একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার(১৩ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে ওই শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার নাজিম উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি হারুন-অর-রশিদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুগান্তর স্বজন সমাবেশের সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন রশিদ আকন্দ সোনা। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মাসুম ফেরদৌস।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নুরুল ইসলাম বাবুল বীরমুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সার্বক্ষনিক দেশের স্বার্থে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশের শিল্পকে যারা প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের পাঁচ জনের একজন হচ্ছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বাবুল। এছাড়াও দেশ প্রেমিক হিসেবে শ্রেষ্ট শিল্পপতি ছিলেন নুরুল ইসলাম বাবুল। তিনি সার্বক্ষনিক সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের কোন অভিযোগ নেই।
এ সময় টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনীতিকসহ সুধীসমাজের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা, পৌর ও সরকারি জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক যৌথ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল পৌর শহরের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বিকেলে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির।
ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক নাসির উদ্দিন রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম।
সভার উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন। বিশেষ বক্তা ছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মেসকাত হোসেন তনয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাজেদ শিকদার, এস এম নূর নবী আহমেদ।
এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক সিরাজুল হক ছানা, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন, যুগ্ন আহব্বায়ক শাহিনুর রহমান।
পৌর বিএনপির আহব্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বাসেত করিম, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন হেলাল, সদস্য রফিকুল ইসলাম।
উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বুলবুল, সদস্য সচিব মাহবুব হাসান সৌরভ, যুগ্ন আহব্বায়ক আবু হান্নান।
পৌর যুবদলের সভাপতি সাদিক মাহমুদ টিটু, সাধারণ সম্পাদক পারভেজ মিয়া।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন-আহব্বায়ক সারোয়ার জাহান, সদস্য সচিব শাহিন মিয়া। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম। শ্রমিক দলের সদস্য সচিব খোকন মিয়া।
উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহব্বায়ক সোহান খান, জাহাঙ্গীর আলম খান, আসাদুল ইসলাম নিশাত।
পৌর ছাত্রদলের আহব্বায়ক বিজয় হাসান, সদস্য সচিব মোঃ রোকন, সিনিয়র যুগ্ন আহব্বায়ক মোঃ নিশাত। সরকারি জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহব্বায়ক মেহেদি হাসান স্বপন, সিনিয়র যুগ্ন আহব্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ আশিক হোসেন, সদস্য রতন খান প্রমুখ।
ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে যথাযথ অনুমোদন সাপেক্ষে পূর্বনির্ধারিত প্রোগ্রাম করতে না দেয়ার পরও নেতৃবৃন্দের অক্লান্ত পরিশ্রমে তাৎক্ষণিক একই সময়ে অন্যত্র জায়গায় এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্যে সভায় উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির। এভাবেই ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা পেরিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ঘাটাইল বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে বলে বলিষ্ঠ কণ্ঠে সভায় উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য,চলতি বছরের মার্চে ঘাটাইল উপজেলা, পৌর ও সরকারি জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রদল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি নির্বাচনের নৌকার পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষ্ণ কান্তিসহ তার অনুসারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। হিঙ্গানগর গ্রামের কলাবাগানে সড়কের আয়োজিত মানববন্ধনে নারী, পুরুষ, শিশু বৃদ্ধসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জ্ঞানেন্দ্র বাবু, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শিবলী সাদিক, আটিয়া ইউনিয়নে নৌকার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার, শিক্ষক সুনীল দে ও দেলদুয়ার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াদুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, এটা একটা পরিকল্পিত হামলা। কৃষ্ণ কান্তি দের উপর হামলারকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন মিয়া জানান, ২৭ জুন হামলার ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীরা পলাতক রয়েছে। এরপরও আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ জুন রোববার বিকেলে ইউনিয়নের ছিলিমপুর বাজারে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেরর সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কান্তি দে সরকারসহ তার অনুসারীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
একতা কন্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত দে সরকারকে পিটিয়ে আহত করেছে দলের জলের ভিতর থাকা প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ। রোববার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে ওই হামলার ঘটনাটি ঘটে। কৃষ্ণক্রান্ত দে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামলার এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আহত কৃষ্ণকান্ত আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত বুধবার (১৫ জুন) সম্পন্ন হওয়া উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে কৃষ্ণকান্ত দে সরকার নির্বাচনে পরাজিত হন। হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। এ নিয়ে কৃষ্ণকান্ত দে দলীয় কোন্দল ও শৃঙ্খলার অভাবকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনার জেরে রোববার বিকেলে কৃষ্ণকান্ত টাঙ্গাইল শহর থেকে ফেরার পথে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে পৌঁছালে তার উপর হামলা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে কৃষ্ণ কান্ত দে বলেন, হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাথারী পেটাতে শুরু করে। হাবিবের সঙ্গে তার সহযোগী কামরুজ্জামান কফি, ওহাব ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম মন্টুর ভাই কাওছারও মারপিট শুরু করে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতেই মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষ্ণ কান্ত দে।
এসময় কৃষ্ণকান্তের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা দূর্গা রানী সরকার কেও অপমান করে হামলাকারীরা।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফেসবুকে নির্বাচন কেন্দ্রীক পোষ্ট দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দলীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলেও শনিবার(২৫জুন) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন করা হয়েছে।
সকালে পৌর শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিটিভির মাধ্যমে বড় পর্দায় সম্প্রচার করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডঃ মোঃ আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং সকল পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল বিশেষ দোয়া, মোনাজাত, প্রার্থনা, অসহায় মানুষের মাঝে উন্নত মানের খাদ্য পরিবেশনসহ আরো নানা আয়োজন।
এছাড়াও জেলার সকল উপজেলায় দিনব্যাপী বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপরে ধসে পড়া নির্মাণাধীন সেতুটি ঠিকাদারকে নিজ খরচে পুরোটা ভেঙে নতুন করে নির্মাণ কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে ধসে পড়া সেতু পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক একেএম রশিদ আহম্মদসহ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরো জানায়,ধসে পড়া সেতুর ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় কয়েক ধাপে ৬০ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। তবে সেতুটি পুনরায় সম্পন্ন শেষ হওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বাকি বিল পরিশোধ করা হবে।
পৌরসভা সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতায় টাঙ্গাইল পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। ৮ মিটার প্রশস্ত ও ৪০ মিটার দীর্ঘ সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার ৮৪১ দশমিক ৩৩ টাকা। ঢাকার ব্রিক্সস এন্ড ব্রিজ লিমিটেড এবং দি নির্মিতি নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজটি নির্মাণের দায়িত্ব পায়। ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেতু নির্মাণের চুক্তি হয়। কিন্তু টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খান ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. জামিলুর রহমান খানের নেতৃত্বে স্থানীয় ১০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী কাজটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়ে নেন। পরে তারা এটি বাস্তবায়ন শুরু করেন।
সেতু নির্মাণের তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রকৌশলীরা জানান, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তারা যেমন মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজটি নিয়ে নেন, ঠিক তেমনিভাবে সেতু নির্মাণ কাজেও ছিল অনেক অবহেলা। তাদের মৌখিক ও লিখিতভাবে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও তারা তা মানেননি। নির্মাণের বিভিন্ন স্তরে দরপত্রে উল্লেখিত নির্দেশনা মোতাবেক কাজ না করে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো কাজ করেন।
ব্রিক্সস এন্ড ব্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মোস্তফা মুহাম্মদ মাসুদ জানান, তারা এবার নিজেদের তত্ত্বাবধানে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করবেন। তাদের সঙ্গে টাঙ্গাইলের ঠিকাদাররাও থাকবে। তবে সব কিছু তিনি দেখাশোনা করবেন।
