একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সরকার নির্ধারিত ও প্রস্তাবিত ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ মধুপুরে স্থানান্তরের প্রতিবাদে ১৫ কিমি এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি।
রোববার (২২ মে) সকালে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর থেকে দেওলাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিমি এলাকাজুড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ একযোগে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ২০১৯ সালের ২৫ জুন ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বরে ১২ দশমিক ৭৭ একর জমিতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের জন্য জমির লিজ হিসেবে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করে ভূমি মন্ত্রণালয়। পরে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর জমির নির্ধারিত প্রতীকী মূল্য পরিশোধ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমিটি হস্তান্তর করেন। লিজ দলিল সম্পাদন প্রক্রিয়ায় গ্রহীতা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে দলিলে স্বাক্ষর করেন।
বক্তারা বলেন, এই উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানটি মুজিববর্ষে তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি উপহার। জেলা প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘাটাইলের এই স্থানটি নির্ধারণ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়।
‘পরবর্তীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে আইটি সেন্টারটি ঘাটাইল থেকে মধুপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
পুনরায় ঘাটাইলেই আইটি সেন্টারটি বাস্তবায়নের দাবি জানান বক্তারা। অতি দ্রুত পুনরায় আইটি সেন্টারটি ঘাটাইলে স্থানান্তর করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ-দুর্নীতির অভিযোগ এনে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী বাজার এলাকায় ঘণ্টা ব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন- সাগরদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা সামছ উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, হাবিবুল্লাহ বাহার, ইউপি সদস্য ওয়াজেদ সিকদার, মো. ফরহাদ আলী, গ্রাম পুলিশ লাল মিয়াসহ অন্যরা।
এ সময় বক্তারা জানান, ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি খাসজমি দখল করে সুবিধাভোগ, ভর্তুকি দিয়ে রেশনের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ সময় সাগরদিঘী ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক বিক্ষোভকারী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সরকার নির্ধারিত ও প্রস্তাবিত ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ মধুপুরে স্থানান্তরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি এ সম্মেলনের আয়োজন করে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি সদস্য সচিব আতিকুর রহমান আতিক।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২৫ জুন ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বরে ১২.৭৭ একর জমিতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে জন্য জমির লিজ হিসেবে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করেন ভ‚মি মন্ত্রনালয়। পরে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর জমির নির্ধারিত প্রতিকী মূল্য পরিশোধ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ ফেব্রæয়ারি সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমিটি হস্তান্তর করেন। লিজ দলিল সম্পাদন প্রক্রিয়ায় গ্রহীতা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে দলিলে স্বাক্ষর করেন। ঘাটাইলের জনগন মনে করে, এই উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানটি মুজিব বর্ষে তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি উপহার। জেলা প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘাটাইলের এই স্থানটি নির্ধারণ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রীর বরারব পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে, তারা ঘাটাইল থেকে মধুপুরের স্থানান্তেরর বিষয়টি অবগত করেন। আইটি সেন্টারটি অন্য উপজেলায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলে ঘাটাইলবাসী এর প্রতিবাদ করে মিছিল, মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর করে স্মারকলিপি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় পাঠানো হয়।
