/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

সোমবার (২২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাসাইল-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের নথখোলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল বাছেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার কালাচর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মো. ডালিম (৩০), একই উপজেলার সেজামুড়া গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার কালাচর গ্রামের মিয়া চাঁনের ছেলে নাঈম (২৩) ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে প্রাইভেটকার চালক হৃদয় মিয়া (২৪)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল-বাসাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নথখোলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে প্রাইভেটকারসহ ওই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় প্রাইভেটকারে থাকা দুইটি পানির গিজারের ভেতর থেকে ৪৯ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন বলে স্বীকার করেছেন।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, র‍্যাব ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। র‍্যাব বাদী হয়ে মামলাও করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৪৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের পরিকল্পনায় দুই মাদ্রাসাছাত্রীর বাসাভাড়া, আটক করলো পুলিশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের পরিকল্পনায় দুই মাদ্রাসাছাত্রীর বাসাভাড়া, আটক করলো পুলিশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরের রামপুর চতিলা গ্রামের দাখিল পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাড়িতে তার প্রেমের টানে ছুটে এসেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আলিম পড়ুয়া আরেক ছাত্রী। পরে পুলিশ দুজনকে আটক করে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল হক তৈয়ব।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার চতিলা গ্রামের ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর সঙ্গে একবছর আগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আলিম পড়ুয়া মেয়ের ফেসবুকে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বছরের আগস্টে টাঙ্গাইলের মেয়ের বাড়িতে আসে কিশোরগঞ্জের মেয়েটি। বান্ধবী পরিচয়ে একসঙ্গে তারা রাত্রিযাপন করে। এর ধারাবাহিকতায় ৩দিন আগে টাঙ্গাইলের মেয়েটির বাড়িতে আবারও চলে আসে কিশোরগঞ্জের মেয়েটি। উভয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ১ হাজার ৫’শত টাকায় বাসা ভাড়া নেয়। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। রবিবার (২১ এপ্রিল) রাতে পুলিশ এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে এবং বিয়ে করার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বাসার মালিক আব্দুল বারী জানান, চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে তারা তিনদিন আগে বাসা ভাড়া নেয়, অসহায় ভেবে আমি তাদের রুম ভাড়া দেই, তাদের অনৈতিক সম্পর্ক আমি কল্পনাও করতে পারিনি।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল হক তৈয়ব জানান, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এসব ঘটছে। এজন্য অভিভাবকদের সতর্ক থাকা উচিত। রবিবার রাতে দুজনকে আটক করে সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২৪ ০২:৩৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে যুবক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে যুবক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় এক বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে সিয়াম নামের এক যুবক প্রবেশ করায় গণপিটুনির শিকার হয়েছে। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনির কবল থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ।

সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে করটিয়ার রওজাতুল মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই যুবক টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আটককৃত মো. সিয়াম হোসেন সিপু (১৯) টাঙ্গাইল পৌরসভার ধুলেরচর মাদ্রাসা সংলগ্ন বৈল্যা এলাকার মো. ফরহাদ আলীর ছেলে। সিয়াম এবছর বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো।

করটিয়া রওজাতুল বালিকা মাদ্রাসার পরিচালক মো. সিয়াম জানান, সোমবার সকালে মাহফিলের টাকা আদায়ের রশিদ নিয়ে বোরকা পরিহিত এক মহিলা বালিকা মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। পরে তার কন্ঠ শুনে ও আচরণে সন্দেহ হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পরে বোরকার উপরের অংশ খুলে চেক করা হলে সে যুবক বলে প্রমানিত হয়। একপর্যায়ে খবরটি ছড়িয়ে পরলে উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা থেকে বের করে তাকে গণপিটুনি দিতে থাকে। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাকে দ্রুত করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও উৎসক জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। সেখান থেকে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু বলেন, পরিষদের কাজে আমি উপজেলা পরিষদে থাকায় শাহীন মেম্বার ও লতিফ মেম্বারের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদে উৎসুক জনতার ভিড় জমে গেলে দ্রুত পুলিশে খবর দেই। পরে পুলিশ এসে ওই যুবককে আটক করে নিয়ে যায়।

