/ হোম / রাজনীতি
আমানুর ও তাঁর ভাইদের নির্দেশে ফারুক হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কর্মকর্তা - Ekotar Kantho

আমানুর ও তাঁর ভাইদের নির্দেশে ফারুক হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কর্মকর্তা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ সোমবার(১১ নভেম্বর )সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তিনি আদালতকে বলেছেন, গ্রেপ্তার করা দুই আসামির ও প্রত্যক্ষদর্শী তিন সাক্ষীর আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও অন্যান্য আলামত থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়, সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর ভাইদের পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর)তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার সাক্ষীর পর্ব শেষ হলো।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বলেন, এখন বাদী ও আসামি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পর মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর তিন ভাই এই মামলার আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ বলেন, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মাহমুদুল হাসানের আদালতে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। পরে আধা ঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যদানের সময় তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান।

তদন্তকালে বিভিন্ন উৎস থেকে জানতে পারেন, এই হত্যার সঙ্গে শহরের কলেজপাড়ার আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান, তাঁর ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড হওয়ার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াহেদ, আবদুল খালেক ও সনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতেও হত্যার বর্ণনা উঠে আসে।

অশোক কুমার সিংহ সাক্ষ্য দেওয়ার পর আসামিদের আইনজীবীরা তাঁকে জেরা করেন।

এর আগে মামলার তদন্তের শেষ পর্যায়ে অশোক কুমার সিংহ পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে যান। পরে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুর রহমান ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুররা চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। বাদীপক্ষের অভিযোগ, মামলার ২৬ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ হয় অনেক আগেই। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ এলেই কারাগারে থাকা আসামিরা অসুস্থতাসহ নানা অজুহাতে আদালতে আসতেন না। তাঁদের সময়ক্ষেপণের কারণে বিচারের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর ও তাঁর ভাইদের নাম বের হয়ে আসে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৫৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন

একতার কণ্ঠঃ বিগত ১৫ বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল।

রবিবার(১০ নভেম্বর )দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এ কর্মসূচির পালন করা হয়।

এ প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ বাতেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, শফিকুর রহমান লিটন, রকিব উদ্দিন বাবুল, আবুল কাশেম, শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ।

এ সময় জেলা বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. নভেম্বর ২০২৪ ০১:০৬:এএম ২ বছর আগে
ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না : টুকু - Ekotar Kantho

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না : টুকু

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশ কীভাবে রক্ষা করতে হয়, গণতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করতে হয়; এ ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীরা ভালোভাবে বুঝে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে, অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গণসমাবেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আরও বলেন, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তারেক রহমান লড়াই-সংগ্রাম করে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছেন। কাজেই দেশ কীভাবে রক্ষা করতে হয়, গণতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করতে হয়, তা বিএনপি জানে। ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তারা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল, গণতন্ত্র হরণ করা হয়েছিল। ত্রিশ হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যার শিকার হয়েছিল।

ওবায়দুল হক নাছিরের সভাপতিতে গণসমাবেশে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

গণসমাবেশে বিপুলসংখ্যক বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:০৩:এএম ২ বছর আগে
আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক - Ekotar Kantho

আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খানকে (মুক্তি) আটক করেছে পুলিশ। আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর)বিকেলে তাঁকে আটক করা হয়।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সহিদুর রহমান খানকে টাঙ্গাইল সদর থানায় নেওয়া হয়।

পরে এবছর ১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের সন্তোষে ভিপি নূরের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের কৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় মেয়র মুক্তিকে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মদ বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহিদুর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খানের ভাই।

আদালত সূত্র জানায়, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সহিদুর রহমান গত ২২ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত থেকে জামিন পান। পরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ মামলার ধার্য তারিখে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে আদালতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, হাজিরা শেষে দুপুর ১২টার দিকে হুইলচেয়ারে করে আদালত কক্ষ থেকে তাঁকে বের করা হয়। এ সময় আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ আগেই সহিদুরকে বহন করে আনা অ্যাম্বুলেন্সটি আদালত ভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। পরে সহিদুর আবার আদালতকক্ষে ফিরে যান। বেলা সোয়া তিনটার দিকে তিনি আবার হুইলচেয়ারে আদালতকক্ষ থেকে বের হন। আদালত চত্বর থেকে বাইরে আসার পর সদর থানা-পুলিশের একটি দল ঘিরে ধরে পুলিশের আনামাইক্রোবাসে উঠতে বলে। সহিদুর গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে পুলিশ তাঁকে আটকের কথা জানায়। কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে ওসি তানভীর তাঁকে বলেন, ‘আমাদের সাথে চলেন, সব জানানো হবে।’

অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মামলাটির শুধু তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। অন্য সব সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, সাবেক মেয়র সহিদুর রহমানের নামে বিভিন্ন ধরনে মামলা রয়েছে।সে কারনেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে আপনাদের সকল কিছু জানানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে৷ এই উপলক্ষে উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে শোভা যাত্রা, আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

দিনটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ অক্টোবর)সকালে যুবদলের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খুররম মাসুদ সিদ্দিকী সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ।

এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়।শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৬:এএম ২ বছর আগে
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এলেঙ্গায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন - Ekotar Kantho

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এলেঙ্গায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার উপ-শহর খ্যাত এলেঙ্গায় এলেঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শাফী খান সমর্থক গোষ্ঠী ও যুবদলের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে এলেঙ্গা জমিদার বাড়ি মাঠ চত্বরে এ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন, এলেঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শাফী খান।

আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে রোগী দেখেন, ডায়াবেটিস, মেডিসিন ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবিদ হোসেন অপু। এ সময় প্রায় ৫০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা শহীদুল ইসলাম তানভীরের সভাপতিত্বে এলেঙ্গা পৌর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো: আল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু সাঈদ লিটন, আব্দুর রহিম মাষ্টার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বেলাল, পৌর বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: সুজন মাহমুদ, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, পৌর বিএনপি নেতা শাহ আলম, পৌর যুবদল নেতা লাভলু তালুকদার, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: মোতালেব হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো: ফরহাদ হোসেন ও ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো: মনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৫১:এএম ২ বছর আগে
মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের (৩৫) অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পাশের গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মেদি এলাকার খালপাড় গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

জাহাঙ্গীরের চাচা আমিনুল ইসলাম জানান, গত রমজানে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মামাতো বোন শিফা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা চলছিল। এরমধ্যে শিফা অন্য এক ছেলের সঙ্গে চলে যান। বাবা সালাহউদ্দিন মেয়েকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে শিফা বাড়িতে একবার বিষপান করেন। এরপরও তিনমাস আগে জাহাঙ্গীর শিফাকে বিয়ে করেন এবং শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে জাহাঙ্গীরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন নিয়ে সালাউদ্দিনের বাড়িতে যান। তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল এবং তার মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন জাহাঙ্গীরের পরিবার।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ বলেন, জাহাঙ্গীর আলম সুদর্শন ও ভালো ছেলে। অল্প বয়সে তার মৃত্যুর বিষয়টি শুনে কষ্ট পেয়েছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে জালসনদধারী সদস্যদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ৭ দিনের আল্টিমেটাম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে জালসনদধারী সদস্যদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন তাদের আগামী ৭ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কেউ যদি জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন এমন প্রমাণিত হয় তাহলে তার/ তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন কল্পে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।

প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় এই সময়সীমা বেঁধে দেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক খান মোহাম্মদ খালেদ।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিধান নূন্যতম গ্র্যাজুয়েট না হলে সদস্য হওয়া যাবেনা। তারপরেও অনেকে গ্র্যাজুয়েট না হয়েও সদস্যপদ চান বা সদস্যপদ লাভ করেছেন। অনেকে জাল সার্টিফিকেটে সদস্য হয়েছেন। এর চাইতে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারেনা।

তিনি আরো বলেন, জাল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে যারা সদস্য হয়েছেন তারা নিজের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। যারা প্রেসক্লাবকে ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে সদস্যপদ নিয়েছেন যার যার সম্মান নিয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭৪ জন। এর মধ্যে দুইজন মৃত্যু বরণ করেছেন।বাকি ৭২ জন সদস্যের মধ্যে অন্তত ১১ জন রয়েছেন যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন।
এসব সদস্যরা দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশেষ প্রতিনিধি ,জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব জাল সনদধারীদের সদস্যপদ বাতিলের জন্যে নানা সময়ে দাবি উঠলেও অজ্ঞাত কারনে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করা হয়।

এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।

গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ পদ বাতিল করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।

এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।

শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।

সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহারী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ০২:০৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় ৬ আ’লীগ নেতাসহ ৯ জনের সদস্যপদ বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় ৬ আ’লীগ নেতাসহ ৯ জনের সদস্যপদ বাতিল

