একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রায় ১৪ বছর পর জেলা বিএনপি বিশাল র্যালি ও সমাবেশ করেছে। দীর্ঘ ১৪ বছরের মধ্যে এত বড় র্যালির আয়োজন বা সমাবেশ জেলা বিএনপি করতে পারেনি। বিভিন্ন সময় স্বল্প পরিসরে শহরে জেলা বিএনপি মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করলেও পুলিশি বাঁধায় তা পন্ড হয়ে গেছে।
বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে শহরে এ বিশাল আনন্দ র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এদিকে, টাঙ্গাইল সদর থানা ও শহর বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় বুধবার(১০ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে দলের দুই আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয়ে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সামনে পৌঁছালে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি কমিটির আহ্বায়ক আজগর আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আলীম, সদস্য সচিব ইজাজুল হক সবুজ, শহর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহীন আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাদিউজ্জামান সোহেল প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপির এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১১৯ জন সাংবাদিক নানামুখী হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৮ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার এবং ১৯ জন প্রকাশিত সংবাদের জেরে মামলার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বাস্তব অর্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার শেষ হয় না বলে মনে করে টিআইবি।
বুধবার (১০ আগস্ট) টিআইবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার, হামলা-মামলা ও বিচারহীনতার ও মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চলমান প্রক্রিয়ার অপপ্রয়াসের অব্যাহত প্রবণতা।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন দেশের মানুষ প্রভাবশালী ও ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজদের অর্থপাচার এবং নানাবিধ দুর্নীতির কারণে বহুমুখী সংকট মোকাবিলা করছে। তখন দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন ও প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। বিশেষ করে, অতিসম্প্রতি চিকিৎসাসহ বিভিন্ন জনসেবা প্রদানকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহকালে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় স্পষ্ট যে, দুর্নীতিবাজরা কতটা বেপরোয়া, ক্ষমতাধর এবং সংঘবদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বটেই, রাষ্ট্রীয় কোন কর্তৃপক্ষকেই তারা পরোয়া করে না। এই বেপরোয়া আচরণ প্রমাণ করে, কোন না কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকে।
তিনি বলেন, নিয়মিত বিরতিতে সাংবাদিক নির্যাতন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে হামলা-মামলার ঘটনা ঘটলেও, কঠোর আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে যথোপযুক্ত শাস্তির দৃষ্টান্ত কার্যত অনুপস্থিত, যা নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছি।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে ঢাকা ও বরিশালে অন্তত তিনজন টেলিভিশন সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ ভয়াবহ হামলা এ খাতে শক্তিশালী সিন্ডিকেট এবং তাদের সুরক্ষাদাতাদের বেপরোয়া দৌরাত্মের প্রমাণ দেয়, যা টিআইবির বিভিন্ন গবেষণা এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।
ধারাবাহিক হামলা সাংবাদিকদের মনোবল ভেঙে দিয়ে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টির সুগভীর ও সংঘবদ্ধ অপকৌশল কিনা? এমন প্রশ্ন তুলে নির্বাহী পরিচালক বলেন, বিশ্ব দায়মুক্তি সূচক-২০২১ অনুযায়ী সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশের দশম অবস্থান লজ্জাজনকভাবে দেশে সাংবাদিকতার প্রকট ঝুঁকির দৃষ্টান্ত। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২২ অনুযায়ী ১০ ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ১৬২তম অবস্থানও প্রমাণ করে যে, সাংবাদিকতা এদেশে ধারাবাহিকভাবেই কঠিন হয়ে উঠছে। তাই সাংবাদিকদের সুরক্ষায় অবিলম্বে বিশেষ আইন প্রণয়ন এবং তার কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সময়ে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে প্রণোদনার(দ্বিতীয় পর্যায়) চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ওই চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক(সার্বিক) আমনুল ইসলামের সভাপতিত্বে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহকারী কমিশনার দ্বীপ ভৌমিক প্রমুখ।
এ সময় টাঙ্গাইল সদর ও মির্জাপুর উপজেলার ২২ জন সাংবাদিককে করোনাকালীন প্রণোদনার ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক প্রদান করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার আসামি আত্মসমর্পণ করেছেন।
বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।
পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২ নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বিজন জানান, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি।
তিনি আরো জানান, পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেই। বুধবার (১০ আগস্ট) টাঙ্গাইলে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছি।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, পুলিশ সৃষ্টির রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের সাত তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।
শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর রবিবার বিকালে র্যাব সাতজন শিক্ষক ও ডিবি দুইজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
পরে র্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের সাতজনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন।
পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে সুখের সংসার পেতেছেন নেপালি তরুণী সানজু কুমারী খাত্রী। বাঙালিদের মতোই এখন তার চলাফেরা, খাবার ও পোশাক। এমনকি বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথাও বলছেন তিনি।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের গৃহবধূ সানজু স্বামী-সংসারের জন্য ছেড়েছেন পরিবার-পরিজন এবং ধর্ম। বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী নেপালি তরুণীর বর্তমান নাম খাদিজা আক্তার। স্বামী প্রবাসে থাকায় শ্বশুর-শাশুড়ি আর একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়েই কাটছে তার সময়।
স্থানীয়রা জানান, ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি নেপালি ওই তরুণী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন আলীর মালয়েশিয়া প্রবাসী পুত্র নাজমুল ইসলামের কাছে ছুটে আসেন। সম্প্রতি ওই বাড়িতে গিয়ে প্রেম ও সংসার জীবন নিয়ে কথা হয় সানজুর সঙ্গে। এ সময় সুখেই সংসার করছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি নেপালের কাঠমান্ডু শহরে। বাবার নাম দমর বাহাদুর খাত্রী। তিন বোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। তবে বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করে ধর্ম পরিবর্তন করে এখন আমার নাম খাদিজা আক্তার।
নাজমুলের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় একই কোম্পানিতে কাজ করার সময় নাজমুলের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালের শেষের দিকে মালয়েশিয়া থেকে আমি নিজ দেশে ফিরি। পরে নাজমুলও বাংলাদেশে ফেরেন। এরপর নামজুল তার এক আত্মীয়কে নিয়ে নেপালে আমার বাড়িতে এসে পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরিবারকে রাজি করিয়ে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আমাকে নিয়ে বাংলাদেশে ফেরে নাজমুল। পরে টাঙ্গাইলে আদালতের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজসহ স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। ওই সময় আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি। আমার নতুন নাম খাদিজা আক্তার।
তিনি আরও জানান, বিয়ের কিছু দিন পর তিনি নিজ দেশে ফিরে যান। সেখানে কিছু দিন থাকার পর আবার স্বামীর কাছে বাংলাদেশে চলে আসেন। কিছু দিন সংসারের পর নাজমুল মা-বাবার কাছে তাকে রেখে ফিরে যান মালয়েশিয়ায়।
সানজু বলেন, স্বামী মালয়েশিয়া যাওয়ার পর থেকে শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদ ও একমাত্র মেয়ে তাসফিয়া ইসলাম নূরকে নিয়েই সময় কাটছে। এছাড়া নেপালে আমার মা ও দুই বোনসহ আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। তাদের সঙ্গেও নিয়মিত ভিডিও কলে কথা হয়।

সানজুর শ্বশুর হুমায়ুন আলী বলেন, ‘নেপালি মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে পেয়ে আমি আনন্দিত। আমার ছেলের বউ এখন বাংলায় কথা বলতে পারে। বাঙালি মেয়েদের মতোই তার চলাফেরা। নেপালে তার মা ও দুই বোন রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরাও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে মজার বিষয় হলো, বিয়ের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তাকে দেখার জন্য অনেকেই বাড়িতে আসেন।’
মোবাইল ফোনে কথা হয় নাজমুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সানজুকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমি অনেক খুশি। সে এখন আপাদমস্তক বাঙালি। এছাড়া কোরআন পড়ে, পর্দা করে। বাঙালি নারীদের মতোই সংসার সামলাচ্ছে। আমরা একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সামনের দিনের স্বপ্ন বুনছি।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে গভীর রাতে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার মূলহোতা রতন হোসেনের (২১) বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামে। তারা দুই ভাই। তার মা-বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়েছে অনেক আগে।
বাবা মজিবর রহমানের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর তার মা বাবুল নামে আরেকজনকে বিয়ে করেন। পরে তারা দুই ভাই ঢাকায় চলে যান। ঢাকায় গিয়ে রতন জড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। তবে তার বাবা মজিবর রহমানের বাড়ি একই উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, ডাকাত দলের মূলহোতা রতন হোসেন ঢাকায় থাকার সুবাদে মাঝে মধ্যে তার মায়ের বাড়ি ধলপুর আসতেন। তবে তাদের সম্পর্কে এলাকাবাসী কিছুই জানত না। তারাও এলাকায় গিয়ে কিছু দিনের জন্য থেকে আবার ঢাকায় চলে যেত। রতন এখন পর্যন্ত বিয়ে করেননি বলে জানে এলাকাবাসী। এই বয়সে সে এতো বড় ঘটনা ঘটাতে পারে সেটা ভাবা যায় না। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই তার মাসহ বাড়ির সবাই এলাকা থেকে পালিয়েছেন।
মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ধলপুর গ্রামের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন জানান, রতন ও তার ভাই আগের পক্ষের মজিবর রহমানের ছেলে। তার মা বেলী বেগম মজিবরের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর বাবুল নামে একজনকে বিয়ে করে ধলপুর এলাকায় থাকেন।
তিনি আরো জানান, পরের ঘরে বেলীর একটি মেয়ে রয়েছে। তবে রতন ও তার ভাই এলাকায় থাকে না। তারা ঢাকায় থাকে, মাঝে মধ্যে এলাকায় আসে। এর মধ্যে গত তিন মাসে রতন ধলপুর এসে ভোটার হয়েছে। এখনো তার আইডি কার্ড আসেনি। সে আমাদের এলাকাতেই ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল আসামি এটা ভাবা যায় না। এই ঘটনা শুনে এলাকার মানুষজনও হতবাক হয়েছে। তাদের বাড়ির লোকজন সকালেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জেনেছি।
এদিকে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনসহ ডাকাত দলের ১০ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। রোববার (৭ আগস্ট) ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজাদের দায়ের কোপে চাচা ফালা মিয়া (৫৫) খুন হয়েছেন। সোমবার ( ৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার হাতীবান্ধা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ সময় নিহত ফালু মিয়ার স্ত্রী ও ছেলেসহ চারজন গুরুতর আহত হয়। ফালু মিয়া ওই গ্রামের মৃত: চান মিয়ার ছেলে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন ফালু মিয়ার স্ত্রী আজীরন (৫০) ছেলে রিপন (২৫) বিয়াই মোংলা (৫০) ও তার স্ত্রী হালিমা (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত ফালু মিয়া ও তার ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে বাবর আলীর ছেলে জাফর ও নাজিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দা শাবল নিয়ে ফালুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবর আলী ও অন্যদের গুরুতর আহত করে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোক এগিয়ে এলে তারা চলে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ফালু মিয়া মৃত্যুবর করে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির হোসেন জানান, ফালু ও তার সহোদর ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। একাধিক মামলাও চলছে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফালু মিয়া খুন হয়েছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পূর্ণিমা সূত্রধর (১৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানাে অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
গৃহবধুর স্বামী নিলয় সূত্রধর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধরের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাই গৃহবধূ পূর্ণিমার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।
জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার পোষনা গ্রামের মনােরঞ্জন সূত্রধরের মেয়ে পূর্ণিমা সূত্রধরের ছয় মাস পূর্বে বিয়ে হয় দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামের ছানু সূত্রধরের ছেলে নিলয় সূত্রধরে সাথে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে স্বামী নিলয় পূর্ণিমাকে নির্যাতন করতাে। ঘটনার তিন দিন আগেও স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে এই গৃহবধূ বাবার বাড়ি চলে যায়।
শুক্রবার ( ৫ আগস্ট) স্বামী নিলয় তার স্ত্রীকে নিজ বাড়ি পিরােজপুরে নিয়ে আসে। শনিবার সন্ধ্যায় গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধর জানান, ঘটনার তিন দিন আগে স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে পূর্ণিমা আমার বাড়ি চলে আসে। শুক্রবার স্বামী নিলয় এসে পূর্ণিমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়, যাওয়ার সময় পূর্ণিমা বারবার বলছিল “বাবা আমাকে ওখানে পাঠাইও না” পরে আমি মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠাই।
