/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৭ হাজার ৪০০ কৃষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৭ হাজার ৪০০ কৃষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো হাইব্রিড বীজ, উফসী বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সদর উপজেলা প্রাঙনে সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ৭ হাজার ৪০০ কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও দুটি ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য কম্বাইন হার্ভেস্টার কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জিয়াউর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই সপ্তাহে ১০ ‘টি মামলায় বিএনপির ৮ শতাধিক নেতাকর্মী আসামি, কারাগারে ৬৮ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই সপ্তাহে ১০ ‘টি মামলায় বিএনপির ৮ শতাধিক নেতাকর্মী আসামি, কারাগারে ৬৮

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানের মুখে গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারছেন না টাঙ্গাইলের বিএনপি নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, গত ২ সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের দায়েরকৃত ১০টি মামলায় প্রায় ২ শতাধিক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে ৬৮ নেতাকর্মীকে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, দায়েরকৃত মামলাগুলো ‘গায়েবি’ এবং নেতাকর্মীদের ঢাকার সমাবেশে যেতে বাধা সৃষ্টি করতেই সরকারের নির্দেশে এসব ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

তবে বিএনপি নেতাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের দাবি, নাশকতা সৃষ্টির প্রস্তুতিসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এসব মামলা দায়ের এবং গ্রেপ্তার হয়েছে।

সর্বশেষ বুধবার ( ৩০ নভেম্বর) রাতে সখীপুর উপজেলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ৮৮ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী। সেদিন রাতেই উপজেলা বিএনপি, কৃষক দল এবং যুবদলের ৪ সিনিয়র নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করীম জানান, বুধবার রাতে সখীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং এক বস্তা পাথর জব্দ করে। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজু অবশ্য দাবি করেছেন, সেখানে আসলে কোনো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাই ঘটেনি। গ্রেপ্তার হওয়ার সময় নেতাকর্মীরা স্থানীয় একটি ক্লাবে বসে টিভিতে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখছিলেন।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসেত জানান, এটি একটি গায়েবি মামলা। মামলার এজাহারে রাত ১০টা ২ মিনিটে ককটেল বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ এর এক ঘণ্টা আগে রাত ৯টায় ওই ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি আরো জানান, এ ছাড়া, নাশকতা ও ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় ঘাটাইল উপজেলার ৮০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। সে মামলায় এ পর্যন্ত ১০ বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘাটাইলের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ জানান, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় জনসভাকে সফল করতে ২২ নভেম্বর দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা বিটিপাড়া এলাকায় কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ গুলি ছুঁড়েছে। নেতাকর্মীদের আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। অন্য বাড়ি থেকে বালতি এনে পুলিশ ককটেল রেখে গতানুগতিকভাবে নাটক সাজিয়েছে।

ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে নাশকতার উদ্দেশ্যে জমায়েত হয়েছিলেন। সেখান থেকে কয়েকটি ককটেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

বিএনপি নেতার অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আরও জানান, ঘটনাটি প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের সামনে ঘটেছে।

অন্যান্য উপজেলায় দায়েরকৃত মামলার অভিযোগগুলোও প্রায় একইরকম বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় হোড় শুভ জানান, ইতোমধ্যে ওয়ারেন্ট ছাড়াই ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকে আটক করে পরে গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নেতাদের খুঁজতে রাতে বাসায় বাসায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জেলা যুবদলের সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম জানান, গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারছেন না নেতাকর্মীরা। তবে এসব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে মহাসমাবেশে যোগ দিতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার অভিযানের পরও ১০ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। পরিবহন সংকটসহ নানা সমস্যা মাথায় রেখে আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকেই ঢাকায় যাত্রা শুরু করবেন নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইল জেলা থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী মহাসমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা করছি ।

এদিকে, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার অভিযান সম্পর্কে জানতে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার মোহাম্মদ কায়সারের ফোন নম্বরে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরিফুল ইসলাম জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। তদন্তাধীন অবস্থায় মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।

সংবাদ সূত্র – দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নুরুল আবসার জুয়েল(২৪) শহরের ময়মনসিংহ সড়কের গণপূর্ত অফিসের সামনে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এস আই) নবীন হোসেন।

