একতার কণ্ঠঃ কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইল সিটি ক্যাম্পাস এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে শহরের আকুর টাকুর পাড়াস্থ কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইল সিটি ক্যাম্পাস এর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দেলদুয়ার সরকারী সৈয়দ মহব্বত আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো, নূরুজ্জাহিদ কচি, বেড়াডোমা ইসলামবাগ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা রাশেদুল ইসলাম, মগড়া গার্লস ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম শফিকুল ইসলাম শফি, টাঙ্গাইল পুরাতন কোর্ট মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ আমজাদ হোসেন।
কুরতুবী মাদরাসার টাঙ্গাইলের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অভিভাবক, মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে প্রথমে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন।পরে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের আয়োজনে ‘ফোরথ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ইন ট্রেন্ডস কম্পিটিউশনাল কগনিটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং (টিসিসিই-২০২২)’ শীর্ষক কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
একতার কণ্ঠঃ সোমবার (১২ ডিসেম্বর)মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী । ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে তার জন্ম। তিনি জীবনের বড় অংশই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে।
এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এরপর মওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটি, মওলানা ভাসানীর পরিবার, ভক্ত ও অনুসারীবৃন্দ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী), বাংলা ভাষা শিশু সংগঠন, ভাসানী পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথকভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করা হয়।
পরে ভাসানী পরিষদের আয়োজনে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক দরবার হলে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
প্রতিটি কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিকও সংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পড়ার পাশাপাশি সোনামণিদের হাতে সুন্দর অক্ষর গড়ে দেয়ার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের মেধা রৌপ্য পদক পেল ১৪ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় অবস্থিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
পদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- তাসনিম জাইফা, মির্জা আরাফ হোসেন বিজয়, ছায়মুনা ইসরাত মানা, আব্দুর রহমান সাদ, ওয়াহিদ খান আবিদ, জান্নাত আরা জুঁই, রাইসা রোজ, মাহমুদুল হক রিহান, আরবি খান, প্রকৃতি ইসলাম, মুয়াজ ইবনে টুটুল, মুসকুরা মাহবুব, সামিউল হক আবদুল্লাহ ও রাফিয়া। প্রতি বছরের মত এবারও এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হাতেখড়ি স্কুলের চেয়ারম্যান নওশাদ রানা সানভী, প্রশাসনিক প্রধান ফরিদা আক্তার, সিনিয়র শিক্ষিকা তাসলিমা আক্তার ও মিম আক্তার,সঙ্গীত শিক্ষক বিপ্লব কুমার দে, সহকারী শিক্ষিকা রিফা ও রুমা প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ গঠনতন্ত্রে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার নির্দেশনা থাকলেও টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগ এক বছরেও তা করতে পারেনি। গতবছর ৪ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ওপর ভর করে এক বছর ধরে চলছে দলের স্থবির কার্যক্রম। ইতোমধ্যে এই কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও শেষ হয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় একযুগ পর গত ২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন ঘটা করে অনুষ্ঠিত হয়। পরে সার্কিট হাউজে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সোহানুর রহমান সোহান ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানকে দিয়ে কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটি গঠনের পরপরই ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
ওই সময়ই পদ প্রত্যাশী ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগের নেতারা বলেন, টাঙ্গাইল শহর বা সদর বাদ দিয়ে গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির সমর্থনপুষ্ট ও গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহানকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাসাইল-সখীপুর আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের আর্শীবাদপুষ্ট সখীপুর উপজেলায় বাড়ি ইলিয়াস হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
ওই সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাংগঠনিক কোনো কর্মসূচিই পালন করতে পারবে না। তাদের সেই কথা এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। সভাপতি সোহান ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি। পাশাপাশি ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটগুলোর কার্যক্রম বা সম্মেলনও করতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজপথে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন সংগ্রাম প্রতিহত করার মতো সেই সাংগঠনিক শক্তিও তাদের মধ্যে নেই। দুইজনের এই কমিটি নিয়েই তারা এক বছর পার করে দিয়েছেন। সেই জেলা ছাত্রলীগের কমিটির এক বছর পূর্ণ হতে হয়েছে রোববার (৪ ডিসেম্বর)।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় একযুগ পর সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ দিন সম্মেলন না হওয়ায় আগের কমিটির বেশির ভাগ নেতার ছাত্রত্ব অনেক আগেই শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘ একযুগ পর ২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর জেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে সোহানুর রহমান সোহানকে সভাপতি ও ইলিয়াস হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু এক বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি তারা।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা জানায়, তারা দায়িত্ব পাওয়ার পর চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোড, কালিবাড়ী রোডসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েক গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানও তারা সফলভাবে করতে পারেনি।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, পৌর ছাত্রলীগ ও মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আর্থিক লেনদেন এবং বিতর্কিত নেতাদের নিয়ে ওই তিন ইউনিটের কমিটি গঠন করে। এমন অভিযোগের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ওই তিন ইউনিট কমিটি স্থগিত করে দেয়। এতে করে জেলা ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এদিকে জেলা ছাত্রলীগের শহরে অবস্থিত নিজস্ব অফিসে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কখনও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের শুধু তাদের নিজস্ব নেতা ও এমপির বাসায় বিভিন্ন তদবির, ঠিকাদারি কাজে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের কোনো কর্মকাণ্ডে সাধারণ নেতাকর্মীদের উপস্থিত দেখা যায় না বলেও দলীয় সূত্র জানায়।
জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, আতাউর রহমান খান এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরা বলেন, জেলা ছাত্রলীগের দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় পদ প্রত্যাশীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। সম্মেলন হওয়ার পর তাঁরা আশা করেছিলেন হয়তো পদ-পদবি পাবেন। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়ায় তাদের সে আশা পূর্ণ হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, তারা অনেকে ৮-১০ বছর ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতি করছেন। কিন্তু আজও কোনো পদ পাননি। তাদের অনেকেরই ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পথে। এতে অনেকেই হতাশ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের নিজ নিজ পছন্দের লোকদের কমিটিতে নিতে চান। সব নেতার সঙ্গে সমন্বয় করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হচ্ছে। তাই কমিটি করতে সময় লাগছে।
এসব বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান জানান কেন্দ্র থেকে আমাদের এক বছরের জন্য জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যার কারণে সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতাকর্মীদের যাচাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি ১৭১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে জমা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই মেয়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বাবা জয়নাল আবেদীন (৪৪)। পরে ফলাফলে দুই মেয়ের একজন কৃতকার্য এবং অপরজন অকৃতকার্য হলেও বাবা জয়নাল ফলাফল নম্বরে এগিয়ে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) ঘোষিত কারিগরি বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষার ভোকেশনাল শাখা থেকে বাবা জয়নাল পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং বিষয়ে জিপিএ ৪ দশমিক ৮৬ পেয়েছেন। এতে বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার ঢাকা বোর্ডের অধীন মানবিক শাখা থেকে জিপিএ ৩ দশমিক ৩৩ পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া তার আরেক মেয়ে আছিয়া খাতুন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।
বাবা জয়নাল আবেদীন উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালিরচালা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তার দুই মেয়ে উপজেলার ফুলমালির চালা ছাকেদ আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক শাখার শিক্ষার্থী ছিল। এছাড়াও জয়নাল আবেদীনের এক ছেলে রুহুল আমিন দ্বিতীয় শ্রেণি, মেয়ে বর্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি ও সুমাইয়া অষ্টম শ্রেণিতে স্থানীয় রাশেদ মডেল স্কুলে পড়াশোনা করছে।
বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার জানায়, বাবার সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি এটা খুবই আনন্দের। তবে আমার চেয়ে বাবা ফলাফলে এগিয়ে। তবে ছোট বোন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় আনন্দ কিছুটা কম। তারপরও ভালো লাগছে বাবা পরীক্ষায় পাস করেছে বেশি নম্বর পেয়ে। বাবার অদম্য ইচ্ছা-শক্তির কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা বাবার সফলতায় আনন্দিত।
জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৯৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম। সংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর সৌদি আরবে ৫ বছর প্রবাসী জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে আসি। ২০০১ সালে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করি। কিন্তু বুকের ভেতরে লেখাপড়া করতে না পারার চাপা কষ্ট মাঝেমধ্যেই আমাকে পীড়া দিতো।
তিনি আরো জানান, লোকলজ্জার কারণে পড়ালেখা হয়ে উঠছিলো না। পরে ২০২০ সালে ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসায় ভোকেশনাল শাখার পোল্টি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং ট্রেড শাখায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই। এবছর এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের সঙ্গে আমিও অংশ নিই। এতে মেয়েরা আমাকে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়েছি।
ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর কাদের জানান, ৪৪ বছর বয়সে এসে এসএসসি পাস করায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। লেখাপড়ায় বয়স কোনো বাধা নয়, এটা জয়নাল আবেদীন প্রমাণ করছেন। যা অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ: এসএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মারুফ (১৭) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বলমআটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মারুফ একই গ্রামের মো. ইবরাহীমের ছেলে। সে পাশের গোপালপুর উপজেলার বড়শিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ হলে মারুফ ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এতে সে হতাশায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে । পরে রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে তার মা মারুফকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকলে সাড়াশব্দ না পেয়ে মারুফকে ঘরের ধরণায় ঝুলতে দেখে। পরে মারুফকে নামিয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল করা হয়। পরিবার ও প্রতিবেশিদের মাধ্যমে জানা গেছে সে এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি এক বিষয়ের ওপর অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যা করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মারুফের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নগরবাড়ী গ্রামের শম্ভূনাথ আর্য (৭০) পরলোকগমন করেছেন।
তিনি শনিবার (২৬ নভেম্বর) ভোর ৫ টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগতেছিলেন।
শম্ভুনাথ আর্য একজন শিক্ষক ও প্রগতিশীল মানুষ ছিলেন। তিনি সাহিত্য ও আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা করতেন। তার অসংখ্য লেখা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তার সুন্দর হাতের লেখার জন্য তিনি সর্বদাই প্রশংসিত হয়েছেন। আঁকতেন ছবি।
তিনি সরকারি সা’দত কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে লেখাপড়া করেন। এরপর সহকারী শিক্ষক হিসেবে জোয়াইর উচ্চ বিদ্যালয়, দেউপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং সর্বশেষ নারান্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি পলিমাটি সাহিত্য সংসদ, শতদল সাহিত্য সংসদ ও অনুপ্রাসসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
শম্ভূনাথ আর্যের মরদেহ ঢাকা থেকে সরাসরি তার সাবেক কর্মস্থল নারান্দিয়া টিআরকেএন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে তার সহকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর লাশ নিজ বাড়িতে নেওয়া হলে তাকে একবার দেখার জন্য বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ ছুটে আসেন।
শম্ভূনাথের মৃত্যুতে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন এবং নারান্দিয়া টিআরকেএন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফাসহ অনেকে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শম্ভূনাথ আর্যের সৎকার নিজ বাড়ির পারিবারিক শ্মশানে শনিবার বিকেলে সম্পন্ন হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আর্জেন্টিনার পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে তানভীর হাসান তন্ময় (১৩) নামের এক স্কুলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার(১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের ভাই ভাই সিনেমা হলের সামনে ( ৩ নম্বর ওয়ার্ড) এই দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তন্ময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জার্মান প্রবাসী সোহেল রানার ছেলে।
সে স্থানীয় সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভঃ স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সমর্থক তানভীর হাসান তন্ময় কাঁচা বাঁশে পতাকা টানাতে গিয়ে বাসার ৫ তলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়। পরে তাক আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আয়েশা জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে। মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম তন্ময়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মওলানা ভাসানীর চেতনা ও বিশ্বাস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(১৫ নভেম্বর) সকালে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুস্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডক্টর মো. আক্তারুজ্জামান।
মওলানা ভাসানী রিসার্স সেণ্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর মো. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী স্টাডিজের কোর্স টিচার সৈয়দ ইরফানুল বারী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডক্টর মোহা. তৌহিদুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেমিনার আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব ডক্টর মো. ইশতিয়াক আহমেদ তালুকদার।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবুল হক, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডক্টর মো. আনিসুর রহমান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. নুরজাহান খাতুন প্রমুখ।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১১ নভেম্বর)সকালে তার নানা বাড়ী উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়া বোয়ালী গ্রামের প্রবাসী রিপন মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, রিয়া আক্তার উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে তার নানা ফয়েজ আলীর বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো।
সম্প্রতি ক্লাসেরই এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিয়ার পরিবার বিষয়টি জানার পর অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করে। রিয়া তার প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে ছেলেটি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। অভিমানে শুক্রবার সকালে তার ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা।
বুধবার (০৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টা থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপচার্য অবরুদ্ধ রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারী তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ১৫টি পদের বিপরীতে এডহক ভিত্তিতে নিয়োজিত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হোক।
কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ভিসি প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এসময় কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করার দাবিও করছেন। এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে তাকে (ভিসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
তিনি আরও জানান, আরও সাতটি পদ বাড়াতে তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পদ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাবদ্ধ করে রেখে উপচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।