/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলের ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে দুইশতাধিক অসুস্থ, বৃদ্ধার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে দুইশতাধিক অসুস্থ, বৃদ্ধার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গজিয়াবাড়ি গ্রামে ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে শিশুসহ দুইশতাধিক গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে রাহেলা বেগম (৯৪) নামে এক বৃদ্ধা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মো.আশরাফুল আলম ।

মৃত রাহেলা বেগম দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গজিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত বিষা চৌধুরীর স্ত্রী।

এতে বুধবার(১৬ নভেম্বর) ভোরে এলাকা জুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় আক্কাস মিঞার বাড়িতে এক ওয়াজ মাহফিলে আয়োজন করা হয়। ওয়াজ মাহফিল শেষে তোবারক হিসেবে রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাবুর্চি আব্দুল গণির রান্না করা খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন গজিয়াবাড়ী গ্রামের শিশুসহ দুুশতাধিক নারী পুরুষ। খবর পেয়ে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম গজিয়াবাড়ি গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।এছাড়া স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে আক্রান্তদেন দ্রুত চিকিৎসকদের জন্য ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিকের বাড়িতে আসতে বলা হচ্ছে।

আলেয়া নামের এক নারী জানান, ওয়াজ মাহফিলের খিচুড়ি খেয়ে তিনদিন ধরে গ্রামের শিশু, নারী-পুরুষ ডাইরিয়া আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বুধবার ভোরে অবস্থা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। অনেকেই বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছে।

আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, রবিবার রাতে খিচুড়ি খাওয়ার পর এখন পর্যন্ত গ্রামের শিশুসহ দুই শতাধিক নারী পুরুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রাহেলা বেগম নামে গজিয়াবাড়ি গ্রামের এক বৃদ্ধার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।

ডা: মো আশরাফুল আলম জানান, আক্রান্তদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ৩০ জনের অবস্থা আশংকাজনক। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দেলদুয়ার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রাহেলা বেগম নামে এক বৃদ্ধা মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২২ ০৬:০৬:পিএম ৩ বছর আগে
শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত: ওবায়দুল কাদের - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত: ওবায়দুল কাদের

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আজ জনগণকে সরকার পতনের উস্কানি দিচ্ছে। বিএনপি নেতারা ১৩ বছরে ১৩ মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি। শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত। আপনারা পারেননি বেগম জিয়ার জন্য একটা মিছিলও করতে।

সোমবার(৭ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে জেলা স্টেডিয়ামে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ১৩ বছরে পারেনি, এখন সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করবে, বিজয় মিছিল করবে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে ১০ ডিসেম্বর নাকি বিজয় মিছিল করবে। তারেক রহমানকে নাকি বিপ্লবের মাধ্যমে হঠাৎ ঢাকায় নিয়ে আসবে। এয়ারপোর্টে দাওয়াত দিচ্ছে। তারেক রহমান মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল আর রাজনীতি করবে না। হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। আসলে কী, হারানো হাওয়া ভবন ফিরে পেতে আজকে আন্দোলন চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ১০ ডিসেম্বর ডাক দিয়েছে। ঢাকা শহরে যদি আমরা ডাক দেই, বাইরের লোক লাগবে না। শেখ হাসিনা ডাক দিলে লাখ লাখ মানুষ হাজির হবে। আপনি দশ লাখ বলছেন, দশ লাখ করার ক্ষমতা আপনাদের নেই, চট্টগ্রামে প্রমাণ হয়ে গেছে। আমরাই লাখ লাখ লোকের জমায়েত করতে পারব। ঢাকা সিটির অলি-গলিও খালি থাকবে না।’

‘আমরা যদি রাজপথে অবস্থান নেই, ঢাকা শহরে বিএনপি পালাবার পথ পাবে? পালানোর দল আওয়ামী লীগ নয়। পালানোর দল হচ্ছে বিএনপি। খেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বাঁশের লাঠিতে পতাকা বেঁধে রাস্তায় নামবেন, খবর আছে। জাতীয় পতাকা বাঁশের লাঠিতে লাগাবেন, এটা আমরা হতে দেব না,’ তিনি যোগ করেন।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মির্জা আজম, শামছুন্নাহার চাপা।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেবার ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং জোয়াহেরুল ইসলামকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এবারও সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের বহাল রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৭:পিএম ৩ বছর আগে
দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সম্মেলন কাল - Ekotar Kantho

দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সম্মেলন কাল

একতার কণ্ঠঃ আগামী কাল সোমবার (৭ নভেম্বর)দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই সম্মেলনে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

ইতিমধ্য সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশিদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে টাঙ্গাইল জেলার সড়ক-মহাসড়ক, শহরের অলি-গলি, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সম্মেলন স্থানের আশপাশ। শহরের প্রধান প্রধান সড়কে শোভা পাচ্ছে তোরণ।

নেতা-কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় শহরের মুদি দোকান থেকে চা-স্টল পর্যন্ত সর্বত্রই সম্মেলন ঘিরে আলোচণা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

কারা পাচ্ছেন জেলার নতুন নেতৃত্ব- সেই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। কে হচ্ছেন ক্ষমতাসীন দলের জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। ইতোমধ্যে সভাপতি পদে তিনজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে চার জনের নাম শোনা যাচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য অনেকেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবির করছেন।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আতাউর রহমান খান এমপির নাম শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও নাহার আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরনের নাম আলোচনা হচ্ছে।

তবে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি পদ ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তারা দুজনেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবিরে অন্যদের চাইতে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন।

সম্মেলনকে ঘিরে জেলায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও টাঙ্গাইল শহরের সব সড়কে শতাধিক তোরণ তৈরির কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে তোরণ ও বিলবোর্ড লাগানো হচ্ছে। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের সমর্থনে স্থানীয় নেতাদের পোষ্টার, ব্যানার, ফেস্টুন সম্মেলন স্থল পর্যন্ত লাগানো হয়েছে।

নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে সম্মেলনে এক লাখ লোকের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সে লক্ষে সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী সম্মেলনের দুই পর্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। এরমধ্যে মাথাপিছু ২৭০ টাকা হিসেবে এক লাখ নেতাকর্মীর খাবার ও তিন লাখ টাকা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যয় হিসেবে বাকি টাকা মঞ্চ ও আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে ধরা হয়।

কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতারা সময় দিতে না পারায় সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা উস্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়।
তারা মনে করেন, ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলনে সম্মানিত ডেলিগেট ও কাউন্সিলররা একবেলা খাবার পাবেন না- এটা দলের স্থানীয় নেতাদের দেউলিয়াত্বের পরিচায়ক।

এদিকে, জেলার ১২টি উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলন শেষ করা হলেও অধিকাংশ ইউনিটেরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ৩-৪টি পদের বিপরীতে নেতাদের নাম ঘোষণা দিয়ে সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। এজন্য দলের জেলা সম্মেলনে কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অধিকাংশ উপজেলা সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না করায় স্থানীয় নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

দলীয় সূত্রে জানাগেছে, সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান এমপি, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবউল-আলম-হানিফ এমপি, ডা. দীপু মনি এমপি। প্রধান বক্তা থাকবেন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।

বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আবদুস সালাম গোলাপ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু এমপি ও আলহাজ মো. সাঈদ খোকন।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত সম্মতি দিয়েছেন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে টাঙ্গাইলের ১০টি সাংগঠনিক ইউনিটের অধীনে সব ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা সম্মেলন করা হয়েছে। যদিও ২-১টা উপজেলার সম্মেলন এখনও করা সম্ভব হয়নি- এটা জেলা সম্মেলনে কোন প্রভাব ফেলবেনা। এছাড়া সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক সভাপতিত্ব করবেন। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপির সঞ্চালনায় সম্মেলনে জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।

সম্মেলন শেষে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা আ. লীগের সম্মেলন সোমবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা আ. লীগের সম্মেলন সোমবার

একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর সোমবার (৭ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। শহরে প্রবেশের রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় শতাধিক তোরণ।

টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম মাঠে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে জেলাব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি, আর কে হচ্ছেন সম্পাদক—এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক করতে ইতিমধ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে বিভিন্ন উপজেলায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, শাহজান খান, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিক্ষা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ফজলুর রহমান ফারুককে সভাপতি, জোয়াহের ইসলাম জোয়াহেরকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হলেও কোনো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক একুশে পদক পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবারও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি মুরুব্বির স্থান দখল করে আছেন। তাই সভাপতি হিসেবে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এবারও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত।

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তামান সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের ও যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি বলেন, “দীর্ঘ দিনের এই রাজনৈতিক পরিক্রমায় জেলার প্রত্যেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গত সম্মেলনেও আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। এবারও প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি দল আমার মূল্যায়ন করবে।”

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের বলেন, “স্মরণকালের সবচেয়ে সফল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে সুসংগঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতীতেও দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রেখে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাসমুক্ত রেখেছি। দলকে আরও সুসংগঠিত করে আগামী দিনে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনকে প্রতিহত করা হবে।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৭:পিএম ৩ বছর আগে
সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে সব ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তা অনেকের কাছে ভালো লাগে না। রাজাকার, আলবদর, জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও বিএনপি দেশের উন্নয়ন দেখতে চায় না, বরং দেশকে ব্যর্থ দেখতে চায়। সে জন্য, তারা আন্দোলন করে, ষড়যন্ত্র করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, সরকারের পতন ঘটাতে চাচ্ছে।

জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে শনিবার(৫ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলন–সংগ্রামের নামে ২০১৪ সালের মতো সহিংসতা করতে চাইলে বিএনপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

সমবায়ের শক্তিকে দেশ গঠনের কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সমবায়ের বিরাট শক্তি রয়েছে। এর সম্ভাবনা অনেক, তবে চ্যালেঞ্জও অনেক। সমবায়ভিত্তিক উৎপাদনব্যবস্থা চালু করতে পারলে দেশে কৃষি উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু সমবায়ের সমস্যা হলো, যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয় বা ‘ম্যানেজার’ হয়, সে–ই দুর্নীতি করে। দেশের অনেক সমবায় প্রতিষ্ঠান ভালো নেতৃত্বের অভাবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন।

এতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল গফুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
বাধা দেওয়ায় বিএনপির সমাবেশে লোক বেশি হচ্ছে : কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বাধা দেওয়ায় বিএনপির সমাবেশে লোক বেশি হচ্ছে : কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, খালেদা জিয়াকে আবারও জেলে পাঠানোর কথা বলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঠিক হয়নি। কারণ কারো উপকার করে তা বলতে হয় না। আপনার বাবা শুনলে (বঙ্গবন্ধু) রাগ করতেন, কষ্ট পেতেন।

দেশের বিভিন স্থানে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেওয়া ও গাড়ি বন্ধ করাও ঠিক হয়নি। গাড়ি চালু থাকলে যে লোক হতো গাড়ি বন্ধ করায় পায়ে হেঁটে সমাবেশে তার চেয়ে বেশি মানুষ হয়েছে। তাই এসব করে পার পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন কাদের সিদ্দিকী।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি দেশের মালিক নন সেবক।
শনিবার(৫ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচনই হয়নি। সবাই বলে সেটা ছিল ভোট চুরির নির্বাচন। আমার মেয়ে যদি নির্বাচিত হত তাহলে আমরাও হতাম ভোট চোরের দল। ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারাও চুরির ভোটে নির্বাচিত।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, আমরা ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম ড. কামালকে ভালো নেতা মনে করে। কিন্তু তিনি ভালো নেতা নন, ভালো মানুষ। অনেকেই ভাবছেন আমরা কোন দিকে যাব? আমাদের পথ হলো সিরাতুম মুস্তাকিম, আমরা আল্লাহর পথে আছি।

সভায় আবদুস ছবুরের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, নাসরিন সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলুয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, হাবিবুন্নবী সোহেল, এ টি এম সালেক হিটলু, সানোয়ার হোসেন, আবু জাহিদ রিপন, আলমগীর সিদ্দিকী, দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৪:পিএম ৩ বছর আগে
গারোদের ঐতিহ্যগত আ’বিমা ওয়ানগালা উৎসব অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