নিহত আবসার বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।নিহত নুরুল আবসার জুয়েল কক্সবাজার জেলা রামু উপজেলার চাকমারকুল শ্রীমুরা ৭ নং ওয়ার্ডের কবির আহমদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে টিউশনি শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার সময় শহরের ময়মেনসিংহ সড়কের গণপূর্ত বিভাগের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আবসারের হেলমেট ভেঙে মাথায় ঢুকে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপর মোটর সাইকেলের ২ আরোহী আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ আরো জানায়, লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে ।আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দানের জন্য পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: সিরাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. মোহাঃ তৌহিদুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকেও শোক জানানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. নভেম্বর ২০২২ ০৫:০৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে সকল স্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে সকল স্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে মওলানা ভাসানীর ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক সংগঠন সহ সর্বস্তরের জনগণ।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী নির্বাচন ৫৪ ও ৭০ মতো না হলে দেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। আমরা যে চিন্তা নিয়ে, যে ভালবাসা নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম আজকে তার কিছুই নাই। মানুষের স্বাধীনতা এটাকে বলে না। শুধু কথা ও যা কিছু তা বলতে পারলেই স্বাধীনতা নয়। মানুষের স্বাধীনতা হচ্ছে মানুষের মর্যাদাবোধ, মানবিকবোধ ভালবাসা। সবার কাছে আহ্বান জানাবো মানুষকে ভালবাসতে ও সম্মান জানাতে হবে। নাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান দিতে পারবো না। খুব কষ্ট হয়, যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে তখন জাতির পিতা বঙ্গন্ধু, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা জিয়াউর রহমান, আবার কখনও জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদও হতে পারে। আমাদের চিন্তা ভাবনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

এসময় আগামী ১০ ডিসেম্বর সম্মেলন কে ঘিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের বলেন, আগামী যে সব সমাবেশ হবে তারই সর্বশেষ হচ্ছে ঢাকার সমাবেশ। এই সমাবেশ অন্যান সমাবেশের মতোই একটি বিষ্ময়কর সমাবেশ হিসাবে আমরা চিহ্নিত করবো সেই প্রচেষ্টা আছে। যেগুলো বাকী আছে সেগুলো শেষ করার পরে, ভাবার কোন কারণ নেই সরকার,যার নিয়ত ঠিক নাই, চোরের মন পুলিশ পুলিশ, সে আগে থেকেই খারাপ কিছু ভাবনা মাথার ভিতরে নিয়ে দেশ বাসীকে বিভ্রান্তি করছে,প্রশাসনকে বিভ্রান্তি কার চেষ্টা করছে,সেই হিসাবে ১০ তারিখ হচ্ছে আমাদের এই সরকারের বিরুদ্ধে সর্বশেষ গণসমাবেশ,ইতিহাসের বিরল একটি সমাবেশ হিসাবে আমরা সেটা অনুষ্ঠিত করতে চাই।

এসময় সরকারের সমালোচনা করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী বলেন, আজকে বাংলাদেশের জন্য অত্যান্ত একটা অসম্মান জনক অবস্থা, যখন বিদেশীরা বলেন,এ দেশে রাতের বেলা ব্যালট বক্স পুলিশ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তারা ব্যালট ভর্তি করে ফেলে। এইটা পৃথিবীর অন্য কোন দেশে শুনেন নাই,বাংলাদেশে এটা শুনেছে। এটা কী আমরা অস্বীকার করতে পারি, জাপানের রাষ্ট্রদূত যা শুনেছেন এটা আমরা কেউ শুনি নাই অথবা দেখি নাই? আমরা যারা নির্বাচন করেছি আমরা এটা দেখেছি আমরা শুনেছি যে বাংলাদেশে কিভাবে ২০১৮ সালে ৩০শে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা সেই নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতে প্রায় প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ৫০ ভাগের কাছাকাছি কোথাও কোথাও বেশি ব্যালট স্টাফিন করে বাক্সে ভরে রাখা হয়েছিলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর একসাথে তিন সন্তান প্রসব, আনন্দে ভাসছে পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর একসাথে তিন সন্তান প্রসব, আনন্দে ভাসছে পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় রুমা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহিনী একসঙ্গে তিন সন্তান প্রসব করেছেন। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১০টায় ঢাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি তিন সন্তান জন্ম দেন। নবজাতক তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

বর্তমানে তিন সন্তান ও তাদের মা সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন পরিবার।

রুমা আক্তার উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের প্রবাসী শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে দিগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন ফারুক হোসেন ফনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনটি সন্তানের জন্ম দেন রুমা আক্তার। বর্তমানে বাচ্চাসহ মা পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত রয়েছে। দেশবাসীর কাছে সন্তানদের জন্য দোয়া চেয়েছেন। একসঙ্গে তিন সন্তান হওয়ায় বাবা-মা, দাদা-দাদিসহ আত্মীয়স্বজনরাও খুশি। তবে নবজাতক তিন শিশুর এখনও কোন নাম রাখা হয়নি।

এ বিষয়ে নবজাতকদের বাবা প্রবাসী শরিফ উদ্দিন জানান, আল্লাহ আমাকে তিনটি সন্তান এক সাথে দান করেছেন। আশা করি, দুই ছেলে এক মেয়ে এই তিন সন্তান লালন-পালনে কোনো সমস্যা হবে না। আল্লাহ সুস্থ রাখলে পরিবারের সবাই মিলে লালন-পালন করতে পারবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২২ ১২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে দুইশতাধিক অসুস্থ, বৃদ্ধার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে দুইশতাধিক অসুস্থ, বৃদ্ধার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গজিয়াবাড়ি গ্রামে ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে শিশুসহ দুইশতাধিক গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে রাহেলা বেগম (৯৪) নামে এক বৃদ্ধা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মো.আশরাফুল আলম ।

মৃত রাহেলা বেগম দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গজিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত বিষা চৌধুরীর স্ত্রী।

এতে বুধবার(১৬ নভেম্বর) ভোরে এলাকা জুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় আক্কাস মিঞার বাড়িতে এক ওয়াজ মাহফিলে আয়োজন করা হয়। ওয়াজ মাহফিল শেষে তোবারক হিসেবে রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাবুর্চি আব্দুল গণির রান্না করা খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন গজিয়াবাড়ী গ্রামের শিশুসহ দুুশতাধিক নারী পুরুষ। খবর পেয়ে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম গজিয়াবাড়ি গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।এছাড়া স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে আক্রান্তদেন দ্রুত চিকিৎসকদের জন্য ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিকের বাড়িতে আসতে বলা হচ্ছে।

আলেয়া নামের এক নারী জানান, ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে তিনদিন ধরে গ্রামের শিশু, নারী-পুরুষ ডাইরিয়া আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বুধবার ভোরে অবস্থা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। অনেকেই বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছে।

আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, রবিবার রাতে খিচুড়ি খাওয়ার পর এখন পর্যন্ত গ্রামের শিশুসহ দুই শতাধিক নারী পুরুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রাহেলা বেগম নামে গজিয়াবাড়ি গ্রামের এক বৃদ্ধার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।

ডা: মো আশরাফুল আলম জানান, আক্রান্তদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ৩০ জনের অবস্থা আশংকাজনক। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দেলদুয়ার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রাহেলা বেগম নামে এক বৃদ্ধা মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২২ ০৬:০৬:পিএম ৪ বছর আগে
শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত: ওবায়দুল কাদের - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত: ওবায়দুল কাদের

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আজ জনগণকে সরকার পতনের উস্কানি দিচ্ছে। বিএনপি নেতারা ১৩ বছরে ১৩ মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি। শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত। আপনারা পারেননি বেগম জিয়ার জন্য একটা মিছিলও করতে।

সোমবার(৭ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে জেলা স্টেডিয়ামে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ১৩ বছরে পারেনি, এখন সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করবে, বিজয় মিছিল করবে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে ১০ ডিসেম্বর নাকি বিজয় মিছিল করবে। তারেক রহমানকে নাকি বিপ্লবের মাধ্যমে হঠাৎ ঢাকায় নিয়ে আসবে। এয়ারপোর্টে দাওয়াত দিচ্ছে। তারেক রহমান মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল আর রাজনীতি করবে না। হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। আসলে কী, হারানো হাওয়া ভবন ফিরে পেতে আজকে আন্দোলন চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ১০ ডিসেম্বর ডাক দিয়েছে। ঢাকা শহরে যদি আমরা ডাক দেই, বাইরের লোক লাগবে না। শেখ হাসিনা ডাক দিলে লাখ লাখ মানুষ হাজির হবে। আপনি দশ লাখ বলছেন, দশ লাখ করার ক্ষমতা আপনাদের নেই, চট্টগ্রামে প্রমাণ হয়ে গেছে। আমরাই লাখ লাখ লোকের জমায়েত করতে পারব। ঢাকা সিটির অলি-গলিও খালি থাকবে না।’

‘আমরা যদি রাজপথে অবস্থান নেই, ঢাকা শহরে বিএনপি পালাবার পথ পাবে? পালানোর দল আওয়ামী লীগ নয়। পালানোর দল হচ্ছে বিএনপি। খেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বাঁশের লাঠিতে পতাকা বেঁধে রাস্তায় নামবেন, খবর আছে। জাতীয় পতাকা বাঁশের লাঠিতে লাগাবেন, এটা আমরা হতে দেব না,’ তিনি যোগ করেন।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মির্জা আজম, শামছুন্নাহার চাপা।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেবার ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং জোয়াহেরুল ইসলামকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এবারও সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের বহাল রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৭:পিএম ৪ বছর আগে
দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সম্মেলন কাল - Ekotar Kantho

দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সম্মেলন কাল

একতার কণ্ঠঃ আগামী কাল সোমবার (৭ নভেম্বর)দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই সম্মেলনে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

ইতিমধ্য সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশিদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে টাঙ্গাইল জেলার সড়ক-মহাসড়ক, শহরের অলি-গলি, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সম্মেলন স্থানের আশপাশ। শহরের প্রধান প্রধান সড়কে শোভা পাচ্ছে তোরণ।

নেতা-কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় শহরের মুদি দোকান থেকে চা-স্টল পর্যন্ত সর্বত্রই সম্মেলন ঘিরে আলোচণা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

কারা পাচ্ছেন জেলার নতুন নেতৃত্ব- সেই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। কে হচ্ছেন ক্ষমতাসীন দলের জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। ইতোমধ্যে সভাপতি পদে তিনজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে চার জনের নাম শোনা যাচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য অনেকেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবির করছেন।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আতাউর রহমান খান এমপির নাম শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও নাহার আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরনের নাম আলোচনা হচ্ছে।

তবে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি পদ ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তারা দুজনেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবিরে অন্যদের চাইতে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন।

সম্মেলনকে ঘিরে জেলায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও টাঙ্গাইল শহরের সব সড়কে শতাধিক তোরণ তৈরির কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে তোরণ ও বিলবোর্ড লাগানো হচ্ছে। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের সমর্থনে স্থানীয় নেতাদের পোষ্টার, ব্যানার, ফেস্টুন সম্মেলন স্থল পর্যন্ত লাগানো হয়েছে।

নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে সম্মেলনে এক লাখ লোকের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সে লক্ষে সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী সম্মেলনের দুই পর্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। এরমধ্যে মাথাপিছু ২৭০ টাকা হিসেবে এক লাখ নেতাকর্মীর খাবার ও তিন লাখ টাকা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যয় হিসেবে বাকি টাকা মঞ্চ ও আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে ধরা হয়।

কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতারা সময় দিতে না পারায় সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা উস্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়।
তারা মনে করেন, ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলনে সম্মানিত ডেলিগেট ও কাউন্সিলররা একবেলা খাবার পাবেন না- এটা দলের স্থানীয় নেতাদের দেউলিয়াত্বের পরিচায়ক।

