/ হোম / সখীপুর
টাঙ্গাইলে পানিতে ভাসমান নবজাতকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ভাসমান নবজাতকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে বাসাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকার বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় নবজাতকের লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বাসাইল থানার এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবজাতক কন্যা শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটিতে পঁচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ দিন আগে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লাঙ্গুলিয়া নদীর পানির স্রোতের সঙ্গে লাশটি ভেসে এখানে এসেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জুলাই ২০২২ ০১:৪২:এএম ৪ বছর আগে
শিশু শিহাবের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে পরিবারের ঈদের আনন্দও - Ekotar Kantho

শিশু শিহাবের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে পরিবারের ঈদের আনন্দও

একতার কণ্ঠঃ এবার শিহাবের পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ নেই। শিহাব এর এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সাথে সাথে শিহাবের পরিবারের ঈদ আনন্দ বিদায় নিয়েছে।
রোববার(১০ জুলাই) ঈদের দিন শিহাবের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান ও নাতির কথা মনে করে বারান্দায় বিলাপ করে কাঁদছেন শিহাবের মা ও দাদি।

 

কাঁদতে কাঁদতেই শিহাবের মা আসমা বেগম বলেন, ‘৩ বছর আগে একবার দেশে আসছিল শিহাবের বাপে। সেবারেই শিহাবের সঙ্গে ওর বাপের শেষ দেখা। গত কোরবানির ঈদে শিহাব ফোনে বাপেরে কইছিল যে সে একটা বড় গরু কোরবানি দিতে চায়। সেজন্য এইবার ওর বাপে আগেই ট্যাকা পাঠায়া দিছিলো। এইবার আমার শিহাব নাই, আমাগো ঈদও নাই।’

এই ঘটনায় গত ২৭ জুন আসমা বেগম সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শিহাবের মৃত্যুর পরের দিনই সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে আসেন শিহাবের প্রবাসী বাবা ইলিয়াস হোসেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই সৃষ্টি স্কুলের প্রভাবশালী মালিকপক্ষ তদন্তকাজে প্রভাব খাটাচ্ছে।

এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিহাবের সহপাঠী, সৃষ্টি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে আমরা এবার কঠোর আন্দোলনে নামব।’

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

(more…)

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২২ ১২:৫২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাতকড়াসহ বিট অফিস থেকে যুবক উধাও, পরিবারের দাবি নিখোঁজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাতকড়াসহ বিট অফিস থেকে যুবক উধাও, পরিবারের দাবি নিখোঁজ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আটক হওয়া মো. আবু বকর (৩৫) নামের এক যুবক হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে বলে দাবি করছে বন বিভাগের লোকজন। তবে পরিবারের দাবি তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকা থেকে বনবিভাগের লোকজন আবু বকরকে আটক করে নিয়ে আসে। শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী বন বিভাগের কালিদাস বিটে গিয়ে স্বামীকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

কালিদাস বিট অফিস ও আবু বকরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকায় মো. বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিনের পুরাতন বাড়িতে একটি ঘর তুলছিল। প্রতিবেশী মো. আবু বকর ওই ঘর নির্মাণে শ্রমিকের কাজ করছিল। কিন্তু ওই জমি নিজেদের দাবি করে স্থানীয় বন বিভাগের লোকজন ঘর তুলতে বাধা দেয়। এ সময় ওই বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেলেও আবু বকরকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের কালিদাস বিটে নিয়ে যায়।

আবুবকরের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার সময় আমার স্বামীকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের লোকজন তুলে নিয়ে যায়। শনিবার সকালে আমার ভাসুরকে সঙ্গে নিয়ে কালিদাস বিট অফিসে গিয়ে স্বামীকে খোঁজে পাইনি। জানতে চাইলে বিট অফিসের লোকজন জানায়, তোমার স্বামী পালিয়ে গেছে।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিতে সাহস পায়নি, তিনি বিট অফিসের ঘর থেকে কিভাবে পালিয়ে যাবেন?