একতার কণ্ঠঃ অবশেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন করা হয়।

এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে, সাপ্তাহিক মৌবাজার পত্রিকার সম্পাদক সাত্তার উকিল প্রায় তিন বছর আগে মুত্যুবরণ করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ পত্রিকার কোঠায় সদস্যপদ লাভ করা আরো একজনের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।

এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।

এই সংশোধনের ফলে প্রেসক্লাব রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠনে পরিনত হবে বলে ধারনা করছেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ও সচেতনমহল।

জানা গেছে, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের গত ১৬ বছর ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবকে কার্যত জেলা আওয়ামী লীগের বিকল্প কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ওই সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তিন এমপিসহ শীর্ষ ৬ নেতা সদস্যপদ লাভ করেন। সে সময় জেলার টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বানিজ্য, মনোনয়ন বানিজ্য, দলীয় পদ বানিজ্যসহ সকল ধরনের অপকর্মের আস্তানায় পরিনত হয় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব।

গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন এসব অপকর্মের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করে।

এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।

সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহরী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ১২:১৭:এএম ২ বছর আগে
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন  - Ekotar Kantho

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের দাফন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় শহরের বেবীস্টান্ড গোরস্থান মসজিদে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজা নামাজে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশ নিলেও নিজ দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সাধারণ ভাবে দাফনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন।

শনিবার সকালে ফারুকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেদনা জানাতে জড়ো হলেও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক ও তার ছেলে খান আহমেদ শুভ সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি।

ফারুকের পারিপারিক সূত্র জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ফারুক শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফজলুর রহমান ফারুক ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ওয়ার্শী ইউনিয়নের কহেলা গ্রামে জন্ম নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফজলুর রহমান খান ফারুক সাবেক গণপরিষদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

১৯৬০ সালে ফারুক ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে টাঙ্গাইল মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৮৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনার মামলায় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(১০ অক্টোবর ) বিকালে পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুরের উত্তর ছায়া বীথি এলাকা থেকে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান আনছারী (৬৫) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল শহরে গত ৪ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের জেলা সদর সড়কের বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শটগান, পিস্তলসহ আগ্নেয়াস্ত্র এবং চাপাতি, রামদা, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা করা হয়। তাদের ছোড়া গুলি লাল মিয়া নামে একজনের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে বিদ্ধ হয়। পরে গত ৩১ আগস্ট লাল মিয়া বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি শাহজাহান আনসারী।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান ,শাহজাহান আনছারী এ মামলার ৮ নাম্বার আসামি ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে তাকে ৩ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৪ ১১:২৮:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল বাস মালিক সমিতিকে দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করছে বড়মনি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বাস মালিক সমিতিকে দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করছে বড়মনি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাস-মিনিবাস মালিক সমিতিকে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করেছেন গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড়মনি। সমিতিকে দলীয়করণের মাধ্যমে সাধারণ শ্রমিক ও মালিকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যগণ।

তারা জানান, প্রতিদিন আনন্দ ভ্রমণের নামে ৫০ টাকার কুপন বানিয়ে সেই টাকা থেকে ৪০ টাকা ভ্রমণ খরচ দেখিয়ে ১০ টাকা করে তার নিজ পকেটে নিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক সমিতির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক বলেন, ২০১৩ সালের পূর্বে টাঙ্গাইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও টাঙ্গাইল জেলা লাক্সারি মিনিবাস মালিক সমিতি নামে দুটি আলাদা পৃথক সমিতি শ্রম মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছিল। তবে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাবে বড়মনি ও ছোট মনির দুটি সমিতিকে একত্রিকরণসহ রাজত্ব কায়েম করে। সর্বশেষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড়মনি বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব করে অবৈধ ভাবে নতুন কমিটি গঠন করে দেন। যা এখনও বহাল আছে। জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ছাত্র হত্যা ও একাধিক ধর্ষণ মামলার আসামী।

তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বড় মনি ছাত্রদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন যা টাঙ্গাইলবাসীসহ সারাদেশের মানুষ দেখেছেন। আমরা এ দলীয়করণ বাদ দিয়ে একটি গঠন মূলক কমিটি চাই। বড় মনি ও ওই কমিটির নেতারা মোট ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, আমরা মালিকরা ওই টাকা ফেরত চাই।

সম্মেলনে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য সৈয়দ জাহিদুল হক, নিলুফার ইয়াছমিন খান, নজরুল ইসলাম খান, ছানোয়ার হোসেন ছানা, শহিদুর রহমান, রুমি ভূইয়াসহ অন্যান্য সদস্যরাসহ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৪ ০২:২৫:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।