একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আবদুল লতিফ (৪০) নামের এক কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার হামিদপুর এলাকা থেকে রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। লতিফ ওই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, লতিফ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। রবিবার সকালের খাবার খেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে বেলা ১১টার দিকে উক্ত এলাকার একটি আম গাছে তাঁর লাশ ঝুলতে দেখা যায়। কয়েকজন তাঁর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল তদন্তের পর লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’
একতার কন্ঠঃ রবিবার(৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার আমতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে ২নং বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নৌকা মার্কার পথসভা চলছিল। পথসভায় সভাপতিত্ব করছিলেন ওই এলাকারই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক (মেলেটারী)।সভাপতির নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন আবদুল মালেক। বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই তিনি বসে পড়লেন। ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে।
ওই পথসভায় উপস্থিত একাধিক কর্মী সমর্থক জানান, বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক দ্রুত বসে পড়েন।বসে পড়ার পাঁঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকও তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেকের এমন মৃত্যুতে পরিবার, এলাকা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের ছেলে কাদের হাসান জানান, বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আজন্ম বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন তিনি।জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধুর স্লোগান দিতে দিতেই তাঁর মৃত্যু হলো।
আবেগে আপ্লুত কাদের হাসান আরও বলেন, স্বপ্নেও ভাবিনি বাবার মুখে এটাই ছিলো আমাদের শোনানোর মতো শেষ কথা!
ওই পথসভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবু বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি যে বক্তব্য রেখে গেছেন, তা অবশ্যই আমাদের জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ( ১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক মেলেটারীর লাশ দাফন করা হবে।
৬০০
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ডাকবাংলোতে অনুষ্ঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত শিকদার দুপুর ১২টায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ- উপজেলার কাঁকড়াজান ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য মো. দুলাল হোসেন, বহেড়াতৈল ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম ফেরদৌস, যাদবপুর ইউপিতে সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ খন্দকার বজলুর রহমান, বহুরিয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য নুরে আলম এবং একই ইউপির প্রার্থী আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য নিরাঞ্জন বিশ্বাস।
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশে উপজেলার সব বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের বলা হয়েছে। এ কারণেই আজকের সভায় বিদ্রোহীদের দল থেকে বহিষ্কারের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজই(বৃহস্পতিবার) তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হবে।
বহুরিয়া ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নিরাঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা। আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। তবে উপজেলায় বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোথাও আমার নাম নেই। আমাকে বহিষ্কার করলেই কী আর না করলেই কী। আমি তো দলেই নেই।’
বহেড়াতৈল ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌস বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়ন চাইনি। আমি বিদ্রোহী নই। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাই আমার বহিষ্কার কার্যকর হবে না।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পানিতে ডুবে রিফাত হাসান (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সখীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে ওই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত রিফাত উপজেলার কচুয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মোঃ সাইফুল ইসলামের ছেলে । সে স্থানীয় কিন্ডারগার্টেনের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই শিশুর মা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। বৃষ্টির সময় শিশু রিফাত ঘরের বাহিরে বল খেলছিল। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মা। কোথাও না পেয়ে বাড়ির পাশের একটি গর্তে রিফাতকে ভাসতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি ।
একতার কণ্ঠঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঢাকা, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগের আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার (১০ অক্টোবর) দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা ঘোষণা করা হয়।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বিভাগের ৮টি জেলা এবং সিলেট বিভাগ এবং রাজশাহী বিভাগের একটি ইউপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো-
টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারাতে আহাম্মদ আল ফরিদ, বানিয়াজানে রফিকুল ইসলাম তালুকদার, যদুনাথপুরে মীর ফিরোজ আহমেদ, পাইস্কাতে মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ধোপাখালীতে আকবর হোসেন, মুশুদ্দিতে আবুল কায়ছার, বলিভদ্রে রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
সখীপুর উপজেলার যাদবপুরে এ, কে, এম আতিকুর রহমান, বহরিয়াতে গোলাম কিবরিয়া, বহেরাতৈলতে ওয়াদুদ হোসেন, কাকড়াজানে তারিকুল ইসলাম।
দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়াতে মাসুদুল হাসান তালুকদার, দেউলীতে দে. তাহ্ মিনা, পাথরাইলে রামপ্রসাদ সরকার, লাউহাটিতে হাবিবুর রহমান, দেলদুয়ারে মাসুদ-উজ্জামান খান, ডুবাইলে ইলিয়াছ মিয়া, এলাসিনে বেলায়েত হোসেন, ফাজিলহাটিতে শওকত আলী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সরকারি মুজিব কলেজে যাওয়ার প্রধান সড়ক সংস্কারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কলেজর শিক্ষার্থীরা। শনিবার( ৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের সরকারি মুজিব কলেজের মূল গেইটে ঘন্টাব্যাপি ওই কর্মসূচি পালন করে ওই কলেজের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। এতে দুই পাশের শত-শত যানবাহন আটকে পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে সড়কটির দ্রুত সংষ্কারের দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে রুমান সিকদার, বৃষ্টি আক্তার, মারুফ হাসান, তানজিম ইসলাম, রিফাত আহমেদ, বায়েজিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
পরে সখীপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষে শিক্ষার্থীদের আগামি তিন দিনের মধ্যে সড়ক চলাচলে উপযোগী করার প্রতিশ্রুতি দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।
এ প্রসঙ্গে একে সাইদুল হক ভূইয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ, চলতি বর্ষায় সরকারি মুজিব কলেজে যাওয়ার দুই কিলোমিটার প্রধান সড়কটির পলেস্তারা উঠে বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আর সৃষ্ট খানাখন্দে বৃষ্টির পানি জমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। প্রধান এবং একমাত্র সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীরা সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাক চাপায় খন্দকার ফাহাদ (২১) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় অপর আরোহী আব্দুল্লাহ-আল-দিমান(১৭) গুরুত্বর আহত হয়।শুক্রবার (৮ অক্টেবর) বিকালে নলুয়া-বাসাইল সড়কের উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের কলাবাগান সংলগ্ন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত খন্দকার ফাহাদ গাজীপুর জেলার মাওনা শ্রীপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।এ দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত আব্দুল্লাহ আল দিমান সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, বালু ভর্তি একটি ট্রাক অপর দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই মোটরসাইকেল চালক খন্দকার ফাহাদ (২১) মৃত্যুবরণ করে । মোটরসাইকেলের অন্য আরোহী আবদুল্লাহ আল দিমান (১৭) গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা আব্দুল্লাহ আল দিমানকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে যাদবপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সৈয়দ আলী জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত খন্দকার ফাহাদের মরদেহ সখীপুর থানা পুলিশ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শককে(এসআই) থাপ্পর দেওয়ার ঘটনায় সাদেকুল ইসলাম নামে এক প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার বহেড়াতৈল গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের গণটিকা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে বহেড়াতৈল গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে গণটিকা কার্যক্রম চলছিল। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে টিকা দিতে কেন্দ্রে যান। তিনি নিয়ম না মেনে তাদের নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
তবে আগে টিকা নিতে আসা লোকজন এর প্রতিবাদ করে এবং পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনকারী সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সানিউল আলম প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলামকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাঁধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এসআই সানিউল আলমকে থাপ্পর দেন প্রধান শিক্ষক।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সানিউল আলম জানান, শৃঙ্খলা না মেনে ওই প্রধান শিক্ষক জোর করে কেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করায় টিকা নিতে আসা লাইনে দাঁড়ানো উত্তেজিত লোকজন অভিযোগ করায় তিনি কেন্দ্রে ঢুকতে বাঁধা দেন। এ কারণে প্রধান শিক্ষক তাকে থাপ্পর মারেন।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া জানান, পুলিশের গায়ে হাত তোলায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে চেক ডিজঅনার মামলায় আবু সাঈদ তালুকদারের (৪২) পাঁচ বছরের সাজা হয়। কিন্তু তিনি আদালতে হাজির না হয়ে পালিয়ে থাকেন ১৪ বছর। অবশেষে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) পাবনার ভাঙ্গুড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে সাইদুল হক ভুঁইয়া গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাঈদ উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত কদ্দুস তালুকদারের ছেলে। গ্রেফতারের ভয়ে তিনি ১৪ বছর পলাতক অবস্থায় ভাঙ্গুড়ার বিভিন্ন সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন বলে জানিয়েছে সখীপুর থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পৌরশহরের কচুয়া সড়কে গাউজ ভাণ্ডারি কাগজ বিতান নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে প্রবাসীদের ব্যাংক ড্রাফটের ব্যবসা করতেন আবু সাঈদ। ওই সময় তিনি সখীপুর বাজার বণিক সমিতির বিভিন্ন সদস্যদের কাছ থেকে মাসিক হারে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা বলে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেন। পরে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওই বাজারের বণিক সমিতির সদস্য মামুন মিয়া টাঙ্গাইল আদালতে তার বিরুদ্ধে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলা করেন। সে বছর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় ২০০৮ সালে সাঈদ তালুকদারের পাঁচ বছরের সাজা হয়।
সখীপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সানিউল আলম জানান, গ্রেফতারের ভয়ে ২০০৭ সালে পালিয়ে পাবনার ভাঙ্গুড়া চলে যান সাঈদ। সেখানে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন। ১৪ বছর ধরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরে খবর পেয়ে তাকে পাবনার ভাঙ্গুড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে সাইদুল হক ভুঁইয়া জানান, সাজাপ্রাপ্ত আবু সাঈদের বিরুদ্ধে থানায় দুটি মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তার সাজা হয়েছে। তিনি থানার তালিকায় পুরাতন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাকে গ্রেফতার করতে তার মায়ের ফোন নম্বর সংগ্রহ করা হয়। এরপর তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আবু সাঈদের ঠিকানা শনাক্ত করা হয়। আবু সাঈদকে ধরতে থানার পুলিশ সদস্যরা ছদ্মবেশে ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করেন। পরে সোমবার ভোরে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এএসআই সানিউল আলম ও এএসআই এনামুলকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য পুলিশ সদর দফতরে আবেদন করা হবে বলেও জানান ওসি।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সাবেক সাংসদ ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দলটির যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।
ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, গত মঙ্গলবার পেটে ব্যথা শুরু হলে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দকী বীরউত্তমকে অধ্যাপক এমএস আরাফাতের তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। তাঁর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর গল-ব্লাডারে পাথর ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এএইচএম তৌহিদুল আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ বিষয়ে যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল মুঠো ফোনে বলেন, বঙ্গবীরের চিকিৎসা নিয়ে আগামীকাল(বৃহস্পতিবার) মেডিকেল বোর্ড বসার কথা রয়েছে। সেখানেই তাঁর অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে তিনি মোটামুটি সুস্থ রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই সন্তানসহ চাচীকে বিয়ে করার অভিযোগে বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার ও দৃন্তান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। রবিবার( ২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ঘন্টাব্যাপি ওই ইউনিয়নের কালিদাস বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে এলাকাবাসীর পক্ষে মোতালেব সরকার, সাইফুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী নেত্রী কানিজ ফাতেমা বিউটি, ছাত্রলীগ নেতা সিকদার সুজন, হৃদয় হাসান, সাব্বির আহমেদ,কাউছার আহমেদ রিগান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন থেকে শরীফুল ইসলামকে দল থেকে অবিলম্বে বহিষ্কার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক দুই বারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত সিকদার বলেন, বিয়েতে আইনগত প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় ঘটালে তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত: উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ে স্কুল শিক্ষক রহিমা আক্তার রুমির বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পরই ভাসুর হাজী আবদুল ছবুর মুন্সীর ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রহিমা। পরে ২০১৯ সালে চাচীকে দিয়ে চাচাকে ডিভোর্স করান শরীফুল। চলতিমাসে ভাতিজা বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম দুই সন্তানসহ চাচী রহিমা আক্তার রুমিকে বিয়ে করেন। পরে ভাতিজা কর্তৃক চাচীকে বিয়ে করার ঘটনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকা ও ইউনিয়বাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে উজ্জ্বল মিয়া (১৮) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আড়াইপাড়া দামিয়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।
অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া ওই গ্রামের ফজলুল হক ওরফে ফজল মিয়ার ছেলে। শিশুটির উপর এমন অমানবিক ঘটনা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ওই যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।
শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী উজ্জ্বল মিয়া গত সোমবার(১৬ আগস্ট) দুপুরে উজ্জ্বল ওই শিশুকে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়িতে লোক না থাকায় শিশুকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। পরে চিৎকারে এক প্রতিবেশী এগিয়ে আসলে উজ্জ্বল দৌড়ে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিশুকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শিশুটির বাবা জানান, শিশুটির পায়ু পথে এক থেকে দেড় ইঞ্চি পরিমান ক্ষত হওয়ায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়েছে। ছেলেটির পায়খানা করতে কষ্ট হচ্ছে। ডাক্তার বলছে, সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে। হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এখান থেকে ফিরেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।