গারোদের ঐতিহ্যগত আ’বিমা ওয়ানগালা উৎসব অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় গারোদের ওয়ানগালা উৎসব পালন করা হয়েছে । সাংসারেক কমিউনিটি বাংলাদেশ নামের একটি গারো সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে। দেশি-বিদেশি অতিথি ছাড়াও বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের অসংখ্য লোক সমাগমে মুখরিত হযে ওঠে এই উৎসব।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর)সকালে উপজেলার আমলীতলা ফুটবল মাঠে দিনব্যাপী আ.বিমা ওয়ানগালার বর্ণিল কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধক ছিলেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট) আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং।

পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ওয়ারি নকরেক মারাক।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন আরিফ, মধুপুর উপজেলা আওয়ালীগের সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, মধুপুর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি উইলিয়াম দাজেল, বিভিন্ন আদিবাসি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

এর আগে দিন শুরু হতেই মাঠের এক প্রান্তের সাজানো মঞ্চে খামাল (পুরোহিত) জলে মন্ত্র পড়ে ফুঁ দিয়ে জলকে পবিত্র করেন এবং ওই জল ভক্তদের উদ্দেশ্যে সিঞ্চন করে বলেন, এই পবিত্র জলের সংস্পর্শে যারা আসবে তারা যেন পবিত্র হয়ে উঠে, গ্রিক্কা, বিসাদিমদিমা, চাম্বিল মেসা, নকগাখা।

মধুপুর বনাঞ্চলের গারোদের সর্ববৃহত সামাজিক অনুষ্ঠান এই ওয়ানগালার আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ভারতের মেঘালয়ের ডা সুরাকা তুরা ব্যান্ড দলের সংগীত পরিবেশন।

এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করে সবুজ মাজি ,যাদু রিছিল ও ঢাকা কালচারাল গ্রুপের শিল্পীরা।

উৎসব উপলক্ষে মধুপুরের মেট্রো হসপিটালের সৌজন্যে একই মাঠে হেল্থ ক্যাম্প এ দিনব্যাপি দেয়া হবে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা।

প্রকাশ,ওয়ানগালা (ইংরেজি: Wangala) উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় অঙ্গরাজ্য ও বাংলাদেশে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাসকারী গারো জাতির লোকদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। এটি ওয়ান্ন নামেও পরিচিত। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে গারো পাহাড়ে এই উৎপব পালিত হয়।

আদিকাল থেকেই গারোদের বিশ্বাস, মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য তার প্রাকৃতিক যা কিছু সম্পদ সবই দেবতার সৃষ্টি এবং দান। দেবতা তাতারা পৃথিবী, সালজং পার্থিব ফসলাদি এবং সুষিমি রোগ নিরাময়কারী ও ঐশ্বর্য প্রদানকারী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২২ ০১:০৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ

একতার কণ্ঠঃ হাসানুজ্জামিল শাহীন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও ফরহাদ ইকবাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) জেলা বিএনপির সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলররা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।

রাত নয়টায় ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি পদে হাসানুজ্জামিল ১ হাজার ৩৮২ ভোট পেয়েছেন।
তাঁর অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আলী ইমাম তপন ৫৮৭ ভোট ও ছাইদুল হক ৭৭ ভোট পান।

সাধারণ সম্পাদক পদে ফরহাদ ইকবাল ১ হাজার ২৬০ ভোট এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদুল হক সানু ৭৯১ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনে ২ হাজার ১১৫ জন কাউন্সিলর ভোট দেন। মোট ভোটার ছিলেন ২ হাজার ৩২৩ জন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে শহরের পশ্চিম আকুর টাকুরপাড়া ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ফকরি মাহবুব আনাম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন প্রমুখ।
এতে লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

প্রায় ১৩ বছর পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলো। সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৯ সালে। এরপর তিন দফা দলটির জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে সম্মেলন ছাড়া।

সর্বশেষ গত ৩ আগস্ট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি সব উপজেলা ও পৌরসভার সম্মেলন শেষ করে জেলা সম্মেলনের আয়োজন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. নভেম্বর ২০২২ ০৫:২৫:এএম ৩ বছর আগে
বড় কোন ধরনের দুর্যোগ না হলে, খাদ্য সংকটে পড়বে না বাংলাদেশ :কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বড় কোন ধরনের দুর্যোগ না হলে, খাদ্য সংকটে পড়বে না বাংলাদেশ :কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হবে না। যথেষ্ট খাদ্য মজুদ রয়েছে। বাংলাদেশে বড় কোন ধরনের দুর্যোগ না হলে, আমরা খাদ্য সংকটের মধ্যে পড়বো না। সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের পূর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, বিএনপি ২০১৫ সালে ৯০ দিনের হরতাল দিয়েছিলো। তখন যেভাবে ঘরে ঢুকিয়েছিলাম, আগামী দিনেও সেভাবে যেতে হবে। রাজপথ তাদের কাছে থাকবে না। রাজপথ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। এখনো আছে, আগামীতেও থাকবে।

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, দেশের আইনশৃঙ্খলা, মানুষের জীবন রক্ষার্থে পুলিশ থাকতে হবে। পুলিশ থাকবেনা এমনটা হয়? তারা রেল লাইন উপড়ে ফেলবে, আগুন দিবে, জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারবে আর পুলিশ চুপ করে বসে থাকবে, তা হয়না।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।

এর আগে বৃষ্টি বিঘ্নিত আয়োজন স্থলে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৪৮:পিএম ৪ বছর আগে
সাংবাদিকরা নিউজের সোর্স প্রকাশে বাধ্য নয়: হাইকোর্ট - Ekotar Kantho

সাংবাদিকরা নিউজের সোর্স প্রকাশে বাধ্য নয়: হাইকোর্ট

একতার কণ্ঠঃ কোনও সাংবাদিক তার নিউজের তথ্যের সোর্স কারও কাছে প্রকাশ করতে বাধ্য নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার (২৩ অক্টোবর) রাষ্ট্র বনাম দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর ৫১ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনায় আমাদের মতামত হলো, সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকরা সাংবিধানিকভাবে এবং আইনত দুর্নীতি এবং দুর্নীতিকারীদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন।’

আদালত আরও বলেন, ‘এই মামলার শুনানি পর্যালোচনা করে এটাই প্রতীয়মান যে কোনও সাংবাদিক তার নিউজের তথ্যের সোর্স কারও কাছে প্রকাশ করতে বাধ্য নয়। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলে দেওয়া আছে। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, এটা গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে উল্লেখ করেন আদালত। পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, ‘আধুনিক বিশ্বে জানার অধিকার সবারই আছে। গণমাধ্যমের কাজ হলো জনগণকে সজাগ করা। বর্তমান সময়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ছে। আর এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

তবে ‘হলুদ সাংবাদিকতা গ্রহণযোগ্য ও সমর্থনযোগ্য নয়’ বলেও মন্তব্য করেন হাইকোর্ট। আদালত তার রায়ে বলেন, ‘সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গণমাধ্যমের মনোযোগী হওয়া উচিত। জনস্বার্থে দুর্নীতি, অর্থপাচারসহ অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশে আইন সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২২ ০১:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
নতুন ডিএমপি কমিশনার হলেন খন্দকার গোলাম ফারুক - Ekotar Kantho

নতুন ডিএমপি কমিশনার হলেন খন্দকার গোলাম ফারুক

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেলেন পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার গোলাম ফারুক।

রবিবার (২৩ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব হারুন-অর-রশীদ।

অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার গোলাম ফারুক পুলিশের ১২তম বিসিএস কর্মকর্তা। তাকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর অতিরিক্ত আইজিপি গ্রেড-২ পদে পদায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ঝালকাঠি ও ঠাকুরগাঁও জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

খন্দকার গোলাম ফারুক ১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ঘাটানদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২২ ০৮:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (২২ অক্টোবর) সকালে শহরের আশেকপুর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

র‌্যালিটি গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের নগরজলফৈ এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক মো. আলতাব হোসেন, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি প্রমুখ।

জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসেম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ, নিরাপদ সড়ক চাইসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২২ ০১:২৬:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।