একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী (দারোয়ান) আরিফ মিয়াকে (২৪) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম রবিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় আরিফের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তি আরিফ উক্ত বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে টিকটক ভিডিও করতে বাধ্য করায়, এমন অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হলো।
সম্প্রতি, ওই নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক ছাত্রীর বিদ্যালয় অঙ্গনে করা টিকটক ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আরিফের বিচার দাবি করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
রবিবার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম এ ঘটনার তদন্তে এসে সত্যতা পেয়ে দারোয়ানকে বরখাস্তের জন্য নির্দেশ দেন।
অভিযোগ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার বাসিন্দা আরিফ মিয়া প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সেই পরিচয়ে বছরখানেক আগে ওই বিদ্যালয়ে নিরাপত্তারক্ষী (দারোয়ান) পদে চাকরি নেন আরিফ। মাস ছয়েক ধরে আরিফের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করাসহ কিছু ছাত্রীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও করার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছাত্রীর সঙ্গে আরিফের একটি টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় ওই উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও আরিফ প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকায় তিনি অভিযোগটি আমলে নেননি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে আরিফের বিচার দাবি করে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
রবিবার দুপুরে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান। তিনি দারোয়ান আরিফকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ দেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে দারোয়ান আরিফকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
আরিফের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এর পূর্বে আরিফ মুঠো ফোনে বলেছিলেন, ‘একজন মেয়ের অনুরোধে আমি টিকটকে অংশ নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এখন মেয়েটির সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মেয়েটি আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমি কোনো ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করিনি। আমি প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকি। এটাই আমার কাল হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্কুল ও কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেস্টুরেন্টে আড্ডা দেওয়ার অভিযোগে ১৩ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে পৌর এলাকার নিশ্চিন্তপুর ও বাঁশবাড়ী রেস্টুরেন্টে অড্ডা দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়।
পরে আটককৃত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, বখাটেপনা, কিশোর অপরাধ, ইভ টিজিং প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে। এ সময় ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেস্টুরেন্টে আড্ডা দেওয়ায় ১৩ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, পরে অভিভাবকদের মুচলেকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিশোর অপরাধ, ইভ টিজিং নির্মূল করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের এমকেডিআর গণ উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ের টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
স্কুলের ওই টিকটক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মনিরুজ্জামান ওই টিকটক ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় হৈ চৈ শুরু হয়েছে।
জানা যায়, বছর দেড়েক আগে ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের এমকেডিআর গণ উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী হিসেবে নিয়োগ পান মনিরুজ্জামান মনির। বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি টিকটক ভিডিও তৈরি করা শুরু করেন।
ভিডিওতে ছাত্রীদের উপস্থিতি রাখলে ‘বেশি ভাইরাল’ হওয়ার আশায় বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হল, শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয় আঙিনায় দিনের পর দিন একাধিক টিকটক ভিডিও তৈরি করেন এবং তা নিজের আইডিতে শেয়ার করেন। সম্প্রতি তার ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।
একাধিক টিকটক ভিডিওতে দেখা গেছে- পরীক্ষার হল, শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয়ের আঙিনায় ছাত্র-ছাত্রীদের সামনেই নৈশপ্রহরী মনিরুজ্জামান বিভিন্ন বাংলা ও হিন্দি গানের তালে নানা অঙ্গ-ভঙ্গি করছেন। তার ভিডিও দেখে শিক্ষার্থীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, নৈশপ্রহরী মনিরুজ্জামান মনিরের টিকটক ভিডিও তারা দেখেছেন। স্কুলে ওই ধরণের টিকটক করা ন্যাক্কারজনক। ছাত্রীদের সামনে টিকটক ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তিনি নিচু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
টিকটক ভিডিওতে কিশোর বয়সী ছাত্রীদের প্রদর্শন করেও বড় ধরণের অন্যায় করেছেন। তারা এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে মনিরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে নৈশপ্রহরী মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার চাচা শফিকুল ইসলাম কালু গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে রূঢ় আচরণ করেন।
এমকেডিআর গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার আলী জানান, ভিডিওটি তিনি প্রথম দেখে ভীষণ লজ্জা পেয়েছেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘাটাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি সবেমাত্র জেনেছেন। চাকুরি বিধি অনুসরণ করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৪ আগস্ট) সকালে কলেজ অডিটোরিয়ামে ”জাতির পিতার নৃশংস হত্যাকান্ড : একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা”শীর্ষক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শহীদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মির্জাপুর আসনের এমপি খান আহমেদ শুভ।
