/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ মালেক ভূইয়ার উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকীর লোকজনের বিরুদ্ধে।

এসময় তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এমএ মালেক ভূইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অবরোধ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ এসে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, কালিহাতীতে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকীর পক্ষে বিজয় মিছিলের প্রস্তুতি নেয় তার অনুসারীরা। এদিকে সাবেক সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী তার বাসায় একটি মিটিংয়ের আয়োজন করেন। সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় কালিহাতী হাসপাতাল মোড়ে এমএ মালেক ভূইয়ার গাড়িতে হামলা চালায় সংঘবদ্ধ একটি গ্রুপ।

হামলার শিকার এমএ মালেক ভূইয়া বলেন, সাবেক এমপি সোহেল হাজারীর বাসায় যাওয়ার সময় আমার গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে কয়েকজন লোক। এসময় আমি ও আমার ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়েছি। নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীর লোকজন এ হামলা করেছে। এতে আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, কালিহাতীতে নির্বাচনের পর থেকে কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা মালেক ভূইয়ার উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা এলেঙ্গা মহাসড়ক প্রায় আধা ঘন্টা অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা এসে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তিনি এ হামলার জন্য স্থানীয় এমপি আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই ও নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীর বাহিনীকে দায়ী করেছেন।

এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী বলেন, আমাদের বিজয় মিছিলে কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা হামলা চালায়। এতে আমার কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, নব‌নির্বা‌চিত উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান আজাদ সিদ্দিকীর বিজয় মিছিল নিয়ে আসার সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মালেক ভূইয়ার উপর হামলা করে অজ্ঞাতরা। এসময় গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। এখনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। অ‌ভি‌যোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২১ মার্চ কালিহাতী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা (মোটর সাইকেল) ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই আজাদ সিদ্দিকী (আনারস)। নির্বাচনে আজাদ সিদ্দিকী বিজয়ী হন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মে ২০২৪ ০৩:২২:এএম ২ বছর আগে
ছাত্রী মেসে গোপনে ভিডিও ধারণ, প্রতিবাদে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি - Ekotar Kantho

ছাত্রী মেসে গোপনে ভিডিও ধারণ, প্রতিবাদে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এলাকায় ছাত্রীদের একটি মেসে ভিডিও ধারণের অভিযোগের যথাযথ বিচার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুক্তমঞ্চে অবস্থা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রীদের অভিযোগ, সন্তোষ ঘোষপাড়া এলাকার সরকার বাড়ির মেস মালিকের ছেলে কৌশলে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাথরুমের ভেতর মোবাইল ক্যামেরা স্থাপন করেন। এক পর্যায়ে তা দেখে ফেলেন চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী। ক্যামেরা দেখে তিনি চিৎকার করেন। বাইরে এসে মেসের অন্য মেয়েদের নিয়ে ক্যামেরা আসলো কী ভাবে তা দেখতে তারা ছাদে যান। সেখানেই দেখতে পান মেস মালিকের ছেলে তুহিন সরকারকে। ছাত্রীরা দিশেহারা ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানান। চেয়ারম্যান বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে বলেন। পরে গত ৮ মে প্রক্টরিয়াল বডিকে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ভুক্তভোগী ছাত্রী।

প্রক্টর অফিসে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, আমি সন্তোষ ঘোষপাড়ার হানিফ সরকারের ছাত্রী মেসের পঞ্চম তলায় ছিলাম, গত ৭ মে জরুরি প্রয়োজনে মেসে আসার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোসলে ঢুকি। গোসলরত অবস্থায় বাথরুমের জানালায় আমি লাঠি জাতীয় কিছুর সাথে একটি ফোনের ক্যামেরার দিকটা বাধা অবস্থায় দেখতে পাই। তাৎক্ষণিক আমি মেসে যারা ছিল তাদের সবাইকে একসাথে চিৎকার করে ডেকে খুঁজে দেখতে বলি যে ছাদে কেউ আছে কি না, যখন সবাই ছাদে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তখন তারা বুঝতে পারে কেউ লুকানোর চেষ্টা করছে, সিঁড়িঘরে ট্যাংকের পিছনে। যখন সবাই বুঝতে পারে এবং তাকে বের হয়ে আসতে বলে তখন সে কোনো শব্দ ছাড়া শুয়ে পড়ে, অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সেখান থেকে বাড়িওয়ালার ছেলে তুহিন সরকার বের হয়ে আসে এবং পুরো বিষয়টিকে অস্বীকার করে। তখন তার পরিবারকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা চলে যাওয়ার পর পুনরায় খোঁজাখুজি করলে একটি লাঠি দড়ি বাঁধাসহ ট্যাংকের পাশে খুঁজে পাওয়া যায়। বর্তমানে মেসে অবস্থানরত মেয়েরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছে এই ভয়ে যে, এই লোক এই ধরনের ভিডিওগ্রাফি কতদিন যাবত করছে? কত মেয়ের অপ্রীতিকর ভিডিও এর আগে করা হয়েছে। এই মেসে অবস্থানরত মেয়েরা সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান মেসে অবস্থানরত মেয়ে শিক্ষার্থীরা।

এই ঘটনা জানাজানির পর ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৯ মে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপর্যুক্ত শাস্তির দাবিতে ভিসি কার্যালয়ে অবস্থান নেন। তারপরেও সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে বৃহস্পতিবার মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। বৃহস্পতিবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত মেসে থাকা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের মালামালসহ তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এ ব্যাপারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর (দায়িত্বরত প্রক্টর) শাকিল মাহমুদ শাওনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২৪ ০২:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুই মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুই মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শান্তা আক্তার (১৯) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক রং মিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

বুধবার (২২ মে) সকালে ও দুপুরে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণপাড়া গ্রাম ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে শান্তা আক্তার নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের সাত্তার পাঠানের মেয়ে ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রামের অটো চালক মামুনের স্ত্রী। বুধবার সকাল ১০টায় গৃহবধূ শান্তা আক্তার বাপের বাড়িতে যেতে চান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। মামুন তার স্ত্রীকে পরদিন নিয়ে যাবে বলে বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে যান।

স্থানীয়রা আরও জানান, এরপর প্রতিবেশী এক মহিলা দুপুরে ওই বাড়িতে যান। এসময় তিনি শান্তাকে না দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর দিলে ঘাটাইল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

অপরদিকে, বুধবার ভোর ৫ টায় উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমান নামে এক রং মিস্ত্রি রান্নাঘরের ধন্নার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। গত এক সপ্তাহ আগেও তিনি বিষ পান করেছিলেন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। কিছুদিন যাবৎ তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন‌ বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারী আত্মহত্যা করেছেন নাকি হত্যা সেটি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে। এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি আরও জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন জিয়াউর রহমানের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৪ ০৪:১৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেছন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সখীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (ঘোড়া) প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপি সংশ্লিষ্ট কেউ উপজেলা নির্বাচনে তার পক্ষে প্রচারণা বা কোনো নির্বাচনী কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাকেও সংশ্লিষ্ট সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৪ ০২:৩২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হাসান সোমবার (২০ মে) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীর নাম, তাসলিমা (৪৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মঈন নগরের রাজু আহমেদের স্ত্রী।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, দণ্ডিত তাসলিমাকে মির্জাপুর থানা পুলিশ ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাসলিমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ২০১৭ সালের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় তাসলিমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৪ ০১:৩০:এএম ২ বছর আগে
ভূঞাপুরে দুই ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের পাল্টাপা‌ল্টি হামলা, ভাঙচুর - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরে দুই ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের পাল্টাপা‌ল্টি হামলা, ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা প‌রিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, দোকানপাট, বাড়িঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘ‌টেছে। এ সময় আহত হয়েছেন তিনজন।

