎ), উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জরিনা বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভার:) মো. আনিসুর রহমান আনিস, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিনসহ ১২ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শতভাগ সফল হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সর্ম্পক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মোদি নিজে বলেছেন তিস্তার পানির ব্যবস্থাপনায় ভারত পাশে থাকবে। যে ধরনের প্রদক্ষেপ নেয়ার দরকার সে ধরনের প্রদক্ষেপে সহযোগিতা করবে। প্রথম বারের মতো আমরা ভারতের মধ্যে দিয়ে নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদুৎ আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।
শনিবার(৬ জুলাই )দুপুরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে মতবিনিয়ম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত তাদের উভয়ের মধ্যে সরবরাহ উন্নত করার চেষ্টা করছি। দেশীয় পণ্য ও আমদানিকৃত পণ্য সরবরাহে যেনো সংকট তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যখন যেখানে যে পণ্যের প্রয়োজন আমরা দ্রুত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সেই পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করবো। ভোক্তাদের কাছে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা রেলওয়েকে ব্যবহার করবো। রেলওয়ে বিভাগের সাথে কথা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে পণ্যগুলো অতিদ্রুত ঢাকায় সরবাহ করা হবে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী)আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় হাসপাতালের কর্মকর্তাবৃন্দ ও ডাক্তার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রবিবার (২৩ জুন) আওয়ামীলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ, গাছের চারা রোপণ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।
টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে রবিবার সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের পর বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।
পরে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
এছাড়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগেও পৃথক আনন্দশোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।
শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আহমেদ শুভ এমপি, সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, শাহজাহান আনছারী, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
আওয়ামীলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম।
কর্মসূচিতে জেলা আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
একতার কণ্ঠঃ প্রতি বছরের মতো এ বছরও টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৯ জুন) বাদ যোহর এ মৌসুমী ফলের উৎসবে মওলানা ভাসানীর অনুসারী, ভক্ত ও মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর জীবদ্দশায় ভক্ত-মুরিদানদের নিয়ে প্রতি বছরই এ মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করতেন বলে জানা যায়।
এই ফল উৎসবে ন্যাপ ভাসানী খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানী, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সরকারি ই.বি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মফিজুল ইসলাম মজনু ও সাধারণ সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছেন এ জন্য আমি চির কৃতজ্ঞ। এটা টাঙ্গাইলসহ ধনবাড়ী মধুপুরবাসীর জন্য উপহার। আমাকে তিনি যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সে দায়িত্ব যেন আমি নিষ্ঠারসাথে সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করবো।
শনিবার(৮ জুন )বিকেলে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যােগে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার চাঁপা এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, টাঙ্গাইলের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করে, যেন মারামারি হানাহানি না করে, কারো জায়গা সম্পত্তি যেন দখল না করে, এটা আমার অনুরোধ। কারো সাথে কেউ লাগবেন না, তাহলেই দেখবেন সবাই ভালো আছে। আমার সাধ্যমত জনগণের স্বার্থে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশের উন্নয়ন করব।
সামনে শিক্ষার নতুন একটা কারিকুলাম আসতেছে। আমরা সুশিক্ষিত হয়ে যেন সোনার বাংলা গঠন করতে পারি এ প্রত্যাশা করি।
ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মীর ফারুক আহমেদ ফরিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মঞ্জরুল ইসলাম তপন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি বদিউজ্জামাল সোহাগ, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকী, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদু তালুকদার সবুজ, ভূঞাপুরের পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু, মধুপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মাসুদ পারভেজ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য অধ্যাপক মেহেরুল হাসান সোহেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রনিসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের তুখোড় ছাত্রলীগ নেত্রী শামসুন নাহার চাঁপা বর্তমানে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক। তাঁর বাড়ি ধনবাড়ী উপজেলার মুসুদ্দিতে।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়।
এদিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে অতিথি হিসেবে রাখা হয়নি। এনিয়ে পুরো উপজেলা জেলায় চলছে আলোচনা সমালোচনা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গ্যাস বিস্ফোরণ হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার(৫ জুন )দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটের সময় এ ঘটনা ঘটে।