মুখ্য আলোচক হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রাখেন এফবিবিসিআই এর পরিচালক ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাসের।
মূল প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর আএ শেখ আছরারুল হক চিশতি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর বেল্লাল হোসেন ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। আলোচক ছিলেন প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, খন্দকার আনিসুর রহমান ও মুহাম্মদ নূর-এ-আলম।
আরো বক্তব্য রাখেন, সখিপুর উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা: জাকিয়া ইসলাম যুথি, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি শফিউল আলম মুকুল ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক তানভীরুল হিমেল প্রমূখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের শিক্ষিকা তাহমিনা জাহান।
সেমিনারে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৪ সালে কলেজটি বঙ্গবন্ধু জাতীয়করণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সিজান (১৫) নামের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে কালিহাতী পৌরসভার পূর্ব বেতডোবা নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সিজান পূর্ব বেতডোবা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে ও কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে সিজানের দাদা ফজরের নামাজ শেষে সিজানকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য ডাক দেয়। বার-বার ডাক-চিৎকারেও সাড়া না দেওয়ায় সিজানের দাদা দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখে সিজান মশারির কাপড় দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আছে।
পরে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সিজানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার আসামি আত্মসমর্পণ করেছেন।
বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।
পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২ নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বিজন জানান, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি।
তিনি আরো জানান, পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেই। বুধবার (১০ আগস্ট) টাঙ্গাইলে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছি।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, পুলিশ সৃষ্টির রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের সাত তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।
শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর রবিবার বিকালে র্যাব সাতজন শিক্ষক ও ডিবি দুইজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
পরে র্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের সাতজনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন।
পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন হাজারো শিক্ষার্থী প্রতিবছরের মতো এবারও মিলিত হয়েছেন তাদের প্রাণের টাঙ্গাইলে।
শনিবার (৩০ জুলাই ) দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে উদযাপিত হয় এই পুনর্মিলনী।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার টাঙ্গাইল, এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা শিল্পকলা একাডেমী থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
পরে শিল্পকলা অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।
টাঙ্গাইল পৌর সভার মেয়র ও সাবেক ঢাবিয়ান সিরাজুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ।
প্রকাশ,১৯৪০-এর দশক থেকে শুরু করে সর্বশেষ স্নাতক শেষ করা এই জেলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ অনুষ্ঠান পরিণত হয় মিলন মেলায়।
এই পুনর্মিলনী আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল বক্তৃতা ও স্মৃতিচারণ।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রাক্তন বন্ধুদের পেয়ে অনেকে মেতে উঠেছেন সুখ-আড্ডায়।
ভুল করেননি একে অপরের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে এক ফ্রেমে বন্দি হতে। এছাড়া তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে মধ্যান্য ভোজে অংশগ্রহণ করে।
একতার কণ্ঠঃ :মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুশৃংখল পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শনিবার (৩০জুলাই) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ ৪টি কেন্দ্রে ৪৬৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯৭-৯৮% উপস্থিত ছিল। জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ আগস্ট ২০২২ ও ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২০ আগস্ট ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এর মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টার এর পরিচালক পদে এফটিএনএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল হক কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র থেকে জানা যায় যে, এফটিএনএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল হককে যোগদানের তারিখ হতে প্রাথমিকভাবে ০১ (এক) বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত শর্তে মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক পদে নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি বুধবার (২৭ জুলাই) সকালে পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।
এই ব্যাপারে অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল হক বলেন, এই দায়িত্বপালন পালনের জন্য আমার প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখার জন্য মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর স্যার এর নিকট আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে আমি বদ্ধপরিকর। মাওলানা ভাসানী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদের জাতীয় চেতনার অংশই। ভাসানী হুজুরের জীবনের বহুমাত্রিকতায় অধিকতর গবেষনণার সুযোগ রয়েছে-এ লক্ষ্যেই গবেষনণা কেন্দ্রটি কাজ করে যাবে।
উল্লেখ্য, তাকে প্রাথমিকভাবে ০১ (এক) বছরের জন্য মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) তে গুচ্ছভুক্ত ২২ টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে আসন বিন্যাস করায় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিবহন সেবা চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখার পরিচালক খান মোঃ মূর্তজা লিংকন জানান, শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য গাড়ী পরিবহনগুলো শিক্ষার্থীদের আনা নেওয়া করবে। রাবনা বাইপাস থেকে ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ৯.৪৫ মিনিটে বাস (বনলতা,২০৮) ক্যাম্পাসের কেন্দ্রের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসবে। ঘারিন্দা রেলস্ট্রেশন রক্ত করবী (২০৭) বাসটি সকাল ৯.৪৫ এ ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসবে। আশেকপুর বাইপাস থেকে রুপসী বাংলা (০০০৪) বাসটিও সকাল ৯.৪৫ এ ছেড়ে আসবে, সোনার তরী (০০০৩) বাসটি সকাল ১০ টায় ছেড়ে আসবে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে অপরদিকে একই সময়ে (সকাল ১০ টা) টাঙ্গাইলের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে শংসপ্তক (০০০৫) নং বাস ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসবে।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন শাখা সূত্রে আরও জানা যায় যে, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ৩০/০৭/২০২২, ১৩/০৮/২০২২ এবং ২০/০৮/২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (ইঞ্জি: /সম্মান) GST গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে গাড়ীগুলো টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।
এই ৩ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বাসের সকল ট্রিপ সকাল থেকে দুপুর ১২.৫৯ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে শহর থেকে দুপুর ১.০০ টায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাস ছেড়ে আসবে এবং দুপুর ২.০০ টা হতে অন্যান্য ট্রিপ অপরিবর্তীত থাকবে।
শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের নিয়মিত ট্রিপগুলোর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার দিন শুধুমাত্র শিক্ষকদের দুপুর ১.০০টার ট্রিপটি ২.০০টায় ক্যাম্পাস হতে ছেড়ে যাবে এবং বিকাল ৫.০০ টার ট্রিপটি ৫.১৫ টায় ক্যাম্পাস হতে ছেড়ে যাবে। অন্যান্য সকল ট্রিপ অপরিবর্তীত থাকবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে এবং যাতায়াতে ডিন মহোদয়দের বরাদ্দকৃত গাড়ী ৫৯৯১ (প্রাডো জীপ) এবং মাইক্রোবাস
৫১-০০০১ গাড়ীটি সার্বক্ষনিক ডিন অফিসের কাজে নিয়োজিত থাকবে।
ভর্তি পরীক্ষার দিন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সকল মাইক্রোবাস ও মিনিবাস প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করবে এবং ৭১-৩২৫৯ এ্যাম্বুলেন্সটি একাডেমিক ভবন-১ ও একাডেমিক ভবন-২ এর মাঝখানে অবস্থান করবে এবং ৭১-১৫৮০ এ্যাম্বুলেন্সটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে অবস্থান করবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্কুল থেকে এক ছাত্রী উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ চৌরাস্তা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৬) উধাও হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ওই ছাত্রীর পরিবার জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার সকালে ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। স্কুলেও আসে বলে জানায় তার কয়েকজন বান্ধবী। পরে ওই ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়িতে না গেলে পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি খোঁজাখুঁজি শুরু করে এক পর্যায়ে জানতে পারে পাশের উপজেলা মধুপুরের আচরা এলাকায় ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক সূত্রে পালিয়েছে।
এ বিষয়ে শালিয়াবহ চৌরাস্তা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক আবু হানিফ জানান, স্কুলে উপস্থিতি হাজিরা রয়েছে। তবে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি, ওই মেয়ের বিভিন্ন ছেলের সাথে একাধিক প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘঠিত কারণে কোনো ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যেতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ঘটনার পর ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে চাই শিহাব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন শিহাবের পরিবারকে থানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আটক করার পরও কেন আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হলো।’
এ ছাড়াও, শিহাবের মৃত্যুর ঘটনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য যারা বা যেসব মহল পায়তারা করেছে এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
শিহাবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। প্রবাসে পরিশ্রম করে রোজগার করা টাকায় ভাল লেখাপড়ার আশায় সন্তানকে তাদের কাছে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে আমি আমার সন্তানের লাশ পেয়েছি।’
জানতে চাইলে শিহাব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি রিমান্ডে পুলিশকে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশ, গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের পুত্র শিহাবকে (১১) সৃষ্টি স্কুলের ছাত্রাবাসে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি শিহাব ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে, শিহাবের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা।
ওই ঘটনার ছয়দিন পর গত ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে আবু বক্করসহ সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।