একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ১নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাকুটিয়া বটতলী নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন আরও দুইজন। রবিবার (১৪ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।
এ ঘটনায় নিহতরা হলেন রক্তিপাড়া নয়াবাড়ি গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে সাইদুর রহমান (৪৫) এবং গাংগাইর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর মেয়ে নাছিমা বেগম (৪৫)।
মারাত্মক আহত দুইজন হলেন গাংগাইর বেকারকোনা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ভ্যান চালক আব্দুল মালেক (৩০) এবং গাংগাইর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আমান আলীর ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫)।
স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ধনবাড়িগামী বিনিময় পরিবহনের দুটিবাস নিয়ন্ত্রনহীন গতিতে যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি পাকুটিয়া বাজার সংলগ্ন বটতলীতে পৌছালে একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটো ভ্যানকে চাপা দেয়। এসময় ভ্যানের যাত্রীরা রাস্তার পাশে পড়ে গেলে হাত, পা ও শরীরের উপর দিয়েই গাড়িটি চালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের স্বজনরা জানান, নিহতদের এক আত্মীয় মধুপুর ইব্রাহীমের দোকান থেকে ২৭ লাখ দশ হাজার টাকা চুরি হয়। ওই টাকা উদ্ধারের উপায় খুঁজতে ঘাটাইল উপজেলার কোন এক কবিরাজের কাছে যায়। সেখান থেকে গভীর রাতে অটোভ্যান যোগে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহত ভ্যানচালক মালেক মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রুবেল মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। দু’জনের মধ্যে ভ্যানচালক আব্দুল মালেকের দুটি পা শরীর থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং রুবেলের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শিরা।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংবাদ পেয়ে আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে । দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আইনপুর গ্রাম থেকে রোকেয়া বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ।মঙ্গলবার(৯ নভেম্বর) রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রোকেয়া উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের আইনপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের স্ত্রী।মঙ্গলবার স্বামী সাংসারিক কাজে বাহিরে থাকায় রোকেয়া একাই বাড়িতে ছিল। তার স্বামী সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে বসত ঘরের ধর্নার সাথে রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় রোকেয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের মেয়ে লিপি বলেন, তার মায়ের কিছুটা মানসিক সম্যসা ছিল।তবে গলায় ফাঁস দিয়ে মা এভাবে বিদায় নিব তা কখনও ভাবি নাই।
ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানায়, গৃহবধূর নিজ গৃহ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বলা যাবে ঘটনাটি হত্যা বা আত্মহত্যা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী তিন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সোমবার (০৮ নভেম্বর) ধলাপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া।
নিহতরা হলেন, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ঝাইপাটা গ্রামের মৃত. সমির উদ্দিনের ছেলে শরীফ, একই গ্রামের শাহজালালের ছেলে আবু বক্কর ও মৃত. রমজান আলীর ছেলে শাহীন। এরা তিনজন ধলাপাড়া এস.ইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী একটি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তাদের মোটরসাইকেলটি অভার স্পীডের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছে। এসময় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে গেছে। পরে নিহতদের স্বজনরা এসে তাদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারপাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বাড়ি থেকে শনিবার(৩০ অক্টোবর) দুই নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।
তাৎক্ষণিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের নবাগত পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় আমরা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার ও তার শাশুড়ি জমেলা বেগমকে হত্যার পর পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।’
ওই সময় কাশতলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসতঘর থেকে তার স্ত্রী সুমি আক্তার(২৫), জয়েন উদ্দিনের মা জমেলা বেগম(৫৫) এবং পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ইসলাম সোহাগের(৩০) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় জয়েন উদ্দিনের চার বছরের ছেলে সাফিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুমি আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক শাহ জালালের বাড়ি কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া এলাকায়। তিনি সাতুটিয়ার সোহরাব আলীর ছেলে।
