একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫শ’ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি (দক্ষিণ)।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার শামসুল হক তোরণ (ডিস্ট্রিক্ট গেইট) এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের মৃত জামাল বেপারীর ছেলে মো. ছবুর (৬১) ও ঘাটাইল উপজেলার শিমলাকান্দি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ রহমান ওরফে রনি (৩২)।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি (দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম পৌর এলাকার শামসুল হক তোরণ (ডিস্ট্রিক্ট গেইট) এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে ৫শ’ পিস ইয়াবসহ তাদের আটক করে।
তিনি আরো জানান ,আটককৃতদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরো একজন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার ।
নিহতরা হলেন, ঘাটাইল পৌর এলাকার চান্দশী গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে সাবিক হাসান(১৮) ও ঘাটাইল উত্তর পাড়ার মুক্তার আলীর ছেলে সুমন মিয়া(১৮)।
মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী সিয়াম (১৮) নামে আরো এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে।
এরা সবাই স্থানীয় ঘাটাইল সরকারি গণ উচ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তিন বন্ধু মোটরসাইকল নিয়ে বেড়াতে বের হয়। বেড়ানো শেষ করে ঘাটাইল ফেরার পথে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বানিয়াপাড়া নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গরু বোঝাই ট্রাকের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের মুখমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাকিব হাসান ও সুমন মিয়া মারা যান।
অপর আরোহী সিয়ামকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
দুই স্কুল ছাত্রের অকাল মত্যুর সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোকজন ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভির জমায়। নিহত দুই স্কুল ছাত্র পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান বলে জানা গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জনতার হাতে আটক ৬ গরু চোরকে রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে ঘাটাইল থানা পুলিশ। উপজেলার ঘাটাইল সদর ইউনিয়নে কাইতকাইদ গ্রাম থেকে গরু চুরি করে পিকআপে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে আটক হয় ৬ গরু চোর। আটককৃত চোরদেরকে স্থানীয় জনগণ গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।
আটটকৃত গরু চোররা হলো, জামালপুর সদর উপজেলার চরসি কর্নিপাড়ার জয়নুদ্দিনের ছেলে জয়নাল হোসেন (৩৮), নওগাঁ জেলার আইনিগর উপজেলার টুনশিয়ালা গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে নয়ন (২৯), ফরিদ জেলার বোলমারি উপজেলার বারদি গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. সাগর (২২), রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাগলা মালিবাড়ি গ্রামের লাল চানের ছেলে রহিম ওরফে অনিক (১৭), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভেলারায় গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে আমজাদ হোসেন (২৮) ও রংপুর জেলার পীরগাজা উপজেলার অনন্দনগর গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আজিজুল ইসলাম (১৭)।
উদ্ধার হওয়া গরুর মালিক উপজেলার ঘাটাইল ইউনিয়নের কাইতকাই গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে তারা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখছিলেন। এ সময় একটি পিকআপে গরু উঠিয়ে গরুচুরি করে নিয়ে যায়। গরু চুরির ঘটনাটি তার স্ত্রী আমিনা বেগম টের পেলে গ্রামের দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ির পিছনে ধাওয়া করেন এবং বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে স্থানীয়রা চোরদের গাড়ি ধাওয়া করলে গাড়িটি উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সাপটারবাইদ এলাকায় গিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। পরে গরু ফেলে চোররা পালিয়ে যায়। স্থানীয় জনতা পিকআপের ভেতর থেকে গরু উদ্ধার করে গাড়িটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও জনতা একতাবদ্ধ হয়ে রাতেই উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জন গরুচোরসহ একটি গাভী উদ্ধার করা হয়।
ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল উসলাম সরকার বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা ৬ গরু চোরকে আটক করে এবং পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের চুরির কাজে ব্যবহ্নত পিকআপটি পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় গরুর মালিক কাইতকাই গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এরা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাত। আসামীদের আজ সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ( ৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বেংরোয়া মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিকালে মো. হাকিম উদ্দিন (৫৮) নামের এক বৃদ্ধকে আটক করেছে।
তিনি একই এলাকার মৃত রবি শেখের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানান দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (মটু)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা বারোটার দিকে শিশুটিকে চকলেট দিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের বাড়ির লোকজন এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে ও অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আটক করে। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বিল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মো. এলিন তালুকদার (৪৩) নামের এক মাদরাসা শিক্ষক আট দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন।ওই ব্যক্তি ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকার বাসিন্দা।
গত বুধবার (২৩ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ২৬ নভেম্বর শনিবার তাঁর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ এলিন তালুকদার উপজেলার হামিদপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক। তিনি কেন্দ্রীয় মাদরাসা শিক্ষক সমিতির দপ্তর সম্পাদক। দাপ্তরিক কাজে গত ২৩ নভেম্বর বুধবার ভোর ৫টার দিকে নিজ বাসা থেকে প্রাইভেটকার যোগে ঢাকা উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
পরেরদিনই বাসায় ফেরার কথা থাকলেও আজ আট দিনেও বাসায় ফেরেননি এলিন তালুকদার। তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নেন। তবে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির সব ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত করছে পুলিশ। এখন তদন্ত অব্যাহত আছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই মেয়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বাবা জয়নাল আবেদীন (৪৪)। পরে ফলাফলে দুই মেয়ের একজন কৃতকার্য এবং অপরজন অকৃতকার্য হলেও বাবা জয়নাল ফলাফল নম্বরে এগিয়ে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) ঘোষিত কারিগরি বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষার ভোকেশনাল শাখা থেকে বাবা জয়নাল পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং বিষয়ে জিপিএ ৪ দশমিক ৮৬ পেয়েছেন। এতে বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার ঢাকা বোর্ডের অধীন মানবিক শাখা থেকে জিপিএ ৩ দশমিক ৩৩ পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া তার আরেক মেয়ে আছিয়া খাতুন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।
বাবা জয়নাল আবেদীন উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালিরচালা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তার দুই মেয়ে উপজেলার ফুলমালির চালা ছাকেদ আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক শাখার শিক্ষার্থী ছিল। এছাড়াও জয়নাল আবেদীনের এক ছেলে রুহুল আমিন দ্বিতীয় শ্রেণি, মেয়ে বর্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি ও সুমাইয়া অষ্টম শ্রেণিতে স্থানীয় রাশেদ মডেল স্কুলে পড়াশোনা করছে।
বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার জানায়, বাবার সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি এটা খুবই আনন্দের। তবে আমার চেয়ে বাবা ফলাফলে এগিয়ে। তবে ছোট বোন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় আনন্দ কিছুটা কম। তারপরও ভালো লাগছে বাবা পরীক্ষায় পাস করেছে বেশি নম্বর পেয়ে। বাবার অদম্য ইচ্ছা-শক্তির কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা বাবার সফলতায় আনন্দিত।
জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৯৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম। সংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর সৌদি আরবে ৫ বছর প্রবাসী জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে আসি। ২০০১ সালে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করি। কিন্তু বুকের ভেতরে লেখাপড়া করতে না পারার চাপা কষ্ট মাঝেমধ্যেই আমাকে পীড়া দিতো।
তিনি আরো জানান, লোকলজ্জার কারণে পড়ালেখা হয়ে উঠছিলো না। পরে ২০২০ সালে ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসায় ভোকেশনাল শাখার পোল্টি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং ট্রেড শাখায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই। এবছর এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের সঙ্গে আমিও অংশ নিই। এতে মেয়েরা আমাকে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়েছি।
ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর কাদের জানান, ৪৪ বছর বয়সে এসে এসএসসি পাস করায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। লেখাপড়ায় বয়স কোনো বাধা নয়, এটা জয়নাল আবেদীন প্রমাণ করছেন। যা অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ: এসএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মারুফ (১৭) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বলমআটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মারুফ একই গ্রামের মো. ইবরাহীমের ছেলে। সে পাশের গোপালপুর উপজেলার বড়শিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ হলে মারুফ ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এতে সে হতাশায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে । পরে রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে তার মা মারুফকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকলে সাড়াশব্দ না পেয়ে মারুফকে ঘরের ধরণায় ঝুলতে দেখে। পরে মারুফকে নামিয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল করা হয়। পরিবার ও প্রতিবেশিদের মাধ্যমে জানা গেছে সে এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি এক বিষয়ের ওপর অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যা করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মারুফের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাড়ির পাশের টিলা থেকে এক নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। সোমবার(২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের মাকড়াই এলাকার বনবেষ্টিত পাহাড়ি টিলা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ঘাটাইল থানার পুলিশ।
নিহত ওই নারীর নাম সেলিনা বেগম (৪৫)। তিনি মাকড়াই এলাকার মৃত কুবেদ আলীর মেয়ে।
তাঁর স্বামী আবদুল গফুর একই ইউনিয়নের মালেঙ্গা বড়চালা এলাকার বাসিন্দা। নিহতের বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ির দূরত্ব ২০০ মিটারের মতো হবে। বাবার বাড়ির পূর্ব পাশের টিলায় লাশটি পাওয়া যায়।
স্থানীয় ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন জানান, স্থানীয় কয়েকজন নারী সোমবার দুপুরে টিলা এলাকায় লাকড়ি সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তাঁরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনদের খবর দেন। স্থানীয় ব্যক্তিরা বিকেলে থানায় খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে।
সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, নিহত নারীর গলায় ওড়না দিয়ে কয়েকটা প্যাঁচ দেওয়া। ওড়নার অপর প্রান্ত বোরকার সঙ্গে বাঁধা। তবে শরীরের আর কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
সেলিনার বড় ভাই আবদুল মান্নান জানান পারিবারিক কলহের জেরে সেলিনা মাস তিনেক আগে তাঁদের বাড়িতে আসেন। তখন থেকে এখানেই থাকতেন। গত রাতে বাড়িতে না পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন, সেলিনা তাঁর স্বামীর বাড়িতে গেছে। কিন্তু সকালে খোঁজ করে সেখানেও পাওয়া যায়নি। পরে টাঙ্গাইলে আরেক ভাইয়ের বাসায়ও খোঁজ করা হয়। দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ বাড়ির পাশের টিলায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় নারীরা। সেলিনাকে কেউ হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন আবদুল মান্নান।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারন জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালিয়েছে বিনিময় পরিবহনের একটি বাস। পরিবহনটি ধনবাড়ী থেকে ঢাকা চলাচল করে।
রোববার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি দেখার পর তারা পুলিশকে জানায়।
পরে রাত ৮টার দিকে থানা থেকে সদস্যরা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, রাতে বিনিময় পরিবহনের একটি বাস থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ঘাটাইল বাস স্ট্যান্ডে ফেলে দিয়ে গেছে এমন সংবাদ পাই। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এখন পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় জানা যায়নি। বাসটিকে আটক করতে পুলিশ কাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় রুমা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহিনী একসঙ্গে তিন সন্তান প্রসব করেছেন। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১০টায় ঢাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি তিন সন্তান জন্ম দেন। নবজাতক তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
বর্তমানে তিন সন্তান ও তাদের মা সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন পরিবার।
রুমা আক্তার উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের প্রবাসী শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে দিগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন ফারুক হোসেন ফনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনটি সন্তানের জন্ম দেন রুমা আক্তার। বর্তমানে বাচ্চাসহ মা পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত রয়েছে। দেশবাসীর কাছে সন্তানদের জন্য দোয়া চেয়েছেন। একসঙ্গে তিন সন্তান হওয়ায় বাবা-মা, দাদা-দাদিসহ আত্মীয়স্বজনরাও খুশি। তবে নবজাতক তিন শিশুর এখনও কোন নাম রাখা হয়নি।
এ বিষয়ে নবজাতকদের বাবা প্রবাসী শরিফ উদ্দিন জানান, আল্লাহ আমাকে তিনটি সন্তান এক সাথে দান করেছেন। আশা করি, দুই ছেলে এক মেয়ে এই তিন সন্তান লালন-পালনে কোনো সমস্যা হবে না। আল্লাহ সুস্থ রাখলে পরিবারের সবাই মিলে লালন-পালন করতে পারবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় রহিম বাদশা (২৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৪ নভেম্বর)সকালে উপজেলার সাগরদীঘি-গারোবাজার আঞ্চলিক সড়কের মুরাইদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আতোয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত রহিম বাদশা মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের টিক্কার বাজার এলাকার ময়েজ আলীর ছেলে। তিনি ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সানবান্ধা এলাকার ইকো ফ্রেন্ডস গ্রিন ব্রিকস কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে সাগরদীঘি-গারোবাজার সড়কের মুরাইদ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহি ট্রাক তার মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আতোয়ার রহমান জানান, ট্রাকটিকে আটক করা যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঝিনাই নদীর ভাঙন থেকে শতবর্ষী গোরস্থান রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার(২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর তীরে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার দিগলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকার সামাজিক গোরস্থানটি শত বছরের পুরনো। অসময়ে পানি বেড়ে ঝিনাই নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় গোরস্থানটি ভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙন থেকে রক্ষায় গ্রামবাসী ইতোমধ্যে বাঁশ ও গাছ দিয়ে গোরস্থানটি রক্ষার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার জানিয়েও কোন প্রতিকার হয়নি। অবশেষে স্থানীয় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ঝিনাই নদীর তীরে ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মটো, গোরস্থান কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল মনসুর আহমেদ প্রমুখ।