একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কবির হোসেন (২৭) নামে এক অটোভ্যান চালকের রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর)ভোর ৭ টায় উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চৈথট্ট বটতলী বাজারে একটি ভ্যান চার্জ দেওয়ার গ্যারেজ থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কবির উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ধুপা খাগরাটা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোভ্যান চালক। তার দুটি পিকআপ গাড়িও আছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, কবির সহ আরোও তিন অটোভ্যান চালক মিলে স্থানীয় চৈথট্ট বটতলী বাজারে একটি গ্যারেজে প্রতিরাতে ভ্যান চার্জ দেন। ঐ চারজন চালকের মধ্যে একজন করে ভ্যানচালক ঐ গ্যারেজে প্রতিরাতে পাহারায় থাকতেন। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর)রাতে পাহারার পালা ছিল কবিরের। রাতে ভ্যান চার্জ দিয়ে গ্যারেজে ছিলেন কবির ।
ঐ গ্যারেজের একজন ভ্যান চালক জাবির হোসেন মুরগির ট্রিপ দেওয়ার জন্য রাতে বাহিরে ছিলেন। পরে শনিবার দিবাগত রাত ৪ টায় ভ্যান চার্জ দেওয়ার জন্য ঐ গ্যারেজে গেলে কবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে কবিরের পরিবার কে খবর দিলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘাটাইল ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান , একটি ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান,ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে রুবেল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের হামিদপুর উত্তর পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম।
নিহত রুবেল উপজেলার সালেংকা গ্রামের সাইদুর রহমান কালুর ছেলে। দীর্ঘদিন যাবত তারা হামিদপুর বসবাস করেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, রুবেল বাড়ির পাশেই তাদের নিজস্ব রাইস মিলের গুদাম ঘরে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য একটি অটো গাড়ির গ্যারেজ তৈরি করেন। সোমবার দুপুরের দিকে গ্যারেজে বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এ সময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্বজনদের আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
মৃত দুই শিশু হলেন, ওই গ্রামের শাহ-আলম মিয়ার ছেলে তাওহীদ মিয়া (৪) ও মেয়ে তানজিলা আক্তার (২)।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে পারিবারিক কাজে শাহ-আলমের স্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে ফেলে তাওহীদ ও তানজিলা। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পেঁচারআটা বাজারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ-আলম বলেন, আমি কাজে বাড়ির বাইরে ছিলাম। এসময় তাওহীদের মা পারিবারিককাজে ব্যস্ত ছিল। এর ফাঁকে ছেলে-মেয়েরা ঘরে রাখা ঈদুরের বিষ খেয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুব উল হক মাছুদ বলেন, ঘরে থাকা বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তারা তদন্ত করছে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, শিশু দুটি কৃষক পরিবারের সন্তান। তাদের মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলনে। ধারণা করা হচ্ছে ঘরে রাখা কলা পাকানোর রাসায়নিক বা ইঁদুরের বিষ পান করে ফেলে শিশুরা। এক পর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়। বর্তমানে লাশ দুটি তাদের বাড়িতে রয়েছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মারুফ বলেন, মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত অবস্থায় আনার কারণে প্রাথমিকভাবে বিষের নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের লোকজন বলছিল ইঁদুরের বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের খুপিবাড়ী এলাকায় চার কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণের দাবিতে ধানের চারা রোপন করে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়নের কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল হয়ে চাপড়ী হাসান মোড় পর্যন্ত চার কিলোমিটার পাকা করার দাবিতে সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এই মানববন্ধন করেন তারা।
এসময় বক্তব্য দেন ঘাটাইল উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব এডভোকেট মো: আবুবকর সিদ্দিক, পল্লী চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন খান, মমিনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোপীনাথ সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এনামুল হক খুররম, সংগ্রামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো: রুমান খান খোকন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, সংগ্রামপুর ইউনিয়নের খুপিবাড়ী কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল হয়ে চাপড়ী হাসান মোড় পর্যন্ত রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বেহাল সড়কে শিক্ষার্থীসহ সর্বসাধারণের চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে। উপজেলা শহরে যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি বেহাল দশা থাকায় রোগি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এ ব্যাপারে সংগ্রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, খুপিবাড়ী কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল সড়কের চার কিলোমিটারের মধ্যে ইতোমধ্যে দেড় কিলোমিটার টেন্ডার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। খুব দ্রুতই ঠিকাদার নির্বাচন হলে উত্তর অংশে আধা কিলোমিটার ও দক্ষিণ অংশে এক কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হবে। বাকি অংশ পরবর্তীতে পাকা করণ করা হবে। আমি দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। এরমধ্যেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কাজে হাত দিয়েছি।
একতার কণ্ঠঃ বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা প্রায় ১৫ ঘণ্টা অন্ধকারে হয়ে পড়ে। ফলে চরম ভোগান্তিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষের জীবন। এতে বিপাকে পড়ে খামারি ও হাসপাতালে থাকা রোগীরা।
রাতভর মেরামতের কাজ শেষে বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে বিদ্যুৎ লাইনের সংযোগ সঞ্চালন হলে মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।এরআগে বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, বুধবার দুপুর ২টার দিকে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কালিহাতীর এলেঙ্গা পুংলি নদীর ওপর তার ছিঁড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ফলে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের আওতায় ভূঞাপুরসহ পাশ্ববর্তী ঘাটাইল, গোপালপুর ও কালিহাতী এলাকার ৫০ হাজারেরও বেশি গ্রাহক ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুর ২টার দিকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পুংলি নদীর ওপর ৩৩ কেভি লাইনের তার ছিঁড়ে পড়লে ভূঞাপুরসহ পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার কিছু অংশে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।
তিনি আরও জানান, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় মেরামত কাজে বিঘ্ন ঘটে। পরে রাতভর মেরামতের কাজ শেষে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে সংযোগ লাইন সঞ্চালন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু (৪০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি কর্মী মঞ্জু উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ছবি পোস্ট দেয়। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। পরে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় স্থানীয় নবরত্ন বাড়ী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
যদিও বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় জামুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মোঃ জালাল উদ্দিন আলহাজ্ব ঘাটাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার পূর্বেই সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিএনপি কর্মী রঞ্জুকে গ্রেপ্তার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, আসামি মো. আতিকুর রহমান রঞ্জুকে পূর্বের একটি চলমান নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যেহেতু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে, তাই অভিযুক্ত রঞ্জুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা জামায়াতের আমীর খন্দকার আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ঘাটাইলের আনেহলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার আনেহলা থেকে আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়। ৭ থেকে ৮ মাস আগের একটি নাশকতার মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তিনি।
তিনি আরও জানান, বুধবার (৩০ আগস্ট) তাকে কোর্টে চালান করে দেয়া হবে। আব্দুর রহিমের সাথে আরো কয়েকজন ছিলেন। অভিযানের সময় টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান।
জামায়াতে ইসালামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমীর আহসান হাবীব মাসুদ জানান, আব্দুর রহিম একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি স্কুলে তার অফিসে কাজ করছিলেন। শুধুমাত্র হয়রানী করার উদ্দেশে বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাকে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় নির্বাচনের আগে আমার ‘বোন’কে বলে দিতে চাই, ভালো হয়ে যান। মানুষ এখন আপনাদের চায় না, বিএনপিকেও চায় না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেন, ভালো হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ না করলে জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে নরকে পাঠিয়ে দিত। আওয়ামী লীগ থাকত না। বঙ্গবন্ধু সব নেতার বড় নেতা। বাংলাদেশের সব নেতার শক্তি বাঁধলে যে শক্তি তার সব শক্তি বঙ্গবন্ধুর একা।
এ সময় ঘাটাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক হাবিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, সদস্য শামীম আল মুনছুর আজাদ সিদ্দিকী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রত্যয়নপত্র (অভিজ্ঞতার সনদ) চাওয়ায় লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছে আনোয়ার হোসেন নামে ভুক্তভোগি এক মাদরাসার শিক্ষক। তিনি উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।
এমন অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই মাদরাসায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করলেও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
ভুক্তভোগি সহাকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি মাদরাসার পার্শ্ববর্তী সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহাকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। বিষয়টি মাদরাসার সুপার ও সভাপতিকে অবহিত করলে গত ২৬ জুলাই মাদরাসায় মিটিং আহবান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মিটিংয়ে প্রত্যায়ন প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনির সঙ্গে তর্কবিতর্ক ঘটলে লাঞ্ছিত করে। কমরর্ত এ প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করলেও নানা অজুহাতে আমাকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না। ফলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছি না।
এ বিষয়ে মাদরাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার ও অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডলকে একাধিবার মোবাইল ফোন কল করলেও রিসিভ করেননি।
মাদরাসার প্রধান (সুপার) মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ইংরেজি শিক্ষক সংকট
থাকায় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে প্রত্যায়ন বা অভিজ্ঞতার সনদ দেওয়া হয়নি। তাছাড়া সভাপতির অনুমতি লাগবে।
এ ব্যাপারে মাদরাসার সভাপতি আলহাজ লায়ন মো. ইমদাদুল হক বলেন, মাদরাসার
স্বার্থে তাকে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি পরে দেখা হবে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যয়নপত্র আটকিয়ে রাখার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি জানলাম। এনিয়ে সুপারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৯ আগস্ট) ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ইউপি সদস্য শহীদুল ও তার সহযোগী কাজলের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ের চাকরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য আমার মেয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদে যায়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ বন্ধ থাকায় শহিদুল আমার মেয়েকে মিথ্যা কথা বলে, তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
ভুক্তভোগী জানান, শহিদুল মেম্বারের সঙ্গে আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখি, ইউনিয়ন পরিষদ তালা বদ্ধ। পরে শহিদুল মেম্বার আমাকে বলে তার বন্ধু জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করে। এ সময় আমাকে নিয়ে সেই বাড়িতে যায়। এ সময় ঘরের ভেতর প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার পরিবারে মা ছাড়া আর কেউ নেই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শহিদুলের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘাটাইল অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ২ মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২ জন।
রবিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জেলার গোপালপুর উপজেলার কালিমন্দির এলাকার রাশিদুল ইসলাম সোহেল (২৫) ও ঘাটাইল উপজেলার দেওলা বাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকার মোঃ মামুন হোসেন (২৪)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাশিদুল ইসলাম সোহেল মোটরসাইকেল যোগে ঘাটাইল থেকে গোপালপুর নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনায় আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত অপর দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভতি করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আলম মিয়া (২৭) নামের এক অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (১২ জুলাই) রাতে জেলার ঘাটাইল উপজেলার ছুনুটিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আলম মিয়া ঘাটাইল উপজেলার ছুনুটিয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী মাস্টারের ছেলে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, সকালে স্থানীয় লোকজন আলম মিয়ার ঘরে সিঁধ কাটা দেখতে পায়। এ সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় স্থানীয়রা আলম মিয়াকে ডাকাডাকি করে। কোনো সাঁড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
তিনি আরও জানান,পরে বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) পুলিশ গিয়ে আলম মিয়ার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, রাতের কোনো এক সময় চোর চক্র আলম মিয়ার ঘরে সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। চুরি করার সময় হয়তো আলম মিয়া ওই চোরদের চিনে ফেলায় এ হত্যাকান্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।