বিকেল থেকে বারবার ফোন করার পর শনিবার সন্ধ্যায় কালিদাস বিট কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আবু বকরকে পেলেই থানায় হস্তান্তর করা হবে।

বন বিভাগের হতেয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বলেন, `আমি ছুটিতে বাড়ি আছি। তবে শুনেছি, আটক করা আবু বকর রাতের বেলায় পালিয়ে গেছে। এখন তার পরিবারের লোকজন নিখোঁজের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২২ ০৫:৪২:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ঘটনার পর ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে চাই শিহাব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন শিহাবের পরিবারকে থানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আটক করার পরও কেন আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হলো।’

এ ছাড়াও, শিহাবের মৃত্যুর ঘটনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য যারা বা যেসব মহল পায়তারা করেছে এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

শিহাবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। প্রবাসে পরিশ্রম করে রোজগার করা টাকায় ভাল লেখাপড়ার আশায় সন্তানকে তাদের কাছে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে আমি আমার সন্তানের লাশ পেয়েছি।’

জানতে চাইলে শিহাব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি রিমান্ডে পুলিশকে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশ, গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের পুত্র শিহাবকে (১১) সৃষ্টি স্কুলের ছাত্রাবাসে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি শিহাব ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে, শিহাবের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা।

ওই ঘটনার ছয়দিন পর গত ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে আবু বক্করসহ সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুলাই ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রাবাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পার হলেও তদন্তের অগ্রগতি ও তদন্তকারীদের আচরণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে নিহত শিহাবের পরিবার।

রোববার (৩ জুলাই) এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ-আদালত।

রোববার সকালে সদর থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আবু বক্করকে টাঙ্গাইলের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট শামছুল আলমের আদালতে উপস্থাপন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামলার এজহারভুক্ত বাকি ৫ আসামির কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি।

তিনি আরো জানান, স্কুলের মালিকপক্ষ ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়ায় একইসঙ্গে তদন্তকারীদের আচরণে আমি এখন সন্তান হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করছি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিহাবকে (১১) টাঙ্গাইল সৃষ্টি একাডেমী স্কুলের হোস্টেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, শিহাব হোস্টেলের সপ্তম তলার একটি বাথরুমে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিহাবের মৃত্যু শ্বাসরোধ বা গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার ৬ দিন পর গত ২৬ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার আবু বক্করসহ ওই স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের সহযোগী দুই যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার ( ১ জুলাই) রাতে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বাসারচালা গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার হওয়া নাইস আহমেদ (২১) স্থানীয় একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ফরহাদ হোসেন (২২) গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবক মামলার প্রধান আসামি সাগর আহমেদের বন্ধু। শুক্রবার রাতে মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুই যুবককে আটক করলেও ধর্ষণের প্রধান আসামি সাগর আহমেদ (২১) ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মেয়েটির বাবা জানায়, শুক্রবার রাতে তার মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হলে তিনজন যুবক তার মেয়ের মুখ চেপে ধরে পাশের বনে নিয়ে রায়। এরপর প্রথমে সাগর তাকে ধর্ষণ করে। সাগরের বন্ধুরাও ধর্ষণের চেষ্টা করলে ওই সময় মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সাগর দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় স্থানীয়রা ওই দুই যুবকে আটক করে। পরে শনিবার সকালে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দিলে ওই দুই যুবককে সখিপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম গ্রামবাসীর হাতে আটক হওয়া দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। ধর্ষণের প্রধান আসামি সাগর আহমেদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মামলাটি রেকর্ড হওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুলাই ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসে শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়াকে হত্যা মামলায় ওই স্কুলের এক শিক্ষককে মঙ্গলবার (২৮ জুন) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ওই শিক্ষকের নাম আবু বক্কর (৩৫)। তিনি সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক। রোববার (২৬ জুন) রাতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোমবার (২৭ জুন) আবু বক্করকে প্রধান আসামি করে ছয় শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত/আট জনকে আসামি করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর আবু বক্করকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান সাত দিনের রিমান্ড চান। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রকাশ, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

শিহাব সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়না তদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। গত রোববার (২৬ জুন) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে জেলা ছাত্রলীগ সমাবেশ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জুন ২০২২ ০৩:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাবের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড় সংলগ্ন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওই কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জান্নাতুল মাওয়া শ্যামন্তী, ফারহান নিঝুম, মেহেদী হাসান, আসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা- পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে, সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিকে শিহাবের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী, সচেতন মহল, ছাত্রলীগ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার (২৬ জুন) ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের অধ্যক্ষসহ ৯ শিক্ষককে আটক করা হয়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, রোববার(২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব ৭ শিক্ষককে ও সদর থানার পুলিশ দুই শিক্ষককে নিয়ে গেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান ভবনে দায়িত্বরত শিক্ষকরা।
মৃত শিহাব মিয়া (১১) জেলার সখিপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

