একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার জর্জ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
এর আগে (বুধবার ২৭ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই এখনও আত্মগোপনে রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার(২৭ এপ্রিল) বিকেলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তবর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কোচ জাতির ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ, র্যালী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার
শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের আয়োজনে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম।
বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সন্ন্যাসী রমেশ কুমার কোচের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত,ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষক বিভাগের পরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, মনিন্দ্র কুমার কোচ, বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কোচ রুবেল মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ চন্দ্র কোচ, কোচ গৌরাঙ্গ ঠাকুর, লিটন সরকার সুশান্ত, গোপাল চন্দ্র কোচ,আল্পনা রাণী কোচসহ কোচ আদিবাসী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে সাগরদিঘী বাজার প্রদক্ষিন করে।সমাবেশ থেকে কোচ আদিবাসীদের উন্নয়নে ১২ দফা দাবী তুলে ধরা হয়। দাবীগুলো হলো, সম্ভ্রমহীনা নারীদের পুর্ণবাসনসহ সার্বিক দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে । জন্ম থেকে প্রাপ্ত বয়স পর্যস্ত আদিবাসী ছেলে-মেয়েদের সকল দায় দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে ।
ডিজিটাল কোচ কালচার একাডেমী প্রতিষ্ঠান গঠন করতে হবে । কোচ জাতীর ছাত্র – ছাত্রীদের সরকারী খরচে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ দান করতে হবে। আদিবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আদিবাসী এলাকা গুলোতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করতে হবে । আদিবাসীদের আদিবাসী নামে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে ।
সংখ্যালঘু আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটে আর্ন্তভূক্ত ও স্বীকৃতি দিতে হবে । আদিবাসীদের সুরক্ষায় আদিবাসী আধিকার আইন প্রণয়ন করতে হবে । ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটে আদিবাসীদের জন্য সকল মন্ত্রনালয়ে সম বরাদ্ধ দিতে হবে ।
সমতল আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি মন্ত্রনালয় ও ভূমি কমিশনসহ ভূমি থেকে জোড় পূর্বক উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে । রাজবংশীসহ বাদ পড়া আদিবাসীদের গেজেটে অর্ন্তভূক্ত করতে হবে । জাতীয় সংসদে আদিবাসীদের সংরক্ষিত আসন দিতে হবে । মধুপুরে আদিবাসী এলাকায় লেক খনন বন্ধ করতে হবে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে সুপরিচিতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে দলের ভিত মজবুত করতে দীর্ঘদিন যাবত নেতাকর্মী ও মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি । এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দ্বিতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে ইউপি সদস্য (মেম্বার)নির্বাচিত হয়েছেন।বর্তমানে তিনি প্যানেল চেয়ারম্যানের হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে দলের জন্য কাজ করে স্হানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন । দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে নেতাকর্মীদের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থাভাজন।
কিছুদিনের মধ্যেই গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন হবে।আর এই কমিটির সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন নরুল ইসলাম। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকরাও নুরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদকের পদে দেখতে চায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্হানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বলেন, নুরুল ইসলামের জনপ্রিয়তার রয়েছে। যার কারণে তার মতো নিঃস্বার্থ আওয়ামীলীগকর্মীকে অন্য দলের তকমা লাগাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা।
এ ব্যাপারে নুরুল ইসলাম বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছি। বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছি। তৃণমূল পর্যায়ে আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে নিয়ে গুটিকয়েক হীন চরিত্রের মানুষ মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করছেন পদ পাওয়ার আশায়।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাসুদ সরকার জানান, ছাত্রজীবনে নুরুল ইসলাম বিদেশ চলে যান। প্রবাসে জীবন শেষ করে এলাকায় এসে তার বড় ভাই গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আব্দুল বাছেদের হাত ধরে আওয়ামীলীগের কর্মী হয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন। তাহলে কীভাবে সে বিএনপির রাজনীতি করেছেন এটা আমার বোধগম্য নয়।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি খায়রুল আলম বলেন,নুরুল ইসলামের রাজনীতির শুরুটাই আওয়ামীলীগ দিয়ে।তার মতো কর্মীকে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করলে দলের জন্য উপকার হবে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোরশেদা খানম ডলি বলেন,কয়েক যুগ ধরে আওয়ামীলীগ করি।এই ইউনিয়নে কে কোন দল করে আমি খুব ভালো করেই জানি।নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট। দলের মধ্যে এমন বিভেদ সৃষ্টি যারা করছে তারা কখনো দলের মঙ্গল চায় না।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম ঠান্ডু বলেন,নুরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে সে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে
একতার কণ্ঠঃ চাল,ডাল,তেল সহ দ্রব্য মুল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে গণ অনশন কর্মসূচী পালন করেছে জেলা বিএনপি।বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ভিক্টোরিয়া রোডস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ অনশন কর্মসুচীর আয়োজন করা হয়।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ডায়রিয়ার প্রকোপ আরো বেড়েছে
এই গণঅনশন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করে, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, বিএনপি নেতা কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, আবুল কাশেম, আশরাফ পাহেলী, একেএম মনিরুল হক মনির প্রমুখ।
