একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক শুক্রবার(২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক টাঙ্গাইলে প্রিয়জনদের কাছে ‘পন্ডিত রফিক’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও করটিয়ার সাদত কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন। পরে নিজেকে আইন পেশায় নিয়োজিত করেন।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিকের অকাল মৃত্যুতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কদের সিদ্দিকী বীরোত্তম ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তি শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বউ চলে যাওয়ায় ঘটককে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক যুবক। নিহত ঘটকের নাম আব্দুল জলিল। তার বয়স ৬৫ বছর।
বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মানাজী (মাইদারচালা) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. আলমাস (২৫) সে একই গ্রামের শহিদুলের ছেলে । পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহতের ভাগনে আব্দুল বাছেদ জানান, মাইদারচালা গ্রামের আলমাস স্থানীয় একটি করাতকলে কাজ করেন। এর আগেও তিন বিয়ে করেছিলেন কিন্তু কোনো বউ থাকেনি।
তিনি বলেন, ‘আমার মামা আব্দুল জলিল ঘটকালীতে ২০১৯ সালে রসুলপুর ইউনিয়নের প্যাঁচার আটা গ্রামে আলমাসকে বিয়ে করিয়ে আনেন। সে ঘরে একটি কন্যাসন্তানও আছে। সেটাও ২০২১ সালে ছাড়াছাড়ি হয়। এ নিয়ে আলমাস রেগে যায় মামার ওপর।
‘সেই ক্ষোভ থেকেই যখন মামা দুপুরে নামাজ শেষে আলমাসের দাদি আয়াতন বেগমের ঘরে পান খেতে বসেন, আলমাস ঘরে ঢুকে বউ এনে দেয়ার কথা বলে কথা-কাটাকাটি শুরু করে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো বাগি (আনারস কাটার হাতিয়ার) দিয়ে মাথা ও গলায় কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান,এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে চাচাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের নাহালী দক্ষিণ পাড়া থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আনোয়ার হোসেন (৭০) উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ওই গ্রামের মৃত মুহাম্মদ মিয়ার ছেলে।
নিহতের মেয়ে আনোয়ারা জানান, চাচাতো ভাইদের সাথে জমি নিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে। গ্রামের মাতাব্বর, মেম্বাররা বসে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে আব্বাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা। তখন সবাই মিলে খোঁজাখুজি শুরু করি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয় টার দিকে গ্রামের কোচিং সেন্টারের পিছনে কলা গাছে সাদা কিছু দেখতে পাই। কাছে গিয়ে আমরা বাবার লাশ শনাক্ত করি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকা-, আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জমি নিয়ে শরিকদের সাথে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সিংজুরী গ্রামে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
তানিয়া সিংজুরী গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে এবং মির্জাপুর মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুজন (২৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে তানিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। গোপনে তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তানিয়ার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কলেজে যাওয়া আসার পথে আরও টাকার জন্য তাকে মারধর করাসহ নানাভাবে ভয় ও হয়রানি করত তানিয়াকে। গত পনের দিন আগে ওই ভিডিওটি ‘লোকাল সাফি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে বুধবার বিকালে তিনি সুইসাইড় নোট লেখে তাদের বসত ঘরে গলায় উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এদিকে তানিয়ার আত্মহত্যার খবর জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সুজন গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তানিয়ার বাবা হারুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত পনের দিন আগে তার মেয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে সিংজুরী ব্রিজের কাছে তানিয়াকে আটকিয়ে মারপিট করে সুজন। পরে খবর পেয়ে আমরা সুজনকে আটকে রাখি। ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এসে সুজনকে সর্তক করে তার বাবা-মার কাছে দিয়ে দেন। কিন্ত তারপরও সুজন তানিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।
জাহাঙ্গীর আলম বাদশা মেম্বারের সঙ্গে কথা হলে তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তানিয়ার বড় ভাই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ছাড়ার আগে হিলারি নামে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফুফাতো বোনের কাছে সুজন হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠায়। তাতে সে লেখে ‘তানি এখন বেশি বুঝল, ওর মরণ আছে’। এরপর ‘লোকাল সাফি’ আইডি থেকে ওই ডিডিও ছেড়ে দিলে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তানিয়ার মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।
সুইসাইড় নোট: ‘আমারে তুমরা সবাই মাফ কইরা দিও, আমার জন্য তুমাগো অনেক মান সম্মান নষ্ট হইছে, আমি চাই না তুমাগো আরো মান সম্মান নষ্ট হক। তোমরা জানো না ঐতি কি কি করছে আমার সাথে। আমের জোর কইরা ধর্ষণ করছে। তারপর আমার ছবি তুইলা সেই ছবি দিয়া আমার কাছে থাইক দেড় লাখ টাকার জিনিস নিছে।’
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তানিয়া নামে ওই কলেজ ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটি সুইসাইড় নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আত্মহত্যার কারণ উদঘাটন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করায় ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে বড় বউ মনোয়ারার বিরুদ্ধে। আহত স্বামীর অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত আমিনুল ইসলাম (৩৫) টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ি এলাকার সালাম মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। কিছুদিন যাবত সে বড় বউ নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আমিনুল ইসলাম গোপনে কালিহাতী উপজেলার বানিয়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