তিনি আরো জানান, নিলয় ও তার পরিবারের লােকজন আমার মেয়ের গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের ভিতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।
দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক মােঃ মামুন মিয়া জানান, শনিবার সন্ধ্যায় শাড়ি কাপড় দিয়ে গলায় পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ পূর্ণিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ওই গৃহবধূর বাবা ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।
তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। রবিবার (৭ আগস্ট) ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানাে হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বুঝা যাবে ঘটনাটি হত্যা না,আত্মহত্যা ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায়ের আদেশ দেন।
দন্ডিত ওই যুবকের নাম রবিন মিয়া (২৬)। সে সখীপুর উপজেলার সদরের গজারচালা এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য আসামি দীপ্তি আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌশুলী মোহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস জানান, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সখীপুরের একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রবিন তাদের বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনই ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রবিন মিয়া ও দীপ্তি আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায় ঘোষণার সময় রবিন মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ হঠাৎ জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাংগাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের শহীদস্মৃতি পৌরউদ্যানের সামনে গিয়ে শেষ হয়।সেখানেই বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, নবগঠিত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল।
সমাবেশে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, সদস্য মেহেদী হাসান আলীম, আজগর আলী, ইজাজুল হক সবুজ, নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, জেলা যুব দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সমাবেশে নবগঠিত জেলা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার(৫ আগস্ট) দুপুরে দলীয় প্যাডে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়।
শুক্রবার(৫ আগস্ট) রাতে নতুন এই কমিটিতে পদ বঞ্চিত নেতারা তাদের অনুসারিদের নিয়ে ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাত আটটার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সদস্য বিদায়ী কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ থেকে এই কমিটি প্রত্যাখান করার ঘোষনা দেওয়া হয়। এছাড়া বিএনপির অনেক ত্যাগী নেতা এই কমিটিতে বাদ পড়েছে বলে দাবি করা হয়। অবিলম্বে জেলার ত্যাগী নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে।
প্রকাশ, নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে আগের কমিটির আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আগের কমিটির অধিকাংশ রয়েছেন। তবে বাদ পরেছেন সদস্য সচিব, এক যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন নেতা। ৪৬ সদস্য কমিটির মধ্যে কয়েকজনকে বাদ দিয়ে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন ঘোষিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে আগের কমিটির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানকে। আগের কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সদস্য সচিবের পদ রাখা হয়নি। আগের কমিটির চার যুগ্ম আহ্বায়ক নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। তবে বাদ পরেছেন যুগ্ম আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি। আগের কমিটির সদস্য ছাইদুল হক ছাদু, অ্যাডভোকেট ফায়েজুর রহমান ও অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপনসহ বেশ কয়েকজন নেতা বাদ পরেছেন।
একতার কণ্ঠঃ নানা আয়োজনে নাগরপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ ছেলে ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ওয়াহিদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) মো.ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোঃ রোকনুজ্জামান খান, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস প্রমূখ।
দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগ সকালে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মিলাত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ।