/ হোম / রাজনীতি
অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ - Ekotar Kantho

অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

একতার কণ্ঠঃ টানা ছয় মাস অনুপস্থিত স্কুল শিক্ষিকা জেবুন নাহার শিলাকে অবশেষে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, জেবুন নাহার শিলা গত বছরের ১০ জুলাই থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাসের চিকিৎসা ছুটিতে ছিলেন। একই বছরের ১০ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনরায় তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন করেন। নিয়ম অনুযায়ী, স্বাস্থ্যগত কারণে তিন মাসের অধিক ছুটির ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সনদ প্রয়োজন। মেডিকেল বোর্ডের সনদের জন্য ওই শিক্ষকের আবেদনপত্র টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিক্ষককে বিগত সময়ের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও কাগজপত্র মেডিকেল বোর্ডে পাঠাতে চিঠি দেয় সিভিল সার্জন কার্যালয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিয়ে বোর্ডে অনুপস্থিত রয়েছেন শিক্ষক জেবুন নাহার শিলা।

এরআগে সখীপুর ইউএনওর নির্দেশে গত ১৬ ও ২৯ জানুয়ারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, ওই শিক্ষকের চিকিৎসা ছুটির আবেদন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে জমা দেননি শিক্ষক শিলা। ফলে ওই শিক্ষক চিকিৎসা ছুটি পাননি। এ কারণে সিভিল সার্জন কার্যালয় কাগজপত্র ফেরত পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেবুন নাহার শিলা ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি সখীপুর উপজেলার পশ্চিম কালিদাস পানাউল্লা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৭ বছর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।

মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আবু আসলাম মিন্টু, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট নেতা আবুল কাশেম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভাসানী ফাউন্ডেশনের ছাত্র, যুব ও সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ তাৎপর্য জাতীয় সম্মেলন। যা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বিশেষ ইঙ্গিতবহ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীতে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৪:এএম ২ বছর আগে
২০১৮ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচন খারাপ হয়েছে: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

২০১৮ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচন খারাপ হয়েছে: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, আমি বিশ্বাস করেছিলাম, একটি অবাধ সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় ২০১৮ সালের নির্বাচন গুণমান সম্পন্ন ছিলো না। ২০২৪ সালের নির্বাচন তার চেয়েও খারাপ হয়েছে। সে বার তাও কিছু মানুষ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে। এইবার সেই পরিমান মানুষ ভোট কেন্দ্রে যায় নাই, ভোট দেয় নাই, ভোট দিতে পারে নাই।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা‘মিট দ্য প্রেস’ এ মন্তব্য করেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, এবার কোন কোন কেন্দ্রে জোড় করে ভোট নেয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ উৎসাহ পায়নি। আমার জীবনে রাজনৈতিক চরম ব্যর্থতা। আমরা যতটা চেষ্টা করেছিলাম, আমাদের নিজেদের সমর্থকও সেই পরিমান ভোট কেন্দ্রে যায় নাই। নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন বলেছেন, ভোট হয়েছে ২৬ শতাংশ। কেউ বলে দেওয়ার পর বলেছেন ভোট হয়েছে ৪০শতাংশ। প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর করা ভোটের চেয়ে ঘোষণার ভোট অনেক বেশি হয়েছে।

তিনি সরকারকে উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের পরের দিন থেকেই সরকার স্বস্তিতে নেই। নির্বাচনের মানুষের অংশ গ্রহণ থাকলে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভোট হতো। তাতে সরকার অনেক স্বস্তি পেতেন। সরকারকে স্বস্তিতে থাকতে হলে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। মানুষের মালিকানা মানুষকে দিতে হবে। চোরের বিচার চোরের কাছে দিলে সেটা কতটা যুক্তি সঙ্গত হয়। আমার কারনে রাষ্ট্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হোক, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হোক এটা আমি চাই না। এটা চাইনি বলে সখীপুরের নির্বাচন আমি প্রত্যাখান করি নাই। এছাড়াও আমরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেবো।