তিনি আরও জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি ভেঙে পুনরায় নির্মাণ শুরু করা হবে। কর্তৃপক্ষ যদি এ বিষয়ে অঙ্গীকারনামা চান তাহলে তাই দেওয়া হবে। আর সেতুটি পুনরায় নির্মাণ কাজ করার সময় দরপত্রে উল্লেখিত সকল শর্ত মেনে কাজ করা হবে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী জানান, ধসে পড়া সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হবে। তবে সেতুটি ভেঙে ফেলতে সকল ব্যয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বহন করবে। সব নির্দেশনা মেনে সেতুটি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করে, সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে অঙ্গীকারনামা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইসিটিসহ প্রতিটি খাতে অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। যা সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত ও নন্দিত হচ্ছে। তবে সকল উন্নয়নের মধ্যে স্বাধীনতার পরে যে অর্জনটি সবচেয়ে বড় ও লক্ষণীয়- তাহলো পদ্মা সেতু। সকল দিক বিবেচনায় উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার পর জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন এটি। পদ্মা সেতু জাতির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। একইসাথে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শুক্রবার (১৭ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর সহচর মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল এর একুশে পদক (মরণোত্তর) প্রাপ্তিতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ এ স্মরণসভার আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু জাতির স্বপ্নের সেতু, গর্বের সেতু, অহংকারের সেতু। ২৫ তারিখে এটির উদ্বোধন হবে, সেদিন সারা জাতি আনন্দে মেতে উঠবে। এ মহোৎসবকে কেউ যদি ষড়যন্ত্র করে বানচাল করতে চায়, তাদেরকে কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে। কোন অপশক্তিই পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আনন্দকে ব্যাহত করতে পারবে না।
পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যশোরের ফুল, সাতক্ষীরার আমসহ দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল সহজেই ঢাকা আসতে পারবে। ঐসব অঞ্চলে কৃষি প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে বাজার তৈরির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানিও হবে।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় খুবই সক্ষম। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু হয়েছে। শুধু হার-জিত দেখলে হবে না। দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে, অল্প ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতেছে-এদিকগুলোও বিবেচনা করতে হবে। সব মিলিয়ে নির্বাচন সুন্দর হয়েছে।
স্মরণসভায় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলে ১৮ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১১টিতে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া ৫টিতে স্বতন্ত্র ও ২টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বুধবার (১৫ জুন) গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব ফলাফল পাওয়া যায়।
এর মধ্যে মধুপুরে ৬ ইউনিয়নের ৫টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে বিদ্রোহী প্রার্থী, মির্জাপুরে ৬ ইউনিয়নের ৩টিতে আওয়ামী লীগ ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী, সখীপুরে ২ ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী, বাসাইলে ১টি আওয়ামী লীগ ও ১টি স্বতন্ত্র, নাগরপুরে স্বতন্ত্র ও দেলদুয়ারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মধুপুরের ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগ এবং ১টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।
এরা হচ্ছেন-
কুড়াগাছা ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফজলুল হক সরকার (নৌকা) ৫৮৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজহারুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ৩৪৭৯ ভোট।
আউশনারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রাথী গোলাম মোস্তফা (নৌকা) ৪৩০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছালাম (আনারস) পেয়েছেন ৪০১৪ ভোট।
শোলাকুড়ী ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইয়াকুব আলী (নৌকা) পেয়েছেন ৬৭০১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আকতার হোসেন (টেলিফোন) পেয়েছেন ৩০২৬ ভোট।
বেরীবাইদ ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী জুলহাস উদ্দিন (নৌকা) ৭৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ২১৫১ ভোট।
মহিষমারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহি উদ্দিন মহির (আনারস) ৯৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মোতালেব (নৌকা) পেয়েছেন ৪৭৩৮ ভোট।
কুড়ালিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল হক (নৌকা) জয়লাভ করেছেন।
মহিষমারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহি উদ্দিন মহির (আনারস) ৯৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মোতালেব (নৌকা) পেয়েছেন ৪৭৩৮ ভোট।
কুড়ালিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল হক (নৌকা) জয়লাভ করেছেন।
মির্জাপুরে ৩ ইউনিয়নে নৌকা ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
বহুরিয়া ইউনিয়ন: আবু সাইদ ছাদু (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৬০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছামাদ (ঘোড়া) পেয়েছেন ৪৫৩২ ভোট।
আজগানা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল কাদের (নৌকা) ১০২৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৫৪৫৪।
ফতেপুর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাজী আব্দুর রউফ (নৌকা) ৩৬৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন তালুকদার (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৩৪৭৬ ভোট।
তরফপুর ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আজিজ রেজা (মোটরসাইকেল) ৫৯০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফুর রহমান (চশমা) পেয়েছেন ৫৫২৩ ভোট।
