/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে সরাসরি ভোটে গঠিত হবে জেলা বিএনপির কমিটি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সরাসরি ভোটে গঠিত হবে জেলা বিএনপির কমিটি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতৃত্ব এবার নির্বাচন করে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা বিএনপির একাধিক সূত্র। এরই মধ্যে সভাপতি পদে তিনজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।দীর্ঘ ১৩ বছর পর মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) পৌর এলাকার পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার ঈদ গাঁ মাঠে জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিপনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিশনের অপর দুই সদস্য হচ্ছেন আইনজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন ও জহিরুল ইসলাম।

জানা যায়, ২০০৯ সালে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে সভাপতি হয়েছিলেন আহমেদ আযম খান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফা।

এরপর কয়েক দফায় কেন্দ্র থেকে আহবায়ক কমিটি গঠস করে দেয়া হয়।এরপর গত বছরের ৪ নভেম্বর তারিখে আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদুল হক সানুকে সদস্য সচিব করে জেলা বিএনপির ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে দুটি ধারার সৃষ্টি হয়। পরে সর্বশেষ চলতি বছরের ৩ আগস্ট পুরোনো আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে নতুন আহ্বায়ক কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষনা করা হয়।

সেখানে আগের কমিটির আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানকে পুণরায় আহ্বায়ক করা হয়। কিন্তু আগের কমিটির সদস্য সচিবসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা কমিটি থেকে বাদ পড়েন। এ নিয়ে আবারও দলে বিরোধ শুরু হয়। আহমেদ আযম খান বিরোধীরা সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু এবং সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর নেতৃত্বে পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে থাকেন।

এদিকে আসন্ন সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খান গ্রুপের সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

অপরদিকে, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গ্রুপের সভাপতি প্রার্থী আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু ও সাধারণ সম্পাদক পদে আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতার ঘোষণা দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বিএনপির কাউন্সিলের প্রধান নির্বাচন কমিশনার শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, সভাপতি পদে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী ইমাম তপন ও যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন প্রার্থী হয়েছেন । এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল এবং সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌর বিএনপির কমিটির নেতারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মোট ভোটার রয়েছে ২৩২৩ জন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো জানান, তিনজন সভাপতি প্রার্থী ও দুইজন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২২ ১১:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
ভূঞাপুরে আ’লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হাতাহাতি - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরে আ’লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হাতাহাতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে এমপির সামনেই দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহতও হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা স্থগিত করেছে জেলা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অন্যদিকে, দলীয় কার্যালয় বন্ধসহ পৌর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। একইসাথে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করে। এমপি ও মেয়র দুই পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আগামী ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বর্ধিত সভা করে আসছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করে ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।

এ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদহ তার অনুসারী এবং বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা শুরু করেন। সভা চলাকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সভায় প্রবেশ করলে তার সামনে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এমপি ও মেয়র পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও মিছিল প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ জানান, আমরা আগামী ৭ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা শুরু করি। সভা শুরুকালে এমপি মহোদয় সভাস্থলে প্রবেশ করলে আমি তাকে বসতে আহ্বান জানাই।

তিনি আরও জানান, সে সময় তিনি না বসে আমাকে পাশ কাটিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করাকালে তার সাথে আসা কিছু নেতাকর্মী হঠাৎ করে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। পরে আমরা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে আসি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রবেশ করলে বসার জায়গা না থাকায় সভাস্থলে কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ থেকে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে জেলার নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২২ ০১:২৮:এএম ৪ বছর আগে
ভোটে হেরে টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস; তদন্তে নির্বাচন কমিশন - Ekotar Kantho

ভোটে হেরে টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস; তদন্তে নির্বাচন কমিশন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটে পরাজিত হয়ে বিতরণকৃত টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় জেলায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়ে ভোট না দেওয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে যান বাসাইল উপজেলার সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তবে ভোট সংগ্রহ করতে ভোটারদের টাকা বিতরণের ঘটনা জানেনা জেলা নির্বাচন অফিস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর তারা বিষয়টি জেনেছেন।

টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচ কামরুল হাসান জানান, নির্বাচনের দুইদিন পরে একজন পরাজিত প্রার্থী টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনকে অবগত করি। রবিবার (২৩ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন ঘটনাটি তদন্তের জন্য জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলেছেন। বর্তমানে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