তিনি আরো বলেন, পরে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে টাঙ্গাইলের একাধিক উপজেলার জায়গা পরিদর্শন করেন। একই সাথে ঘাটাইল উপজেলার বর্তমান বরাদ্দকৃত জমিটি যথোপোযুক্ত বলে নির্ধারণ করেন। যার ধারাবাহিকতায় জমি হস্তান্ত সংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
কিন্তু সম্প্রতি একনেক সভায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে আইটি সেন্টারটি ঘাটাইল থেকে মধুপুরে স্থানান্তর করা হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা অতিদ্রæতই পূনরায় ঘাটাইলেই আইটি সেন্টারটি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি। কৃষিমন্ত্রী তার নিজ এলাকায় আলাদাভাবে আইটি সেন্টার স্থাপন করুন, এতে আমাদের কোন বাঁধা নেই। কিন্তু ঘাটাইলের নির্ধারিত আইটি সেন্টার বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। আগামী রোববার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করা হবে। আমি এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি আহবায়ক জুলফিকার হায়দার, যুগ্ম-আহবায়ক ও জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান মিয়া, উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান কাজী আরজু, বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন খান, আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।
একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকের মজুরির টাকা কৌশলে নিজের পকেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত হেকমত সিকদার উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার ২০২১- ২০২২ অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। আর এই প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে। ৪০ দিনের এই প্রকল্পে গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র লোকজনের কাজ করার কথা থাকলেও তা করানো হয়নি। শ্রমিক নয়, বরং মাটি কাটার ভেকু দিয়ে নামমাত্র কাজ করিয়েছেন তিনি। নিজের লোকদের মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।
আরও জানা গেছে,প্রকল্পের এই কাজে সাগরদীঘি ইউনিয়নের জন্য ১৩ লাখ ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ৪০ দিনের ওই প্রকল্পে গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র লোকজনের কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে নাম রয়েছে স্বচ্ছল ব্যক্তিদের। কলেজের শিক্ষক থেকে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটরের নাম সেই তালিকায়। এমনকি সিঙ্গাপুর ফেরত জোড়দিঘী এলাকার যুবলীগের নেতা মেহের আলীর নাম রয়েছে ওই তালিকায়। ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৮১ জন ব্যাক্তির নাম এই কর্মসূচির তালিকায় রয়েছে। তাদের একাংশের মোবাইল সিমকার্ডসহ তাদের পিন কোড কৌশলে হাতিয়ে নেন চেয়ারম্যান। পরে ওই ভুক্তভুগীরা টাকা এবং সিমকার্ড কোনোটিই ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেন। এ কর্মসূচির আওতায় শ্রমিক দিয়ে কোনো কাজ হয়নি বলেও জানা যায়।
ভুক্তভোগী মেহের আলী জানান, আমার নাম তালিকায় থাকলেও আমি কোনো টাকা পাইনি। ওই কর্মসূচির তালিকায় থাকা কামালপুর ওয়ার্ডের আনোয়ারা, নার্গিজ, খাদিজা আক্তার এবং আব্দুর রহিম মিয়ার সঙ্গেও কথা হয়। তারা জানান, যাচাই-বাছাই করার কথা বলে হেকমত চেয়ারম্যান আমাদের বিকাশের পিনকোডসহ সিমকার্ড নিয়ে যায়। পরে সিমকার্ড ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করেন। এসব ভুক্তভুগীরা প্রকল্পের কোনো প্রকার টাকা পাননি বলেও জানান।
পাগাড়িয়া জালালপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিক মিয়ার বলেন, চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার আমাকে ৯টি শ্রমিকের নামের মধ্যে ৩টি নাম দিতে বলেন। বাকি ৬টি চেয়ারম্যানের লোকদের দিবে বলে জানিয়ে দেন। আমার এলাকায় শ্রমিক দিয়ে এই প্রকল্পের কোনো কাজ করা হয়নি।
ওই ইউনিয়নের আরেক ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী বলেন, আমার ৭নং ওয়ার্ডে প্রকল্পের কোনো কাজ হয়নি। সম্পূর্ণ টাকা চেয়ারম্যান তার লোকজন নিয়ে ভাগাভাগি করে খেয়েছেন।
এ বিষয়ে সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার জানান, এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
এ বিষয়ে ভুক্তভুগীদের পক্ষে ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ লাল মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, শ্রমিকদের নামের তালিকা করেছে স্থানীয় মেম্বাররা। সেখানে কোনো অনিয়ম হলে শ্রমিকদের বিল দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনীয়া চৌধুরী জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় বাদল মিয়া নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৫ মে) ভোরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বাদল মিয়া বানিয়াবাড়ি গ্রামের নওজেশ মিয়ার ছেলে।
ঘাটাইল থানার এসআই সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভোরে ফজর নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশ ধরে হাঁটছিলেন বাদল।এ সময় একটি দ্রুতগামী পিকআপভ্যান তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে স্বজনরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়। মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না- এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের ঘাটাইলেও ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দেওয়া হয়। সেই ঘরগুলো বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এ ছাড়াও পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সমস্যাসহ রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। ফলে ঘরগুলো দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।
উপজেলার গৌরিশ্বর এলাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪৪টি ঘর রয়েছে। ঘর নির্মাণের কিছুদিন না যেতেই বেশির ভাগ ঘরগুলোতে দেখা দেয় ফাটল। পরে সেই সময় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই বর্তমানে আবারও ঘরগুলোতে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। খসে পড়ছে ঘরের পলেস্তা। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারগুল।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এমন দশা হয়েছে।
এদিকে গণমাধ্যমের খবরে তড়িঘড়ি করে ফাটল মেরামতের কাজে হাত দেয় উপজেলা প্রশাসন। তবে এমন কাজে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ২৭৬টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৌরিশ্বর এলাকায় ভূমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৪টি ঘর। বর্তমানে বেশিরভাগ ঘরে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে পলেস্তার। ঝড় আসলে আতঙ্কে দিন কাটে বাসিন্দাদের। এতে করে যেকোনও সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা।
উপজেলার গৌরিশ্বর আশ্রয় প্রকল্প কেন্দ্রের ১ নম্বর ঘরের মাজেদা, ৫ নম্বর ঘরের পারভিন, ৬ নম্বর ঘরের শিল্পী ও ১১ নম্বর ঘরের বাসিন্দা লিজাসহ আরও অনেকে বলেন, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আমরা অনেক খুশি। কিন্তু ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। পলেস্তার খসে খসে পড়ছে। ঝড়ের সময় শিশু সন্তান নিয়ে আতঙ্কে দিন পার করতে হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, যে খুশিতে ঘরে উঠছিলাম তা আতঙ্কে রূপ নিয়েছে। মাঝে মধ্যে ফাটল মেরামত না করে স্থায়ী মেরামত ও ঘর পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। আশ্রয়ন প্রকল্পে রাস্তার সমস্যা। আশেপাশে কোনও মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। অনেক দূরবর্তি স্থানে স্কুলে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে যেত হয়। এতে আমাদের সংসারে কাজের ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, মাটির কারণে কয়েকটি ঘরে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারদের বলে তা মেরামত করে দেওয়া হবে।
ঘর নির্মাণে আগে মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গুলিতে মো. শাহজাহান মিয়া নামের এক ধানকাটা শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহত শাহজাহানকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মে) সকালে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের কাগমারি বৈলতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শাহজাহান কুরমুশি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কাগমারি বৈলতৈল গ্রামের আব্দুল কাদেরের পৈত্রিক ২৫ শতাংশ জমি কেনেন আব্দুল কাদেরের বন্ধু হাসেম আলী। কিন্তু জমির দলিল না করায় জমির মালিকানা দাবি করেন আব্দুল কাদেরের ভাই ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব। হাসেম আলী মারা গেলে ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করছিলেন তার স্ত্রী মাজেদা বেগম। মঙ্গলবার সকালে মাজেদা বেগম ৮জন শ্রমিক নিয়ে ওই জমিতে ধান কাটতে যান। এ সময় সোহরাব তার কাছে থাকা একনালা বন্দুক (এসবিবিএল) দিয়ে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এতে ধান কাটা শ্রমিক শাহজাহান ডান হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গুলিবিদ্ধ শাহজাহান জানান, তিনিসহ ৮ জন শ্রমিক আট হাজার টাকা চুক্তিতে সকালে ধান কাটতে যান। ধান কাটা শেষের দিকে সোরহাব তিনটি গুলি করলে দুটি গুলি তার শরীরে লাগে। এ ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত সোরহাবের শাস্তি দাবি করেন।
