/ হোম / রাজনীতি
ভাসানীর জীবনী পাঠ্য বইয়ে পুনরায় অর্ন্তভূক্তির দাবীতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

ভাসানীর জীবনী পাঠ্য বইয়ে পুনরায় অর্ন্তভূক্তির দাবীতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জীবনী বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুনরায় পাঠ্য বইয়ে অর্ন্তভূক্তির দাবি জানিয়েছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

সোমবার(৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচীর মাধ্যমে এ দাবি জানিয়েছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন।

মানববন্ধনে ভানাসী ফাউন্ডেশনের অনুসারীরা বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে ৫ম ও ৮ম শ্রেণীর পাঠ্য বই থেকে মওলানা ভাসানীর জীবনী বাদ দিয়েছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৫ ম আর ৮ ম ছাড়াও শিশু শ্রেনী থেকে শুরু করে কলেজ পর্যন্ত পাঠ্য সুচিতে ভাসানীর জিবনী দেখতে অন্তভুক্তি করতে হবে।

তারা বলেন, মওলানা ভাসানী শুধু বাংলাদেশের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্ব নেতা। তাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। সরকারী-বেসরকারী প্রতিটা অফিসে ভাসানীর ছবি দেখতে চাই। প্রধান উপদেষ্টা ড. মো. ইউনুসের কাছে টাঙ্গাইলবাসীর পক্ষে এ দাবী পেশ করা হলো।
আশা করি, দাবী পুরণে তিনি ভূমিকা পালন করবেন।

মানববন্ধনে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ভাসানীর নাতি ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন হামিদুল হক মোহন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি, এডভোকেট জাফর আহমেদ,সাবেক সভাপতি এডভোকেট খান মোহাম্মদ খালেদ।

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ব্যবসায়ী ঐক্যজোট নেতা আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, জেলা ক্লিনিক ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু ও জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২৪ ১২:৩৩:এএম ২ বছর আগে
গণহত্যাকারীদের কোন ছাড় নেই: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

গণহত্যাকারীদের কোন ছাড় নেই: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যে কেউ আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারে, তাতে কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু যারা গণহত্যার সাথে জড়িত, যেই দল ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালিয়ে নির্বিচারে গণহত্যা করেছে, তারা গণহত্যাকারী। এই গণহত্যাকারীদের কোন ছাড় নেই। বাংলাদেশের মাটিতে আগে তাদের বিচার করতে হবে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে পৌর শহরের শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ মাঠে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাংলাদেশে মানুষ এই মুহুর্তে একটি জিনিস চায়, সেটি হলো একটি নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য সকল সময় গণতন্ত্রের জন্য যে আকাঙ্খা এটি বুকে ধারণ করে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। এই যে আন্দোলন এটি একদিনে সফল হয়নি। দীর্ঘ ১৭ বছরের কষ্টের ফল আজকে এই ফ্যাসিস্ট পতন এবং পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।।ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের আবির্ভাব এ দেশের মাটিতে না ঘটে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র লালন করে। আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করে ছিলেন। মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়ে ছিলেন। আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে বাংলাদেশের মানুষকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন স্বৈরাচার এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে।

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর মুক্তি দাবি করে টুকু আরও বলেন, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ বাংলাদেশ আমরা চাই। সকলের জন্য সমান অধিকারপূর্ণ বাংলাদেশ চাই। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চাই। কোন বৈষম্য থাকবে না। কারো মধ্যে কোন প্রতিহিংসা থাকবে না। সুন্দরভাবে বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। সে জন্য সকলকে মানসিকভাবে পরিবর্তন হতে হবে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু, পৌর বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান গিয়াস প্রমুখ।

পরে ভূঞাপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এসময় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক আব্দুল আলীম আকন্দ, মামুন সরকার, জুলিয়া পারভেজ ও ফরমান শেখ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন সাংবাদিকরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৪ ০৯:২৬:পিএম ২ বছর আগে
কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কোটা বিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিন আওয়ামীলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার(৫ অক্টোবর) রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মাজেদুর, ৪ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তার আলী ও কালিহাতী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মর্তুজ আলী।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভুইঞা জানান, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের করা টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানার মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২৫:এএম ২ বছর আগে
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, সমাজটাকে বদলাতে হবে। অল্প ক’দিনের মধ্যে একটি বিরাট পরিবর্তন হয়েছে, এটাকে মহাবিপ্লব বলা চলে। গত ১৬ থেকে ১৭ বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই। অনেকে মনে করেন আওয়ামী লীগের সরকার, আমি বলবো না। আওয়ামী লীগের সরকারও ছিল না, মানুষের সরকারও ছিল না। শেখ হাসিনা সরকার ছিল এবং যতকিছু অন্যায় করেছে তার ৯০ ভাগ শেখ হাসিনা, বাকি বাধ্য হয়ে হয়তো ২ থেকে ৪ জন করেছে। এর পরিবর্তন দরকার। এই বিপ্লব যদি ব্যর্থ হয় তাহলে ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য অন্ধকার। সেজন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের সফলতা ধরে রাখতে হবে। সেইখানে আমাদের সন্তানদের জীবনদান আল্লাহ গ্রহণ করুক এই শেষ ব্যক্তি হোক। যার দ্বারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা ফিরে আসুক।

কক্সবাজারে ডাকাতদের হামলায় নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনের বাসায় মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গিয়ে স্বজনদের সমবেদনা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করের বেতকা গ্রামে নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিমের পৈতিক বাড়ির উঠানে সাংবাদিকদের আরও বলেন, দেশটা কেমন জানি হয়ে গেছে। মানবিক মূল্যবোধ একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। একটা সেনাবাহানীর গায়ে ডাকাত, লস্কর চোর আঘাতহানতে পারে তাহলে বুঝতে হবে সমাজে আইন-কানুন বলতে কিছু নাই। আমি এটাকে কোন গুরুত্ব দিতাম না। যদি একটা সাধারণ মানুষ হতো তার পিছনে ছোরা মারছে, চাকু মারছে বা দা দিয়ে আঘাত করেছে। কিন্তু সেনাবাহিনীর পোশাক পড়া একজন মানুষের গায়ে দুস্কৃতিকারীরা যখন আঘাত হানতে পারে বা সাহস পায় তখন বুঝতে হবে আইনশৃঙ্খলা বলে অথবা দেশের শাসন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের যে একটা শ্রদ্ধা ভালোবাসা, দুষ্ট লোকের যে ভয় থাকে তা কিছু নেই। আমি এসেছি মৃত্যু মানুষের জন্মের পরে অবধারিত সত্য, সে মৃত্যু হয়েছে। বাবা বেঁচে আছেন, বোন আছে তাদের বুক কেমন করছে। টাঙ্গাইলের মানুষ আমি দেখতে এসেছিলাম দেখে গেলাম।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি রাজনীতিকে ইবাদতের মতো মনে করে রাজনীতি করি। এজন্য আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি। প্রচুর অসম্মানও পেয়েছি। গলাগালিও শুনেছি। এতো দিন বেঁচে না থাকলে আমি গালাগালি শুনতাম না। আমি যদি ‘৭১ এর যুদ্ধ করতে না পারতাম যারা গালাগালি করেন তাদের অধিকাংশদের জন্ম হয়তো পাকিস্থানের জারস হিসেবে হতে পারতো। আমি আজকে একজন কাতর বাবা মা-বোন তাদের পাশে শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করবার জন্য এসেছি। অন্য কোন দিন আপনারা আমাকে ধরবেন তত্ত্ববাধয়ক সরকার কত দিন থাকবে, কতদিন থাকা দরকার, মানুষের চাহিদা কি আমি অকপটে বলবো আমি কোন কথা দ্বিধা করে বলার চেষ্টা করি না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪২:এএম ২ বছর আগে
মগড়া ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিএনপি’র মানববন্ধন - Ekotar Kantho

মগড়া ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিএনপি’র মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এড. মোতালিব হোসেনের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন কুইজবাড়ি আঞ্চলিক সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে মগড়া ইউনিয়ন বিএনপি।

সভা আহ্বান ছাড়া বাজেট, বৈষম্যহীন ট্যাক্স, বিভিন্ন উন্নয়ন তহবিলের টাকা ও প্রকল্পের নামে টাকা আত্মসাত, পরিষদে গড় হাজিরার মত দূর্নীতিতে সম্পৃক্তসহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মুতালিব হোসেনের অপসারণের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান উত্তম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হারুন মিয়া প্রমুখ।

এ সময় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক খোদা বক্স, সদস্য সচিব রাসেল রানা, স্বেছাসেবক দলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিনসহ ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠণের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০২:৪২:এএম ২ বছর আগে
সাড়ে ১৭ বছর বাংলাদেশের জনগণের জীবনে ছিলো দুঃসহ কালোরাত: জামায়াত আমীর - Ekotar Kantho

সাড়ে ১৭ বছর বাংলাদেশের জনগণের জীবনে ছিলো দুঃসহ কালোরাত: জামায়াত আমীর

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এ দেশের শত্রুরা জানে- জামায়াতে ইসলামী ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না, দেশের স্বার্থ কারো কাছে বিক্রি করতে রাজি হবে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হবে না।

তিনি বলেন- সাড়ে ১৭ বছর বাংলাদেশের জনগণের জীবনে ছিলো দুঃসহ কালোরাত। টানা ১৭ বছর ৬ মাস এই জাতি বন্দিত্বের নিগরে বন্দি ছিল। মানুষের মুখে ছিল তালা, হাতে ছিল হ্যান্ডকাফ, পায়ে ছিল বেরি। এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ ছিল মজলুম এবং রাস্তায় যে ভাইটি ভিক্ষা করতেন তিনিও মজলুম। কারণ ওই সমস্ত ভিক্ষুকদেরকে চাঁদা দিতে হতো গুন্ডাদের কাছে। চাঁদা না দিলে তারা ভিক্ষা করতে পারতেন না। ৩০ টাকার পেঁয়াজ ৩০০ টাকায় কিনতে হতো। এভাবে প্রত্যেকটি মানুষ ছিল জুলুমের শিকার।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

আপনার বলবেন, এই সাড়ে ১৭ বছর কীভাবে মিলে। আওয়ামী লীগ তো সাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। আসলে তারা সাড়ে ১৭ বছর ছিল। তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে লোগি-বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে শ’খানেক মানুষকে তারা হত্যা করেছিল। ফ্যাসিবাদের সূত্রপাত তখনি হয়েছিল।

স্বৈরাচারের পদধ্বনি তখন থেকেই এসেছিল। তারপরে আপনারা দেখেছেন ২০০৯ সালের ১০ জানুয়ারি ক্ষমতায় আসার পরে তারা রাষ্ট্রের গর্বিত প্রতিষ্ঠান সেনাবাহিনীকে আঘাত দিয়েছিল।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পিলখানার সদর দপ্তরে ৫৪ জন চৌকস দেশপ্রেমিক সামরিক অফিসারকে হত্যা করেছে। পরিবারের মহিলা সদস্যদের নির্যাতন, লাঞ্ছিত করেছে। তারপর তাদের হত্যা করে ড্রেনে ভাসিয়ে দিয়েছে। সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। অথচ সে সময়ে সেনাবাহিনীর কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেনাবাহিনীদের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে আরেকটি গর্ভের বাহিনী সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরি বিডিআরকে ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের ১৫ হাজার সদস্যের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ৫০০ মানুষ তারা নিহত হয়েছে। কুচক্রকারীদের কারণে চক্রান্তে এসব মানুষদের বলি দিতে হয়েছে।