এতে আশেপাশের কয়েকটি দোকান ও ভবনে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়।
এবিষয়ে ডিসি অফিস থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। খবর পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, শহরের মেইন রোডে রাস্তা ও ড্রেনের কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারের অসচেতনার কারনে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইনের প্রধান পাইপ ফেটে যায়। এরপর প্রচন্ড বেগে গ্যাস আওয়ামী লীগের অফিসের দরজার নিচ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। অফিসবদ্ধ থাকায় গ্যাসের চাপে ৫ টি এসি, ১৬টি ফ্যান, ২টি কম্পিউটার, চেয়ার-টেবিল ও আলমারিসহ অধিকাংশ মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম বলেন, রাস্তার উন্নয়ন কাজের সময় ভেকুর আঘাতে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন পাইপ ফেটে গ্যাস মেইন রোডে ছড়িয়ে যায়। বিভিন্ন ভবন ও আমাদের আওয়ামী লীগ অফিসে প্রবেশ করে। গ্যাসের কারনে অফিসের মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যবহারের উপযোগী করতে অফিস সংস্কার করতে হবে। এর দায় ঠিকাদারকেই নিতে হবে।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মোমেন বলেন, গ্যাস বিস্ফোরনের ঘটনায় ঠিকাদারের ত্রুটি আছে কি না সেটা তদন্ত হবে। যদি ক্রটি পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাসের ম্যানেজার প্রকৌশলী খোরশেদ আলম বলেন, গ্যাস লাইনের ত্রুটির কারনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস এবং আমাদের টীম গিয়ে লাইন বন্ধ করে দেয়। এবিষয়ে ডিসি অফিস থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার সময় ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ জুন) বিকাল পৌঁনে ৪ টার দিকে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের হাবলা দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মো. আব্দুল্লাহ মিয়া (২২), মো. রিদওয়ান আলী (২১) ও সিয়াম মিয়া (২৩)।
পরে এ নিয়ে কেন্দ্রের সামনে পুলিশ ও প্রার্থীর সমর্থকদের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। আটককৃতরা আনারস প্রতীকের সমর্থক বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো.শফিকুল ইসলাম জানান, আটককৃতরা এর আগে সকালে ভোট দিয়েছিলো। ওরা ফের বিকাল সাড়ে ৩টার পর ভোট দিতে আসলে যাচাই বাছাই করে চ্যালেঞ্জ করলে ওই তিন যুবক জাল ভোট দিতে এসেছে বলে স্বীকার করে। পরে পুলিশে খবর দিলে তাদের আটক করে।
তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
প্রসঙ্গত, বুধবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে বাসাইল উপজেলা পরিষদে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭৬ হাজার ১৯৮ আর পুরুষ ভোটার ৭৫ হাজার ৬৩১ জন। ১টি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বাসাইল উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্র ৫৮ টি। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৭জন আর মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামী বুধবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিতব্য বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের সমর্থক সাগর ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আনারস প্রতিকে ভোট দিতে সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২ জুন) সকালে হুমকির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীর সমর্থক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়া।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ৩১ মে ও ১ জুন সন্ধ্যা ৭টার পর বাসাইল পৌর শহরের পালপাড়াসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাড়াগুলিতে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী সাগর বাহিনী দ্বারা আনারস মার্কায় ভোট দেওয়া নিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।
নামপ্রকাশে একাধিক সংখ্যালঘু ভোটার হুমকির কথা স্বীকার করেছেন। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ভয়ে প্রকাশ্যে হুমকির কথা তারা বলতে পারছেন না। তবে হুমকির বিষয়ে তারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা এবং উপজেলা শাখা নেতৃবৃন্দদের জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
অভিযোগকারী মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীর সমর্থক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়া বলেন, আমাদের একাধিক সংখ্যালঘু সমর্থক ভোটারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পেয়েই ওই আবেদন করা হয়েছে। নিরাপত্তা জনিত কারণে আমাদের সমর্থক সংখ্যালঘু ভোটাররা প্রকাশ্যে হুমকির কথা স্বীকার করছেন না।
আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের সমর্থক অভিযুক্ত সাগরের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও ফোন যায়নি।
এ ধরণের অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলাম।
এ ঘটনায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ বাসাইল উপজেলা কমিটির কোন নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী অলিদ যেভাবে তার পালিত সন্ত্রাসী সাগর বাহিনী দিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নিপীড়ন নির্যাতন ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে সাগর বাহিনীর প্রধান সাগর ও তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা শাহরুখ খান জানান, সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানার অফিসার্স ইনচার্জকে (ওসি) চিঠি দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী বুধবার (৫ জুন) ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে এই উপজেলা। এ উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭৬ হাজার ১৯৮ আর পুরুষ ভোটার ৭৫ হাজার ৬৩১ জন। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭ আর মহিলা ৪জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ মালেক ভূইয়ার উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকীর লোকজনের বিরুদ্ধে।