এদিকে, জেলার ১২টি উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলন শেষ করা হলেও অধিকাংশ ইউনিটেরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ৩-৪টি পদের বিপরীতে নেতাদের নাম ঘোষণা দিয়ে সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। এজন্য দলের জেলা সম্মেলনে কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অধিকাংশ উপজেলা সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না করায় স্থানীয় নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

দলীয় সূত্রে জানাগেছে, সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান এমপি, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবউল-আলম-হানিফ এমপি, ডা. দীপু মনি এমপি। প্রধান বক্তা থাকবেন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।

বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আবদুস সালাম গোলাপ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু এমপি ও আলহাজ মো. সাঈদ খোকন।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত সম্মতি দিয়েছেন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে টাঙ্গাইলের ১০টি সাংগঠনিক ইউনিটের অধীনে সব ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা সম্মেলন করা হয়েছে। যদিও ২-১টা উপজেলার সম্মেলন এখনও করা সম্ভব হয়নি- এটা জেলা সম্মেলনে কোন প্রভাব ফেলবেনা। এছাড়া সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক সভাপতিত্ব করবেন। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপির সঞ্চালনায় সম্মেলনে জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।

সম্মেলন শেষে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা আ. লীগের সম্মেলন সোমবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা আ. লীগের সম্মেলন সোমবার

একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর সোমবার (৭ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। শহরে প্রবেশের রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় শতাধিক তোরণ।

টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম মাঠে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে জেলাব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি, আর কে হচ্ছেন সম্পাদক—এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক করতে ইতিমধ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে বিভিন্ন উপজেলায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, শাহজান খান, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিক্ষা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ফজলুর রহমান ফারুককে সভাপতি, জোয়াহের ইসলাম জোয়াহেরকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হলেও কোনো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক একুশে পদক পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবারও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি মুরুব্বির স্থান দখল করে আছেন। তাই সভাপতি হিসেবে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এবারও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত।

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তামান সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের ও যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি বলেন, “দীর্ঘ দিনের এই রাজনৈতিক পরিক্রমায় জেলার প্রত্যেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গত সম্মেলনেও আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। এবারও প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি দল আমার মূল্যায়ন করবে।”

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের বলেন, “স্মরণকালের সবচেয়ে সফল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে সুসংগঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতীতেও দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রেখে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাসমুক্ত রেখেছি। দলকে আরও সুসংগঠিত করে আগামী দিনে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনকে প্রতিহত করা হবে।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৭:পিএম ৪ বছর আগে
সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে সব ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তা অনেকের কাছে ভালো লাগে না। রাজাকার, আলবদর, জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও বিএনপি দেশের উন্নয়ন দেখতে চায় না, বরং দেশকে ব্যর্থ দেখতে চায়। সে জন্য, তারা আন্দোলন করে, ষড়যন্ত্র করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, সরকারের পতন ঘটাতে চাচ্ছে।

জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে শনিবার(৫ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলন–সংগ্রামের নামে ২০১৪ সালের মতো সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

সমবায়ের শক্তিকে দেশ গঠনের কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সমবায়ের বিরাট শক্তি রয়েছে। এর সম্ভাবনা অনেক, তবে চ্যালেঞ্জও অনেক। সমবায়ভিত্তিক উৎপাদনব্যবস্থা চালু করতে পারলে দেশে কৃষি উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু সমবায়ের সমস্যা হলো, যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয় বা ‘ম্যানেজার’ হয়, সে–ই দুর্নীতি করে। দেশের অনেক সমবায় প্রতিষ্ঠান ভালো নেতৃত্বের অভাবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন।

এতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল গফুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
বাধা দেওয়ায় বিএনপির সমাবেশে লোক বেশি হচ্ছে : কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বাধা দেওয়ায় বিএনপির সমাবেশে লোক বেশি হচ্ছে : কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, খালেদা জিয়াকে আবারও জেলে পাঠানোর কথা বলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঠিক হয়নি। কারণ কারো উপকার করে তা বলতে হয় না। আপনার বাবা শুনলে (বঙ্গবন্ধু) রাগ করতেন, কষ্ট পেতেন।

দেশের বিভিন স্থানে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেওয়া ও গাড়ি বন্ধ করাও ঠিক হয়নি। গাড়ি চালু থাকলে যে লোক হতো গাড়ি বন্ধ করায় পায়ে হেঁটে সমাবেশে তার চেয়ে বেশি মানুষ হয়েছে। তাই এসব করে পার পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন কাদের সিদ্দিকী।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি দেশের মালিক নন সেবক।
শনিবার(৫ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচনই হয়নি। সবাই বলে সেটা ছিল ভোট চুরির নির্বাচন। আমার মেয়ে যদি নির্বাচিত হত তাহলে আমরাও হতাম ভোট চোরের দল। ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারাও চুরির ভোটে নির্বাচিত।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, আমরা ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম ড. কামালকে ভালো নেতা মনে করে। কিন্তু তিনি ভালো নেতা নন, ভালো মানুষ। অনেকেই ভাবছেন আমরা কোন দিকে যাব? আমাদের পথ হলো সিরাতুম মুস্তাকিম, আমরা আল্লাহর পথে আছি।

সভায় আবদুস ছবুরের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, নাসরিন সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলুয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, হাবিবুন্নবী সোহেল, এ টি এম সালেক হিটলু, সানোয়ার হোসেন, আবু জাহিদ রিপন, আলমগীর সিদ্দিকী, দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
গারোদের ঐতিহ্যগত আ’বিমা ওয়ানগালা উৎসব অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

গারোদের ঐতিহ্যগত আ’বিমা ওয়ানগালা উৎসব অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় গারোদের ওয়ানগালা উৎসব পালন করা হয়েছে । সাংসারেক কমিউনিটি বাংলাদেশ নামের একটি গারো সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে। দেশি-বিদেশি অতিথি ছাড়াও বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের অসংখ্য লোক সমাগমে মুখরিত হযে ওঠে এই উৎসব।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর)সকালে উপজেলার আমলীতলা ফুটবল মাঠে দিনব্যাপী আ.বিমা ওয়ানগালার বর্ণিল কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধক ছিলেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট) আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং।

পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ওয়ারি নকরেক মারাক।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন আরিফ, মধুপুর উপজেলা আওয়ালীগের সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, মধুপুর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি উইলিয়াম দাজেল, বিভিন্ন আদিবাসি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

এর আগে দিন শুরু হতেই মাঠের এক প্রান্তের সাজানো মঞ্চে খামাল (পুরোহিত) জলে মন্ত্র পড়ে ফুঁ দিয়ে জলকে পবিত্র করেন এবং ওই জল ভক্তদের উদ্দেশ্যে সিঞ্চন করে বলেন, এই পবিত্র জলের সংস্পর্শে যারা আসবে তারা যেন পবিত্র হয়ে উঠে, গ্রিক্কা, বিসাদিমদিমা, চাম্বিল মেসা, নকগাখা।

মধুপুর বনাঞ্চলের গারোদের সর্ববৃহত সামাজিক অনুষ্ঠান এই ওয়ানগালার আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ভারতের মেঘালয়ের ডা সুরাকা তুরা ব্যান্ড দলের সংগীত পরিবেশন।

এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করে সবুজ মাজি ,যাদু রিছিল ও ঢাকা কালচারাল গ্রুপের শিল্পীরা।

উৎসব উপলক্ষে মধুপুরের মেট্রো হসপিটালের সৌজন্যে একই মাঠে হেল্থ ক্যাম্প এ দিনব্যাপি দেয়া হবে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা।

প্রকাশ,ওয়ানগালা (ইংরেজি: Wangala) উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় অঙ্গরাজ্য ও বাংলাদেশে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাসকারী গারো জাতির লোকদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। এটি ওয়ান্ন নামেও পরিচিত। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে গারো পাহাড়ে এই উৎপব পালিত হয়।

আদিকাল থেকেই গারোদের বিশ্বাস, মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য তার প্রাকৃতিক যা কিছু সম্পদ সবই দেবতার সৃষ্টি এবং দান। দেবতা তাতারা পৃথিবী, সালজং পার্থিব ফসলাদি এবং সুষিমি রোগ নিরাময়কারী ও ঐশ্বর্য প্রদানকারী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২২ ০১:০৯:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।