শেখ হাসিনার আমলের নির্যাতনের ভয়াবহতা বর্ণনা তুলে ধরে তিনি বলেন- তাদের আমলে ঘরে ঘরে হাহাকার, আমি অনেক যুবককে জেলে দেখেছি, বিয়ে করে ছয় মাসের মাথায় গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। তার স্ত্রী ১, ২ ও ৩ বছর অপেক্ষা করেছে। জেলের ভেতর থেকে বলে দিয়েছে তুমি আর আমার জন্য অপেক্ষা করো না। তুমি মুক্ত, তুমি চলে যাও, তোমার একটা জীবন আছে। আমি কোন দিন মুক্তি পাব জানি না। ঘরে ঘরে হাহাকার। এরপরই তারা আঘাতটা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওপর। দেশপ্রমিক এই পরীক্ষিত শক্তির ওপর। এ দেশের শত্রুরা জানে- জামায়াতে ইসলামী ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না।

মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি মামুন আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

এসময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেলার সমন্বয়ক, নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে সভাস্থল টাঙ্গাইলের পৌর উদ্যানে সমবেত হন। পরে বিকালে সভাপতির বক্তব্য প্রদানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা নিহতের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা নিহতের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ গোপালগঞ্জে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানীর গাড়ি বহরে হামলা ও কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদারকে হত্যার ঘটনায় টাঙ্গাইলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলক ও সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফী ইথেনের নেতৃত্বে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

প্রতিবাদ মিছিলে বক্তব্য রাখেন- জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল, রুবেল মিয়া, জাহিদুর রহমান জাহিদ, রাশেদুল ইসলাম রিমন, সুমন খান, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের জুয়েল, তানভীর হাসান খান রুবেল, মাসুদ রানা, তুষার, শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের মামুন খান, সজীব প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন- গোপালগঞ্জে নিজ বাড়িতে বাবার কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার পথে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের হামলায় জিলানী ভাইসহ প্রায় ৬০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদারকে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০২:১৪:এএম ২ বছর আগে
পরাজিত শক্তি পেছন দরজা দিয়ে আমাদের পিঠে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করছে: মামুনুল হক - Ekotar Kantho

পরাজিত শক্তি পেছন দরজা দিয়ে আমাদের পিঠে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করছে: মামুনুল হক

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, দেশের হাজার বছরের ইতিহাসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের সংবিধান তৈরি হওয়া উচিত। দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর আজও আবার সেই পরাজিত শক্তি পেছন দরজা দিয়ে আমাদের পিঠে ছুরিকাঘাত করার চেষ্টা করছে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সকল শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া এবং নৈরাজ্যবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ রাতের অন্ধকারে সংখ্যালঘুদের ওপর কালনাগিনী হয়ে ছোবল মারতো। দিনের বেলায় তারাই আবার ওঝা হয়ে ঝারতে আসতো। এই নাটক করেছে আওয়ামী লীগ। এই নাটকের কলা-কুশিলবরা এখন বাংলাদেশের দৃশ্য নাই। এর জন্য এখন নাটকও নাই। এখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা ভালো আছেন। তাদের মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় আর হামলা হয় না। হিন্দুধর্মাবলীদের কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি-ঘরে কেউ হামলা চালায় না। কারণ আক্রমণকারী আওয়ামী লীগাররা এখন পালিয়ে আছে।

তিনি বলেন, ওরা যদি আবার ঢুকতে পারে শুরু করবে সংখ্যালঘুদের দিয়ে। সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘর জ্বালাবে, হিন্দুদের মূর্তি ভাঙবে এগুলো করে সাম্প্রদায়িক কামিল হটাবার চেষ্টা করবে। তাই সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ এই মুনাফিক শক্তিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর পূর্ণবাসিত হতে দেওয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে নজির বাংলাদেশে চলছে এটাকে অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের ৯০ ভাগ মুসলিমদের চেতনা, তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে যদি সম্মান জানাতে না পারেন এদেশে কোন দিনও সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অবস্থান ভাল রাখা যাবে না। সম্প্রীতির সকল জায়গাগুলোতে সম্মিলিতভাবে আমরা সংরক্ষণ করব। আগামীর বাংলাদেশ হবে সম্প্রীতির বাংলাদেশ, ইনসাফের বাংলাদেশ, বৈষম্যহীন এক বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই বিজয় অর্জন করা যতটা কঠিন, বিজয়কে রক্ষা করা তার চেয়েও বেশি কঠিন। আমরা যদি সাময়িক বিষয়ের তৃপ্তিতে, আমরা যদি তৃপ্তির ঢেকর তুলি, এই বিজয় যে কোন সময় ছিনতাই হয়ে যেতে পারে। যে কোন মুহূর্তে এই বিজয় আমাদের হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে। পরাজিত শক্তি বসে নেই। কথিত স্বৈরাচার এখনো বাংলাদেশের মানুষের বুকের উপর ছোবল মারার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছে।

মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক বলেন, শেখ হাসিনার রাজনীতি ছিল বিভাজনের রাজনীতি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার বিভাজনের রাজনীতি পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঐক্য ছিল বাংলাদেশের আগস্ট বিপ্লবের শক্তি এই ঐক্যের মাধ্যমে এদেশের মানুষ ফ্যাসিবাদকে পরাজিতা করতে সক্ষম হয়েছে। আপনারা পৃথিবীর ইতিহাসে নিকৃষ্টতম স্বৈরাচারীর যাতাকল থেকে মুক্ত করেছেন। আমাদের সংগ্রাম আরও বাকি রয়েছে। ফ্যাসিবাদের অবশিষ্ট শক্তিকে বাংলাদেশ থেকে উৎখাত না করা পর্যন্ত এদেশে কেউ নিরাপদ নয়। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই ঐক্য আমাদের ধরে রাখতে হবে। ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে বিএনপি-জামায়াত -হেফাজত ইসলাম আমরা কেউ এ দেশে নিরাপদে থাকতে পারবো না। শেখ হাসিনা শুধু একা নয়, তার পিছনে লুকিয়ে আছে ওই শক্তি যারা বাংলাদেশকে স্বাধীন ভাবে দেখতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে আপা আপা সংবাদ পাঠান, চট করে ঢুকে পড়ার পাঁয়তারার ধান্দা করতেছেন। আপা যেখানে আছেন ভালো আছেন। ওখানে থাকেন আমরা ধরে আনব সময় মতো। এর আগে ঢোকবার চেষ্টা করবেন না এদেশের মানুষের কবলে পড়লে কত ধানে কত চাল হিসাবটা বুঝতে পাবেন।

শেখ হাসিনার সর্ম্পকে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার রাজনীতি ছিলো প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এতো মানুষ মরে নাই। ৭১’ থেকে ৭৫’ এর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এসব মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যে মানুষের জন্য তার মায়া নেই। এই দেশটাকে তিনি স্বাধীন রাখতে চায়নি। চোখে কোন অশ্রু নাই। সব চোখের অশ্রু শুধু ১৫ আগস্টের জন্য। এই বৈষম্য ভালো না।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জে যে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তার প্রকৃত দোষীদেরকে গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে পূর্ণবাসন করবার জন্য যারা যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সমাবেশে টাঙ্গাইল জেলা ক্বওমী ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য মুফতি আশরাফুজ্জামান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ এনামুল হাসানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০১:০৮:এএম ২ বছর আগে
নাগরপুরে গণ অধিকার পরিষদের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে গণ অধিকার পরিষদের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশের ৫১তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) ‘ট্রাক’ প্রতীকে নিবন্ধন পাওয়ায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিশাল কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ভূগোল হাট বাজারে নাগরপুর গণ অধিকার পরিষদ অঙ্গ, ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তারা বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে সাড়া ফেলেছে। ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত হলে গণঅধিকার পরিষদ ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে গণ অধিকার পরিষদ সরকার গঠন করবে।

টাঙ্গাইল জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম-সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার কবির আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও যুব অধিকার পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান নাছিরের সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদ (ঢাকা বিভাগ) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তোফাজ্জল হোসেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. ওয়াহেদুজ্জামান সুমন, টাঙ্গাইল জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির হোসেন নয়ন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. ফাহাদুল ইসলাম, নাগরপুর উপজেলা গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. আল-আমিন, যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. সিপন রানাসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৩:১৫:এএম ২ বছর আগে
পুলিশ বাহিনীকে সতর্ক করলেন সমন্বয়ক সারজিস - Ekotar Kantho

পুলিশ বাহিনীকে সতর্ক করলেন সমন্বয়ক সারজিস

একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে বলে দিতে চাই, আপনারা হুঁশিয়ার হয়ে যান, যদি মনে করেন যে কিছু হবেনা তাহলে ধারণা ভুল। শেখ হাসিনার মতো আপনাদেরকেও দেশ ছাড়া করবো যদি শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট হয়ে থাকেন। আর যারা দিবাস্বপ্ন দেখছেন এবং ভাবছেন এক ফ্যাসিস্টকে দেশ ছাড়া করেছি এখন আরেক ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় বসাবো, তারা ভুল করছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গণঅভ্যুত্থান প্রেরণায় শহীদ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম এসময় আরও বলেন, আপনারা যোগ্য হয়ে রাজনীতিতে আসবেন। যাতে করে কেউ আপনাকে কটু কথা না বলতে পারে। রাজনীতিতে এমন লোক আসবে যারা সঠিক কথা বলবে। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবে। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে।

তরুণ সমাজকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই ছাত্রনেতা বলেন, শিক্ষার্থীদের অসংখ্য কাজ থাকতে পারে কিন্তু আমাদের প্রধান কাজ পড়াশোনা করে নিজেকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ হিসেবে তৈরি করা। যখন ক্লাস চলবে তখন ক্লাসে যাবেন, আবার খেলার সময় খেলার মাঠে থাকবেন। আপনারা কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবেন না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা নিজের মেধা, শিক্ষা, দক্ষতায় স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন, কোনো ‘ভাইয়ের’ ওপর ভর করে নয়। এই ছাত্র-জনতার হাতে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ দেখতে চাই। যারা আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তারা আজ থেকে ২০ বছর পরে একেকজন সংসদের এমপি, মন্ত্রী হবেন, এমনকি প্রধানমন্ত্রীও হবেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম আইনি, মোবাশ্বিরুজ্জামান হাসান, মিতু আক্তার, আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন, এলমা খন্দকার এ্যানী, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক রাকিবুল হাসান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০১:৪৪:এএম ২ বছর আগে
স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, প্রেতাত্মারা কিন্তু এখনো ঘোরাফেরা করছে: তারেক রহমান - Ekotar Kantho

স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, প্রেতাত্মারা কিন্তু এখনো ঘোরাফেরা করছে: তারেক রহমান

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, প্রেতাত্মারা কিন্তু এখনো ঘোরাফেরা করছে। তারা বিভিন্ন রকম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা জনগণের প্রিয় দলের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সাথে সর্ম্পৃক্ত রয়েছে। আমি পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, এই ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবে না। শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা তাদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং তাদের রুখে দিবে। এতো অত্যাচার ও নির্যাতনের মধ্যেও বিএনপি টিকে আছে। আজ আবার যদি জনগনের সাহার্য্য ও সমর্থন বিএনপি’র প্রতি অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা সেই সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবো।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা সূতী ভি.এম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক উপমন্ত্রী এড. আব্দুস সালাম পিন্টুর মুক্তির দাবিতে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারচুয়ালি বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের সহকর্মী আব্দুস সালাম পিন্টুর মুক্তির দাবিতে এই সমাবেশে সকলের নিকট দাবি রাখছি যে, আব্দুস সালাম পিন্টুসহ বিএনপি’র যত নেতাকর্মী যাদের নামে মিথ্যা মামলা ও আটক রাখা হয়েছে তাদের সকলের মুক্তি দাবি করছি। আমাদের দলের পক্ষ থেকে কতগুলো প্রস্তাবনা রেখেছি জাতির সামনে। বিগত প্রায় ১৭ বছরের জনগণের আন্দোলনের ফলে, জনগণের বিজয় অর্জিত হয়েছে গত ৫ আগস্ট। জনগনের বিজয়ের মাধ্যমে স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। স্বৈরাচার দেশ থেকে বিদায় হয়েছে। এখন আমাদেরকে দেশ গড়তে হবে। আমরা দেশ ও দেশের মানুষের সামনে দেশের রাজনীতির কিছু মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের ৩১ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছি। এগুলো আপনারা দেখেছেন। এরই মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এরই ভিতর আমরা উল্লেখ্য করেছি। আপনাদের আন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বৈরাচার সরকারকে বিদায় করেছি আমরা এই বিদায়ের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক যে বিজয় তার একটি অংশ অর্জন করেছি। কিন্তু আমাদের যে মূল লক্ষ্য জনগনের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার। যে আন্দোলন বিগত ১৭ বছর ধরে একথা আমরা বলে আসছি। জনগনের সামনে যে কারনে, যেজন্য, যে লক্ষ্য হাসিলের জন্য আমাদের বহু নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন ও শহীদ হয়েছেন।

বিএনপি’র বাহিরে অন্যান্য দলের বহু নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন না, কিন্তু দেশকে ভালবাসেন। এমন বহু সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন পেশার মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। এই যে আত্মত্যাগের কারণ কি? কারণ জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা। জনগন তাদের কথা বলবে। জনগনের কথা অনুযায়ী কাজ হবে। এমন একটি ব্যবস্থা, যেটিকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ভাষায় বলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বা ভোট ব্যবস্থা বা জনগনের ভোট। শেখ হাসিনার ভোট নয়, স্বৈরাচার এরশাদের ভোট নয়। যে ভোট যুদ্ধের জন্য বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে সাথে নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সংগ্রাম করেছে। যে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য বিএনপি জনগনকে সাথে নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সংগ্রাম ও আন্দোলন করেছে। আমাদের সেই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। সেই সাথে আমাদের অর্জন করতে হবে জনগনের অর্থনৈতিক মুক্তি। আমাদেরকে সেই সকল সম্ভাবনার দ্বারগুলোকে খুলে দিতে হবে। এই সম্ভাবনার দ্বারগুলো খুলে দিলে আমরা জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করতে সক্ষম হব।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান এড. আহমেদ আযম খান, বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি’র বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দুপুর গড়াতেই সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সূতী ভি.এম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। লাখো কণ্ঠে একটাই দাবি উঠে মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, সালাম পিন্টুর মুক্তি চাই। এর পূর্বে সমাবেশে বিপ্লবী গান পরিবেশন করেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জাসাস) শিল্পী বৃন্দ। এসময় বিপ্লবী সংগীত পরিবেশন করেন ইথেন বাবু ও মৌসুমীসহ অন্যান্য শিল্পীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চলচ্চিত্র শিল্পী শিবা শানু।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম পিন্টু পঞ্চম, ষষ্ঠ ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিগত ২০০১ সালে ৪ দলীয় জোট সরকারের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বিগত ২০০৮ সাল থেকে তিনি ষড়যন্ত্র মূলকভাবে জেলহাজতে বন্দী আছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৩:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাদশা মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয় তাকে। এর আগে শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মির্জাপুর থানার পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বাদশা মিয়া ওই ইউনিয়নের ডোকলাহাটী গ্রামের হাকিম মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি।

পুলিশ জানায়, গত ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরের সোহাগপাড়া এলাকায় গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় কলেজ ছাত্র ইমন (১৮)। এরপর দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান তিনি। পরে নিহতের ভাই সুমন গত ২২ আগস্ট ১৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মির্জাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ১০০ নম্বর আসামি বাদশা মিয়া।

নিহত ইমন গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের নলিন মণ্ডল বাড়ি এলাকার জুলহাস মিয়ার ছেলে। তিনি অলোয়া মনিরুজ্জামান খান বিএম কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এইচএসসি পাস করে হেমনগর ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়েছিল।

এ মামলায় সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ছাড়াও সাবেক সাত সংসদ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মির্জাপুরের পাঁচজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ আরও ১৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০১:৩০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।