শনিবার (১৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের তাড়াই, ধুবলিয়া গ্রামে ও পাছতেরিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রাতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী টিউবওয়েল মার্কার সমর্থকরা মোটরসাইকেলে পাছতেরিল্লা যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে তাড়াই এলাকায় তালা মার্কার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এরপর ফেরার পথে আবারও বাকবিতণ্ডার একপর্যা‌য়ে দুপক্ষের পাল্টাপা‌ল্টি হামলা হয়। পরে অতি‌রিক্ত পু‌লিশ গিয়ে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তালা মার্কার সমর্থকরা এক‌ত্রিত হয়ে বা‌ড়ি ও ব‌্যবসা প্রতিষ্ঠা‌নে হামলা করে। হামলার ঘটনায় উভয়প‌ক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা প‌রিষ‌দ নির্বাচ‌নকে কেন্দ্র করে ধুবলিয়া গ্রামের রেজাউল, জয়নাল রনির বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ ছাড়া রনির কম্পিউটারের দোকান ও পাঁছতেরিল্লার সোহেল তালুকদারের ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে।

এর আগে রাত ১২টার দিকে এক‌টি মিছিল বের হয়। এ সময় ওই মি‌ছিলকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা ছিল। মি‌ছিলে থাকা লোকজন বা‌ড়ি ঘর ভ‌াঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হু‌মকি দেয়।

ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্ল‌্যাহ জানান, ঘটনাস্থলে পু‌লিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকা‌রী রিটা‌র্নিং কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান, নির্বাচনী স‌হিংসতার বিষয়‌টি ‌জেনে‌ছি। আইনগত ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৪ ০১:২৮:এএম ২ বছর আগে
ভূঞাপুরে হেলিকপ্টার প্রতীকের কর্মী-সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরে হেলিকপ্টার প্রতীকের কর্মী-সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে হেলিকপ্টার প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে দোয়াত কলম প্রতীকের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৭ মে) সকালে উপজেলার ভুঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে আহত হয় উপজেলার শিয়ালখোল গ্রামের আব্বস আলীর ছেলে রোমান।

আহত রোমান জানান, শুক্রবার সকালে চা খাওয়ার জন্য ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ডে শাহাদতের চায়ের দোকানে গেলে তাৎক্ষণিক দোয়াত কলমের সমর্থক জাহাঙ্গীরের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এসে আমার উপর হামলা করে। এসময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে তার। আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আমাকে মাটিতে ফেলে চলে যায়। যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায় যদি হেলিকপ্টার প্রতীকের নির্বাচন করি তাহলে তারা জানে মেরে ফেলবে আমাকে।

এ ঘটনার পর হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ চৌধুরী বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানা ও নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী নার্গিস বেগম।

ভূঞাপুর থানার অফিসার (ওসি) আহসানুল্লাহ জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২৪ ০২:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুনের অভিযোগে স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুনের অভিযোগে স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী মো. রাকিব মিয়াকে (২২) আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে গোপালপুর পৌর শহরের হাটবৈরান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গৃহবধূর নাম নূরী বেগম (১৯)। সে উপজেলার সূতি লাঙ্গলজোড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে রাকিবের সাথে নূরী বেগমের প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ের সম্পর্কে গড়ায়। বিয়ের পর থেকেই রাকিব নূরী বেগমের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাকিব নূরী বেগমকে মারধোর করে। এতে নূরী বেগম জ্ঞান হারালে রাকিব নিজেই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে, রাকিব পালিয়ে যায়।

নিহত নূরীর বড় বোন মল্লিকা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই মাদকাসক্ত রাকিব তার বোনের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। এমনকি তাদের সাথে মোবাইল ফোনেও কথা বলতে বাঁধা দিত। আমি রাকিবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সরোয়ার হোসেন খান সোহেল জানান, মৃত অবস্থায় নূরী বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে তার স্বামী রাকিব। কর্তব্যরত চিকিৎসক নূরীকে মৃত ঘোষণার পর রাকিব মরদেহ ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহের গায়ে নির্যাতনের পুরনো চিহ্ন রয়েছে।

এবিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, মরদেহের গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৪ ০২:১৬:এএম ২ বছর আগে
মধুপুরে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