গৃহবধূ সুমি আক্তার ঘাটাইলের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া সুতার বাড়ির জিন্নত আলীর মেয়ে। সুমি ও শাহ জালালের লাশ প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসত ঘরের বিছানার ওপর এবং জমেলা বেগমের লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। তিন জনের লাশ উদ্ধার হওয়া বসত ঘরের দেয়ালে নিহতদের রক্ত দিয়ে বার্তা লেখা ছিল- ‘এমনটা হত না যদি আমার সুমী আমার কাছে থাকত, এই সবকিছুর জন্য সুমীর বাবা দায়ী’।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরে সুমি ও শাহজালাল পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। প্রায় পাঁচ মাস তারা ঘর-সংসার করে। এরপর সুমির বাবা জিন্নত আলী তাদের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে সুমিকে বাড়িতে রেখে দেয়। ওই সময় সুমি অন্তঃসত্তা ছিল।
পরে তার গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট করার শর্তে সুমির আগের স্বামী জয়েন উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সুমিকে আবার তার কাছে ফেরত নেন। এর কিছুদিন পর জয়েন উদ্দিন আবার বিদেশে চলে যান। সন্তান নষ্ট করায় সুমির সাবেক স্বামী অর্থাৎ পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।’
তিনি বলেন, ‘সুমির স্বামী জয়েন উদ্দিন বাড়িতে না থাকায় শাহজালাল মাঝে মধ্যেই সুমির শশুরবাড়িতে আসত। ঘরের বারান্দার লোহার গ্রিলের চাবিও ছিল শাহজালালের কাছে। পরে শুক্রবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে শাহজালাল সুমির ঘরে প্রবেশ করে।
একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তার সাবেক স্ত্রী সুমি ও সুমির শাশুড়িকে হত্যা করে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে সাফিকেও হত্যার চেষ্টা করে। এরপর শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করে।’
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ছুরি সহ বিভিন্ন আলামত ঘেটে আমরা বিষয়টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছি। তারপরও ঘটনাটির অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার(৩০ অক্টোবর) রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। তবে এখনো পর্যন্ত মামলার কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের বউ শাহনাজ বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলোচিত হত্যাকান্ডের দ্রুত রহস্য উন্মোচন করা হবে।
উল্লেখ্য,শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাটাইল উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলো-ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) ও কালিহাতী উপজেলার সহবতপুর গ্রামের শাহজালাল (২৫)। এ ঘটনায় নিহত সুমির পাঁচ বছরের ছেলে শাফিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছে র্যাব। এ ছাড়া তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার কারণ হিসেবে পুরোনো প্রেমকে দায়ী করছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ স্থানীয়রা।
টাঙ্গাইলের র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জমেলা, সুমি ও শাহজালাল নামের তিনজনের লাশ বসতঘর থেকে পাওয়া গেছে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশের পাশে ছুরি ও হাতুড়ি পাওয়া গেছে। এছাড়া যে ঘরে লাশ পাওয়া গেছে তার দেওয়ালে লেখা আছে, ‘এমনটা হতো না যদি আমার সুমি আমার কাছে থাকতো। এই সব কিছুর জন্য সুমির বাবা দায়ী।’ তাই পরকীয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, স্কুলজীবন থেকে শাহজালালের সঙ্গে সুমির প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ৫ বছর আগে সুমির সঙ্গে জয়েনুদ্দিনের বিয়ে হয়। কিছুদিন সংসার করার পর জয়েনুদ্দিন বিদেশ চলে যায়। এ সুযোগে সুমি আবার শাহজালালের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করে। গত ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি চলে যায়। শাহজালালের সঙ্গে প্রায় দুই মাসের মতো সংসার করে। পরে জয়নুদ্দিন প্রায় তিন মাস আগে দেশে ফিরলে সুমিকে নিয়ে পুনরায় সংসার শুরু করে। আড়াই মাস আগে জয়েনুদ্দিন সৌদি চলে যায়। গতরাতে আবার শাহজালাল সুমির সঙ্গে দেখা করতে আসে। সকালে শুনি জয়নুদ্দিনের ঘরে তিন জনের লাশ পরে আছে।
দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন জানান, ‘শাহজালালের সঙ্গে সুমি অবৈধ সম্পর্ক ছিল। প্রায় ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি পালিয়ে গিয়েছিল। শুনেছি তারা বিয়েও করেছিল। পরে সুমির স্বামী বিদেশ থেকে ফিরে আবার তাকে বাড়িতে এনেছিল।’
উল্লেখ্য, শনিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে
মৃত হয়রত আলী স্ত্রী জমেলা বেগম (৬৫), তার প্রবাসী ছেলে জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (২৬) ও কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া পূর্বপাড়া এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল ইসলাম সোহাগের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার( ৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলো- ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) এবং কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া বাজার এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল (২৫)।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, হামিদপুরের খামারপাড়া গ্রামে সৌদি আরব প্রবাসী জয়েনের বাড়ি থেকে তার মা, স্ত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের ভেতরে লাশগুলো পরে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক শিশুকে (৫) আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। শিশুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা এখনো পুলিশ নিশ্চিত নয়। তদন্ত করে এর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রেমিকের অবাধ্য হওয়ায় প্রেমিকাকে কুপিয়ে আহত করেছে হৃদয় (১৮) নামে এক প্রেমিক। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার ছয়আনী বকশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে, ওই প্রেমিকা আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় নির্যাতিতার নানা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই বখাটে হৃদয়কে একমাত্র আসামি করে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে। রবিবার রাতেই বখাটে প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।
আহত স্কুল ছাত্রী জানায়, গত দুই বছর পূর্বে বকশিয়া এলাকার টেক্কা মিয়ার ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন তাদের সম্পর্ক চলমান থাকার এক পর্যায়ে গত দুই মাস পূর্বে বিষয়টি পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়।
পরে স্থানীয়ভাবে দু’পক্ষ মিলে সমঝোতায় পৌঁছায়। এবং সিদ্ধান্ত হয় আগামী দুই বছর পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে দু’পক্ষের অভিভাবকই স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে সমঝোতা করেন।
এদিকে প্রেমিক হৃদয় কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রেমিকাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলে এবং তার অনুমতি ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু প্রেমিকা তার কথায় কর্ণপাত না করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়াসহ স্বাধীনভাবেই চলাচল করতে থাকে। এতে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কথা না শুনলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
এরপর থেকেই ওই প্রেমিকা হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় প্রেমিক। গত শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ প্রেমিকার বাসায় গিয়ে হাজির হয় হৃদয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রেমিকার ঘরে গিয়ে তাকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে হৃদয় সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় প্রেমিকাকে প্রথমে ভুঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করে। বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজাহারুল ইসলাম সরকার জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। রবিবার ওই বখাটের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার(২৫ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর হয়েছে।সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এমন আদেশ দিলেন আদালত।এ নিয়ে মোট ১৬ বার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হল।
সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এই আবেদনের শুনানিতে তারা যে কোনো শর্তে সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাসুদ পারভেজ তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।
গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এ দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।
একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার গুণগ্রাম এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধার নাম স্নেহালতা (৯৫)। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামে।
ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন জানান, টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী প্রান্তিক সুপার সার্ভিসের (বগুরা-জ-১১-০১৭০) একটি বাস ঘাটাইল উপজেলার গুণগ্রাম ব্রিজের উত্তরপাশে এসে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে বাসটি সড়ক থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়।
তিনি আরো জানান, পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে স্নেহালতা নামে এক বৃদ্ধাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মধুপুরে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ মোবাইল ফোনে পরিচয়। মাঝে মধ্যে চলতো খুনসুটি। এভাবেই একে অন্যের সাথে তৈরি হয় প্রেমের সম্পর্ক। তরুণীর বয়স কেবল ১৫ হলেও প্রেমিকের আছে বউ-বাচ্চা। সব জেনেও চলছিল অদম্য প্রেমালাপন। প্রথম সাক্ষাতেই প্রেমিকের বাহুডোরে ধর্ষিতা হয় এই তরুণী। শুধু প্রেমিক নয় প্রেমিকের মামাও অংশগ্রহণ করেন এই ধর্ষণযজ্ঞে । পরে আরো একজন অংশ নিতে চাইলে ধর্ষিতার কান্না আর ক্ষমা প্রার্থনায় প্রাণে রক্ষা পায় ওই তরুণী।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের দোলালিয়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (০৭ অক্টোবর) রাতে এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে মোস্তফা(২৫) এবং একই এলাকার মফেজ উদ্দিনের ছেলে মোফাজ্জল (৩৫) কে আটক করে পুলিশ।
সাগরদিঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান (ইন্সপেক্টর) এবং ধর্ষিতার সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই তরুণীর সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় মোস্তফার। মাঝে মাঝে কথা হত তার সাথে। গত দুই দিন আগে ওই তরুনী পরিবারের সাথে রাগ করে চাকরির খোঁজে চলে যায় গাজীপুর। কোথাও চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পরে ওই মেয়ে। পরে মোস্তফাকে বিষয়টি জানালে সে ওই তরুনীকে চাকরির আশ্বাস দিয়ে তার কাছে ডেকে নেন। মোস্তফা ওই মেয়েকে পরের দিন একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিবে বলে এক রাত অপেক্ষা করতে বলেন তরুনীকে।
পরে মোস্তফা তার প্রতিবেশি এক মামা মোফাজ্জল হোসেনের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায় ওই মেয়েকে। পরে মামা-ভাগিনা দুইজনে মিলে পালাক্রমে চালায় অত্যাচার। এসময় ধর্ষিতা চিৎকার করলে মোস্তফা তার মামাকে টেলিভিশনের ভলিয়ম বাড়িয়ে দিতে বলে। ধর্ষিতাকে নানা ভয় দেখিয়ে চলতে থাকে পাশবিকতা।
এসময় আরো একজন উপস্থিত হয় এতে অংশগ্রহন করতে। কিন্তু মেয়েটি কান্না করে ক্ষমা চাওয়ায় বেঁচে যায় তার হাত থেকে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদেরকে আটক করে।পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার পিপিএম বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে এবং ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বনের ভেতর গড়ে উঠেছে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির কারখানা। উপজেলার লক্ষ্মণেরবাধা বা ভূঁইয়া বাড়ির মোড় এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে এ কারখানা। কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে এলাকার পরিবেশ ও বনভূমি।
কারখানার চারপাশে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের গাছসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক গাছপালায় ঘেরা ঘন জঙ্গল। আশপাশে রয়েছে মানুষের বসতি। স্থানটি নিরাপদ ভেবে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে সিসা।
কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মালিকপক্ষ ব্যাটারি সংগ্রহ করে এখানে নিয়ে আসে। অন্য কোথাও গলানোর জায়গা না পেয়ে বনের ভেতর কাজ শুরু করেন তারা। এ কাজ চলছে বছরখানেক ধরে। প্রতিদিন ব্যাটারি পোড়ানো হয় প্রায় ৬ টন। প্রতিটি পুরোনো ব্যাটারি ক্রয় করা হয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকায়। কারখানার মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতে পারে না এলাকাবাসী।
ব্যাটারি পোড়ানোর সময় তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শ্বাসকষ্টসহ এলাকার মানুষের দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের রোগ। ক্ষতি হচ্ছে বনের। ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ।
আশপাশের তিন ইউপি সদস্য লিয়াকত হোসেন, ওয়াজেদ আলী ও সফিউল ইসলাম স্বীকার করেননি যে কারখানা স্থাপনের ওই এলাকা তাদের নির্বাচনী এলাকার মধ্যে। তবে তিনজনই এ বিষয়ে পাশ কাটিয়ে যান।
বনের ভেতর কারখানা স্থাপনের কথা স্বীকার করে কারখানা মালিক তানভীর বলেন, শুধু যে এই কারখানার কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, তা তো নয়, দেশে তো পরিবেশের এর চেয়েও বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
বন বিভাগের ঘাটাইল ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বন বিভাগের জায়গায় কোনো অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেনি। তবে বনের ক্ষতি হয় এমন কারখানা কোথাও গড়ে উঠলে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকদের সঙ্গে নিয়ে তা উচ্ছেদ করা হবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ বলেন, এ ধরনের কারখানার কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। কারখানাটি পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবগত করা হবে। তারা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বেলা এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, উন্মুক্ত স্থানে সিসা তৈরি মানবদেহসহ প্রাণীকুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করবে। এটি বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হোসেন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।