একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহীদ মিনারে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা
শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, শহীদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজেলার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অতিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অতিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।
এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অতিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমার নাম ডাকায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অতি দুঃখজনক।
এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, কষ্টদায়ক ও অপ্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত
এসময় তার সাথে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, এডভোকেট শাহীন মিয়া, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা শাহ আলম মিয়া, বাবুল খান, খন্দকার শাহ ফরিদ, আসাদুজ্জামান আদম, বায়োজিদ হোসেন, সফিকুর রহমান, লালু মিয়া, মুক্তা খান, খন্দকার আবু নাছের স্বপন, রুবেল মিয়া, বিপ্লব খান ও হীরন খানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে কোন আপোষ নয়। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ও থাকবো।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল পৌরসভার জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আহসান হাবীব বর্তমানে ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শনিবার(২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা সদরের শহীদ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোকসজ্জা, কুচকাওয়াজ, খেলাধূলা, আলোচনা সভা, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থণা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ইত্যাদি।
শনিবার দুপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদকায়সার,পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আনছারী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সাবেক কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের কার্ড পাঠিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, এনজিওসহ নানা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে। তবে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার বলছেন, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান নিয়ে একটি সভা করে উপস্থিত সবার কাছে যথাসাধ্য সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। চাঁদা দাবির বিষয়টি তিনি অবগত নন।
আরো পড়ুনঃ চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট!
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৫ ও ২৬ মার্চ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনের অজুহাতে চাঁদা আদায়ের ঘটনাটি ঘটেছে।
গত ৬ মার্চ নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদারের নির্দেশে একটি সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভার মাধ্যমে নারান্দিয়া ইউনিয়নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এ অনুসারে প্রাথমিক স্কুলের জন্য তিন হাজার, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাঁচ হাজার আর নারান্দিয়া বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ধার্য করা হয়। চাঁদা উত্তোলন ও আমন্ত্রণপত্র বিতরণের জন্য কর্মীও মনোনীত করা হয়। মনোনীত কর্মীদের প্রধান হিসেবে কাজ করেন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে লুহুরিয়া বি এইচ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুলতান জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের কার্ড দিয়ে পাঁচ হাজার টাকার চাওয়া হয়েছিল। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা বলে আমার স্কুলে কার্ড নিয়ে আসেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া। পরে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক তাকে দুই হাজার টাকা দিয়েছেন বলে আমাকে জানান।
তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এভাবে চাঁদা নেওয়াটা অসম্মানের বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সৈয়দা নুরজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব মিটিং ডেকে আমাদের কাছে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তবে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিতে আসা ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবি করা টাকা দেওয়া না হলেও আমরা সহযোগিতা করেছি।
জানতে চাইলে ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, আমি স্কুলে স্কুলে ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের চিঠি পৌঁছে দিয়েছি। তবে আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি।
এদিকে, নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের সমিতির সদস্য সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক। অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয় বহনের জন্য চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিটি দোকান থেকে চাঁদা তোলার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। আমাদের বাজার সমিতির সেক্রেটারিকে প্রতি দোকান থেকে টাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছিল। তবে আমরা সেটির সমর্থন দিইনি। তবে এরপরও ছাত্রলীগ নেতা সোলায়মান, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল ও আবু বক্কর নামে তিনজন চেয়ারম্যান সাহেবের পরিচয় দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের আমন্ত্রণপত্র দিয়ে কয়েকটি দোকান, ব্যাংক, এনজিও এবং স্কুল থেকে টাকা নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢালাওভাবে সব দোকান থেকে চাঁদার টাকা উত্তোলন করতে না পারলেও ইউনিয়নের জনতা ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভূমি অফিস ও কয়েকটি স্কুল থেকে ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও পরিষদের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ কারণে আমরা স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে নিয়ে ৬ মার্চ একটি প্রস্তুতি মিটিং করি। ওই মিটিংয়ে উপস্থিত সবাইকে সহযোগিতা করতে বলেছিলাম। তবে অনুষ্ঠানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের কেউ কারও কাছ থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করেননি। দল কী করেছে সেটি আমার জানা নেই।
তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানের সব ব্যয়ভার বহন করছে ইউনিয়ন পরিষদ। এরপরও যদি কেউ টাকা নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ আমার কাছে করেন, তাহলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসাইন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয়ভার বহন করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ধরনের অনুষ্ঠানের নামে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর শাহজাহানপুরে বৃহস্পতিবার(২৪ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে এলোপাতাড়ি গুলি করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন।
শুক্রবার(২৫ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিহত টিপু ও প্রীতির লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুন নাইম।
জানা গেছে, টিপুর শরীর থেকে সাতটি গুলি বের করা হয়েছে। আর প্রীতির শরীরে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি। কারণ তার শরীরের এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্যদিকে একটি গুলি বেরিয়ে গেছে।
প্রীতির লাশের সুরতাল করেন শাহজাহানপুর থানার এসআই তমা বিশ্বাস। সুরতহাল প্রতিবেদনে এসআই তমা উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি নিজের বাসা থেকে রিকশাযোগে বান্ধবীর সঙ্গে তাঁর বাসায় যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে উত্তর শাহজাহানপুর সড়কে এলে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রীতির বাম স্তনের ওপরে একটি ছিদ্র এবং পিঠের ডান পাশে মাঝ বরাবর একটি গোল চিহ্ন রয়েছে।
শুক্রবার (২৫ মার্চ) প্রীতির বান্ধবী সুমাইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, প্রীতি তার মা-বাবা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পশ্চিম শান্তিবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে গত ৪ দিন সে খিলগাঁও তিলপা পাড়ায় আমার বাসায় ছিল। সেখান থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিল। তবে, নিজের বাসার কাছে এসেও ফিরে আসতে হয় প্রীতিকে। বাসার কাছাকাছি গেলে প্রীতিকে তার মা হঠাৎ ফোন দিয়ে বলেছিলেন- চট্টগ্রাম থেকে প্রীতির মামা-মামী এসেছেন। সে যেন আজকেও আমার বাসায় থাকে। আগামীকাল যেন বাসায় যায়।
প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।
প্রীতির বাবা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সাধারণ পরিবারের নিরীহ মানুষ। আমার মেয়ের হত্যার ঘটনায় আমরা কোনো মামলা করব না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সাধারণ জীবনযাপন করি। কার বিরুদ্ধে মামলা করব? হয়তো এক্সিডেন্টলি ঘটনাটি ঘটে গেছে।আল্লাহ একজন আছেন, তিনিই দেখবেন।
তিনি আরো বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।
জামাল উদ্দিন বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আগামী দুই বছর পর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী দল নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে দেশে এমন কোন কিছু তৈরি হয়নি যে এটা নিয়ে দেশে হাহাকার, দেশে একটি হৈ-চৈ সৃষ্টি হয়েছে এমন কিছু নয়। বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা যদি মনে করে দ্রব্যমূল্যের সামান্য কিছু উর্ধ্বগতির জন্য দেশের একটা অরাজকতা সৃষ্টি করবে, রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাহলে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে না। এই সরকার অত্যন্ত সচেতন। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ-কষ্টে সব সময় মানুষের পাশে ছিল। সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের এক কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দিচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে কোন হাহাকার হবে না, তারা কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।প্রয়োজনে আরো খাদ্য ও অনান্য সাহায্য নিয়ে আমরা সাধারন মানুষের পাশে দাড়াঁবো।
মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচনকে সহযোগিতা করা। যারা দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টি করতে চায় তাদের আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া তারা যেভাবে কাজ করছে তাদের এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবে। সুশীল সমাজ তাদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারবে।রোববার(২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মিসেস মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি সহ জেলার অনান্য নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ মুক্তির উৎসব ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখীপুরে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাঙালীর শ্রেষ্ঠ সন্তান ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)।
এ সময় সংবর্ধীয় ৬ বীর মুক্তিযোদ্ধা পৌর মেয়র আবু হানিফ আজাদ, মোঃ ওসমান গণি মিঞা, আঃ মালেক, আব্দুল্লাহ মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোশারফ হোসেন খান কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু, প্রফেসর আলীম মাহমুদ, অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ, অধ্যাপক কেবিএম খলিলুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল গফুর, সাবেক সভাপতি শাকিল আনোয়ারসহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উপজেলা ও পৌর শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌরসভার উত্তর পাড়াস্থ সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো: জাহিদের দ্বিতল বাসভবনের ছাদে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কমিটির আহবায়ক সিরাজুল হক সানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এ্যাড. ওবায়দুল হক নাসির।