একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার(৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া বাবুল বাজারের এক চায়ের দোকানের পাশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
নিহত চাচা মো. শরিফ উদ্দিন (৩৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
এই ঘটনায় ভাতিজা মো. ইদ্রিস আলীকে (৫০) উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত ভাতিজা ইদ্রিস আলী একই গ্রামের মৃত করিম উদ্দিনের ছেলে । সে বানিয়াজান ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান সভাপতি।
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানদার হায়দার আলীসহ স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দোকানের পাশে প্রস্রাব করতে বসে শরিফ। হঠাৎ করে ইদ্রিস ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়ারা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা হাজেরা বেগম জানান, ‘রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপালের নেয়ার পথে মধুপুরে মারা যায় শরিফ। পূর্ব শত্রুতার জেরে ইদ্রিস শরিফকে খুন করেছে। আমরা এর বিচার চাই। শরীফ ও ইদ্রিস সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী আফরোজা বেগম জানান ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আমার অবুঝ মেয়াটার এখন কি হবে। সে আর বাবা বলে ডাকতে পারবে না বলে কাঁদতে কাঁদতে মুর্ছা যান তিনি।
এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন জবান , ‘এই ঘাতকের কঠোর বিচার হওয়া দরকার।’
এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইদ্রিস আলীর স্ত্রী খালেদা বেগম জানান ‘রাতে পুলিশ এসে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম জানান, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি সকালে)আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,নিহতের বড় ভাই বাবুল হোসেন বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২৭টি নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার আলম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ। পরে অতিথিরা টাঙ্গাইল কালেক্টেরট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৯ লাখ ৭ হাজার ১১৮টি এবং চার লাখ ৪০ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর মাঝে ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩০৯ টি বই বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়াও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১লা জানুয়ারী) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন বই বিতরণ করে টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শেখ ফরিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পর্ষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম বাদশা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক ইউপি সদস্য মো. আফজাল হোসেন খান, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকারসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকবৃন্দ।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার অতি দরিদ্র ও দুঃস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক সহায়তায় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিমিত্তে’ ৫০ হাজার টাকা করে ৩৩২ জন অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হিসেনে ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, আলিফ নুর মিনি, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম তালুকদার মোহন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার, দিদারুল আলম খান মাহবুব, শাহ আলম আকন্দ শাপলাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলাটি যমুনা নদীর চরাঞ্চল বিধৌত। বর্ষা মৌসুমে প্রতিবছর এ চরাঞ্চলে অসংখ্য ঘরবাড়ি-বসতভিটা, ফসলি জমি, মসজিদ-মন্দির ও রাস্তাঘাটসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের মুখে পড়ে। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়ে নদী তীরবর্তী এলাকার ভাঙনকবলিত অসংখ্য মানুষ। ভাঙনকবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক সহায়তায় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিমিত্তে মানবিক সহায়তার আওতায় উপজেলার নিকরাইল, গাবসারা, অর্জুনা ও গোবিন্দাসীর ৩১২ জন ভাঙনকবলিতদের মাঝে এ চেক বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে পরিচালনার ভার আবারও বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপরই দিলেন দলটির কাউন্সিলররা।
এ নিয়ে টানা দশম বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হলেন তিনি।
অন্যদিকে আবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শনিবার বিকালে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে কাউন্সিলরদের সমর্থনে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
দলের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষ্যে গঠিত তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।
পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের অন্যান্য নেতাদের নাম ঘোষণা করেন। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নামও তিনি ঘোষণা দেন।
২২তম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, শ্রী পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম), অ্যাড. কামরুল ইসলাম এমপি ও সিমিন হোসেন রিমি।
এছাড়া যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও ডা. দীপু মনি রয়েছেন। পাশাপাশি কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি।
এদিকে, আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর মধ্যে অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ড. শাম্মী আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক পদে ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে ড. সেলিম মাহমুদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে আমিনুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি মনোনীত হয়েছেন।
অন্যদিকে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদে দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক পদে শামসুন নাহার চাঁপা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. সিদ্দিকুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে শ্রী অসীম কুমার উকিল এমপি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. রোকেয়া সুলতানা মনোনীত হয়েছেন।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আহমদ হোসেন, বি. এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, এস. এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম এমপি, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং সুজিত রায় নন্দী। এছাড়া উপ-দফতর সম্পাদক হয়েছেন সায়েম খান।