এ ঘটনা বড় বউ জানতে পারলে ক্ষিপ্ত হয় এবং রাতে তাদের উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ শান্ত হয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে বড় বউ। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে আমিনুলকে উদ্ধার করে প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। পরে অবস্থা আশঙ্কাজন হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
একতার কণ্ঠঃ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নিভৃত গ্রামে বসে সে উল্লাস সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন নমিতা রাণী সরকার। তিনি জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা।
বাংলাদেশের জয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা।
তবে দুঃখের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা। খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের মুখ থেকে শুনেছেন মেয়েদের হিমালয় জয়ের কথা।
যোগাযোগ করা হলে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কৃষ্ণর মা বলেন , সারদিন উদ্বিগ্ন ছিলাম। বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারি নাই। তবে পরে জানতে পারি আমার মেয়েরা জিতেছে। আমি দেশবাসীর কাছে তাদের জন্য দোয়া চাই।
নমিতা রাণী সরকার আরো বলেন, আমার মেয়ের ফুটবল খেলা নিয়ে যারা একসময় কটাক্ষ করত, তারাই এখন এসেছে অভিনন্দন জানাতে। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
সোমবার কৃষ্ণা রাণী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। হিমালয় কন্যাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়েন সাবিনা-শামসুন্নাহাররা।
উল্লেখ্য, কৃষ্ণা রাণীর জন্ম টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ১ জানুয়ারী ২০০১ সালে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়ার। কৃষ্ণা বসুন্ধরা কিংস মহিলা দল ও বাংলাদশ মহিলা জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে ফরোয়ার্ড হিসাবে খেলেন। পূর্বে, তিনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দল এবং গোপালপুর সুতি ভি এম. পাইলট মডেল হাইস্কুল ও টাঙ্গাইল জেলা দলের হয়ে খেলেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল দেলদুয়ারে ৮ বছর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন মো. মাসুদ রানা। তার বাবা মৃত খোকন মিয়া ‘রাজাকার’, ফেসবুকে সম্প্রতি এই তথ্য ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য শুরু হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে সিলেকশনে মাসুদ রানাকে সভাপতি করে ৬১ সদস্যবিশিষ্ট দেলদুয়ার উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘ ৮ বছর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন না-হওয়ায় কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যামে দেলদুয়ার উপজেলার যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের তালিকা ছড়িয়ে পড়ে। সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আফাজ উদ্দিনের স্বাক্ষর-সীলমোহর সংবলিত ওই তালিকায় খোকন মিয়ার নাম রয়েছে।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিপ্রার্থী জামিলুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমি তখন আওয়ামী লীগসহ জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে মাসুদের বাবার বিষয়টি অবগত করেছিলাম। নেতৃবৃন্দ বিষয়টিতে কর্ণপাত না করে অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট বলে মাসুদকে ছাত্রলীগের সভাপতি করে। আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা। দুঃখ ও কষ্টের বিষয় হচ্ছে, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ছাত্রলীগের সভাপতি হতে না পারলেও রাজাকারের সন্তান ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছে।’
‘এ ঘটনার পর আমার বাবা ওই দিনই স্ট্রোক করে। বর্তমানে তিনি অসুস্থ।’ যোগ করেন বাবু। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুর রশিদ বিজু বলেন, সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে মঞ্চ থেকে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু তাহের বাবলু বলেন, ‘দেলদুয়ার উপজেলায় তালিকাভূক্ত ১৬ জন রাজাকার রয়েছে। এর মধ্যে খোকন মিয়া একজন। বর্তমান ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুদ রানা রাজাকার খোকন মিয়ার ছেলে।’
‘মাসুদ ছেলে ভালো’ উল্লেখ করে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘তবে তার বাবা রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ছিল। তালিকাটা আগে প্রকাশ হলেও একটি পক্ষ ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক নেতাকর্মীরা মাসুদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানালেও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফজলুল হক বলেন, মাসুদ রানা কলেজ শাখার সভাপতি, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে দীর্ঘদিন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। তার বাবা রাজাকার ছিল কিনা আমার জানা নাই।
মাসুদ রানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখা একটি পক্ষ আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় আমার বাবার নাম আছে আমি জানতাম না।’
‘রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী শক্তি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থাকতে পারে না।’ উল্লেখ করে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন কেন্দ্রীয় নেতৃবর্গের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ওই কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
রবিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন, ভূঞাপুর উপজেলার আমলাদহ ভরাট এলাকার শ্রী সতেন্দ্র কুমার মোদক (৬৫) ও তার স্ত্রী সুনীতি মোদক (৫৫)।
জানা যায় , বগুড়া থেকে বাস যোগে টাঙ্গাইল আশেকপুর বাইপাসে নামে উক্ত দম্পতি।বাস থেকে নামার পর মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় ওই দম্পতি পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির অজ্ঞাত একটি যাত্রীবাহী বাস তাদেরকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। পুলিশ বাসটি আটক করতে পারেনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবীব সরকার বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ দুটি স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে নিহতদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্না আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা ।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতার স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গড়া মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলটি গতিশীল নের্তৃত্ব ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দ্দেশে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন কমিটি গঠনের লক্ষে আগামিকাল ১৯ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে এইচ এম ইনিস্টিটিঊট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেললন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে করটিয়ার রাজনৈতিক মাঠ। বিশেষ করে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় শেষ মুহুর্তে গ্রপিং-লবিং এ ব্যস্ত তারা। তবে ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের ঘিরে প্রত্যশা তৈরী হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব ত্যাগী নেতাদের একজন রুবেল তালুকদারও। তিনি করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে প্রার্থী হয়েছেন।
ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতে খড়ি। তার বড়ভাই প্রয়াত নুরুল হুদা তালুকদার ছিলেন আওয়ামী লীগের সক্রীয় কর্মী। করটিয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিতে তার ভুমিকা ছিলো অপরিসীম। তার চাচা আনোয়ার তালুকদার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। আরেক চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান তালুকদার, ছোট চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. হাবিবুর রহমান, চাচাত ভাই রাসেল তালুকদার ছাত্রলীগ নেতা। রুবেল তালুকদার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি আপাতমস্তকে পারিবারিক ভাবে একজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা। এজন্য তিনি এবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতে সকলের দোয়া প্রত্যাশী।
সম্মেলন নিয়ে কথা হয় রুবেল তালুকদারের সাথে। তিনি জানান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে কাজের দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে এলাকার মানুষের মন জয় করে আওয়ামী পতাকা তলে দলে দলে কর্মী নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন। তাই করটিয়া ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তর করার জন্য মাঠে নেমেছেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান,তাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হলে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্য প্রধানমন্ত্রীও স্থানীয় এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবেন। তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রত্যাশী।
একতার কণ্ঠঃ সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইকবাল গফুর।
ঢাকাস্থ শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার বিজয়নগর হোটেল অরনেট এর মিলনায়তনে ‘ বিশ্ব শান্তি দিবস ‘ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ইকবাল গফুরের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুসন্ধানী ও সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২১ সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট প্রদান ও উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রথম আলোর সখীপুর প্রতিনিধি ইকবাল গফুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন সাংবাদিককে।
সাবেক তথ্য সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচাপতি মো. নিজামুল হক নাসিম।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, পাঠ ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. শেখ মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মজিবুর রহমান ,কবি শাহ আলম চুন্নু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মো. আর কে রিপন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের বড় ছেলে আহমদ সুমন মজিদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আহমদ সুমন মজিদের পক্ষে তার মা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ ক্রয়কৃত মনোনয়নটি পত্র তুলে দেন। এসময় আহমদ সুমন মজিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের ছেলে সুমন আমার সন্তানতুল্য। নির্বাচন নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে ছিল, আজ তার অবসান হলো।
প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদের মা ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ বলেন, কোন টাকার বিনিময়ে নয়, নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমার সন্তানকে আজ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে তুলে দিলাম। আমার ছেলের সার্বিক দায়-দায়িত্ব আজ থেকে তাঁর।
এবিষয়ে প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ বলেন, আমার পিতৃতুল্য নেতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। এ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে পানি ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের সন্তান হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে সক্রিয় থাকতে চাই। এবিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ, তার মা নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুল হক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।
এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আব্দুল মজিদ সুমন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এসময় নাহার আহমদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তার পরিবারে যেন কোন অনাকাঙ্খিত প্রভাব না পরে, সে বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নিকট নিশ্চয়তা চান। পরে নেতৃবৃন্দ সহযোগে জেলা পরিষদে গিয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
‘পরিবেশগত প্রতিকারের জন্য পলিমার ভিত্তিক ন্যানো ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহারের সুযোগ এবং ঔষধ শিল্পে রসায়নের জ্ঞান’ বিষয়ক সেমিনারে ৩ টি গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
‘Conducting polymer based (CP) based nanocomposites for waste water treatment’ এর উপরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান খান, ‘Non-Enzymatic Electrochemical sensor for the Sensitive and Selective Determination of Hydrogen Peroxide’ এর উপরে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদ এবং API Synthesis & Its Challenges in Bangladesh এর উপরে প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল ইসলাম গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।