এ দিকে রফিকুল ইসলাম পরাজিত হয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন (বাসাইল) সদস্য-১১। আমরা চারজন প্রার্থী ছিলাম। ভোটার দিল ৯৪ জন। দিন শেষে জানা গেল, প্রত্যেক প্রার্থী ৫০ থেকে ৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়েছে।

তার মধ্যে আমাকে ৬০ জন ভোটার কথা দিলেও এর মধ্যে কম বেশি ৫৫ জন ভোটার আমার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করলো।

ভোট দিল মাত্র ৭ জনে। এই হলো ভোটারদের আসল চরিত্র। পৃথিবীর সব কিছুই একবার দেখলে চেনা যায়, শুরু মানুষ বাদে। আমাকে যারা ভোট দেননি মনে হয় আপনাদের নামের তালিকা হওয়ার আগে আমার টাকা ফেরত দেওয়া উচিত।

আপনারা না জনপ্রতিনিধি? ভোট আপনি যাকে খুশি তাকে দেন, এটা আপনাদের অধিকার, তাই বলে টাকা নিবেন চার জনের কাছ থেকে ভোট দিবেন একজনকে। এটা কেমন চরিত্র আপনাদের? আপনাদের কাছ থেকে আপনার এলাকার জনগণ কি সেবা পেতে পারে।

আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করো “মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করো”। তার এই স্ট্যাটাস মহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

যারা টাকা নিয়েছিলন সেই ভোটাররা তাদের নাম প্রকাশ না করার জন্য তাকে অনুরোধ করতে থাকেন। প্রায় বেশির ভাগ ভোটার তাদের গ্রহণহণকৃত টাকা ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম উপজেলার ফুলকি ইউপির ৮জন, হাবলা ইউপির ৫, পৌরসভার ৫, সদর ইউপির ১১, কাউলজানী ইউপির ৯, কাঞ্চনপুর ইউপির ৫ ও কাশিল ইউপির ৭ জনের প্রত্যেকজনকে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১০ লাখ টাকা বিতরণ করেছিলেন।

এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জানান, ভোটাররাই একা দেখা করার কথা বলে বিভিন্ন পরিমাণের টাকা দাবি করে আসছিলেন। তাই নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার লোভে পরে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করেছিলাম।

তিনি আরো জানান, ভোটে হেরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে খুব ঝামেলার মধ্যে রয়েছি। ঘটনা জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সোমবার (২৪ অক্টোবর) তার অফিসে ডেকেছিলেন। যা সত্য আমি তাই বলে দিয়েছি।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, নির্বাচন কমিশন অন্ধ। কারণ তাদের কিছুই করার ক্ষমতা নেই।

তিনি আরো জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য একজন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য সভা সমাবেশ করেছেন। অভিযোগ দেওয়া হলেও নির্বাচন অফিস কোন ব্যবস্থা নেয়নি। নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি বহু পুরনো ব্যাপার। সে হয়ত আবেগের বশে স্ট্যাটাস দিয়েছে।

বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউস জানান, রফিকুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। সে এখন দলের কেউ না।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় জানান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ভোটারদের সাথে কথা বলেছি। পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম কেউ ডেকেছি। তদন্ত শেষের দিকে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দিবো।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি জানান, যে কোন নির্বাচনে অবৈধভাবে টাকার ছড়াছড়ি হলে নির্বাচনী আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ভোট সংগ্রহ করতে গিয়ে এক প্রার্থী ভোটারদের টাকা দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ফলাফল ঘোষণার দুই দিন পর বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেনি বা কেউ কোন অভিযাগও করেনি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি চিঠি দিয়েছেন। যেহেতু ঘটনাটি বাসাইল উপজেলার। তাই বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

একতার কণ্ঠঃ  “জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার” এ শ্লোগানকে ধারণ করে টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী ও পথসভা করেছে গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখা।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সংগঠনটি উদ্যোগে শহরের বটতলা থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী বের হলে পুলিশ এতে বাধা প্রদান করে। পরে র‌্যালীটি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে পথসভার আয়োজন করে।

এই পথসভায় বক্তব্য রাখেন, গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার আহবায়ক জহিরুল ইসলাম, সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান রাসেল, সিনিয়র সদস্য সচিব শামিমুর রহমান সাগর, গণঅধিকার পরিষদ সখিপুর উপজেলা শাখার দেলুয়ার রহমান, টাঙ্গাইল ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ফাহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩৮:এএম ৪ বছর আগে
সেই  আ’লীগ নেতার টাকা ফেরত দিচ্ছেন ভোটাররা! - Ekotar Kantho

সেই  আ’লীগ নেতার টাকা ফেরত দিচ্ছেন ভোটাররা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাসাইলের পরাজিত সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বিতরণকৃত টাকা ফেরত দিচ্ছেন ভোটাররা।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটাররা নিজ উদ্যোগে ভোটের আগে গ্রহনকৃত টাকা ফেরত দিতে শুরু করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ টাকা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম ফেরত পেয়েছেন। তিনি বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ভোটের আগে বিতরণকৃত টাকা ফেরত চেয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। মূহুর্তের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে তা ভাইরাল হয়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ হয়। এরপর থেকে পরাজিত ওই প্রার্থীকে টাকা গ্রহনকারী ভোটাররা (জনপ্রতিনিধি) নেওয়া টাকা ফেরত দিয়ে তাদের নাম প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।

জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নং ওয়ার্ড (বাসাইল) সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ভোটের আগে তাকে ভোট দেওয়ার জন্য উপজেলার ফুলকি ইউপির ৮ জন, হাবলা ইউপির ৫, পৌরসভার ৫, সদর ইউপির ১১, কাউলজানী ইউপির ৯, কাঞ্চনপুর ইউপির ৫ ও কাশিল ইউপির ৭ জনপ্রতিনিধিকে টাকা প্রদান করেন।

ওই পরাজিত প্রার্থী প্রত্যেক ভোটারকে (জনপ্রতিনিধি) ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা বিতরণ করেন। তাদের মধ্যে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ হওয়ার পর বুধবার(১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হাবলা, সদর, কাঞ্চনপুর, কাউলজানী ও ফুলকি ইউপির অন্তত ৭ জন ভোটার দুই লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। আগামী দুই দিনের মধ্যে সকল ভোটাররা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ভোটের আগে কেন টাকা বিতরণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে জানান, ভোটাররাই একা দেখা করার কথা বলে বিভিন্ন অংকের টাকা দাবি করেছিলেন। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য তাই তিনি ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করেছিলেন। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার হওয়ার পর পর সকলেই নেওয়া টাকা ফেরত দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর উমর ফারুক জানান, নির্বাচনে ভোট কেনা জঘন্য অপরাধ। এটা অন্যের অধিকার টাকা দিয়ে হরণ করা। একজন মানুষের মানবিক সত্ত্বাকে হরণ করার সামিল। এক সময় যারা ভোট কিনতেন বা বিক্রি করতেন তারা এটা নিয়ে লজ্জাবোধ করতেন। এখন ওই মূল্য বোধগুলো অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। ভোট কেনা-বেচায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় নির্বাচন কেন্দ্রীক এমন অপরাধের প্রবণতা বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নং ওয়ার্ড (বাসাইল) মোট ভোটার ৯৪ জন। ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে ৩ প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ওই সদস্য পদে মো. নাছির খান ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ হোসাইন খান পেয়েছেন ২১ ভোট, মিজানুর রহমান খান পেয়েছেন ১১ ভোট, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৭ ভোট ও আতিকুর রহমান কোন ভোটই পাননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০৪:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল বিএনপি’র অভ্যন্তরীন কোন্দল চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপি’র অভ্যন্তরীন কোন্দল চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিএনপি অভ্যন্তরীন কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করছে। কোন্দলের কারণে জেলার অভ্যন্তরীন বিএনপির রাজনীতি এখন দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

ফলে দলীয় কোন্দল এখন জেলা সদর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যন্ত।

দলের মধ্যে রেষারেষি আর বিভক্তি এমন পর্যায়ে নেমে এসেছে যে কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক কর্মসূচি পৃথকভাবে পালন করছে দলটির নেতাকর্মীরা।কোন্দলের কারণে প্রায় কর্মসুচিতে সচরাচর অংশ নিতে দেখা যায়না অনেক নেতাকেই।

এই কোন্দলের আচঁর লেগেছে যুবদল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতেও। বিভক্তির শিকার এসব সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ থেকেও বিরত থাকছেন।

যা তৃনমুল ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। তাদের অভিযোগ নেতায় নেতায় দ্বন্দ্বের কারণে টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে বিএনপি ক্রমেই দূর্বল হয়ে পড়ছে।

দলীয় কোন্দল ও বিভক্তি নিরসন করতে না পারলে আগামী দিনে আন্দোলন কর্মসূচি পালন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরম খেসারত দিতে হবে বলে মনে করছেন তৃণমুল নেতাকর্মীরা।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির কোন্দল দীর্ঘদিনের পুরোনো। বিগত ১৯৯৭ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা বিএনপির সভাপতি মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বুলবুল নির্বাচিত হন।

নির্বাচিত হওয়ার পরে এক পর্যায়ে এ দু’নেতার মধ্যে দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে তাদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও বহিস্কারের ঘটনাও ঘটে।

পরে ২০০৯ সালের ২১ জুন এডভোকেট আহমেদ আযমকে আহবায়ক ও কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফাকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।

তখন জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দুরত্ব বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের ৯ জুন পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

মুলত দু’পক্ষেই নিজেদের পছন্দের লোক কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে গিয়ে কমিটি গঠন করতে দুবছর সময় লাগে। মূলত তখন থেকেই বিএনপির অন্তর্দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নেয়।

আহমেদ আযম খানের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের বিরুদ্ধে তখন থেকেই বিএনপির একটি অংশ সরব হয়ে উঠে।

তখন বিএনপিতে বিভক্তির কারণে জেলা ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন করাও কঠিন হয়ে পড়ে। মূল দলে বিভক্তির কারণে এসব অঙ্গ সংগঠনেও বিভক্তি দেখা দেয়।

বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ২০২১ সালের নভেম্বরে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহবায়ক ও মাহমুদুল হক সানুকে সদস্য সচিব করে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

সব উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে তিন মাসের মধ্যে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য বলা হয়। কিন্ত কয়েক মাসের মধ্যে ওই কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে পুনরায় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটিতে আহমেদ আযম খান আহবায়ক হলেও বাদ পড়েন সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম-আহবায়ক অমল ব্যানার্জি, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদুসহ অনেক নেতা। এঘটনায় জেলা বিএনপির বিশাল একটি অংশ ক্ষুব্দ হন।

তাদের অভিযোগ আহমেদ আযম খান ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তার পক্ষের লোকজন দিয়ে পকেট কমিটি গঠন করেছেন। পদবঞ্চিত এই অংশটি আহমেদ আযমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা করেন।

তারা সংবাদ সম্মেলন করে ছাইদুল হক ছাদু ও মাহমুদুল হক সানুর নেতৃত্বে বিএনপির সকল কার্ষক্রম চলবে বলে ঘোষনা দেন। তার অংশ হিসেবে তারা পৌরশহর ও সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করেন।

গত ২৩ আগষ্ট আশরাফ পাহেলীকে সভাপতি ও সাবেক ভিপি নুরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে পৌর শহর বিএনপি ও শফিকুর রহমান খান শফিককে সভাপতি ও আজহারুল ইসলাম লাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করে।

বিদ্রোহী কমিটির নেতা শফিকুর রহমান খান শফিক জানান, আমরা ইতিমধ্যে ১২টি ইউনিয়ন কমিটি করেছি। অধিকাংশ ওয়ার্ড কমিটি করা হয়েছে। দুই একটি কমিটি বাকি রয়েছে। এগুলো শেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা সদর উপজেলা ও পৌরশহর সম্মেলন করব।

যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, ইউনিয়ন ওয়ার্ড কমিটি শেষ করে গত বৃহস্পতিবার সদর উপজেলা ও পৌর কমিটি সম্মেলন করা হয়েছে। ওই সম্মেলনে আজগর আলীকে সভাপতি ও আব্দুর রউফকে সাধারণ সম্পাদক করে সদর উপজেলা ও পৌর কাউন্সিলর মেহেদী হাসান আলীমকে সভাপতি ও ইজাজুল হক সবুজকে সাধারণ সম্পাদক করে পৌর শহর কমিটি গঠন করা হয়েছে।

যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন বলেন, বিদ্রোহীদের কমিটি গঠনের সাংগঠনিক কোন ভিত্তি নেই। তারা যা করছে তা নিয়ম বহির্ভূত ও অগঠনতান্ত্রিক কাজ । দলের ভেতর তারা বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে। কেন্দ্রে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে খুব শিঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, ব্যর্থতার কারণে যদি কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয় তাহলে আহমেদ আযমও আহবায়ক থাকার কথা নয়। অর্থাৎ তিনি প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল বুঝিয়ে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে আতাঁতকারী সুবিধাভোগী এবং ক্ষমতাসীন দলের সাথে ব্যবসা বানিজ্য করছেন এমন লোক আহবায়ক কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। যা জেলার অধিকাংশ সিনিয়র নেতারা মেনে নিতে পারছেন না।

জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খান বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। এখানে মত পার্থক্য থাকবে। আহবায়ক কমিটির সব যুগ্ম-আহবায়কসহ সকল নেতৃবৃন্দ আমাদের পক্ষে রয়েছে। পদ বঞ্চিত হয়ে দুই একজন বিদ্রোহ করতেই পারে।

তিনি আরো বলেন, তবে আমি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছি না। তারা ভুল বুঝছে, সংশোধন হলে এমনিতেই তারা ফিরে আসবে। গত বৃহস্পতিবার শহর ও সদর উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে কেন্দ্রীয় বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশানার বাইরে গিয়ে দলে যে কেউ অসাংগঠনিক বা নিয়ম বহির্ভূত কাজ করলে দল তার বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০২:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভোট কিনেও পরাজিত, টাকা ফেরত চাইলেন আ.লীগ নেতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভোট কিনেও পরাজিত, টাকা ফেরত চাইলেন আ.লীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে ভোট কিনেও হেরেছেন রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা। নির্বাচনে ভোট না দেওয়া জনপ্রতিনিধিদের কাছে টাকা ফেরত চেয়েছেন তিনি। এমনকি, ভবিষ্যতে আর কোনও নির্বাচনে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই প্রার্থী।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে টাকা ফেরতের আহ্বান জানান তিনি। পরে নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পোস্টটি সরিয়ে নেন। রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আমরা চার জন প্রার্থী ছিলাম। ভোটার ছিলেন ৯৪ জন। দিন শেষে জানা গেলো, প্রত্যেক প্রার্থী ৫০-৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে আমাকে ৬০ জন ভোটার কথা দিলেও ৫৫ জন আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। ভোট দিলেন মাত্র সাত জন। এই হলো ভোটারদের আসল চরিত্র। পৃথিবীর সবকিছু একবার দেখলে চেনা যায়, শুধু মানুষ বাদে। আমাকে যারা ভোট দেননি মনে হয় আপনাদের নামের তালিকা হওয়ার আগে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত। আপনারা না জনপ্রতিনিধি। ভোট আপনি যাকে খুশি তাকে দেন, এটা আপনার অধিকার। তাই বলে টাকা নেবেন চার জনের কাছ থেকে, ভোট দেবেন একজনকে। এটা কেমন চরিত্র আপনাদের? আপনাদের কাছ থেকে জনগণ কি সেবা পেতে পারে?’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি ছিল। অনেক ভোটার একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। টাকা নেওয়ার বিষয়টি এখন সর্বমহলে শোনা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম বলেন, ‘প্রত্যেক প্রার্থী ৫০-৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়ে ভোট কিনেছেন। একজন ভোটারকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার করে টাকা দিতে হয়েছে। আবার অনেক ভোটারকে ৪০-৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আমাকেও কিনতে হয়েছে টাকা দিয়ে ভোট। হয়তো সম্পর্কের কারণে আমার কম টাকা লেগেছে। তবে সর্বনিম্ন ২০ হাজারের নিচে কেউ টাকা নেননি। একজন ভোটার আমার সামনে খাম খুলে টাকা গুনে নিয়েছেন। টাকা কম থাকায় আরও পাঁচ হাজার টাকা চেয়ে নিয়েছেন। একজন ভোটার চার বার বিক্রি হয়েছেন। এমন হলে নির্বাচন কীভাবে করবো। তবে ভবিষ্যতে আর কোনও নির্বাচনে দাঁড়াবো না।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভোটার বলেন, ‘প্রত্যেক ভোটার টাকা নিয়েছেন। আমি নিয়েছি একজনের কাছ থেকে। এ ছাড়া আরও দুজন আমাকে জোর করে টাকা দিয়েছেন। নির্বাচনে হেরে এখন টাকা ফেরত চাচ্ছেন তারা।’

বাসাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহেল বলেন, ‘ভোটারদের টাকা দেওয়ার বিষয়টি এখন প্রার্থীরা বলছেন। এক প্রার্থী টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। অবশ্য পরে তিনি সেটি ডিলিট করে দিয়েছেন। তারা কেন ভোট কিনলেন বুঝলাম না।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় বলেন, ‘নির্বাচনের আগে কেউ টাকা লেনদেনের বিষয়ে অভিযোগ করেনি। এখন পরাজিত হয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন। ভোটারদের টাকা দিয়ে থাকলে তিনি এটা অন্যায় করেছেন।’

এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. উমর ফারুক বলেন, ভোট কেনা জঘন্য অপরাধ। এটা অন্যের অধিকার টাকা দিয়ে কিনে নেওয়া। একজন মানুষের মানবিক সত্ত্বাকে হরণ করার অপরাধ। সাময়িক রাজনৈতিক অবস্থা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, এটি নীতি-নৈতিকতা মানবিক বর্জিত ও মানবিক বিসর্জিত। যার ফলে এখন এই বিষয়গুলো প্রকাশ্যেই ঘটে। এক সময় যারা ভোট কিনতো বা বিক্রি করতো- তারা এটাতে লজ্জাবোধ করতো। এখন ওই মূল্যবোধগুলো অবক্ষয় বা নষ্ট হয়ে গেছে। এটা একটা স্বাভাবিক সহনশীল মাত্রায় এটা মানুষ বিবেচনা করছে। এতে একজন ব্যক্তি তার আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক মূল্যবোধ মানুষ এখন আর বুঝতে পারে না। ভোট কেনা-বেচায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। যারা রাজনৈতিক ব্যক্তি বা ভোটদাতা রয়েছেন- তাদের মানবিক, সামাজিক ও নৈতিকভাবে সচেতন এবং সতর্ক হতে হবে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তিশালীভাবে আইনের যে প্রয়োগ, সেটা করতে হবে। এটার ব্যাপারে আইন আছে। তবে আইনের প্রয়োগটা সেই অর্থে ব্যবহার হয় না। নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি যদি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, তাহলে মানুষ এটা থেকে বিরত থাকবে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে (বাসাইল) সদস্য পদে সোমবার (১৭ অক্টোবর) বাসাইল উপজেলা হলরুমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাছির খান টিউবওয়েল প্রতীকে ৫৫ ভোট পেয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অটোরিকশা প্রতীকের প্রার্থী হোসাইন খান সবুজ পান ২১ ভোট। এছাড়া উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম সাত ভোট, মিজানুর রহমান খান হাতি প্রতীকে ১১ ভোট ও আতিকুর রহমান তালা প্রতীকে কোনও ভোট পাননি। সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে খালেদা সিদ্দিকী পান ৪১ ভোট, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী রওশন আরা আক্তার রিতা ২১ ভোট ও হরিণ প্রতীকের প্রার্থী রুমা খান পান ৩১ ভোট।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী যারা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী যারা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ধনবাড়ী থেকে তোফাজ্জল হোসেন, গোপালপুরে এসএম রফিকুল ইসলাম, ভূঞাপুরে খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইলে রোকনুজ্জামান ঠান্ডু, কালিহাতীতে আয়নাল হক, টাঙ্গাইল সদরে মাসুরুল ইসলাম, দেলদুয়ারে মোশারফ হোসেন, নাগরপুরে শহিদুল ইসলাম, বাসাইলে নাসির খান, সখীপুরে আনোয়ার হোসেন তালুকদার ও মির্জাপুরে তাহেরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে মাহমুদা বেগম (ধনবাড়ী, মধুপুর, গোপালপুর), রাজিয়া সিদ্দিকী (ঘাটাইল, কালিহাতী, ভূঞাপুর), শিমু খান (সদর, নাগরপুর, দেলদুয়ার) ও খালেদা সিদ্দিকী (মির্জাপুর, বাসাইল, সখীপুর)।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং মধুপুরের সদস্য পদে খন্দকার শফিউদ্দিন মনি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেলদুয়ারে (৯ নং ওয়ার্ড) সদস্য পদে স্থানীয় সংসদ সদস্য তার পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ আসনের সদস্য পদের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন জেলা পরিষদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মোশারফ হোসেন “তালা প্রতীক” নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম ওরফে টিটু সমর্থন করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস প্রতাব মুকুলকে।