আটককৃত সিয়ামের পিতা মো. ফরহাদ আলী জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। মাঝেমধ্যেই নানান কান্ড ঘটায়। তাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সোমবার সকালে সিয়াম নানীর বাসায় যাবে বলে বাসা থেকে বের হয়। তারপর পুলিশের কাছে খবর পাই তাকে করটিয়া থেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সিয়ামের মানসিক সমস্যার কারণে এ বছর সে বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও দিতে পারেনি। তাকে নিয়ে প্রায়ই আমরা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রাব্বানী জানান, খবর পেয়ে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিয়াম নামের এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্তের পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২৪ ০৫:৩৬:এএম ২ বছর আগে
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ - Ekotar Kantho

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নবনির্মিত মসজিদের নাম পরিবর্তন না হলে কর্তৃপক্ষকে মারধরের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মুতালিব হোসেন নামের এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। সদর উপজেলার গালা ও মগড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুই গ্রামের নামে নির্মিত হচ্ছে ওই মসজিদ।

মসজিদটি মগড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বড়বাশালিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি দেওয়া সেই হুমকির অডিও ও ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় মুসুল্লীসহ দুই গ্রামবাসি।

বড়বাশালিয়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাঁ মাঠ আর গত ঈদুল ফিতরের পরের দিন স্থানীয় মাজেদার চা স্টলে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে মসজিদ নির্মাণে সম্পৃক্ত মুসুল্লীদের মারধরের হুমকি দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান বলে জানিয়েছেন মসজিদ নির্মাণে সংশ্লিষ্টরা।

তাদের অভিযোগ, দুই গ্রামবাসির মসজিদ নির্মাণ ও নামকরণ নিয়ে কোন প্রশ্ন না থাকলেও জনপ্রতিনিধির ক্ষমতাবলে নাম পরিবর্তনের অজুহাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান।

অ্যাডভোকেট মোতালিব হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল আদালতে আইন পেশায় নিয়োজিত।

স্থানীয়রা জানায়, ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী দূর্গাপুর-বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের দূর্গাপুরের নেতৃবৃন্দ ও মগড়া ইউনিয়নের বড় বাশালিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের নেতৃবৃন্দ। মোট ১৪ শতাংশ জমিতে নির্মিত হচ্ছে মসজিদটি। উদ্যোগের সিদ্ধান্ত অনুসারে বড়বাশালিয়া গ্রামের আজিজুর রহমান মসজিদের নামে ১০ শতাংশ জমি দান করেন। বাকি ৪ শতাংশ জমি দূর্গাপুরের নেতৃবৃন্দ দান করেন। এছাড়াও মসজিদ নির্মাণে অধিকাংশ অর্থায়ন করছেন দূর্গাপুরের গ্রামবাসি। চলতি বছরের ৯ মার্চ থেকে যথারীতি নবনির্মিত ওই মসজিদে নামাজ আদায়ও শুরু করেছেন স্থানীয় মুসুল্লীরা।

মুসুল্লীদের অভিযোগ, মসজিদের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামবাসি একমত থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যান একাই বির্তক সৃষ্টি করছেন। মসজিদ নির্মাণের উনার কোন ভূমিকা না থাকলেও জোড়পূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বড়বাশালিয়ার একক নামে মসজিদটি নির্মাণের দাবি করছেন তিনি। মসজিদ আল্লাহর ঘর, এটি কারো ব্যক্তি সম্পদ নয়। মসজিদ নিয়ে উনার এমন নোংরা রাজনীতি মেনে নেয়া যায় না। ৬ মাস আগেও ইউপি চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্তে ও নতুন করে নির্মাণের নামে ভেঙে ফেলেছেন গ্রামবাসির একমাত্র বড়বাশালিয়া দক্ষিণ পাড়া বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ।

মগড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মসজিদের মুসুল্লী মো. মাজেদুর রহমান বলেন, আমার চাচা আজিজুর রহমান মসজিদের জন্য একাই দিয়েছেন ১০ শতাংশ জমি, বকি ৪ শতাংশ জমি দিয়েছেন দূর্গাপুরের মানুষ। এটি দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা। দুই গ্রামের নামে মসজিদের নামকরণ হওয়া নিয়ে সমস্যা কি? আমরা দুই গ্রামের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে মসজিদেও নাম দিয়েছি দূর্গাপুর বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।