এ ছাড়া জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, হাদিউজ্জামান সোহেল, সদর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক সহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গণ অনশনে বক্তারা সরকারকে রমজান মাসের আগে চাল,ডাল তেল, গ্যাস সহ দ্রব্যমুল্য জনগনের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় আনার দাবী জানান। অন্যথায় বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী গ্রহন করে সরকারকে দাম কমাতে বাধ্য করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ অছাত্র, বিবাহিত ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা,পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ছাত্রদলের একাংশ।
জানা যায়, রবিবার ( ২৭ মার্চ) রাত ৮টায় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ ও সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন স্বাক্ষরিত কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদল, পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে ।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী
আর এই কমিটি বাতিলের দাবিতে সোমবার ( ২৮ মার্চ) বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড চত্ত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোঃ আমিনুর ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ মোল্লা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মমিন মিয়া, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ রকিব মোল্লা প্রমুখ।
এসময় বাংড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাওন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েম, দশকিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সবুজ, বীরবাসীন্দা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস, সল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক তানভীর, এলেঙ্গা পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নিয়ামুল দারো, ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাকিব, ছাত্রদল নেতা মোহাব্বত সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, অছাত্র, বিবাহিত, অযোগ্য, ছাত্রলীগের কর্মী ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে নবগঠিত এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রদলের যে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি তা সাংগঠনিক বিধিমালা না মেনে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করতে হবে। তা না হলে আরও কঠিন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।
এছাড়া সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহীদ মিনারে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা
শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, শহীদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজেলার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অতিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অতিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।
এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অতিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমার নাম ডাকায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অতি দুঃখজনক।
এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, কষ্টদায়ক ও অপ্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত
এসময় তার সাথে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, এডভোকেট শাহীন মিয়া, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা শাহ আলম মিয়া, বাবুল খান, খন্দকার শাহ ফরিদ, আসাদুজ্জামান আদম, বায়োজিদ হোসেন, সফিকুর রহমান, লালু মিয়া, মুক্তা খান, খন্দকার আবু নাছের স্বপন, রুবেল মিয়া, বিপ্লব খান ও হীরন খানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে কোন আপোষ নয়। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ও থাকবো।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল পৌরসভার জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আহসান হাবীব বর্তমানে ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শনিবার(২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা সদরের শহীদ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোকসজ্জা, কুচকাওয়াজ, খেলাধূলা, আলোচনা সভা, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থণা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ইত্যাদি।
শনিবার দুপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদকায়সার,পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আনছারী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সাবেক কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের কার্ড পাঠিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, এনজিওসহ নানা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে। তবে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার বলছেন, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান নিয়ে একটি সভা করে উপস্থিত সবার কাছে যথাসাধ্য সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। চাঁদা দাবির বিষয়টি তিনি অবগত নন।
আরো পড়ুনঃ চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট!
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৫ ও ২৬ মার্চ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনের অজুহাতে চাঁদা আদায়ের ঘটনাটি ঘটেছে।
গত ৬ মার্চ নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদারের নির্দেশে একটি সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভার মাধ্যমে নারান্দিয়া ইউনিয়নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এ অনুসারে প্রাথমিক স্কুলের জন্য তিন হাজার, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাঁচ হাজার আর নারান্দিয়া বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ধার্য করা হয়। চাঁদা উত্তোলন ও আমন্ত্রণপত্র বিতরণের জন্য কর্মীও মনোনীত করা হয়। মনোনীত কর্মীদের প্রধান হিসেবে কাজ করেন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে লুহুরিয়া বি এইচ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুলতান জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের কার্ড দিয়ে পাঁচ হাজার টাকার চাওয়া হয়েছিল। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা বলে আমার স্কুলে কার্ড নিয়ে আসেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া। পরে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক তাকে দুই হাজার টাকা দিয়েছেন বলে আমাকে জানান।
তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এভাবে চাঁদা নেওয়াটা অসম্মানের বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সৈয়দা নুরজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব মিটিং ডেকে আমাদের কাছে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তবে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিতে আসা ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবি করা টাকা দেওয়া না হলেও আমরা সহযোগিতা করেছি।
জানতে চাইলে ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, আমি স্কুলে স্কুলে ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের চিঠি পৌঁছে দিয়েছি। তবে আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি।
এদিকে, নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের সমিতির সদস্য সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক। অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয় বহনের জন্য চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিটি দোকান থেকে চাঁদা তোলার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। আমাদের বাজার সমিতির সেক্রেটারিকে প্রতি দোকান থেকে টাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছিল। তবে আমরা সেটির সমর্থন দিইনি। তবে এরপরও ছাত্রলীগ নেতা সোলায়মান, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল ও আবু বক্কর নামে তিনজন চেয়ারম্যান সাহেবের পরিচয় দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের আমন্ত্রণপত্র দিয়ে কয়েকটি দোকান, ব্যাংক, এনজিও এবং স্কুল থেকে টাকা নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢালাওভাবে সব দোকান থেকে চাঁদার টাকা উত্তোলন করতে না পারলেও ইউনিয়নের জনতা ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভূমি অফিস ও কয়েকটি স্কুল থেকে ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও পরিষদের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ কারণে আমরা স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে নিয়ে ৬ মার্চ একটি প্রস্তুতি মিটিং করি। ওই মিটিংয়ে উপস্থিত সবাইকে সহযোগিতা করতে বলেছিলাম। তবে অনুষ্ঠানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের কেউ কারও কাছ থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করেননি। দল কী করেছে সেটি আমার জানা নেই।
তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানের সব ব্যয়ভার বহন করছে ইউনিয়ন পরিষদ। এরপরও যদি কেউ টাকা নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ আমার কাছে করেন, তাহলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসাইন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয়ভার বহন করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ধরনের অনুষ্ঠানের নামে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর শাহজাহানপুরে বৃহস্পতিবার(২৪ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে এলোপাতাড়ি গুলি করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন।
শুক্রবার(২৫ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিহত টিপু ও প্রীতির লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুন নাইম।
জানা গেছে, টিপুর শরীর থেকে সাতটি গুলি বের করা হয়েছে। আর প্রীতির শরীরে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি। কারণ তার শরীরের এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্যদিকে একটি গুলি বেরিয়ে গেছে।
প্রীতির লাশের সুরতাল করেন শাহজাহানপুর থানার এসআই তমা বিশ্বাস। সুরতহাল প্রতিবেদনে এসআই তমা উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি নিজের বাসা থেকে রিকশাযোগে বান্ধবীর সঙ্গে তাঁর বাসায় যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে উত্তর শাহজাহানপুর সড়কে এলে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রীতির বাম স্তনের ওপরে একটি ছিদ্র এবং পিঠের ডান পাশে মাঝ বরাবর একটি গোল চিহ্ন রয়েছে।
শুক্রবার (২৫ মার্চ) প্রীতির বান্ধবী সুমাইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, প্রীতি তার মা-বাবা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পশ্চিম শান্তিবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে গত ৪ দিন সে খিলগাঁও তিলপা পাড়ায় আমার বাসায় ছিল। সেখান থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিল। তবে, নিজের বাসার কাছে এসেও ফিরে আসতে হয় প্রীতিকে। বাসার কাছাকাছি গেলে প্রীতিকে তার মা হঠাৎ ফোন দিয়ে বলেছিলেন- চট্টগ্রাম থেকে প্রীতির মামা-মামী এসেছেন। সে যেন আজকেও আমার বাসায় থাকে। আগামীকাল যেন বাসায় যায়।
প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।
প্রীতির বাবা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সাধারণ পরিবারের নিরীহ মানুষ। আমার মেয়ের হত্যার ঘটনায় আমরা কোনো মামলা করব না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সাধারণ জীবনযাপন করি। কার বিরুদ্ধে মামলা করব? হয়তো এক্সিডেন্টলি ঘটনাটি ঘটে গেছে।আল্লাহ একজন আছেন, তিনিই দেখবেন।
তিনি আরো বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।
জামাল উদ্দিন বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আগামী দুই বছর পর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী দল নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে দেশে এমন কোন কিছু তৈরি হয়নি যে এটা নিয়ে দেশে হাহাকার, দেশে একটি হৈ-চৈ সৃষ্টি হয়েছে এমন কিছু নয়। বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা যদি মনে করে দ্রব্যমূল্যের সামান্য কিছু উর্ধ্বগতির জন্য দেশের একটা অরাজকতা সৃষ্টি করবে, রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাহলে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে না। এই সরকার অত্যন্ত সচেতন। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ-কষ্টে সব সময় মানুষের পাশে ছিল। সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের এক কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দিচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে কোন হাহাকার হবে না, তারা কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।প্রয়োজনে আরো খাদ্য ও অনান্য সাহায্য নিয়ে আমরা সাধারন মানুষের পাশে দাড়াঁবো।
মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচনকে সহযোগিতা করা। যারা দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টি করতে চায় তাদের আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া তারা যেভাবে কাজ করছে তাদের এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবে। সুশীল সমাজ তাদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারবে।রোববার(২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মিসেস মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি সহ জেলার অনান্য নেতাকর্মীরা।