প্রতাব মুকুল “টিউবওয়েল প্রতীক” নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

এছাড়াও এই আসনে সদস্য পদে আরো দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তারা হচ্ছেন, গোলাম কিবরিয়া (হাতী প্রতীক) ও প্রভাংশু রঞ্জন সোম (ঘুরি প্রতীক)।

মো. মোশারফ হোসেনের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়ে তিনি বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য তার মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য নানা রকম প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তিনি ইতিমধ্যে, আটটি ইউনিয়নের ভোটারদের (ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য) নিয়ে দুটি সভা করেছেন। সে সভায় তার মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হলে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে টিআর দিবেন। তাদের নিকট থেকে প্রকল্পের তালিকাও জমা নিয়েছেন।

সভায় সংসদ সদস্য বলেছেন, তিনি ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করে যে কোন মূল্যে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট আদায় করবেন। ভোটারদের তার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে মুঠোফোনে তাকে দেখাতে হবে বলে জানিয়েছেন। সংসদ সদস্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে ভোটারদের প্রলোভন দেখাচ্ছে বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু জানান, লিখিত অভিযোগ দেয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে ব্যবস্থা নেয় নিক।

দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন এম শিবলী সাদিক জানান, জেলা পরিষদের সদস্য পদে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেলদুয়ার থেকে দলের দুই জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। নেতা কর্মীরা আশা করেছিলো সংসদ সদস্য সবার অভিভাবক। তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। কিন্তু একজন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট নেয়ার জন্য প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২২ ০৩:০২:এএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ৬ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার সল্লা প্রামানিক মার্কেট প্রাঙ্গনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, যুবদল নেতা ফারুক হোসেন বাবু, জহিরুল, শহীদ,তপুসহ ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার বিএনপির সম্মেলনের মঞ্চ করাকে কেন্দ্র করে এঘটনা ঘটে । কালিহাতী উপজেলার বিএনপির বুধবার ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের মঞ্চ তৈরির চলাকালে ঢাকা বিভাগ বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শুকুর মাহমুদ সমর্থকদের দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে কমপক্ষে ৬ জন আহত হন।

কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়‌।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০৪:০০:এএম ৪ বছর আগে
ঘাটাইলে ছাত্রলীগ নেতার মামলায় বিএনপির ৫ নেতা কারাগারে - Ekotar Kantho

ঘাটাইলে ছাত্রলীগ নেতার মামলায় বিএনপির ৫ নেতা কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছাত্রলীগের নেতার করা মামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওয়ায়দুল হক নাসির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আনোয়ারুল আজিম রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হেলাল এবং সদস্য রফিকুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট ঘাটাইল উপজেলার ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এক বিশেষ সভার আয়োজন করেছিল। সে সভাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য গত ২৪ আগস্ট রাতে ঘাটাইল পৌরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ১৫-২০ জন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকমীরা পৌরসভার চতিলা গ্রামে রওনায় দেন। এ সময় তারা চতিলা গ্রামে পৌঁছলে বিএনপির কর্মীরা দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় ঘাটাইল জিবিজি সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি আবু সাইদ রুবেল বিএনপির ৩৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৬০-৭০ জন কর্মীকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ জানান, মামলা হওয়ার পর তারা হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়ে আসেন। উচ্চ আদালতের বিচারক তাদেরকে জামিন শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার তারা টাঙ্গাইল আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নেতা কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র শোক র‌্যালী পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।

সোমবার(১০ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত প্রেসক্লাবের সামনে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সমবেত হতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় । এক পর্যায়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোক র‌্যালীর ব্যানার ছিনিয়ে নেয়।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় সমাবেশটি পন্ড হয়ে যায়। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর এলাকায় গিয়ে জড়ো হয়ে সেখানেই একটি সংক্ষিপ্ত শোক র‌্যালী বের করে।

র‌্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক হাসনুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত শোক র‌্যালীতে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পুলিশ বলেছে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সমাবেশে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানান তারা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবু সালাম মিয়া জানান, জেলা বিএনপি শহরের ব্যস্ততম এলাকা জেলা সদর রোডে সমাবেশ করতে চাইলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে সমাবেশ করতে বলা হয়। পুলিশ তাদের সমাবেশ পন্ড করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।