ওইদিন শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ আনে তার পরিবার। পরে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২২ ০৪:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুন)দুপুরে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট ময়নাতদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, ডাক্তার তানভীর আহম্মেদ ও আবাসিক ফিজিসিয়ান ডাক্তার মো. কামরুজ্জামান। শরীরে কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু গলায় দাগের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে কোনো কিছু পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত শিহাব টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

গত সোমবার (২০ জুন)সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে শিহাবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিহাবের বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিহাবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ফুঁসে উঠে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারাও হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।

নিহত শিহাবের চাচা তুষার আহম্মেদ বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম শিহাবকে হত্যা করা হয়েছে। এত ছোট ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করব।

সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপন বলেন, এ ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি প্রশসানের কাছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী হত্যা মামলা হবে।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অবশ্যই হত্যা মামলা হবে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

উল্লেখ্য,শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, জানুয়ারি মাসে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ গত সোমবার বিকেলে সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ। আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন। পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে।
পরে তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। হাসপাতালে আসার পর শুনতে পাই শিহাব মারা গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে শিহাব আত্মহত্যা করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০১:০২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শামীম আল মামুন (২৫) নামের এক ছাত্রের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শনিবার(২৫জুন) দুপুরে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত শামীম আল মামুন উপজেলার বোয়ালী গ্রামের কদম আলীর ছেলে এবং করটিয়া সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সমাজ কর্মে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দুপুরে সখীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের নলুয়া আড়ালিয়াপাড়া এলাকায় দূর্ঘটনার শিকার হন শামীম।

নিহতের বড় ভাই সুমন আহমেদ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে তার ছোট ভাই শামীম আল মামুন ও তার বন্ধু মিলে মোটরসাইকেল যোগে নলুয়া বাজার হতে নিজ বাড়ি বোয়ালী আসার পথে আড়ালিয়া পাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শামীম আল মামুন গুরুতর আহত হয়।

প্রথমে তাকে উদ্ধার করে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফাড করেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২২ ০৯:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার তিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার তিন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার‌ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বড় কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. রাইসুল ইসলাম(২৮), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার হাটুভাঙ্গা চিতেশ্বরী গ্রামের মো. বাছেদ খানের ছেলে মো. উজ্জল খান (৩৩) ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্যাসী ভিটা গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে মো. নয়ন হোসেন(২০)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. দেলোয়ার হোসেন শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডিবি দক্ষিণের একটি দল এস আই রাইজ উদ্দিন এর নেতৃত্বে সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা ও একটি মাইক্রোবাসসহ ওই তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত গাঁজার বাজার  মূল্য প্রায়  ৮ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে শনিবার(১৮ জুন) সখীপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২২ ০৯:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পশুখাদ্য ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পশুখাদ্য ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আদালতের আদেশ অমান্য করায় পশুখাদ্য ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম এ আদেশ দেন।

ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল গণির ছেলে।

এর আগে গত ৬ জুন ওই ব্যবসায়ীকে বিষাক্ত পশুখাদ্য তুলা বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় একই সঙ্গে প্রায় দুই টন বিষাক্ত তুলা পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ীর চারটি স্টকে রাখা তুলার গুদাম সিলগালা করে দেয় আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার জামতলা এলাকায় রোজা এন্টারপ্রাইজের মালিক নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পোশাক কারখানার পরিত্যক্ত ঝুট বা কাপড়ের অংশ দিয়ে তৈরি করা তুলা বিকল্প গোখাদ্য বিক্রি করে আসছিল। তিনি উপজেলাজুড়ে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম জানান, গত ৬ জুন বিষাক্ত পশুখাদ্য তুলা বিক্রির অপরাধে ওই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রায় দুই টন তুলা পুড়ানো হয়। তার স্টকে রাখা বিষাক্ত তুলার চারটি গুদাম সিলগালা করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তুলা নষ্ট বা পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী গোপনে গুদামের তালা ভেঙ্গে তুলা অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পায় আদালত। ফলে ওই ব্যবসায়ীকে সরকারি আদেশ অমান্য করায় ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২২ ০১:৪৫:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।