মাজেদা বেগম জানান, সোহরাবের ভাই আব্দুল কাদেরের কাছ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে জমি কিনে চাষাবাদ করছিলেন তারা। কিন্তু জমির এখনো দলিল হয়নি। যার কাছ থেকে জমি কিনেছি তিনি মারা যাওয়ায় তার ভাই জমি দলিল করে দিচ্ছে না। জমিতে রোপনকৃত ধান কাটতে ৮জন শ্রমিককে চুক্তি দিয়েছিলাম। কিন্তু সোহরাব বন্দুক দিয়ে শ্রমিকদের গুলি করেন। তিনবার গুলির শব্দ পাই।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, ‘সোহরাব তার লাইসেন্স করা শর্টগান দিয়ে গুলি চালান। এতে একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তদন্ত করে এই ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্যদের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার দিয়ে প্রতারণা চালানো চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১২এর সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা (কুমুদিনী কলেজগেট) এলাকার নওশীন ফটোকপি এন্ড কম্পিউটার দোকান ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শোয়েব খান (৩০) ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন খানের ছেলে।
মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রেসবিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , গ্রেফতারকৃত আসামী বহুদিন ধরে তার তৈরী বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২৭টি বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর, জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ২০টি ডিও লেটার এবং বিভিন্ন লোকজনদের ৮০টি নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত প্রতারক সাক্ষীদের সম্মুখে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে বহুদিন ধরে তার তৈরী উল্লেখিত সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে প্রতারনার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
তার বিরুদ্ধের টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কোচ জাতির ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ, র্যালী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার
শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের আয়োজনে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম।
বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সন্ন্যাসী রমেশ কুমার কোচের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত,ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষক বিভাগের পরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, মনিন্দ্র কুমার কোচ, বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কোচ রুবেল মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ চন্দ্র কোচ, কোচ গৌরাঙ্গ ঠাকুর, লিটন সরকার সুশান্ত, গোপাল চন্দ্র কোচ,আল্পনা রাণী কোচসহ কোচ আদিবাসী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে সাগরদিঘী বাজার প্রদক্ষিন করে।সমাবেশ থেকে কোচ আদিবাসীদের উন্নয়নে ১২ দফা দাবী তুলে ধরা হয়। দাবীগুলো হলো, সম্ভ্রমহীনা নারীদের পুর্ণবাসনসহ সার্বিক দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে । জন্ম থেকে প্রাপ্ত বয়স পর্যস্ত আদিবাসী ছেলে-মেয়েদের সকল দায় দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে ।
ডিজিটাল কোচ কালচার একাডেমী প্রতিষ্ঠান গঠন করতে হবে । কোচ জাতীর ছাত্র – ছাত্রীদের সরকারী খরচে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ দান করতে হবে। আদিবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আদিবাসী এলাকা গুলোতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করতে হবে । আদিবাসীদের আদিবাসী নামে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে ।
সংখ্যালঘু আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটে আর্ন্তভূক্ত ও স্বীকৃতি দিতে হবে । আদিবাসীদের সুরক্ষায় আদিবাসী আধিকার আইন প্রণয়ন করতে হবে । ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটে আদিবাসীদের জন্য সকল মন্ত্রনালয়ে সম বরাদ্ধ দিতে হবে ।
সমতল আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি মন্ত্রনালয় ও ভূমি কমিশনসহ ভূমি থেকে জোড় পূর্বক উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে । রাজবংশীসহ বাদ পড়া আদিবাসীদের গেজেটে অর্ন্তভূক্ত করতে হবে । জাতীয় সংসদে আদিবাসীদের সংরক্ষিত আসন দিতে হবে । মধুপুরে আদিবাসী এলাকায় লেক খনন বন্ধ করতে হবে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কলা বোঝাই একটি ট্রাকের ধাক্কায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমান (৭০) নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের বেইলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন বেইলা-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ
নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমান উপজেলার বেইলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আকন্দের বাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০০৮ সালে শিক্ষকতা থেকে অবসরে যান ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বাড়ি থেকে অটোভ্যান যোগে বেইলা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে সাগরদিঘী বাজারে যাচ্ছিলেন। কিছু দূর গেলে বেইলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে আসা একটি কলাবাহী ট্রাক তার অটোভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুরুজ্জামান মিয়া গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে সাগরদিঘী বাজারে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেছে সাগদিঘী পুলিশ ফাঁড়ি । তবে চালক পলাতক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপীনপুর বটতলী গ্রামের তিন যুবকের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে গণধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ
এ ঘটনায় টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদালতে ২৯ মার্চ তিনজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হচ্ছে, ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহরগোপীনপুরের বটতলী গ্রামের মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৭), একই এলাকার মো. হুমায়ুন কবীরের ছেলে মো. মনির মিয়া (২২) ও মোন্নাফ আলীর ছেলে মো. সাগর মিয়া (২১)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নে এক গৃহবধুকে দীর্ঘদিন যাবৎ উল্লেখিত ব্যক্তিরা কুপ্রস্তাব দিতো। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে অপহরণ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারন করেন।
এ ঘটনা গৃহবধূ তার স্বামীকে জানালে সেই আক্রোশে মার্চ মাসের ২১ তারিখে রাতে বসতঘরে ঢুকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে গৃহবধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় গৃহবধূর মামা মো. আাব্দুল হানিফ জানান, ধর্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিভিন্ন সময় দালালদের মাধ্যমে মামলা মিমাংসার প্রস্তাবসহ হুমকি দিয়ে আসছেন।
ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম জানান, ঘটনার বিষয়টি আমি জানি। অভিযুক্তরা ইতিপুর্বেও এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।
এসময় তিনি আরো জানান, তারা এতোটাই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই ট্রাকে বহনকারী বিপুল পরিমান গজারী কাঠসহ ট্রাকের চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করেছে বন বিভাগ। বুধবার( ৩০ মার্চ) ভোরে সাগরদিঘী-হাটুভাঙ্গা গোড়াই সড়কের বোয়ালী ও মির্জাপুর-কামালপুর সড়কের কামালপুর এলাকায় টহলকালে গজারি কাঠ ও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, ঘাটাইলের সাগরদিঘী গ্রামের মৃত আ. কাদেরের ছেলে ট্রাক চালক মো. সেলিম ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আনুহাতি গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে ট্রাকের হেলপার মো. জুলহাস।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি’র গণ অনশন কর্মসুচী পালন
টাঙ্গাইল সদর রেঞ্জার মো. এমরান আলী জানান, ভোর রাত ৩ টায় মির্জাপুর-কামালপুর সড়কের উয়ার্সী এলাকায় টহলকালে গজারী বল্লী ভর্তি একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো- ট-১৫-৪৯২৭) থামাতে বললে চালক ট্রাকটি না থামিয়ে চলে যায়। পরে ওই ট্রাকের পিছু নিলে ট্রাকটি কামালপুর এলাকায় রাস্তার উপর রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। পরে ওই ট্রাক থেকে ২১০ টি গজারী বল্লী জব্দ করা হয়। এ সব গজারী বল্লীর কোন বৈধ কাগজপত্র ও কাঠের গায়ে কোন বৈধ হাতুড়ীর চিহ্ন নেই।
তিনি আরো জানান, অপর দিকে ভোর ৬ টায় বোয়ালী এলাকায় অপর একটি ট্রাককে (ঢাকা মেট্রো ট-২০-৮২৬৬) থামানোর সংকেত দেয়া হয়। ট্রাকটি না থামিয়ে চালক সামনের দিকে অগ্রসর হয়। পরে ট্রাকের পিছু নিয়ে ট্রাকটির গতি রোধ করে থামানো হয়। পরে ওই ট্রাকে থাকা ৬৫ টুকরা গজারি কাঠের কোন কাগজপত্র না থাকায় চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়। এছাড়াও কাঠ গুলো জব্দ করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়।