মধুপুরে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত প্রার্থী ছরোয়ার আলম খান আবু’র কর্মী (দোয়াত কলম) সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের শ্রীরামবাড়ী এলাকায় ভুক্তভোগী পরিবাররা বাড়ির সামনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।মানববন্ধনে ২০ টি পরিবারের নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা জানায়, বুধবার (৮ মে) রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের শ্রীরামবাড়ী ও অরনখোলা ইউনিয়নের জলছত্র গ্রামে বিজয়ী প্রার্থী মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. ইয়াকুব আলীর কর্মী সমর্থকরা হামলা ও ভাংচুর চালায় । হামলায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের শ্রীরামবাড়ীর বাসিন্দা ও দোয়াত-কলম প্রতীকের সমর্থক আল-আমিন বলেন, পরাজিত প্রার্থী আবু খানের নির্বাচন করায় বিজয়ী প্রার্থী ইয়াকুব আলীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়ীতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে তারা। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পড়ে রাত ১২টার দিকে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, সোলায়মান, আসলাম, নুরু ড্রাইভার, মামুন, খোকাসহ দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও তার দলবল নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা ও ভাংচুর করে। এছাড়া ১৫ থেকে ২০ মন আবাদি ফসল ভূট্রা নিয়ে যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০৩:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মধ্যরাতে বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে আটকে রেখে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও আলমিরাতে থাকা ১৯ ভরি স্বর্ণ অলংকার ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদের বাঁধা দিলে গেলে তাদের দু’জনকে মারপিট করে আহত করা হয়।

সোমবার (১৩ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া পশ্চিমপাড়ার আলীম আল রাজিম আকন্দের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে কয়েড়া ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রুবেল সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগি আলীম আল রাজিম জানান, বাসার পেছনে লোহার গ্রিল কেটে মধ্যরাতে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দল। তখন আনুমানিক রাত দেড়টা হবে। পরে হঠাৎ কোনো কিছুর শব্দে ঘুম ভাঙলে চিৎকার করার চেষ্টা করলে আমার ও সন্তানদের মাথায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।

এর একপর্যায়ে আমার স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায় এবং সে আমাকে বাঁচাতে চেষ্টা করলে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আলমারি ও লকারের চাবি চায় ডাকাত দল। পরে চাবি দিতে না চাইলে ডাকাতরা আমাদের সাড়ে ৩ ঘণ্টা আটকে রেখে ও মারধর করে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও ১৯ ভরি স্বর্ণ লুটপাট করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, তারা রাত ৪ টার দিকে পালিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক আমি বাসা থেকে বেরিয়ে ডাক-চিৎকার করলে লোকজন আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে আসি। এরআগে সকালে বিষয়টি ভূঞাপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, মঙ্গলবার (১৪ মে) ভোরে ঘটনাটির ব্যাপারে ভুক্তভোগী জানালে দ্রুত টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ না করলেও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০২:২২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মাসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আর প্রধান শিক্ষকের এসব কর্মকান্ডের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে অভিভাকরা ক্রমাগত তাদের সন্তানদের পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করায় বিদ্যালয়টি প্রায় শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পরার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের মতে প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক আসবাবপত্র ক্রয় ও মেরামতের নামে প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও অভিভাবকরা জানান, গত ২০১১ সালের ২৭ মার্চ ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মো. সোহরাব হোসাইন। পার্শ্ববর্তী গ্রামে তার বসবাস হওয়ার কারণে স্থানীয় প্রভাবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রয়ে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এছাড়া প্রতি বছর স্লীপ ফান্ডের অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যয় করেন এ ব্যাপারে কমিটির অন্যরা কিছুই জানেন না।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানান, প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইন যোগদানের সময় ওই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় আড়াইশ। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকের নীচে।

সরেজমিনে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান মুকুল, কামরুল হাসান, অভিভাবক আবুল কালাম, গিয়াস উদ্দিন, নিতাই সুত্রধর সহ অনেকেই জানান, বিদ্যালয়ে পড়াশুনার কোন পরিবেশ নেই। প্রধান শিক্ষক নিজে চারজন সহকারী শিক্ষিকা নিয়ে অফিস রুমে প্রায়ই টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা আহসানের ভাদাইমা নাটক দেখে সময় কাটান। এছাড়াও তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন সরকারি চাকুরি করেন। এ স্কুলে শিক্ষার্থী না থাকলেও তার চাকুরি যাবেনা।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামীম আল মামুন জানান, তিনি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধান শিক্ষক কোন মাসিক প্রতিবেদনে স্বাক্ষর নেয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভাউচারের বিপরীতে তার স্বাক্ষর জাল করে প্রধান শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেছেন। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মানোন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ লাইন থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত তা বিচ্ছিন্ন। বিদ্যালয়ের একমাত্র নলকূপটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