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামছুল আলম, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ওদুদ খান বাদল, নবগঠিত পৌর বিএনপির আহবায়ক আব্দুল বাছেদ করিম, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল লতিফ, সদস্য সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন হেলাল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. বেলাল হোসেন, শ্রমিক দলের আহবায়ক সুফি সিদ্দিকী, যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুব হাসান সৌরভ, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো: শাহীনুর রহমান শাহীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শুরুতে আহবায়ক কমিটির সদস্যরা প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো: আনোয়ার হোসেন হেলালের উপস্থাপনায় পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে উপজেলা বিএনপির ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের আগে বিএনপির অন্য গ্রুপের বেশ কয়েকজন কর্মী অনুষ্ঠানে আগত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. ওবায়দুল হক নাসিরের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।এতে দুজন আহত হয়।পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত-আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের রূপকার ও মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের কল্যাণে ও মানবতার জন্য আজীবন কাজ করেছেন, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, মানবতাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। শনিবার(১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত মঞ্চে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমবেত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তোমরা বড় হয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়বে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করবে এবং বাস্তবে রূপ দিবে। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে না পারলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে না। বঙ্গবন্ধুর এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমরা এগিয়ে আসবে। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শান্তির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তোমাদের মতো আগামী প্রজন্মের।
বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের এবং সকলের জন্য গর্বের ও অহংকারের। তাঁরা জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এ দেশটি স্বাধীন করেছিলাম, তাতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কাজেই, যতদিন পদ্মা, মেঘনা-যমুনা বহমান থাকবে,যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে, ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে অম্লান হয়ে থাকবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন, পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান বকল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামছুল হুদা, খন্দকার জেব-উন নাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কৃষিমন্ত্রী ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও নিজেদের যুগপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সবুজ পৃথিবী সংগঠনটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
পরে বিকালে মন্ত্রী ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে ‘তরুণের হাট’ এর ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারুণ্যের উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আজম খান এবং সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
শনিবার (১৩ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় জেলা বিএনপি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নতুন আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আশা করবো, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এই কমিটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য সিরাজুল হক সানা।
কমিটিতে সদস্য সচিব হয়েছেন ঘাটাইল পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন। এছাড়া কমিটিতে আবু বকর সিদ্দিক, অদুদ খান বাদল, হারুন-অর-রশিদসহ যুগ্ন আহ্বায়ক হয়েছেন ৮ জন এবং এতে ৩১ জনকে সন্মানিত সদস্য করা হয়েছে। কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাছির।
ঘাটাইল পৌর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ করিম।
কমিটিতে সদস্য সচিব হয়েছেন ঘাটাইল পৌরসভার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন হেলাল। এছাড়া কমিটিতে আব্দুল লতিফ, হাবিবুর রহমান হাবিব, ইখতিয়ার মাহমুদ রুবেজসহ যুগ্ন আহ্বায়ক হয়েছেন ৮ জন এবং এতে ৩১ জনকে সন্মানিত সদস্য করা হয়েছে। কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা।
আগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণার ৩ মাস পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ও পৌরর আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আসলো।
প্রকাশ, গত ৫ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সভায় জেলার সকল উপজেলা ও পৌর সভার কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। ওই সভাতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় জেলা আহবায়ক কমিটি।
ঘাটাইলে বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির সকল সহযোগী এবং অঙ্গ সংগঠন সমুহ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১১টি পদে জয়লাভ করেছে। ক্রীড়া সম্পাদক ও দুইটি নির্বাহী সদস্য পদ পেয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল।
বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন শেষে গভীর রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ফল ঘোষণা করেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি আব্বাছ উদ্দিন আকন্দ, সহ-সভাপতি হোসেন জাহিদুল হাসান পতাবন, মাহবুব খালিদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কবির হোসেন উজ্জল, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদুল হক রতন, লাইব্রেরি সম্পাদক ইলয়াস মিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম এ রাজ্জাক রাজা, নির্বাহী সদস্যরা হলেন, জিনিয়া বকস, নাদিম উদ্দিন, মাহবুব মোর্শেদ রাশেল ও রাসেল রানা।
বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন, ক্রীড়া সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম শাহীন, নির্বাহী সদস্য- মাসুদ রানা ও মালেক আদনান।
একতার কণ্ঠঃ মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইলের নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলের অগ্নি দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার মেয়র এস. এম. সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট, উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়।