মসজিদের মুসুল্লী মো.ওয়াজেদ আলী বলেন, পূর্ব পুরুষের সমন্বয় অনুসারে আমরা এই দুই ইউনিয়নের মানুষ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুই গ্রামের যৌথ নাম ব্যবহার করে আসছি। সেই নিয়ম মেনেই এই মসজিদটিও নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল ফিতরের পরের দিন মাজেদার চা স্টলে আমাদের হাত পা কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন চেয়ারম্যান মোতালিব। সেই বক্তব্যের অডিও রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। আমরা শান্তি চাই বলে এখনও কোন আইনগত ব্যবস্থা নেইনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ব্যক্তি আক্রশ নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এ এলাকায় যৌথ নামে আর কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে বাঁশি বড়বাশালিয়া কবরস্থান। বাঁশি কালিহাতী উপজেলা আর বড়বাশালিয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গ্রাম। এছাড়াও রয়েছে বড়বাশালিয়া দূর্গাপুর মসজিদ ও বড়বাশালিয়া ধলিহাটা মসজিদ। ওই প্রতিষ্ঠান গুলো নাম নিয়ে কোন সমস্যা না হলেও এই মসজিদের নামকরণ নিয়ে সমস্যা কি?

দূর্গাপুর-বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সেক্রেটারী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান মোতালিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তখন কারো কোন প্রশ্ন ছিল না। মসজিদটি দুই গ্রামের হওয়ায় এবং দুই গ্রামে কোন মানুষ যেন নিজের মনে করে অন্যকে ছোট না করতে পারে সেজন্যই মসজিদটির নামকরণ হয়েছে দূর্গপুর বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। দুই গ্রামের নামকরণ নিয়ে এখন কেন প্রশ্ন উঠছে। চেয়ারম্যান মোতালিব কেন মুসুল্লীদের হাত পা কেটে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন সেটি আমি জানিনা।

তিনি আরও বলেন, আমরা এক সমাজের মানুষ, রাগ ও ক্ষোভে মোতালিব ওই বক্তব্য দিলেও আমি মনে করি, তেমন কিছুই হবে না।

এ বিষয়ে ফোনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোতালিব হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:০৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে নারী প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে নারী প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে সৌদি প্রবাসী এক নারীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এবিষয়ে সৌদি প্রবাসী এই নারী হেনা বেগম (৩৮) শনিবার রাতেই টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া সোমবার (১৫ এপ্রিল) হেনা বেগম টাঙ্গাইলের র‍‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডারের বরাবর আরও একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোছা. হেনা বেগম টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়া এলাকার মৃত হায়াত আলীর মেয়ে। সে ও তার স্বামী দীর্ঘ ৮ বছর যাবত সৌদি প্রবাসী। ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য সম্প্রতি ২ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন তিনি। তার স্বামী এখনো সৌদি আরবে থাকায় তিনি তার বাবার বাড়ি দক্ষিণ কলেজ পাড়ার বাসায় ওঠেন। হেনা বেগমের কাছে প্রতিবেশী মো. মুন্না, মো. আকাশ, মো. হিটলু, মো. মোজাম্মেল, হাসি বেগম ও মুন্নি ঈদ উপলক্ষে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। হেনা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীগণ একজোট হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে তার ও তার ভাই বিজিবিতে কর্মরত মো. জহিরুল ইসলামের বসত বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এসময় ঘরে রক্ষিত আসবাবপত্র ভাঙচুর ও ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্ণের কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের আংটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এসময় হেনা বেগমের নানু নুরজাহান বেগম বাধা প্রদান করলে তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। যাওয়ার সময় তারা হুমকি দিয়ে যায় দাবিকৃত চাঁদা না দিলে হেনা বেগমের পরিবারের সকল সদস্যকে মেরে গুম করে ফেলা হবে।

এ প্রসঙ্গে মোছা. হেনা বেগম বলেন, আমি ও‌ আমার স্বামী দীর্ঘ ৮ বছর যাবত সৌদি প্রবাসী। আমরা বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখছি। অথচ আমি আমার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিবাদীগণ প্রকাশ্যে আমাকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। যেকোনো সময় তাঁরা আমাদের উপর আবার হামলা চালাতে পারে। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. মুন্না, মো. আকাশ, মো. হিটলু, মো. মোজাম্মেল, হাসি বেগম ও মুন্নি পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: মামুন জামান (সজল) বলেন, বিষয়টি আমি জানি। বাদী ও বিবাদীগণ পরস্পরের আত্মীয় হওয়ায় নিজেদের মধ্যে বসে মীমাংসা করার জন্য বলা হয়েছে। মীমাংসার সময় আমার তরফ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ইমানুর রহমান জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে বিষয়টির তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৪ ০২:০৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল শহরে রাতে দফায় দফায় বিষ্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শহরে রাতে দফায় দফায় বিষ্ফোরণ, জনমনে আতঙ্ক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন স্থানে বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাতে অন্তত ৬টি বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

রাত ৯টা ২৭ মিনিটে শহরের পৌর ভবনের সামনে দুটি, শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের পূর্ব পাশের কোনায় একটি, শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি ও টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিকট শব্দে দফায় দফায় বিষ্ফোরণের পর সাধারণ মানুষ দিদ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। এসময় নিরালা মোড়সহ শহর ফাঁকা হয়ে যায়। মানুষের মধ্যে তৈরি
হয় আতঙ্ক।

পরে পুলিশের একটি দল পৌর ভবনের সামনে থেকে অবিষ্ফোরিত তিনটি তাজা বিষ্ফোরক উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের একই সময়ে দুটি সমাবেশ আহবান করা হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে আতঙ্ক তৈরি করার লক্ষ্যে একটি পক্ষ এমন ঘটনা ঘটাতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ডাকা রাজনৈতিক মিছিল ও সমাবেশ বাতিল করা হয়েছে বলেন জানান টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার।

বিষ্ফোরণের ঘটনার পর শহরে পুলিশ ও বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া শহরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত
পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে নয়টার দিকে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন হেলমেট পরিহিত আরোহী পৌর ভবনের সামনে এসে হঠাৎ দুটি বিষ্ফোরণ ঘটায়। এসময় তারা আরো তিনটি বিষ্ফোরক ছুড়লেও তা বিষ্ফোরিত হয়নি। পরে একটি মোটরসাইকেল বিন্দুবাসিনী বালক বিদ্যালয়ের পেছনের সড়ক দিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ’র দিকে চলে যায়। অপর মোটরসাইকেলটি ক্লাব রোড হয়ে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের দিকে চলে যায়।

তারা আরও জানায়, পরে পুলিশ এসে টাঙ্গাইল পৌর ভবনের সামনে থেকে তিনটি অবিষ্ফোরিত বিষ্ফোরক উদ্ধার করে এবং বিষ্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাকিব বলেন, কে বা কাহারা মোটরসাইকেল যোগে এসে পৌর ভবনের সামনে দুটি বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে। এছাড়া এখান থেকে তিনটি অবিষ্ফোরিত বিষ্ফোরক উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এগুলো ককটেল নাকি অন্য বিষ্ফোরক তা খতিয়ে দেখা হবে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়ছার বলেন, আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপের বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে আমার কাছে মিছিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিষ্ফোরণ ঘটনার পর তাদের মিছিলের অনুমোদি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। শহরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যারা এই বিষ্ফোরণ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারের অভিযান শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ ‘পৃথক দুটি ব্যানারে’ বৃহস্পতিবার একই স্থানে একই সময়ে সমাবেশের আহ্বান করেছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। এক পক্ষ টাঙ্গাইলের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে একটি সমাবেশ আহ্বান করেছেন। তাঁরা ধর্ষণ মামলার আসামি শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদ থেকে সদ্য অব্যাহতি প্রাপ্ত গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনিকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি করছে।

অপর পক্ষ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ব্যানারে একই দিন একই সময় শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়া, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির ও ফেডারেশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ওরফে আমিন।

তানভীর হাসান টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া তাঁর ভাই।

টাঙ্গাইলের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারের নেতৃত্বে রয়েছেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক, সদর উপজেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. এপ্রিল ২০২৪ ০৭:১২:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে শিশু সন্তান রেখেই পালিয়েছেন স্ত্রী জাকিয়া (২৬)।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ক‌রে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নি‌য়ে যাওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠায়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে উপ‌জেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবা‌ড়ী গ্রা‌মে এই ঘটনা ঘ‌টে।

ভুক্তভোগীর নাম ফিরোজ (২৯) সে স্থানীয় শাহজাহানের ছে‌লে এবং জাকিয়া পাশ্ববর্তী জিগাতলা গ্রামের জামিলের মেয়ে।

প্রতিবেশি ও স্বজনরা জানান, পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে ৬-৭ বছরের একটি শিশু ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার জীবনের মধ্যেই প্রায়ই এক অপরকে দোষারোপ করে বিভিন্ন সময় ঝগড়া করতো।

এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার গ্রাম্য সালিশি হয়। মঙ্গলবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে বুধবার ভোরে ফিরোজের গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফি‌রোজ জানায়, ভোরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে লিঙ্গ কেটে ফেলে। পরে ডাক-চিৎকার শুনে পরিবার ও প্রতিবেশিরা এসে উদ্ধার করে এরআগে শিশু সন্তান রেখেই স্ত্রী জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ফি‌রো‌জের মামা আরজু জানান, ‌বি‌য়ের পর থে‌কে স্বামী ও স্ত্রীর ম‌ধ্যে পা‌রিবা‌রিক কলহ চল‌ছিল। ভোরে ঘুমা‌নো অবস্থায় ভাগিনার লিঙ্গ কে‌টে ফে‌লে তার স্ত্রী। প‌রে পা‌শের লোকজন খবর পে‌য়ে তা‌কে উদ্ধার ক‌রে হাসপাতা‌লে নি‌য়ে আসে। তার স্ত্রী বা‌ড়ি থে‌কে পা‌লি‌য়ে‌ছে।

গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার বলেন- বিষয়টি জেনেছি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ফিরোজকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্থানীয়রা।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সাংসারিক ঝামেলা চলছিল। এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার দরবার-সালিশ করা হয়েছে।

উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকা‌রী মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার কাজল তালুকদার ব‌লেন, লি‌ঙ্গের পু‌রো অংশ কে‌টে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হ‌য়। উন্নত চি‌কিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ও‌সি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, ঘটনা‌টি জেনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোন অ‌ভি‌যোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৯:৩৫:পিএম ২ বছর আগে
সখীপুরে সাংবাদিকের মাথা ফাটালেন আ.লীগ নেতা - Ekotar Kantho

সখীপুরে সাংবাদিকের মাথা ফাটালেন আ.লীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এশিয়ান টেলিভিশনের স্থানীয় প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম শাফলুর উপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়েছেন প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতা।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার উপজেলা রোডের মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সে এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ওই আহত সাংবাদিক বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গুরুতর আহত ওই সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শাফলু অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ টাঙ্গাইলের সম্পাদক ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার সখীপুর প্রতিনিধি।

জানা যায়,সখীপুর পৌর এলাকার উপজেলা রোডের মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সের একটি রুম ভাড়ার চুক্তিপত্র নিয়ে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে সাংবাদিক শাফলুর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে ঐ কমপ্লেক্সের মালিক ও আওয়ামী লীগনেতা মনির উদ্দিন মন্টু।ঘটনাস্থলে ওই সাংবাদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।মাথায় আঘাত পাওয়ায় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার্ড করবেন বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক।

মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সের ভাড়াটিয়া বলেন, এ ভবনের মালিক বদ মেজাজি তার আচরণ অত্যন্ত বাজে। তার বিচার হওয়া প্রয়োজন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত মনির উদ্দিন মন্টু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রুমের চুক্তিপত্র নিয়ে দ্বন্দের এক মুহূর্তে মাথায় আঘাত করে ফেলেছি।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৩৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪৩০ বস্তা অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি দুটি ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ৭ জনের তাৎক্ষণিকভাবে নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু ঘোষ জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে ৪৩০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ দুটি ট্রাক কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২৬:এএম ২ বছর আগে
প্রতারণার নতুন অস্ত্র ‘স্কোপোলামিন’ - Ekotar Kantho

প্রতারণার নতুন অস্ত্র ‘স্কোপোলামিন’

একতার কণ্ঠঃ স্কোপোলামিন বা ভয়ঙ্কর ডেভিলস ব্রেথ, যা শয়তানের নিঃশ্বাস নামে পরিচিত। এটি একটি ভয়ঙ্কর উপাদান। যা কারও অজান্তে কিংবা কৌশল-অপকৌশলে বা জোর করে কারও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে একবার মানবদেহে ছড়িয়ে দিতে পারলেই ওই ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য চলে যান প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে। ভয়ঙ্কর এই উপাদানের প্রয়োগে ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত মানুষ তার নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকেন। প্রতারকদের কথা মতোই রোবটের মতো কাজ করেন। বর্তমান সময়ে স্কোপোলামিন দেশে এক আতঙ্কের নাম।

