একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অটো রিকশা চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী পৌরসভার সালেংকা পূর্ব পাড়া গ্রামের সপ্না বেগমের বাড়িতে।
আটককৃত ওই ব্যক্তি মির্জাপুর উপজেলার মৃত জয়নালের ছেলে শাকিল (২৫)।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় ৩ টা ৩০ মিনিটের দিকে সালেংকা পূর্ব পাড়া গ্রামের টিপু নামের এক ব্যক্তি ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হলে পাশের সপ্না বেগমের বাড়ির গেইট খোলা দেখে এবং বাড়ির ভিতরে বড় শব্দ শুনতে পান। পরে এগিয়ে গিয়ে দেখে একজন ওই বাড়িতে থাকা একটি অটোরিকশার তালা ভাঙার চেষ্টা করছে, অপরজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে এদিক সেদিক উঁকি দিচ্ছেন। পরে দুইজনের মধ্য থেকে উঁকি দেওয়া শাকিল নামের একজনকে ধরে আশেপাশের লোকজন ডাকাডাকি করলে ভিতরে থাকা অপরজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে সকালে স্থানীয় কাউন্সিলর সোহেল রানাকে খবর দেয়। পরে কাউন্সিলর এসে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আটককৃত ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, অটো চোর সন্দেহে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। যাচাই বাছাই সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ আগস্ট একই বাড়ি থেকে একই গ্রামের জহের আলীর ছেলে সাইফুলের অটো চুরি হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনায় হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করায় ডিএম সালমান (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে
নিহত সালমান উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কুড়াতলী গ্রামের শামসুল দেওয়ানের ছেলে। সে গল্লী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
স্বজনরা জানান, সালমানের বন্ধু চুকুরিয়া গ্রামের আলামীন একই এলাকার শফিকের দোকানে তাকে সঙ্গে নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে কিছু টাকা লেনদেন করে। আলামীন পরে টাকা দেয়ার কথা থাকলেও সে টাকা না দিয়ে গা ঢাকা দেয়। বুধবার (৩১ আগস্ট) সকালে শফিক সালমানের কাছে টাকা দাবি করে। এতে সালমান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ওইদিন বিকেলে শফিক সালমানকে ডেকে এলাকার মাতব্বর সেকেন্দার সিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সেকেন্দার, সাইফুল, লতিফ, শফিক সালমানকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। রাতের কোনো একসময় সালমান ওই এলাকার মামুন তালুকদার নামে এক ব্যক্তিকে মোবাইল ফোনে কল করে তাকে উদ্ধার করতে বলে। মামুন রাতেই তাকে উদ্ধার করে তার কাছে রাখে।’
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে সালমান বাড়ি ফিরে ইঁদুরের বিষ পান করে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আবার মামুনের সঙ্গে দেখা হলে সে বিষ পান করেছে বলে জানায়। পরে তাকে প্রথমে উপজেলার জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে সালমানের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সালমানের মামাতো ভাই জামুর্কী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন খান বলেন, ‘সদা হাস্যোজ্জ্বল ও বিনয়ী সালমানকে যারা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, তাদের উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দাবি করছি।’
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাইদ বলেন, কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সালমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ নারায়ণগঞ্জে মহানগর যুবদল নেতা শাওন সর্দার হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বেপারীপাড়া সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এর সামনে থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শান্তিকুঞ্জ মোড়ে পৌঁছালে পুলিশি বাঁধা মুখে পড়ে। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মাইক বন্ধ করে দেয়। ফলে সমাবেশ পন্ড হয়ে যায়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম-আহবায়ক আতাউর রহমান জিন্নাহ, আবুল কাশেম, প্রমূখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আজগর আলী, সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহবায়ক মেহেদী হাসান আলীম, যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আকন্দ, সদস্য সচিব এজাজুল হক সবুজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলকসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।
এই বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে জেলা বিএনপি তাদের নির্ধারিত স্থানে সভা সমাবেশ করতে পারেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার স্ত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান হিমু (৩০) ও গোপালপুর উপজেলার চরচতিলা মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উত্তর বিলডোবা গ্রামের মৃত নঈম আলী মন্ডলের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হিমু তার শাশুড়ি ফরিদা বেগমকে চিকিৎসক দেখানোর জন্য ঘাটাইল থেকে অটোরিকশাযোগে টাঙ্গাইল যাচ্ছিলেন। অপরদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলামও চিকিৎসক দেখাতে যাচ্ছিলেন। তাদের অটোরিকশাটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে উত্তরবঙ্গগামী একটি যাত্রীবাহী বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাইফুলের মৃত্যু হয়।
এ সময় গুরুতর আহত হন হিমু ও তার শাশুড়ি ফরিদাসহ তিনজন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হিমুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকার নেওয়ার পথে হিমুর মৃত্যু হয়।
নিহত হিমুর চাচা আলতাব হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) হিমু পাকুন্দিয়া থেকে তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছে। শুক্রবার শাশুড়িকে চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলো।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন জানান, ঘাটাইল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে টাঙ্গাইল যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাইবান্ধাগামী বাসের সঙ্গে অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ সংক্ষিপ্ত আকারে অনাড়ম্বর ভাবে টাঙ্গাইলে পৃথকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সিলমি পার্টি সেন্টার ও সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সিলমি পার্টি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এড. আহমেদ আযমের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনসহ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে, জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। তার নিজ হাতে গড়ে তোলা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আজ এগিয়ে চলেছি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও করে যাবে।
পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সংক্ষিপ্ত আকারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের চারটি প্রাচীন রেইনট্রি কড়ই গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর ব্যানারে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কর্তনকৃত একটি গাছকে ঘিরে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ছাডাও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে ফাতেমা রহমান বিথী, মিনারুল ইসলাম,কানিজ ফাতেমা মিম, আবিদ হাসান তুষার, আতাউল ইসলাম তূর্য,টাঙ্গাইলের সাধারণ নাগরিকের পক্ষে হেমায়েত হোসেন হিমু ও সাম্য রহমান বক্তব্য রাখে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনরকম যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পৌর উদ্যানের প্রাচীন এই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি উদ্যানের জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করেছে। এবার লাখো শহীদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের একের পর এক প্রাচীন বৃক্ষ কাটা হচ্ছে। এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে এই গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, পুনরায় উদ্যানে নতুন করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট প্রশস্ত করন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পরিবর্তে, পৌর মেয়র কেবল দোকান বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
মানববন্ধনে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান রক্ষায় আট দফা দাবি জানানো হয়।
দাবি গুলো হচ্ছে:-
উদ্যানকে তার আগের রুপে ফিরিয়ে দিতে হবে তার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নতুন করে বৃক্ষরোপণ।
যদি কোনো চারা গাছ মারা যায় সেখানে নতুন করে গাছ লাগাতে হবে।
গাছের যত্ন এবং তদারকির জন্য কিছু কর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক করতে হবে যাতে তারা সকাল বিকাল সেগুলোর যত্ন নিতে পারে।
উদ্যান নিরিবিলি বসার স্থান এখানে মানুষের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অবৈধভাবে দোকান পাট ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
উদ্যানের পরিবেশ যেন ভারসাম্যহীন এবং নোংরা না হয়ে পড়ে সে বিষয়ে প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।প্রয়োজনীয় ডাস্টবিন রাখার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
অবৈধ ভাবে আর একটি গাছ তো দূরের কথা গাছের ডালও কাটা যাবে না।
পার্কিং থাকা সত্যেও অবৈধ এবং ভারী যানবাহন পার্কিং নিষিদ্ধ করতে হবে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গ্রাম্য সালিশের জেরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিফাতকে(১৩) হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।
বুধবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
এ বিষয়ে মাসুদ করিম আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুজন ছাড়াও আরও কয়েকজন অংশ নিয়েছিল বলে জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তিনি জানান, নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিবেশী তালেবকে আটক করে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে একই উপজেলার কাটরা গ্রামের মেহতাবকে (১৮) আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মেহতাব ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন। অপরদিকে তালেব সিদ্দিকীকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।
প্রকাশ, কয়েক সপ্তাহ আগে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মির্জাপুরের ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোরাইল গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে সিফাতকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয় একই গ্রামের তালেব সিদ্দিকী (৬৫) ও তার নাতি হিরণ (২৫)। এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে তালেব সিদ্দিকীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও তার নাতি হিরণকে ১০টি জুতার বাড়ি মারা হয়।
এরপর গত সোমবার (২৯ আগস্ট)দিনগত রাতে ত্রিমোহিনী মাঝিপাড়া এলাকার একটি ক্ষেতে সিফাতের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম মঙ্গলবার(৩০শে আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু আওয়ামী লীগের নয় সারা বাংলাদেশ সকল জনগণের।বঙ্গবন্ধু আমার রাজনৈতিক পিতা তাই পিতার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। জাতির পিতার কবর যখন অযত্নে অবহেলিত ছিল তখন আমি কবর পরিস্কার করে ছিলাম। তখন পরিস্কার করার কেউ ছিল না।এখন অনেক নেতা গজিয়েছে তখন তারা ছিল না।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল শহীদদের আল্লাহতালা বেহেশত নসিব করুক। জাতির পিতার পরিবার সহ বাংলাদেশের সকল মানুষের কল্যান কামনা করছি।
এসময় পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতিক, যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার,
শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ১৯৯৯ সনে আওয়ামীলীগ ছাড়ার পরও প্রতি বছর একাধিকবার তিনি বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু করোনার কারণে ২০২০-২১ সালে সেখানে যেতে পারেন নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইালের নাগরপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জুলহাস মিয়া (৩৮) নামের এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা হত্যার পর তার মরদেহ বাড়ীর ডোবায় ফেলে রেখে যায়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যাতা স্বীকার করেন।
সোমবার(২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর উত্তর পাড়া গ্রামে নৃশংস এ হত্যাকান্ডটি ঘটে। নিহত জুলহাস ওই গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে ।
মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলের ডোবা থেকে জুলহাসের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে।
জুলহাসের স্ত্রী মারুফা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে জুলহাস ঘুমের প্রস্ততি নেয়। এ সময় মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর আর রাতে বাড়ী ফেরেনি। পরদিন সকালে মৃতের স্বজরা তার লাশ বাড়ীর পাশের ডোবায় পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, নিহতের লাশের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোট শেষ করে লাশ উদ্বার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরো জানান,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সিফাত মিয়া (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে মির্জাপুর পৌর এলাকার ত্রিমোহন মাঝিপাড়া এলাকার একটি ধনচা খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের এক প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট)সকালে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানান, সোমবার(২৯ আগস্ট) বিকেলে সিফাত একই গ্রামের বাসিন্দা তার বন্ধু নুরুল আমিনকে নিয়ে মির্জাপুর রেলক্রসিং এলাকায় চটপটি খাচ্ছিলো।
এ সময় দুটি ছেলে এসে কানে কানে সিফাতকে কিছু বলে ডেকে নিয়ে যায়।
এদিকে সন্ধা হলেও সিফাত বাড়ি না ফেরায় তার বাবা মুঠোফোনে বার বার ফোন দেন। কিন্তু রিসিভ না করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে সিফাতের বন্ধু নুরুল আমিনকে ফোন দিলে সে জানায়, সন্ধ্যায় রেলক্রসিং এলাকা থেকে সিফাতের দুই বন্ধু তাকে ডেকে নিয়ে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুজির পর রাত বারোটার দিকে ত্রিমোহন মাঝিপাড়ার একটি ধনচা খেতে তার মরদেহ পরে থাকতে দেখেন। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সিফাতকে তার পরনের বেল্ট খুলে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তার মুখে আঘাতের চিহ্ন ও পায়ূপথে একটি ধনচা ঢুকানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সোমবার রাতেই সিফাতের বাবা শহিদ মিয়া মির্জাপুর থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শহিদ মিয়া জানান, গত এক মাস আগে তুচ্ছ ঘটনায় পাশের বাড়ির তালে সিদ্দিকী ও তার নাতি হিরন (২৭) মিলে সিফাতকে বেধরক মারপিট করে তার হাত ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় গ্রাম্য শালিসে তালে সিদ্দিকী ও তার নাতিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা ও দশটি জুতার বাড়ি মারা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সিফাতের প্রতিবেশী তালে সিদ্দিকীকে আটক করেছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। সিফাত হত্যাকরীদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে একটি খেলা এখন সময়ের অপেক্ষা। আর সেই খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক শক্তির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির। একাত্তর, পঁচাত্তর এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার খুনিরা সবাই এক। ওরা দেশে আবার খুনোখুনির খেলা শুরু করেছে।
সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্থানীয় সরকারি সূতি ভিএম পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম ওসমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সৈনিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারাও খেলায় নামবে। সেই চূড়ান্ত খেলায় খুনিরা পরাস্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবারও জয়লাভ করবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু দেশের সম্পদ নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য আইডল। তিনি হেরে গেলে বাংলাদেশ পথ হারাবে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে আফগানিস্তানের চেয়েও ভয়াবহ। আমাদের সামনে এই যে মরণপণ খেলা অপেক্ষা করছে সেটির জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সবাইকে মাঠে নেমে খেলতে হবে। আর খেলায় খুনিরা নিশ্চিত হেরে যাবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আব্দুল মোমেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এমপি।
বক্তৃতা করেন স্থানীয় এমপি ছোট মনির, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৭ বছরে শিশু ফাতিমাকে হত্যা করেছে মা হাওয়া বেগম। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে মারা যাওয়ার নাটক সাজায় মা হাওয়া। রাগের মাথায় সে ফাতিমার গলা টিপে ধরে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরে ঘরে এসে মৃত্যু হয়েছে ভেবে গলায় গামছা পেঁচিয়ে রেখে আশপাশের লোকজন ডেকে আনে।
স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
পুলিশ ও আদালতের কাছে এমনটাই স্বীকার করেছে হাওয়া বেগম। হাওয়া বেগমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত।
এদিকে ঘটনার দিন পুলিশ শিশুটির মা হাওয়া বেগমকে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় গরমিল পাওয়া যায়। পরে সে নিজ সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই মো. আরফান খান জানান, নিজ সন্তান ফাতিমাকে হত্যার বিষয়ে মা হাওয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার(২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর উপজেলার নিকলাদড়ি পাড়া গ্রামে মা হাওয়া বেগম কর্তৃক এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে খেলার ছলে গামছা পেঁচিয়ে ফাতিমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। তার তিন মেয়ের মধ্যে ফতিমা সবার ছোট ছিলো।
স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান দুলাল হোসেন।