একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই’ স্লোগানে রবিবার(২ অক্টোবর) দুপুরে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত শান্তি ও সম্প্রীতির অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
টাঙ্গাইল পৌর সুপার মার্কেটের ২য় তলায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিজ নিজ মতামত ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিশু প্রতিভা সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নিপু সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়লা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, টাঙ্গাইল শহর শাখার সদস্য সচিব তানিয়া চৌধুরী, যুগ্মআহ্বায়ক কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব রিফাত খান, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনাদি হোসেন খান, সদস্য বাপ্পী খান, ৭১এর চেতনা, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ হাসনাত আপেলসহ সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কর্মীবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠনের মিছিল-মিটিং করার মৌলিক অধিকার রয়েছে। সংবিধানে লেখা আছে, মানুষের জীবনমানের উপর কোনো হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না, জীবনমানকে ঝুঁকির মাঝে ফেলা যাবে না। আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। সমাবেশ থেকে মিছিল বের করেই পুলিশের উপর হামলা করছে। যখন পুলিশের উপর হামলা করে তখন তারা বাধ্য হয় পদক্ষেপ নিতে।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তারা ২০১৩ সালে ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নির্বাচনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দেবে, ইলেক্ট্রনিক লাইন খোলে দেবে, ট্রেনে আগুন দেবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে, এটা আমরা করতে দেব না। বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সু-শৃঙ্খল। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। বিএনপি লাঠি নিয়ে অস্ত্র নিয়ে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবে? আর সরকার তা মেনে নেবে? এটা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব।
টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সম্মেলনে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।
এসময় শহর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করা বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রদূত মিলে বললেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে না।
বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপিসহ ছোট–বড় সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ দিন পর্যন্ত আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আপনারা নির্বাচনে যাবেন না—এমন উসকানি কেউ যেন না দেয়। এটা আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর হোক আর যেকোনো দেশের অ্যাম্বাসেডর হোক কিংবা সকল অ্যাম্বাসেডর মিলে বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না।’
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচনে যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ বিএনপি মহড়া দিচ্ছে, লাঠির মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করছে। সব মিলিয়ে তারা সন্ত্রাসের দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান সরকার বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করুক। দেশে পত্রপত্রিকা আছে, টেলিভিশন আছে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারা সংসদেও কথা বলছে। তাদের তো কোনো সমস্যা নেই। তারপরও তারা কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে? এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। মানুষের জান-মাল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সক্ষমতা দিয়ে যা করা দরকার, তা–ই করবে।’
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান, শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান, শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল বাতেনকে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দপুরে টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা এই আদেশ প্রদান করেন।আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ জানানা, বুধবার আটককৃত আব্দুল বাতেনকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ এনে পুলিশ আদালতে পাঠায়। তাকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানার আদালতে হাজির করা হলে তিনি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, বুধবার দুপুরে আব্দুল বাতেনকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার হাবিবুর রহমান প্লাজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় জানান, মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল জেলায় জেলায় বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হবিবুর রহমান প্লাজার সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে। আব্দুল বাতেন বক্তৃতা করার সময় পুলিশ লাঠি চার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।এ সময় পুলিশ বাতেনকে আটক করে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, এই হামলায় সদর উপজেলা ছাত্রদলের কর্মী সাজ্জাদ হোসেনসহ ৫/৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের ( কালিহাতী) সদস্য পদে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা মো. আয়নাল হককে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছেন । বুধবার(২৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সাথে কথা বললে এই সমর্থনের কথা তারা জানান।
জানাগেছে, কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া,নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম বিপ্লব, বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, কোকডহরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, পাইকড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ হোসেন,সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান খান ফরিদ,গোহালিয়া বাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ তালুকদার, বীরবাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, পারখী ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী তালুকদারসহ অনেকেই প্রার্থী আয়নাল হকের নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে অংশ নিয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালা করছে। এ নির্বাচনে তারা ভোটাদের কাছ থেকে প্রার্থীর পক্ষে ব্যপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার জানান, আমরা সকলে মিলে সদস্য পদে আয়নাল হকের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। সবেমাত্র যাচাই-বাচাই হয়েছে। এখন পুরোদমে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আশা করছেন তাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
দশাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া জানান, কালিহাতী উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন তার ১২ ইউপি চেয়ারম্যান মিলে সকলেই তারাা আয়নাল হককে সমর্থন দিয়েছেন। শুধু সমর্থনই নয়, প্রার্থী আয়নাল হককে সাথে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন। এ নির্বাচনে আয়নাল হকের বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি জানান।
প্রকাশ, সম্প্রতি কালিহাতীর সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিদেশ সফরের প্রাক্কালে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারদের ডেকে নিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ড (কালিহাতী) সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দেন। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। কিন্তু গত সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে এলেঙ্গা বিরতি রেষ্টুরেন্টে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকৃত হাসানুজ্জামান তালুকদার রঞ্জুকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী ঘোষনা করেন। এতে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপরে জামায়াতে ইসলামীর ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকার সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় ৪০টি জিহাদী বই, চাঁদা জমা-খরচের রেজিস্ট্রার ও একটি টালিখাতা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জামায়াতে ইসলামী গোড়াই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ হোসেন (৩৯), গোড়াই হরিপাড়া গ্রামের হাসান আলী মোল্লার ছেলে মো. মুনিরুজ্জামান (৪৬), আজগানা ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খান (৫১), বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (৩৮) ও জয়পুরহাট জেলা সদরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. মমিনুল (৩০)।
পুলিশ জানায়, সরকারের পতন ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী সমমনা সংগঠনের ৫০/৬০ জন নেতাকর্মী সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার আরিফ হোসেনের বাড়িতে সমবেত হয়ে সভা করছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিমের নেতৃত্বে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক শুক্রবার(২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক টাঙ্গাইলে প্রিয়জনদের কাছে ‘পন্ডিত রফিক’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও করটিয়ার সাদত কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন। পরে নিজেকে আইন পেশায় নিয়োজিত করেন।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিকের অকাল মৃত্যুতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কদের সিদ্দিকী বীরোত্তম ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তি শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল দেলদুয়ারে ৮ বছর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন মো. মাসুদ রানা। তার বাবা মৃত খোকন মিয়া ‘রাজাকার’, ফেসবুকে সম্প্রতি এই তথ্য ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য শুরু হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে সিলেকশনে মাসুদ রানাকে সভাপতি করে ৬১ সদস্যবিশিষ্ট দেলদুয়ার উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘ ৮ বছর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন না-হওয়ায় কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যামে দেলদুয়ার উপজেলার যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের তালিকা ছড়িয়ে পড়ে। সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আফাজ উদ্দিনের স্বাক্ষর-সীলমোহর সংবলিত ওই তালিকায় খোকন মিয়ার নাম রয়েছে।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিপ্রার্থী জামিলুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমি তখন আওয়ামী লীগসহ জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে মাসুদের বাবার বিষয়টি অবগত করেছিলাম। নেতৃবৃন্দ বিষয়টিতে কর্ণপাত না করে অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট বলে মাসুদকে ছাত্রলীগের সভাপতি করে। আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা। দুঃখ ও কষ্টের বিষয় হচ্ছে, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ছাত্রলীগের সভাপতি হতে না পারলেও রাজাকারের সন্তান ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছে।’
‘এ ঘটনার পর আমার বাবা ওই দিনই স্ট্রোক করে। বর্তমানে তিনি অসুস্থ।’ যোগ করেন বাবু। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুর রশিদ বিজু বলেন, সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে মঞ্চ থেকে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু তাহের বাবলু বলেন, ‘দেলদুয়ার উপজেলায় তালিকাভূক্ত ১৬ জন রাজাকার রয়েছে। এর মধ্যে খোকন মিয়া একজন। বর্তমান ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুদ রানা রাজাকার খোকন মিয়ার ছেলে।’
‘মাসুদ ছেলে ভালো’ উল্লেখ করে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘তবে তার বাবা রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ছিল। তালিকাটা আগে প্রকাশ হলেও একটি পক্ষ ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক নেতাকর্মীরা মাসুদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানালেও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফজলুল হক বলেন, মাসুদ রানা কলেজ শাখার সভাপতি, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে দীর্ঘদিন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। তার বাবা রাজাকার ছিল কিনা আমার জানা নাই।
মাসুদ রানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখা একটি পক্ষ আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় আমার বাবার নাম আছে আমি জানতাম না।’
‘রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী শক্তি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থাকতে পারে না।’ উল্লেখ করে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন কেন্দ্রীয় নেতৃবর্গের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ওই কমিটি ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতার স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গড়া মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলটি গতিশীল নের্তৃত্ব ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দ্দেশে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন কমিটি গঠনের লক্ষে আগামিকাল ১৯ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে এইচ এম ইনিস্টিটিঊট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেললন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে করটিয়ার রাজনৈতিক মাঠ। বিশেষ করে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় শেষ মুহুর্তে গ্রপিং-লবিং এ ব্যস্ত তারা। তবে ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের ঘিরে প্রত্যশা তৈরী হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব ত্যাগী নেতাদের একজন রুবেল তালুকদারও। তিনি করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে প্রার্থী হয়েছেন।
ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতে খড়ি। তার বড়ভাই প্রয়াত নুরুল হুদা তালুকদার ছিলেন আওয়ামী লীগের সক্রীয় কর্মী। করটিয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিতে তার ভুমিকা ছিলো অপরিসীম। তার চাচা আনোয়ার তালুকদার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। আরেক চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান তালুকদার, ছোট চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. হাবিবুর রহমান, চাচাত ভাই রাসেল তালুকদার ছাত্রলীগ নেতা। রুবেল তালুকদার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি আপাতমস্তকে পারিবারিক ভাবে একজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা। এজন্য তিনি এবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতে সকলের দোয়া প্রত্যাশী।
সম্মেলন নিয়ে কথা হয় রুবেল তালুকদারের সাথে। তিনি জানান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে কাজের দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে এলাকার মানুষের মন জয় করে আওয়ামী পতাকা তলে দলে দলে কর্মী নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন। তাই করটিয়া ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তর করার জন্য মাঠে নেমেছেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান,তাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হলে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্য প্রধানমন্ত্রীও স্থানীয় এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবেন। তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রত্যাশী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের বড় ছেলে আহমদ সুমন মজিদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আহমদ সুমন মজিদের পক্ষে তার মা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ ক্রয়কৃত মনোনয়নটি পত্র তুলে দেন। এসময় আহমদ সুমন মজিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের ছেলে সুমন আমার সন্তানতুল্য। নির্বাচন নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে ছিল, আজ তার অবসান হলো।
প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদের মা ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ বলেন, কোন টাকার বিনিময়ে নয়, নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমার সন্তানকে আজ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে তুলে দিলাম। আমার ছেলের সার্বিক দায়-দায়িত্ব আজ থেকে তাঁর।
এবিষয়ে প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ বলেন, আমার পিতৃতুল্য নেতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। এ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে পানি ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের সন্তান হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে সক্রিয় থাকতে চাই। এবিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ, তার মা নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুল হক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।
এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আব্দুল মজিদ সুমন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এসময় নাহার আহমদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তার পরিবারে যেন কোন অনাকাঙ্খিত প্রভাব না পরে, সে বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নিকট নিশ্চয়তা চান। পরে নেতৃবৃন্দ সহযোগে জেলা পরিষদে গিয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর)দুপুরে জেলা রিটার্টিং কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির নিকট মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মামুনুর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আনিছুর রহমান আনিছ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ।
এ দিকে মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর)আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুককে সমর্থন জানিয়ে জেলা পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এতে জেলা আওয়ামী লীগকে আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে পারবেন তিনি। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রকাশ,ফজলুর রহমান খান ফারুক ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২৭ এপ্রিল থেকে তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) তিনি পুনরায় নৌকার প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান।
গত ১২ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদের প্রশাসক পদ থেকে পদত্যাগ পত্র দাখিল করেন তিনি।
আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।
এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।
আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।