কোন ধরনের অস্ত্র কিংবা ভয়ভীতি না দেখিয়েই টার্গেট ব্যক্তির সব কিছু লুটে নিতে অপরাধীরা এখন এর ব্যবহার করছে। রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন ডেভিল ব্রেথ বা শয়তানের নিঃশ্বাস জাতীয় পদার্থ দিয়ে অপরাধীরা সাধারণের সর্বস্ব লুট করছে।

অপরাধ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, শয়তানের নিঃশ্বাস নামের এ উপাদানের অপব্যবহার করে অপরাধী কারো সম্পদ লিখে নেওয়া, আবার কোনো নারীর সর্বনাশ করে নীল ছবি তৈরি অথবা পছন্দের নারীকে বিয়ে করলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটি যার ওপর প্রয়োগ করা হয় তিনি তখন নিজের মধ্যে থাকেন না। প্রতারক চক্রের সদস্যের সামনে যিনি (টার্গেট ব্যক্তি) থাকেন, তাকে যা বলা হবে তা-ই করবেন।

প্রতারণার জন্য নতুন আসা ডেভিল ব্রেথকে অনেকে নেশা বা মাদকদ্রব্য বললেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বলছে, এটি মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

সূত্র বলছে, অনেক আগে থেকেই এটি দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশের ৩২ জেলায় সাধারণ মানুষ শয়তানের নিঃশ্বাসের শিকার হয়ে টাকা পয়সা খুইয়েছেন। এ ধরনের প্রতারক চক্রে বিদেশিরাও জড়িত। পুলিশ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।

ডিএনসি বলছে, এটি নিয়ে গবেষণার সময় এসেছে। তবে আপাতত এটির অপব্যবহার করে কেউ যাতে প্রতারণা করতে না পারে সেজন্য জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে।

সম্প্রতি রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী প্রিয়া, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের হৃদয় টেলিকমের মালিক দুলাল মিয়া ও দোকানে থাকা তার ভাগ্নের চোখে কিছু একটা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই তারা নিজেদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। যশোরের অভয়নগর উপজেলায় দোকান মালিক শরিফুলের বাবা, রাজধানীর পল্লবীর ১২ নম্বরের ডিওএইচএস কমপ্লেক্সে ট্রাভেল এজেন্সির জিসান, ফরিদপুর শহরের আলেয়া বেগমসহ ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক ভুক্তভোগী এ চক্রের কবলে পড়ে সর্বস্বান্ত হন।

পল্লবীর মামলার তদন্ত করতে গিয়ে দেশে এ ধরনের ৮ থেকে ১০টি গ্রুপের সন্ধান পেয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রতি গ্রুপে দুই থেকে তিনজন করে সদস্য আছে। এসব চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে ইরানি নাগরিকরা।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, স্কোপোলামিন বা শয়তানের শ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ হিসেবে পরিচিত পাওয়া এই মাদক মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। অন্যের দেওয়া আদেশকে যান্ত্রিকভাবে অনুসরণ করতে বাধ্য করা হয়। তারা নিজে কিছু চিন্তা করতে পারেন না শুধু সামনের লোক যা বলবে তাই করেন রোবটের মত। ফলে দুর্বৃত্তরা লোকজনকে সর্বস্বান্ত করতে মোক্ষক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এটি। সম্প্রতি এই চক্রের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ড. দুলাল কৃষ্ণ সাহা জানান, ২০১৮ সালের তালিকায় স্কোপোলামিন মাদকের তালিকায় নেই। আমাদের দেশে এটা নিয়ে কোনো আইনও নেই। তিনি এটিকে মাদকও বলতে চান না। কারণ মাদক বা নেশা বলতে যা বোঝায় সেটি এটির মধ্যে নেই।

তিনি আরও জানান, স্কোপোলামিন এখনো আমাদের টিম কোথাও থেকে উদ্ধার করেনি। এ সংক্রান্ত মামলাও মাদকে আছে বলে জানা নেই। কাজেই ওটা নিয়ে এখনো আমাদের ল্যাবে কোনো ধরনের টেষ্ট হয়নি। তবে যেহেতু এটি এখন প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে, অপরিচিতদের থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে। কেউ যাতে পাশে বসে কোনো কিছু স্প্রে করতে না পারে কিংবা নাকে টিস্যু কিংবা রুমাল ধরতে না পারে সেদিকে সচেতন থাকতে হবে।

দুলাল সাহা জানান, এটি এমন একটি ভয়ঙ্কর জিনিস। যার প্রয়োগে রিমোট কন্ট্রোল থাকে অপরাধীর হাতে। মেক্সিকানরা এটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু এখন এটির অপব্যবহার হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বেলতলী এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে তাঁদের দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, আতিক হাসান (২৩) ও তাঁর মা আরজিনা আক্তার (৩৯)।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বেলতলী গ্রামের সেন্টু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেন্টু মিয়ার স্ত্রী আরজিনা ও ছেলে আতিক হাসানের কাছ থেকে ২০৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মা-ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইয়াবাসহ আটক মা-ছেলেকে বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৪ ০২:০৭:এএম ২ বছর আগে
পুংলি নদীর পাড় কেটে বিক্রির মহোৎসব - Ekotar Kantho

পুংলি নদীর পাড় কেটে বিক্রির মহোৎসব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার মহেলা এলাকার পুংলি নদী পাড়ের বালু মাটি কেটে অবৈধভাবে বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. শাহ্আলম।

এই নদী পাড়ের বালু কেটে বিক্রি করায় একদিকে যেমন শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে, অন্যদিকে হুমকিতে রয়েছে রেলসেতু। এছাড়াও ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয় প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার।

মাঝেমধ্যে প্রশাসন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ এ বালু বিক্রি। ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজম্ব থেকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, মহেলা গ্রামের পুংলি নদীতে ৬টি স্থানে ভেকু মেশিন বসানো হয়েছে। এই ভেকু মেশিন গুলোর সাহায্যে প্রায় ৫০টির অধিক ড্রাম ট্রাক দিয়ে দিনরাত উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি করে আসছে ওই প্রভাবশালী শাহ্আলম।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুংলি নদীর মহেলা অংশের প্রথম ঘাট চালায় এলেঙ্গা পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর মো. নুর আলমসহ শাহ্আলম, কাদের, জলিল, একাব্বর, মনির, আফজাল মোল্লা, মাজেদুল ও আফজাল প্রামানিক।

দ্বিতীয় ঘাট চালায় স্থানীয় মামুনসহ সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, মো. জহুরুল ও শরীফ ।

এছাড়া তৃতীয় ঘাট চালায় ব্যাংকার মহসিনসহ শহিদউজ্জামান, আয়নাল ও তোফাজ্জল হোসেন।

স্থানীয়রা আরও জানায়, দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ ও ওই এলাকার একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটির চরম বেহাল দশা হয়েছে। সামনেই বর্ষা মৌসুম। এলাকাবাসীর ধারণা এভাবে দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচল করলে এই বর্ষা মৌসুমেই ভেঙে পড়তে পারে রেল সেতু ও সড়ক সেতুসহ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, মো. শাহ্আলম স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় দাপটের সহিত চলাফেরা তার। এছাড়াও রয়েছে তার বিশাল বাহিনী। সে সবসময় বাহিনী নিয়ে চলাফেরা করে। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। প্রতিবাদ করলে তার উপর হামলা চালায়। ইতোপুর্বে তার বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এলাকার অনেকেই।

তারা আরও জানায়, প্রশাসনের সাথে সখ্যেতা রয়েছে শাহ্আলমের। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই পুংলি নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে সে। মাঝেমধ্যে প্রশাসন দায় এড়ানোর জন্য আসে। আসার আগেই খবর পেয়ে যায় তারা। প্রশাসন ঘুরে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার শুরু হয় অবৈধ বালু উত্তোলন।

বালুভর্তি ট্রাক রেল সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করায় ইতোপুর্বেও রেল সেতুটির গার্ডার ধসে পড়েছিলো। পড়ে টনক নড়ে প্রশাসনের। কিছুদিন পূর্বে রেল সেতুর নিচ দিয়ে যেন কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারে সেজন্য কর্তৃপক্ষ পিলার দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি ওই বালু ব্যবসায়ীরা ওই পিলার তুলে ট্রাক চলাচলের রাস্তা বানিয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহ্আলম মুঠোফোনে বলেন, তিনি নদী থেকে বালু মাটি কাটেননা। তিনি তার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির বালু মাটি কেটে বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হুসেইন বলেন, তিনি উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভুমি) এসিলেন্ডকে বলে দিয়েছে, তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:১৯:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।