ভাওড়া ইউনিয়ন: মাসুদুর রহমান (ঘোড়া) ৪৫৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাহিদুর রহমান খান (আনারস) পেয়েছেন ৩৭৬০ ভোট।
লতিফপুর ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী হোসেন রনি (মোটরসাইকেল) ৪৩২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোশারফ হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ৩৭২৪ ভোট।
সখীপুর উপজেলা দুইটি ইউনিয়নের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনছার আলী আসিফ (নৌকা) পান ৮০২৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ৫৫৮০ ভোট।
গজারিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন (নৌকা) ৪৪৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদল মিয়া (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ২ হাজার ১৮৯ ভোট।
বাসাইল উপজেলায় দুটি ইউপি’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
বাসাইল সদর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সোহানুর রহমান সোহেল (নৌকা) ২৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ২১৫২ ভোট।
কাশিল ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা রমজান আলী মিয়া (মোটরসাইকেল) ৮৬৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের প্রার্থী মির্জা রাজিক (নৌকা) পেয়েছেন ৭২১৯ ভোট।
নাগরপুরের ভারড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন।
দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন (ঘোড়া) ৫৫০১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার (নৌকা) পেয়েছেন ৩৩৭৩ ভোট।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান বলেন, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রে ইভিএমে ধীরগতিতে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করে।
একতার কণ্ঠঃ শেষ মুহূর্তে এসে টাঙ্গাইলের আরও দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ ইউনিয়ন দুটি হচ্ছে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর এবং মধুপুর উপজেলার ফুলবাগচালা।
নবম ধাপে এই দুটি ইউনিয়নসহ বুধবার(১৫ জুন) জেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। এর আগে রোববার(১২ জুন) মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে রিট করেন। ওই রিটের শুনানিতে ইউনিয়ন দুটির নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন আদালত। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় স্থগিত করা হয়েছে ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।
এর আগে আওয়ামী লীগের এক নেতা নৌকায় যাঁরা ভোট দেবেন না, তাঁদের ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করে বক্তৃতা দেওয়ায় এবং নানা হুমকি দেওয়ায় মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার (মিলিটারি) মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পথসভা করেছেন। সোমবার(১৩ জুন) সকালে উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেন তিনি।
সোমবার সকালে রুপালী মোড় থেকে তিন শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা শুরু হয়।
এতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণসহ প্রায় পাঁচশত লোক অংশ নেয়।
শোভাযাত্রাটি ইউনিয়নের রুপালী মোড় থেকে শুরু করে সোনালী মোড়, কাকুয়া, রাঙ্গাচুড়া, ওমরপুর, পৌলি, চর পৌলি, দেলদাসহ পুরো ইউনিয়ন প্রদক্ষিন করেন।
এ সময় থেমে থেমে বিভিন্ন বাজারে কুশল বিনিময় ও পথসভা করেন চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুস ছাত্তার ।
শোভাযাত্রায় আব্দুস ছাত্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেন এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে এবং উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দাবি করছি। এছাড়াও এলাকার উন্নয়ন, এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করতে এবং অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে দাড়াতে আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। তিনি আরো বলেন, দল থেকে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা।
একতার কণ্ঠঃ নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় পুলিশের এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের নির্দেশ এবং তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১৩ জুন) ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, নির্বাচনি পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠেয় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আন্ধারমানিক ও বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন এবং বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেলদুয়ার থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি
একতার কণ্ঠঃ গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সদর থানা বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার(১৩জুন) সকালে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ওই বিক্ষোভ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুল রহমান লিটন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান জিন্নাহ, শফিকুর রহমান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মো. আজগর আলী, সৈয়দ শাহিন, আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবদকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ, বিএনপি নেতা হাদিউজ্জামান সোহেল,সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক প্রমুখ।
সমাবেশে বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন