/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা কর্মবিরতি; চরম ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা কর্মবিরতি; চরম ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অটোরিক্সার ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে দিনব্যাপী জেলা অটোরিক্সা , টেক্সি ও অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে শ্রমিকরা অটোরিক্সা বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীরা।

সরেজমিনে রবিবার সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড, নিরালা মোড়, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ডিস্ট্রিক আদালত চত্বর, বটতলা মোড় ও শান্তিকুঞ্জ মোড়ে কোন অটোরিক্সা চলতে দেখা যায়নি। এতে বিকল্প হিসেবে সিএনজিচালিত অটোরিক্সায় যাত্রীরা চলাচল করেন। এ সুযোগে যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। অনেকে আবার হেঁটেই গন্তব্যে গিয়েছেন।

সাব্বির মিয়া নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলেন, অটো শ্রমিকদের এ আন্দোলন ও দাবি অযৌক্তিক। তারা অটো বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। আমরা অটো না পায়ে, হেঁটে পরীক্ষার কেন্দ্রে যাচ্ছি।

আল মুতাকাব্বির সামি বলেন, বর্তমানে যে ভাড়া আছে সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি ভাড়া হলে সেটা সাধারণ মানুষের উপর বোঝা হয়ে যাবে। তাদের এ দাবি এক প্রাকার জিম্মি করার মতো। আমরা এ দাবি মানবো না।

জেলা অটোরিক্সা, টেক্সি ও অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন উল্লাস বলেন, শ্রমিকরা সারাদিনে যে ভাড়া পায়, তা দিয়ে তাদের সংসার চলে না। সব কিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আমরা আন্দোলন করছি। জেলায় চার হাজারের বেশি অটোরিক্সার শ্রমিক রয়েছেন।

সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল লতিফ বলেন, ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছে। ইতোপূর্বে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি নিয়ে আমরা জেলা প্রশাসক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রকে জানিয়েছি। এর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, শ্রমিকরা ভাড়া বৃদ্ধির দাবি নিয়ে পৌরসভায় এসেছিলেন। আমি সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা শুনে দ্রুত আন্দোলন প্রত্যাহার করে অটোরিকশা চালু করতে বলেছি। ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি প্রশাসন সাংবাদিকসহ সকল পেশার মানুষের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২৪ ০৩:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে খান পরিবার ও সিদ্দিক পরিবার নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা সমালোচনা। সব আলোচনা উপেক্ষা করে ৯০ দশকের পর এই প্রথম এক মঞ্চে বসলেন দুই পরিবার।

শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিদ্দিখালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শামসুর রহমান খান শাহজাহান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণীর আলোচনা সভায় তারা এক মঞ্চে বসেন।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, এই পরিবারের সাথে আমার অনেক আগে থেকে সু-সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝখানে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা দেখা দিলেও এখন আর নেই। রানা ও তার ভাইয়েরা যদি মনে করে যে আমাকে তারা মেনে চলবে তাহলে তাদের সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা বলেন, লতিফ চাচা আমাদের অভিভাবক তাই তার সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই। আমরা চাই এক সাথে এক সঙ্গে রাজনীতি করতে।

এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতেজা হাসান, ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৪ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি - Ekotar Kantho

শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি

একতার কণ্ঠঃ শপথ গ্রহণ করলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

তারা হলেন, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম, বর্তমান সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি অপরাজিতা হক ও শামসুন্নাহার চাঁপা।

প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫০ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়।

জোট শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনে ৪৮টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনয়ন দিয়েছিল ২টি আসনে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করলেন ৭৭ বছরের আ’লীগ নেতা! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করলেন ৭৭ বছরের আ’লীগ নেতা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে অসহায় পরিবারকে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে (১৪) বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) হযরত আলী মিয়ার (৭৭) বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান চলাকালে কৌশলে ওই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে যান হযরত আলী মিয়া। সপ্তাহ গড়িয়ে গেলেও খোঁজ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে ভুক্তভোগী পরিবার। কিশোরীকে বিয়ে করার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে, মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) হযরত আলীর বিরুদ্ধে ধনবাড়ী থানাসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, নবম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরীর পরিবার ও হযরত আলী একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় ওই বাড়িতে বিভিন্ন সহযোগিতা করার সুযোগে যাওয়া-আসা করতেন হযরত আলী। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