এসময় তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এমএ মালেক ভূইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অবরোধ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ এসে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, কালিহাতীতে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকীর পক্ষে বিজয় মিছিলের প্রস্তুতি নেয় তার অনুসারীরা। এদিকে সাবেক সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী তার বাসায় একটি মিটিংয়ের আয়োজন করেন। সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় কালিহাতী হাসপাতাল মোড়ে এমএ মালেক ভূইয়ার গাড়িতে হামলা চালায় সংঘবদ্ধ একটি গ্রুপ।
হামলার শিকার এমএ মালেক ভূইয়া বলেন, সাবেক এমপি সোহেল হাজারীর বাসায় যাওয়ার সময় আমার গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে কয়েকজন লোক। এসময় আমি ও আমার ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়েছি। নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীর লোকজন এ হামলা করেছে। এতে আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, কালিহাতীতে নির্বাচনের পর থেকে কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা মালেক ভূইয়ার উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা এলেঙ্গা মহাসড়ক প্রায় আধা ঘন্টা অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা এসে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তিনি এ হামলার জন্য স্থানীয় এমপি আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই ও নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীর বাহিনীকে দায়ী করেছেন।
এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী বলেন, আমাদের বিজয় মিছিলে কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা হামলা চালায়। এতে আমার কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীর বিজয় মিছিল নিয়ে আসার সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মালেক ভূইয়ার উপর হামলা করে অজ্ঞাতরা। এসময় গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। এখনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ মার্চ কালিহাতী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা (মোটর সাইকেল) ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই আজাদ সিদ্দিকী (আনারস)। নির্বাচনে আজাদ সিদ্দিকী বিজয়ী হন।
একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আগামী বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজ এলাকার নিরঙ্কুশ সমর্থন পেলেন ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকের প্রার্থী ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
তার উড়োজাহাজ প্রতীকের সমর্থনে শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের পানির ট্যাংক মাঠে একত্রিত হয়েছিলেন সহস্রাধিক এলাকাবাসী।
এসময় ৭০ বছরের বৃদ্ধ রহিম আলী, ১৮ বছরের যুবক সজল আহমেদ, গৃহিণী রহিমা বেগম, রবি হরিজনসহ সমবেত কণ্ঠে, “উড়োজাহাজ-উড়োজাহাজ” স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। তাদের একটিই দাবি- রাজীব আমাদের এলাকার ছেলে তাকে যেকোনো মূল্য এই নির্বাচনে পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ প্রতীকে বিজয়ী করে নিয়ে আসতেই হবে।

তাদের এই উচ্ছ্বসিত স্লোগানের জবাবে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব বলেন, আমি আপনাদের এলাকার ছেলে। আমি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি ও কাগমারী সরকারি এম এম আলী কলেজের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনদিন কোন অবস্থাতেই এলাকাবাসীর সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি। এলাকার কারো বিপদে যখন ডেকেছে তখনই ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না, আপনারাই আমার হয়ে জনগণের কাছে উড়োজাহাজ প্রতীকের ভোট চাইবেন এটাই আমার দাবি। আমার বিজয় মানে আপনাদের বিজয়, এলাকাবাসীরও বিজয়। ইনশাআল্লাহ আগামী বুধবার (২৯ মে) বিজয়ী বেশে আপনাদের মাঝে ফিরবো।
শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে ৬নং ওয়ার্ডের কলেজপাড়া পানির ট্যাংক মাঠে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় কাউন্সিলর মামুন জামান সজল।
উদয় লাল গোড়ের সঞ্চালনায় এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডি জি এম মির্জা রেজানুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বালা মিয়া, সমবায় সুপার মার্কেটের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সেলিম, ব্যাংকার মো. শাহীন রেজা, ব্যবসায়ী মো. আব্দুল আলিম প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান বলেন, অতীতে ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাদের এলাকার কেউ নির্বাচনে দাঁড়ালে সবাই দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে বিজয়ী করে নিয়ে এসেছে। এবারও আমরা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এই জনসভায় দলমত নির্বিশেষে এই বিশাল উপস্থিতি তার প্রমাণ। আশাকরি, ২৯ তারিখে আমরা বিজয়ী বেশে রাজীবকে দেখতে পারবো। রাজীবের বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম খান জামিল, স্থানীয় মো. জন মিয়া, মো. সুরুব আলী, মোহাম্মদ লোটাস, বাইজিদ আহমেদ শুভ, স্বাধীন জামানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।