মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আরেক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আরেক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরও এক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে তার মৃত্যু হয়।

শনিবার(১০ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামির নাম মো. সমীর মিঞা (৪২)। তিনি শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে।

তিনি ফারুক হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।

জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সমীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান,সমীর হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে ইতোপূর্বে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন। শনিবার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে যথানিয়মে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আরেক আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা (৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:১৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক উদ্ধারে টানা ৭ বারের প্রথম ডিবি ওসি দেলওয়ার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক উদ্ধারে টানা ৭ বারের প্রথম ডিবি ওসি দেলওয়ার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টানা সাত বারের মতো মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলওয়ার হোসেন।

মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত জেলায় প্রথম ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ওসি দেলওয়ার।

এছাড়াও তার নেতৃত্বে ১৮২ টি অভিযানে ১২৬ টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় দুুই কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মাদক উদ্ধার ও ২০৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মো. দেলওয়ার হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করছি। এসআই নুরুজ্জামান ও এসআই রাইজ উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তার করছি। সকলের সহযোগিতা সামনের দিনে আরও ভাল কাজ করতে চাই।

উল্লেখ্য, মো. দেলওয়ার হোসেন ১৯৯০ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর তিনি খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে জেলায় চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রীকে নানা প্রলোভন ও ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়েছে আবু সামা (৩৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষক।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূঞাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পলাতক শিক্ষক আবু সামার বড় ভাই ও সহযোগী আব্দুর রাজ্জাক ওরফে মোতালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে।

আবু সামা উপজেলার ধুবলিয়া এলাকায় খালেক নুরানী মাদরাসার শিক্ষক এবং উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের শিক্ষক আবু সামা ওই গ্রামের খালেক নুরানী মাদরাসায় শিক্ষকতার কারণে ধুবলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের পিছনে গণিত বিষয়ে টিউশনি করতো। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ওই ছাত্রী আবু সামারের কাছে গণিতের প্রাইভেট পড়তো।

গত দুই মাস ধরে আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়তো সে। এই সুযোগে আবু সামা প্রথম থেকেই ছাত্রীকে কু-নজরে দেখার পাশাপাশি প্রেম প্রস্তাব দেয়। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক আবু সামার পরিবার ও তার ভাই রাজ্জাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কি কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েটিকে সে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে পালিয়েছে গেছে জানা যায়নি। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ওই সংখ্যালঘু পরিবারটিকে চাপ দিচ্ছে।

ওই মেয়েটির বাবা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষক আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে সে আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পুলিশ তার ভাইকে ধরেছে বলে জেনেছি। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ের কোন খোঁজ পাচ্ছি না।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের বড় ভাই সহযোগী রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা ও ভাইদের সাক্ষীতে এক চিহ্নিত মাদকসেবীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে আদালত বসিয়ে এ সাজা দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম।

সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তির নাম ছানোয়ার হোসেন (৩২)। সে উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে। তার মা রহিমা বেগম ছেলের বিরুদ্ধে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ছানোয়ার হোসেন এলাকার একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। মা, ভাই ও স্ত্রী সবাই সানোয়ারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিল। বুধবার ছানোয়ার গাঁজা খেয়ে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে মাতলামি করছিল। এ সময় ওই বাজারের লোকজন উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই বাজারে গিয়ে ছানোয়ারকে মাতলামি করা অবস্থায় খুঁজে পায়।

তিনি আরো জানান, সানোয়ার হোসেনের মা রহিমা বেগম (৬০),দুই ভাই আইয়ুব আলী ও মোতালেব সানোয়ারকে একজন মাদকসেবী বলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন। আদালত তাকে মাদক সেবন ও নিয়ন্ত্রণ আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেয়।

সানোয়ারের মা রহিমা বেগম জানান, তার ছেলেকে মাদক কেনার টাকা না দেওয়া হলে সে আমাদের মারধর করে। ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে সে মাদক কিনে সেবন করে। বাড়ি থেকে কখনো গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে তা বিক্রি করে মাদক সেবন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, মাদক সেবন অবস্থায় ধরে উপস্থিত সাক্ষ্যগণের মোকাবেলায় সানোয়ারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুঃস্থদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুঃস্থদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার এবং ভ্যান বিতরণ করেছে ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন।

টাঙ্গাইলের আশেকপুর এলাকায় অবস্থিত জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার  (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন(এমপি)। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আনসারী, গ্লোব গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আরিফ-উল ইসলাম সোহেল, ১৫নং ওর্য়াড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহেল ওয়ারেছ হুমায়ুন, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও ক্লিন টাঙ্গাইলের চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন চাকলাদার শাহীন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা কামরুজ্জামান খান। ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবাসী মোঃ তৌফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল এর অর্থায়নে অসহায় মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে ৩১ টি সেলাই মেশিন, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ৪ টি হুইল চেয়ার এবং শারীরিকভাবে সক্ষম দুইজন অসহায় ব্যক্তিকে ২টি ভ্যান প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহিবুল বারীদ সোয়াদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাছিম আহাম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আওয়াল মিঞা’সহ অন্যান্য সদস্যগণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:১০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পায়ে লোহার কয়ড়া পড়া যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পায়ে লোহার কয়ড়া পড়া যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেল লাইনের পাশ থেকে দুই পায়ে লোহার কয়ড়া পড়া অবস্থায় অজ্ঞাত (৩০) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালিহাতী উপজেলার চরভাবলা এলাকায় রেল লাইনের পাশ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, বুধবার দুপুরে ঢাকা বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইনের কালিহাতী উপজেলার চর ভাবলা এলাকায় রেল লাইনের পাশে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ পড়েছিল। তার হাত মুখে ছেলা জখম রয়েছে। নিহতের দুই পায়ে লোহার কয়ড়া পড়া ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ট্রেন থেকে ফেলে দিয়ে ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে। মৃত অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় না পাওয়া গেলে ময়নাতদন্তের পর লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমান-ই-মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর রেল স্টেশন এলাকায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাত যুবকের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দুটি ট্রেনের ক্রসিংয়ের সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান।

রেল কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় মির্জাপুর রেল স্টেশনে টাঙ্গাইল কমিউটার ও ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও ক্রসিং হয়। এ সময় টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার সময় স্টেশন এলাকায়ই এক যুবক ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে  ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাকলাইন জানান, সংবাদ পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মির্জাপুর রেল স্টেশন থেকে নিহতের লাশটি উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার নথখোলায় ঝিনাই নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের নতুন করে ড্রেজার মেশিন বসানোর পাঁয়তারা বন্ধ এবং নদী পাড়ের নিরীহ মানুষের ঘর-বাড়ি,ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার টাঙ্গাইল-বাসাইল সড়কের নথখোলা সেতুর উপরে দাপনাজোর, নথখোলা ও কাশিল গ্রামের পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, কাশিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রমজান আলী সহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর,নথখোলা ও কাশিল গ্রামের প্রায় ৮০ভাগ মানুষ কৃষিনির্ভর। ঝিনাই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিদ্যালয়,মসজিদ-মাদ্রাসা, হাট-বাজার ও ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। কিন্তু বর্তমানে প্রভাবশালী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে প্রভাবশালী বালুখেকোরা অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করায় দাপনাজোর সেতু,কাশিল সেতুসহ নদী পাড়ের অসংখ্য বাড়ি-ঘর,ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

বক্তারা আরও বলেন, এছাড়াও অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নথখোলা সেতু এবং সেতু সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়,শহীদ মিনার, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।

তাই এই তিনটি গ্রামের বসত-ভিটা, জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে এই মানববন্ধন। ভবিষ্যতে যেন এ নদী থেকে অবৈধ ভাবে কেউ যেন বালু উত্তোলন করতে না পারে। সেজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন বক্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারীদের বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারীদের বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ময়মনসিংহ রোডে অবস্থিত গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে  নারী গ্রাহকদের ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে জনৈক রাসেল মিয়া নামে এক ব্যক্তি একক মালিকানাধীন গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টারটি চলতি বছরের ২৩ আগস্ট ময়মনসিংহ রোডের সরকার হসপিটাল বিল্ডিং এর চতুর্থ তলায় অফিস ভাড়া নেয়।

তারা কর্মী নিয়োগ ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় প্রায় দেড়শ’ নারীকে প্রশিক্ষণের নামে প্রথমে ৭০০ ও পরে ২৫০ টাকা হারে টাকা নেয়। সনদপত্র এবং সেলাই মেশিন দেওয়া সহ নানা প্রতিশ্রুতি এবং শর্ত দিয়ে নারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করা হয়। জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়ার কথা বলেও তারা জনপ্রতি ৪-৫ হাজার টাকা নেয়।

মঙ্গলবার ( ৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি হওয়া বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী নারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টার নামে একটি সংস্থা দর্জি, ব্লক, বুটিক ও মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। তিন মাসের প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তির আবেদন ফরম বাবদ প্রথমে তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। পরে তারা ভর্তি ফি বাবদ আরও ২৫০ টাকা হারে তাদের কাছ থেকে নিয়েছে। তারা প্রায় স্থানীয় দেড়শ’ নারীকে উক্ত প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করেন। এছাড়া জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৪-৫ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। সপ্তাহে শুক্র ও রোববার দু’দিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থাটির কর্মকর্তারা দু’দিন প্রদশর্নীমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ান। ওই দুইদিন প্রশিক্ষণের পর থেকে তাদের আর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের একাধিক মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তারা কল রিসিভ করেননি।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে নারীরা দলবেঁধে ওই অফিসে ভিড় করেন।এসময় তাদের সাথে প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

পরে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ওই অফিসের ৪-৫ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর জানান, নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। নাম-ঠিকানা ও কাজের ধরণ যাচাই-বাছাই না করে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, যদি প্রতারণার কোন অভিযোগ থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম জানান, গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টারের মালিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। সংস্থাটির কয়েকজন কর্মচারীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাত অপহরণকারী আটক ; অপহৃত উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাত অপহরণকারী আটক ; অপহৃত উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর থেকে সোমবার(৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সাত জন অপহরণকারীকে আটক ও অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আটককৃতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে জামিল হোসেন সাগর(২৪)(তিনি শহরের থানাপাড়ার জনৈক শাজাহানের বাসার ভাড়াটিয়া), টাঙ্গাইল শহরের আদি টাঙ্গাইলের হাবিবুর রহমানের ছেলে শাকিল আহাম্মেদ হৃদয়(২৭), আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. লাবিব খান(১৮), ফজলুল হকের ছেলে রাকিবুল ইসলাম(২২), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াইল গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে হৃদয় আহাম্মেদ(২২), টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার এবাদত হোসেনের ছেলে বাধন(১৯) এবং একই এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে রাব্বি খান(১৮)।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলার বিকাশের দোকানের পাশে অভিযান চালায়। অভিযানে অপহরণকারী চক্রের তির সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার সাহাপাড়ায় একটি অটোরাইস মিলের বাউন্ডারীর ভেতর থেকে আরও চার অপহরণকারীকে আটক করে র‌্যাব ।

এ সময় একটি গামছা দিয়ে চোখ ও রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা অপহৃত রাজমিস্ত্রি শ্রমিক মো. আব্দুর রহিমকে(৪০) উদ্ধার করেন।

র‌্যাব আপহরণকারীদের কাছ থেকে ধারালো ছুরি, রশি, গামছা ও নগদ ১১ হাজার ৩০ টাকা জব্দ করে।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, মো. আব্দুর রহিম পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি কাজের সন্ধানে টাঙ্গাইল শহরের বাসটার্মিনালে এলে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে তার বাড়ি থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে দেওয়ার জন্য অপহরণকারীরা তাকে মারপিট করে। বিকাশে টাকা আনার বিষয়টি আব্দুর রহিম তার ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাককে মোবাইল ফোনে জানায়। আব্দুর রাজ্জাক তার ভাইয়ের অপহরণের বিষয়টি র‌্যাবের টাঙ্গাইল কার্যালয়ে জানায়।

র‌্যাবের দলটি অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারী ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে। এদিকে অপহরণকারীরা বার বার স্থান পরিবর্তন করায় র‌্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে পারছিলনা। এক পর্যায়ে টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলায় একটি বিকাশের দোকানে র‌্যাব সদস্যরা অবস্থান নেয় এবং অপহরণকারীদের আটক ও অপহৃতকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে অপহৃত আব্দুর রহিমের ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও র‌্যাব-১২ জানায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় হাসনা বেগম (৮৫) নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের এক পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি ওই গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী।

জানা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর বয়সের ভারে ন্যুজ হাসনা বেগমের ঠাঁই হয় ছেলের রান্না ঘরে। তিনি একা চলতে পারতেন না। তারপরেও রান্নাঘরে একাই রাত্রিযাপন করতেন। মাঝে মাঝে মেয়ের জামাই বাড়ী গিয়েও থাকতেন তিনি।

নিহতের মেয়ে শামছুন্নাহার জানান, বৃদ্ধ মায়ের কষ্টের কথা ভেবে ভাইয়ের বাড়ী থেকে মাকে নিয়ে তার স্বামীর বাড়ী রেখেছিলেন। কিছুদিন আগে ভাই জোর করে মাকে নিজের বাড়ি নিয়ে যায়। রবিবার ছেলের বাড়ির পাশের পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

গোপালপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরো জানান,তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উচ্চ রক্তচাপ জনিত কারণে তিনি পুকুরে পড়ে ডুবে মারা যেতে পারেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

‎একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিয়াম(১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিয়ামের বন্ধু রানা গুরুতর আহত হয়।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার ফাজিলহাটী এলাকার সানোয়ার হোসনের ছেলে।সে স্থানীয় লাউহাটী আজহার আলী মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় ও‌ পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সিয়াম ও রানা মোটরসাইকেল যোগে পাকুল্লা থেকে রাতে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কের ফায়ার সার্ভিসের সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আহত রানা বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফাজিলহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:২৯:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।