এ সময় জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক হিপলু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপির বিরুদ্ধে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এরআগে গত ১৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র গ্রামের মেহেদী হাসান রনির বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

মানববন্ধনে মেহেদী হাসান রনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত দিনে মধুপুর-ধনবাড়ির সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছি। যার ফলে আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে তার ভাই ও মামাতো ভাইয়েরা মিলে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। হামলা করার সময় তার মামাতো ভাই সাবেক ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন ও তার সাথে প্রায় কয়েক জন সন্ত্রাসী বাহিনী হঠাৎ করে এলোপাথাড়ি হামলা করে বাড়ির জানালা, দরজা, গেট ভাংচুর করে।

তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় রাতেই একটি ঝটিকা মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হবে।

প্রকাশ, মেহেদী হাসান রনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির সাবেক সদস্য।এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জসীম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৫৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাহার আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:১৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ারের হ্যাটট্রিক জয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ারের হ্যাটট্রিক জয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর আসনে টানা তিনবার বিজয়ী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মামুন-অর-রশিদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৬৭ ভোট। বিজয়ী ছানোয়ার হোসেন ৬ হাজার ৪’শত ৯ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে তিনি এলাকায় সুপরিচিত।

নির্বাচিত হয়ে ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমি টাঙ্গাইলের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শেখ হাসিনার একজন কর্মী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আসনটি উপহার দিলাম। টাঙ্গাইলের জনগণের সঙ্গে ছিলাম আছি থাকব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:৫৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে লতিফ সিদ্দিকীর অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে লতিফ সিদ্দিকীর অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সদ্য নির্বাচিত এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় মহাসড়কের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে জনগণের চরম ভোগান্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ ও থানার সামনে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

পরে কাদের সিদ্দিকীর মধ্যস্থতায় পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এ ঘটনায় কালিহাতী উপজেলা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

লতিফ সিদ্দিকীর কর্মীরা হলেন, বাংড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাসরত আলী, ঘুনী গ্রামের পিন্টু, কস্তুরিপাাড়ার খোকা, সাতুটিয়া গ্রামের হৃদয়, রতনগঞ্জ গ্রামের লাট মিয়া ও মনির সওদাগর। ৪ জন বাদে এজাহারভূক্ত লাট মিয়া ও মনির সওদাগরকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম বিপ্লবের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জানুয়ারি) থানায় মামলা দায়ের করেন বিপ্লব। সোমবার রাতে এ মামলার এজাহারভুক্ত দু’জনসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁরা সবাই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ও সমর্থক।

আটককৃত অনুসারীদের মুক্তির দাবিতে লতিফ সিদ্দিকী প্রায় হাজার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে কালিহাতী থানার সামনে আসেন। এ সময় তিনি আটককৃত কর্মীদের ছেড়ে দিতে বলেন। পুলিশ তাঁদের ছেড়ে না দেওয়ায় লতিফ সিদ্দিকী ও তার কমী সমর্থকরা থানার সামনে মহাসড়কে বসে অবরোধ শুরু করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্নস্থান থেকে তাঁর কর্মীসমর্থকরা এসে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন।

লতিফ সিদ্দিকী ও তার কর্মী সমর্থকরা মহাসড়কে বসে প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের দ্রুত মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কালিহাতী থানা পুলিশ ও টাঙ্গাইল পুলিস লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিনসহ পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকীকে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘যে পর্যন্ত আমার আটককৃত কর্মীদের মুক্তি না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এ অবরোধ চলবেই।’

নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমার কর্মীদের বিনা অপরাধে থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তাদের বিনাশর্তে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত এখানে থেকে যাবো না।’

লতিফ সিদ্দিকীর কালিহাতী থানা ঘেরাও ও মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী। এরপর কাদের সিদ্দিকী থানার ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যাদের এই মামলার এজাহারে নাম না থাকা আটক ৪ জন কর্মীকে তাৎক্ষণিক মুক্তি এবং এজাহারে নাম থাকা দুইজন কর্মীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হবে।’

এ সিদ্ধান্ত শুনে কাদের সিদ্দিকীর অনুরোধে লতিফ সিদ্দিকী তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে কালিহাতী থানা ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ ঘটনার খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার তার নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার দিকে যেতে থাকেন। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে অবস্থান নিয়ে তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।

নৌকার প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী সমর্থকরা আওয়ামী লীগের লোকজনের ওপর হামলা-ভাঙচুর করছে ও হুমকি-ধামকি দিতেছে। বীরবাসিন্দায় মারধর ও কোকডহরায় আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেইসাথে পুলিশ প্রশাসনের উপর আমাদের আস্থা আছে। আশা করি কালিহাতীর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। এ ধরনের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড চললে জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ উপযুক্ত জবাব দিবে।’

লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী জানান, নির্বাচনে জয়লাভ করার পর থেকে লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। হাট-বাজারে বের হলেই কর্মীদের মারপিট করা হচ্ছে। এসব কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে করা হলেও তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না। তার কথা মতো কালিহাতীতে এসব হচ্ছে।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক বলেন, ‘রবিবার নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্য ৪ জনকে আটক করা হয়নি। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।’

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি ৭০ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৫ ভোট।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দলীয় অফিস ‘দুধ দিয়ে ধুয়ে’ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছবি সাঁটালেন আ.লীগ নেতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দলীয় অফিস ‘দুধ দিয়ে ধুয়ে’ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছবি সাঁটালেন আ.লীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়িতে আওয়ামী লীগের অফিস দুধ দিয়ে ধুয়ে নৌকার প্রার্থীর ব্যানার খুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পোড়াবাড়ি বাজারে আওয়ামী লীগের অফিসে নৌকার প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদের ব্যানার খুলে ঈগলের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেনের ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম।

এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীরা নৌকার কর্মী ও অনুসারীদের বাড়ি ঘরে হামলাসহ হুমকি দিচ্ছেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ।

সংবাদ সম্মেলনে মামুন-অর-রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সদর আসনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন কালো টাকা ছড়িয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নৌকার নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দিয়ে তার পক্ষে কাজ করিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে বাড়িছাড়া। আমি এর প্রতিবাদ জানাই।

তিনি বলেন, পোড়াবাড়ি আওয়ামী লীগ কার্যালয় দুধ দিয়ে ধুয়ে আমার ব্যানারের পরিবর্তে সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম। গালা ইউনিয়নের সূত্রধরপাড়ায় সাধন চন্দ্র, ঘারিন্দা ইউনিয়নে বড়রিয়া গ্রামের স্বাধীন, মগড়ার চৌরাকররা গ্রামের স্বাধীন, মাজেদুর, শামীমসহ নৌকার অসংখ্য নেতাকর্মীকে হুমকি ও মারধর করছেন এমপি ছানোয়ারের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় পৃথক পৃথকভাবে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের শাস্তি দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, উপ-দপ্তর সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ফারুক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক বলেন, জহিরুল স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন করেছেন। তাতে কোনো আপত্তি নেই। আওয়ামী লীগের কার্যালয় তিনি দুধ দিয়ে ধুয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছবি লাগানোর কারণে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি ঈগলের নির্বাচন করেছি। তবে অফিস দুধ দিয়ে পরিষ্কার করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমার কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী ও কালো টাকা নেই। কোনো প্রকার কালো টাকা ছড়াইনি। নৌকার প্রার্থী কালো টাকা ছড়ানোর কারণে আমি ভোট কম পেয়েছি। তা না হলে আমি আরও অনেক বেশি ভোট পেতাম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৪৩:এএম ২ বছর আগে
নৌকার বাইরে ট্রাক ছাতি ঈগল এগুলো কোন মার্কা না: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

নৌকার বাইরে ট্রাক ছাতি ঈগল এগুলো কোন মার্কা না: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, নৌকার বাইরে ট্রাক, ছাতি, ঈগল এগুলো কোন মার্কা না। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে নৌকা ছাড়া অন্য কোন মার্কার অস্তিৃত্ব নেই। ঐতিহ্যবাহী কালিহাতীর মানুষ সারা জীবন আওয়ামী লীগ, নৌকা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। আসন্ন নির্বাচনেও তারা বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি একথা বলেন। জনসভায়প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে উঠে।