তবে শ্রম, যুব ও ক্রীড়া এবং উপ-প্রচার সম্পাদকের পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে। এসব পদ পরে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। আর প্রেসিডিয়াম সভায় সদস্যদের নির্বাচিত করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ জয়দেবপুর-চন্দ্রা-এলেঙ্গা (ঢাকা-টাঙ্গাইল) চার লেনের ৭০ কিলোমিটার মহাসড়কসহ সাতটি সড়কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি। বুধবার(২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব সড়ক-মহাসড়ক উদ্বোধন করেন তিনি।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারে অর্থায়নে সওজের আওতাধীন ৭৫০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৭২.৮৫ কিলোমটিার দৈর্ঘ্যের সড়ক উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্যে ৫২৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২২-২৩ সমাপ্তির অর্থ বছরে এলেঙ্গা-জামালপুর জাতীয় মহাসড়ক ৭৭.৬০ কিলোমিটার ও ৫টি জেলা সড়ক ৯৪.২০ কিলোমিটার।
জেলা সড়কের মধ্যে ২৯ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০২১-২২ সমাপ্তির অর্থ বছরে পাকুল্লা-দেলদুয়ার-এলাসিন সড়ক প্রশস্তকরনের দেলদুলয়ার থেকে এলাসিন পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার, ২৬ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে টাঙ্গাইল-বাসাইল সড়ক প্রশস্তকরনের ভাতকুড়া থেকে বাসাইল পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার, ৪৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে টাঙ্গাইল থেকে দেলদুয়ার সড়কের ১২ কিলোমিটার, ৪৯ কোটি ২১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঘাটাইলের পোড়াবাড়ি থেকে শালিয়াজানি দিয়ে গোপালপুর হয়ে সরিষাবাড়ি পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার এবং ৭৪ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভরাডোবা-সাগরদিঘী-ঘাটাইল-ভূঞাপুর পর্যন্ত ৪৩.২০ কিলোমিটার সড়ক।
উদ্বোধন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল অংশে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সংসদ সদস্য মমতা হেনা লাভলী, সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নুরুল ইসলাম, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন, সরকারি সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত নন্দী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান বাংলাদেশে কর্মরত অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ সমমর্যাদার বিচারকদের মধ্যে ‘প্রধান বিচারপতি পদক-২০২২’ পেয়েছেন।
রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি ওই পদক গ্রহণ করেন।
সাউদ হাসান গোপালগঞ্জ জেলা সদরের আড়পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ মোল্লা ও আনোয়ারা বেগমের কনিষ্ঠ সন্তান।
তিনি গোপালগঞ্জের আড়পাড়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এলএলএম (প্রথম শ্রেণি) ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরবর্তীতে তিনি আইসিআরসি স্কলারশীপ প্রাপ্ত হন এবং ভারতের নালসার ইউনিভার্সিটি অব ল’ থেকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে পিজিডি-তে প্রথম স্থান অধিকার করেন।
তিনি আইন, বিচার, মানবধিকার ও আইন গবেষণার উপর দেশে ও বিদেশে প্রায় ৪৮টি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান আইন বিষয়ে ৩টি পেশাগত বইয়ের রচিয়তা।
এছাড়া দেশি-বিদেশি আইনি জার্নালে এ যাবৎ তার ৬টি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ঢাকা জজ কোর্ট এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে তালিকাভূক্ত আইজীবী হিসেবে প্রাকটিস ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
তিনি তৃতীয় বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে ২০০৮ সালের ২২ মে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে রাজবাড়ি জেলায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার সিনিয়র সহকারী জজ, মানিকগঞ্জের জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার, ঢাকার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি টাঙ্গাইলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করার পরে বিচারপ্রার্থী জনগণের বিচারিক সেবার মান উন্নয়ন, আদালতের সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন সাধন, স্বল্প সময়ে অধিক সংখ্যক মামলা নিস্পত্তি, বৃক্ষরোপনসহ জেলার সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছেন।
তিনি বিবাহিত জীবনে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। সাউদ হাসানের স্ত্রী মনিকা খান বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের একজন সদস্য এবং বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল জেলার লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) হিসেবে কর্মরত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ২১ বার তোপধ্বনি ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দিনের শুরুতে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাংগাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
এরপর শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।
শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী, বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়াও সকাল ৮টায় টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শরীর চর্চা প্রদর্শন করা হয়।
পরে ১১টায় শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। বাদ জুমা সকল মসজিদ ও মন্দিরে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যথাযথ মর্যাদা ও ভাব গাম্ভীরদের সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি পালনে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
শুরুতে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার শ্রদ্ধা জানান। এরপর জেলা সদরে অবস্থিত পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন ,হাউজিং প্রোপার্টি গ্রুপের পক্ষে জাফর আহমেদ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
সকাল ৭টা ১১ মিনিটে শহরের ‘শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান’ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করাসহ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও দেশের কল্যাণে মোনাজাত করা হয়। এতে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সমাজের নানা শ্রণি পেশার মানুষ।
পরে বেলা ১১টায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কালিহাতীতে মালবাহী একটি ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় প্রায় সাড়ে ১০ ঘন্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।
টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একটি মালবাহী ট্রেন ঢাকার দিকে যাওয়ার সময় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় সোমবার সাড়ে ১০টায় ট্রেনটির ১১ নম্বর বগি লাইনচ্যুত হয়। এ সময় বন্ধ হয়ে যায় ওই রেললাইনের ট্রেন চলাচল। খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা মালবাহী একটি ট্রেন ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রেনটি কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ১১ নম্বর বগিটি লাইনচ্যুত হয়। পরে ট্রেনটির বগি উদ্ধার কার্যক্রম শেষে সচল করা হলে মঙ্গলবার সকাল ৯ টার দিকে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এরআগে সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় রেল ক্রসিংয়ের ওপর মালবাহী ওই ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব হয়ে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সঙ্গে ময়মনসিংহ ও জামালপুরের সড়ক যোগাযোগও বন্ধ হয়।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ইতিপূর্বে বিএনপি ছাড়াও সংসদ পরিচালিত হয়েছে। সংসদে বিএনপি বিরোধী দলীয় নেতা নয়, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলীয় নেতা। কাজেই তারা সংসদে আসলো কি গেলা তাতে কিছু যায় আসে না। সাত এমপি না থাকলে এক বছরে দেশ ভেঙে পড়বে না। দেশ এইভাবে এগিয়ে যাবে। এমনি উপনির্বাচনেও তারা আসে না। তাহলে আমরা তাদের কিভাবে সহযোগিতা করবো। ২০১৮ সালের আগে তারা সংসদে ছিলো না। এটা খুবই দুঃখ জনক।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একটি দেশের রাজনীতিতে বিরোধী দল খুবই গুরত্বপূর্ণ। যেমন কেচির দুটি বাহু থাকে। হাটতে দুটো পা লাগে। তেমনি সংসদেও দুটি দল লাগে। তাই বিরোধী দল থাকা দরকার। সেখানে কেউ যদি না থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। তার পরেও সংসদে জাতীয় পার্টি রয়েছে। ওয়াকার্স পার্টি রয়েছে। বর্তমানে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের ভূমিকায় রয়েছে। বিরোধী দল নেতারা তো বিএনপির নেতারা নয়। তাদের ৫/৭ জনের একটা গ্রুপ ছিলো। সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। উপনেতা হচ্ছেন জিএম কাদের। তাতেই কোন সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতা কর্মীরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনের হুমকি দিলেও তা আর বাস্তবায়ন করতে পারেন না। এক সময় বলেন, ঈদের পর আন্দোলন করবেন, আবার বলেন, পূজার পর আন্দোলন করবেন? মুল কথা তারা কখন আন্দোলন করবেন তা তারা নিজেরাও জানেন না। বিএনপি কি চাইলো, কি চাইলো না, সেই অনুযায়ী দেশ চলবে না। দেশ চলবে পবিত্র সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার জননেত্রী শেখ হাসিনারও কোন সুযোগ বা ক্ষমতা নেই।
তিনি বলেন, তারা আন্দোলনের নামে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে। রেল লাইন উপড়ে ফেলে। আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষকে হত্যা করে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দিবে। আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের সাধারণ জনগণ। সাধারণ মানুষই আওয়ামী লীগের মুল হাতিয়ার।
তিনি আও বলেন, ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের মানুষের জন্য খুব আনন্দের ও গৌরবের। কারণ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ২৬ মার্চ আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি। দীর্ঘদিন যুদ্ধের পর ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত হয়। ১৬ ডিসেম্বর দেশ শত্রু ও হানাদার মুক্ত হয়ে বিজয় আসে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ।
পরে সন্ধায় কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জেলা আওয়ামী লীগ ও পৌরসভার উদ্যোগে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে আয়োজিত টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি
হিসেবে বক্তব্যে রাখেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
এর আগে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবসের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়েছে। হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ ও টাঙ্গাইল পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে ১১ ডিসেম্বর থেকে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১২ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
১২ দিন ব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনে রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয় ।

পরে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এসময় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ , জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটিসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সর্বস্তরের জনগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র- ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
রবিবার সন্ধ্যায় দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন এমপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক প্রমূখ।
আলোচনা সভাটি উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় ট্রাকচাপায় আব্দুল আজিজ (৮০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ধনবাড়ী থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল পৌর শহরের খাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
ধনবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইদ্রিস আলী জানান, ভোরে খাসপাড়া মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল আজিজ।
এ সময় জামালপুরগামী আলুভর্তি একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলইে বৃদ্ধ নিহত হন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদের উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রতিনিধি
মোবাইল -০১৮১৭৫০১৬০০