ঘাটাইল উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হোসাইন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি অন্যত্র বদলীর জন্য অফ লাইনে চেষ্টা করছেন।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জয়নাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

দায়ের করা মিথ্যা মামলায় শিকার হয়েছেন উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাও গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খাঁর ছেলে মো. শুকুর আলী ও লালু শিকদারের ছেলে আব্দুল আজিজ।

জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সামনে সামাদ দেওয়ানের মুদির দোকানে রাতের বেলায় রাস্তায় টর্চ জালানোকে কেন্দ্র করে মামলার বাদী জয়নাল মিয়ার ছেলে চাঁন মিয়ার সাথে স্থানীয় মো. রাব্বেস মিয়ার সাথে বাকবিতন্ডা হয়।

বাকবিতন্ডতার এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রুপ নেয়। সেখানে উপস্থিত বাদী জয়নাল মিয়ার হাতে থাকা টর্চ লাইট নিয়ে তাঁর ছেলে চাঁন মিয়ার মাথায় আঘাত করে অভিযুক্ত রাব্বেস। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়। ঘটনায় সামান্য আহত চাঁন মিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চাঁন মিয়া বাড়ী চলে যায়।

পরে শুক্রবার (১০ মে) মির্জাপুর থানায় মো. রাব্বেস মিয়া, মো. শুকুর আলী ও মো. আব্দুল আজিজকে হত্যা চেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত করে জয়নাল মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মুদি দোকানদার সামাদ দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন রাতের বেলা অভিযুক্ত রাব্বেস তার মুদি দোকানের সামনে রাখা চেয়ারে বসেছিলো। হঠাৎ চাঁন মিয়া ও তার চাচাতো ভাই কালাম রাব্বেসকে বলে তুই আমার বাবার সাথে বেয়াদবি করেছিস কেন। তারপর হঠাৎ করেই রাব্বেসকে চাঁন মিয়া ও কালাম অতর্কিত কিল, ঘুষি মারতে শুরু করে। মারতে মারতে তাকে পাশের টিউবওয়েল পারে নিয়ে ফেলে দেয়। এসময় রাব্বেস আত্মরক্ষার্থে তার পাশে উপস্থিত চাঁন মিয়ার পিতা জয়নালের হাতে থাকা টর্চ নিয়ে চাঁন মিয়াকে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মারামারির সময় শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলোনা।

মামলার বাদী জয়নাল মিয়া বলেন, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মামলায় অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলো কিনা আমি দেখি নাই। তবে আমার মনে হয়েছে পাশেই অন্ধকারে তারা দাঁড়িয়ে ছিল এবং মারামারিতে তাদের ইন্ধন ছিল। এজন্যই মামলার এজাহারে তাদের নাম দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ২নং ওয়ার্ড মেম্বার লতিফ রানা বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটেছে এটা ঠিক। কিন্তু ঘটনাস্থলে শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ উপস্থিত ছিলোনা। তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো সঠিক হয়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন আমি মোটরসাইকেল নিয়ে সামাদ দেওয়ানের দোকানের সামনের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, এসময় দোকানের সামনে লোকজনের জটলা দেখতে পাই। পরে আমি বাসার দিকে রওনা হই। কিছুদূর যাওয়ার পর লোকজনের ধর ধর চিৎকারে আমি মোটরসাইকেল থামালে রাব্বেসকে দৌড়িয়ে পালিয়ে যেতে দেখি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি রাব্বেসের সাথে চাঁন মিয়া ও কালামের মারামারি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা চাঁন মিয়াকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি মামলার অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ মারামারিতে জড়িত ছিলোনা। পূর্ব শত্রুতার জেরেই তাদেরকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।