মন্ত্রী আরো বলেন, এই নৌকা মাওলানা ভাসানীর নৌকা, বঙ্গবন্ধুর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা, উন্নয়নের নৌকা। কোন ষড়যন্ত্রের দিকে না তাকিয়ে নৌকাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে দেখেছি, অনেক সূর্য ও নক্ষত্রের পতন হয়েছে। আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় নেতা মশাল নিয়ে আলোকিত করতে চেয়েছে , কেউ কেউ নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ধানের শীষ নিয়েও নির্বাচন করেছেন। কিন্তু তারা কেউই জনগণের মন জয় করতে পারে নাই। দেশের শান্তি ও উন্নয়ন চাইলে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে শান্তিতে থাকতে হলে নৌকার কোন বিকল্প নাই। আবার যদি জামায়াত-শিবির তাদের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নৌকাকে পরাজিত করতে পারে, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যে আবার দুর্দশা নেমে আসবে।

ড. রাজ্জাক জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা হাত তুলে শপথ নিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদারকে এমপি নির্বাচিত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন।

এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তুলার সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সাহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, কালিহাতী পৌর মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভূইয়া, গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার, দুর্গাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ মোল্লা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:২৬:এএম ২ বছর আগে
কোনো ষড়যন্ত্রই নির্বাচনে আঘাত করতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

কোনো ষড়যন্ত্রই নির্বাচনে আঘাত করতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এই নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগিতা রয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্রই এই নির্বাচনে আঘাত করতে পারবে না। জনগণই মোকাবেলা করবে এবং জনগণই প্রতিরোধ করবে। অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ৩ জানুয়ারি ভাচ্যুয়ালি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাঙ্গাইলের পৌর উদ্যানে জনসভায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি কার্যক্রম শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পরিদর্শনকালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এবার বাংলাদেশের মানুষ হরতাল অবরোধ ভুলে গেছে। ২০১৪ ও ২৩ সালের মধ্যে অনেক অনেক পার্থক্য রয়েছে। এবার তারা নির্বাচনের দিন কোন সন্ত্রাস করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশনের অনেক নির্দেশনা রয়েছে। সকল মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দর হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে ৮টি আসনই নৌকা জয়যুক্ত হবে। টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী মামুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী ডা. কামরুল হাসান খান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি নাহার আহমদ আর নেই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি নাহার আহমদ আর নেই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় সদস্য নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ ফারুক আহমদের স্ত্রী নাহার আহমদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার(২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে শহরের কলেজপাড়ার নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার অকাল মৃত্যুতে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বাদ যোহর টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান জামে মসজিদে মরহুমার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যসহ আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং মরহুমার আত্মীয়-স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেনের প্রচারণায় জেলা মহিলা আ’লীগের একাংশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেনের প্রচারণায় জেলা মহিলা আ’লীগের একাংশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেনের প্রচারণায় আনুষ্ঠানিকভাবে নামলেন জেলা, পৌর ও যুব মহিলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের পার-দিঘুলিয়ায় অবস্থিত ছানোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবনে’ সভার আয়োজন করে জেলা ও পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।

টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুজ সালেহীন, শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লাভলী তালুকদার, সাংগঠণিক সম্পাদক ডা. তাসলিমা খায়ের প্রমুখ।

জেলা মহিলালীগের সহ-সভাপতি মাহমুদা শেলীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলালীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আসমা হোসাইন মলি, নাসরিনসহ শহর মহিলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক মহিলা নেতাকর্মীরা।

সভায় বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। তিনি আমাদের রাজনৈতিক নেতা ও অভিভাবক। টানা দুইবার তিনি এ আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এ কারণে আমরা উনার নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছি। আমাদের বিশ্বাস এবারও তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জল করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:২৬:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।