কিশোরীর বাবা বলেন, আমরা গরিব হওয়ায় সহযোগিতার কথা বলে হযরত আলী আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। তাকে সরল মনে বিশ্বাস করতাম। মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করেছেন। এতেই ক্ষান্ত হননি, অভিযোগ তুলে নিতেও হুমকি দিচ্ছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব ওই কিশোরীকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বয়স এফিডেভিট করে বিয়ে করেছেন, এমনটা শুনেছি।

তবে অভিযুক্ত হযরত আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ওই কিশোরী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার প্রথম স্ত্রী রয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে এমন কাণ্ডে বিচার হওয়া দরকার বলে মনে করছেন বিভিন্ন সচেতন মহল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৯ নেতা সাময়িক বহিষ্কার - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৯ নেতা সাময়িক বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ৯ নেতাকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়ানোর অভিযোগে কেন্দ্র থেকে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কেন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সেটি লিখিত জানাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের এসব নেতাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কেন পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, আগামী ৭ দিনের মধ্যে তার লিখিত জবাব বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দপ্তর সেলে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃত সভাপতি সমর্থিতরা হলেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন মামুন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ. এইচ. এম. অপু হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান রকি, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিক ইকবাল।

বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সমর্থিতরা হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জোবায়ের দৌলা রিওন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাওন ঘোষ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ রাব্বু।

উল্লেখ্য, এর আগে গত (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর গ্রুপের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন বেশকয়েকজন।

এরপর ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণের জন্য ১৪ দিনের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।এছাড়া হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুপক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেন।

গত (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মানিক শীলসহ ১২ জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন সম্পাদকের অনুসারী জয় কুমার ধর।

অন্যদিকে, গত (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেন সভাপতির অনুসারী রুবেল হাসান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি রঞ্জন-সম্পাদক মিল্টন - Ekotar Kantho

কালিহাতী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি রঞ্জন-সম্পাদক মিল্টন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ নির্বাচনে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত সভাপতি ও দৈনিক মানব কন্ঠ পত্রিকার কালিহাতী উপজেলা প্রতিনিধি মোল্লা মুশফিকুর রহমান মিল্টন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহম্মেদ।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন।

কমিটিতে নির্বাচিত অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে ডেইলি অবজারভার পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি কামরুল হাসান মিয়া ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটল।

সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের দর্পন পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার ও দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার।

কোষাধ্যক্ষ পদে আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী মৃদুল, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক পদে মানব দৈনিক জমিন পত্রিকার প্রতিনিধি শাহীন আলম, ক্রীড়া-সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি নুর-নবী রবিন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি শামীম আল মামুন।

এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মতিন, দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি মীর আনোয়ার হোসের, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এডভোকেট হুমায়ূন কবির, দৈনিক অপরাধ কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি গৌরাঙ্গ চন্দ্র বিশ্বাস ।

উল্লেখ্য, কালিহাতী প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ৩৬ জন সদস্যের সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ - Ekotar Kantho

অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

একতার কণ্ঠঃ টানা ছয় মাস অনুপস্থিত স্কুল শিক্ষিকা জেবুন নাহার শিলাকে অবশেষে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, জেবুন নাহার শিলা গত বছরের ১০ জুলাই থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাসের চিকিৎসা ছুটিতে ছিলেন। একই বছরের ১০ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনরায় তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন করেন। নিয়ম অনুযায়ী, স্বাস্থ্যগত কারণে তিন মাসের অধিক ছুটির ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সনদ প্রয়োজন। মেডিকেল বোর্ডের সনদের জন্য ওই শিক্ষকের আবেদনপত্র টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিক্ষককে বিগত সময়ের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও কাগজপত্র মেডিকেল বোর্ডে পাঠাতে চিঠি দেয় সিভিল সার্জন কার্যালয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিয়ে বোর্ডে অনুপস্থিত রয়েছেন শিক্ষক জেবুন নাহার শিলা।

এরআগে সখীপুর ইউএনওর নির্দেশে গত ১৬ ও ২৯ জানুয়ারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, ওই শিক্ষকের চিকিৎসা ছুটির আবেদন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে জমা দেননি শিক্ষক শিলা। ফলে ওই শিক্ষক চিকিৎসা ছুটি পাননি। এ কারণে সিভিল সার্জন কার্যালয় কাগজপত্র ফেরত পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেবুন নাহার শিলা ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি সখীপুর উপজেলার পশ্চিম কালিদাস পানাউল্লা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:২৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।

মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আবু আসলাম মিন্টু, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট নেতা আবুল কাশেম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভাসানী ফাউন্ডেশনের ছাত্র, যুব ও সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ তাৎপর্য জাতীয় সম্মেলন। যা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বিশেষ ইঙ্গিতবহ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
২০১৮ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচন খারাপ হয়েছে: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

২০১৮ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচন খারাপ হয়েছে: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, আমি বিশ্বাস করেছিলাম, একটি অবাধ সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় ২০১৮ সালের নির্বাচন গুণমান সম্পন্ন ছিলো না। ২০২৪ সালের নির্বাচন তার চেয়েও খারাপ হয়েছে। সে বার তাও কিছু মানুষ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে। এইবার সেই পরিমান মানুষ ভোট কেন্দ্রে যায় নাই, ভোট দেয় নাই, ভোট দিতে পারে নাই।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা‘মিট দ্য প্রেস’ এ মন্তব্য করেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, এবার কোন কোন কেন্দ্রে জোড় করে ভোট নেয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ উৎসাহ পায়নি। আমার জীবনে রাজনৈতিক চরম ব্যর্থতা। আমরা যতটা চেষ্টা করেছিলাম, আমাদের নিজেদের সমর্থকও সেই পরিমান ভোট কেন্দ্রে যায় নাই। নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন বলেছেন, ভোট হয়েছে ২৬ শতাংশ। কেউ বলে দেওয়ার পর বলেছেন ভোট হয়েছে ৪০শতাংশ। প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর করা ভোটের চেয়ে ঘোষণার ভোট অনেক বেশি হয়েছে।

তিনি সরকারকে উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের পরের দিন থেকেই সরকার স্বস্তিতে নেই। নির্বাচনের মানুষের অংশ গ্রহণ থাকলে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভোট হতো। তাতে সরকার অনেক স্বস্তি পেতেন। সরকারকে স্বস্তিতে থাকতে হলে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। মানুষের মালিকানা মানুষকে দিতে হবে। চোরের বিচার চোরের কাছে দিলে সেটা কতটা যুক্তি সঙ্গত হয়। আমার কারনে রাষ্ট্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হোক, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হোক এটা আমি চাই না। এটা চাইনি বলে সখীপুরের নির্বাচন আমি প্রত্যাখান করি নাই। এছাড়াও আমরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেবো।

এ সময় জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক হিপলু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপির বিরুদ্ধে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এরআগে গত ১৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র গ্রামের মেহেদী হাসান রনির বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

মানববন্ধনে মেহেদী হাসান রনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত দিনে মধুপুর-ধনবাড়ির সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছি। যার ফলে আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে তার ভাই ও মামাতো ভাইয়েরা মিলে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। হামলা করার সময় তার মামাতো ভাই সাবেক ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন ও তার সাথে প্রায় কয়েক জন সন্ত্রাসী বাহিনী হঠাৎ করে এলোপাথাড়ি হামলা করে বাড়ির জানালা, দরজা, গেট ভাংচুর করে।

তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় রাতেই একটি ঝটিকা মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হবে।

প্রকাশ, মেহেদী হাসান রনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির সাবেক সদস্য।এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জসীম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাহার আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ারের হ্যাটট্রিক জয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ারের হ্যাটট্রিক জয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর আসনে টানা তিনবার বিজয়ী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মামুন-অর-রশিদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৬৭ ভোট। বিজয়ী ছানোয়ার হোসেন ৬ হাজার ৪’শত ৯ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে তিনি এলাকায় সুপরিচিত।

নির্বাচিত হয়ে ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমি টাঙ্গাইলের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শেখ হাসিনার একজন কর্মী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আসনটি উপহার দিলাম। টাঙ্গাইলের জনগণের সঙ্গে ছিলাম আছি থাকব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।