/ হোম / শিক্ষাঙ্গন
শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ঘটনার পর ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে চাই শিহাব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন শিহাবের পরিবারকে থানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আটক করার পরও কেন আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হলো।’

এ ছাড়াও, শিহাবের মৃত্যুর ঘটনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য যারা বা যেসব মহল পায়তারা করেছে এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

শিহাবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। প্রবাসে পরিশ্রম করে রোজগার করা টাকায় ভাল লেখাপড়ার আশায় সন্তানকে তাদের কাছে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে আমি আমার সন্তানের লাশ পেয়েছি।’

জানতে চাইলে শিহাব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি রিমান্ডে পুলিশকে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশ, গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের পুত্র শিহাবকে (১১) সৃষ্টি স্কুলের ছাত্রাবাসে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি শিহাব ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে, শিহাবের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা।

ওই ঘটনার ছয়দিন পর গত ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে আবু বক্করসহ সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুলাই ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রাবাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পার হলেও তদন্তের অগ্রগতি ও তদন্তকারীদের আচরণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে নিহত শিহাবের পরিবার।

রোববার (৩ জুলাই) এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ-আদালত।

রোববার সকালে সদর থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আবু বক্করকে টাঙ্গাইলের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট শামছুল আলমের আদালতে উপস্থাপন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামলার এজহারভুক্ত বাকি ৫ আসামির কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি।

তিনি আরো জানান, স্কুলের মালিকপক্ষ ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়ায় একইসঙ্গে তদন্তকারীদের আচরণে আমি এখন সন্তান হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করছি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিহাবকে (১১) টাঙ্গাইল সৃষ্টি একাডেমী স্কুলের হোস্টেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, শিহাব হোস্টেলের সপ্তম তলার একটি বাথরুমে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিহাবের মৃত্যু শ্বাসরোধ বা গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার ৬ দিন পর গত ২৬ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার আবু বক্করসহ ওই স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ: বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন সংক্রান্ত ইউজিসি কর্তৃক প্রণীত  অভিন্ন নীতিমালা প্রতিহত ও বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি। বুধবার(২৯ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন (বাআবিকফ) এর আহবানে ওই মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন:- ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আমিনুর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হাকিম।

মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তাগণ বলেন, ইউজিসি কর্তৃক প্রণীত প্রহসনের অভিন্ন নীতিমালা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার বা সংশোধন না করা হলে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মচারীবৃন্দ আরও কঠোর কর্মসুচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জুন ২০২২ ১০:১৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসে শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়াকে হত্যা মামলায় ওই স্কুলের এক শিক্ষককে মঙ্গলবার (২৮ জুন) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ওই শিক্ষকের নাম আবু বক্কর (৩৫)। তিনি সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক। রোববার (২৬ জুন) রাতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোমবার (২৭ জুন) আবু বক্করকে প্রধান আসামি করে ছয় শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত/আট জনকে আসামি করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর আবু বক্করকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান সাত দিনের রিমান্ড চান। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রকাশ, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

শিহাব সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়না তদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। গত রোববার (২৬ জুন) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে জেলা ছাত্রলীগ সমাবেশ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জুন ২০২২ ০৩:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাবের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড় সংলগ্ন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওই কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জান্নাতুল মাওয়া শ্যামন্তী, ফারহান নিঝুম, মেহেদী হাসান, আসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা- পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে, সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিকে শিহাবের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী, সচেতন মহল, ছাত্রলীগ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার (২৬ জুন) ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের অধ্যক্ষসহ ৯ শিক্ষককে আটক করা হয়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, রোববার(২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব ৭ শিক্ষককে ও সদর থানার পুলিশ দুই শিক্ষককে নিয়ে গেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান ভবনে দায়িত্বরত শিক্ষকরা।
মৃত শিহাব মিয়া (১১) জেলার সখিপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

ওইদিন শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ আনে তার পরিবার। পরে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২২ ০৪:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুন)দুপুরে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট ময়নাতদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, ডাক্তার তানভীর আহম্মেদ ও আবাসিক ফিজিসিয়ান ডাক্তার মো. কামরুজ্জামান। শরীরে কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু গলায় দাগের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে কোনো কিছু পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত শিহাব টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

গত সোমবার (২০ জুন)সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে শিহাবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিহাবের বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিহাবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ফুঁসে উঠে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারাও হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।

নিহত শিহাবের চাচা তুষার আহম্মেদ বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম শিহাবকে হত্যা করা হয়েছে। এত ছোট ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করব।

সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপন বলেন, এ ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি প্রশসানের কাছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী হত্যা মামলা হবে।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অবশ্যই হত্যা মামলা হবে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

উল্লেখ্য,শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, জানুয়ারি মাসে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ গত সোমবার বিকেলে সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ। আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন। পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে।
পরে তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। হাসপাতালে আসার পর শুনতে পাই শিহাব মারা গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে শিহাব আত্মহত্যা করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০১:০২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শামীম আল মামুন (২৫) নামের এক ছাত্রের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শনিবার(২৫জুন) দুপুরে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত শামীম আল মামুন উপজেলার বোয়ালী গ্রামের কদম আলীর ছেলে এবং করটিয়া সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সমাজ কর্মে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দুপুরে সখীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের নলুয়া আড়ালিয়াপাড়া এলাকায় দূর্ঘটনার শিকার হন শামীম।

নিহতের বড় ভাই সুমন আহমেদ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে তার ছোট ভাই শামীম আল মামুন ও তার বন্ধু মিলে মোটরসাইকেল যোগে নলুয়া বাজার হতে নিজ বাড়ি বোয়ালী আসার পথে আড়ালিয়া পাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে শামীম আল মামুন গুরুতর আহত হয়।

প্রথমে তাকে উদ্ধার করে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফাড করেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২২ ০৯:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে ডুবে সামিয়া (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।সামিয়া বাসাইল রফিক রাজু ক্যাডেট স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী।

সামিয়া বাসাইল এস আর পাড়ার ছানোয়ার হোসেনের বড় মেয়ে।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, ২৪ জুন (শুক্রবার) সকালের নাস্তা শেষ করে সামিয়া পাশের বাড়িতে খেলতে যায়। অনেকক্ষণ বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোজাখুজির একপর্যায়ে প্বার্শবর্তী মন্দির সংলগ্ন পুকুরে সামিয়াকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে বেলা ১১ টায় বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ খান তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ডা. নাহিদ খান বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই সামিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২২ ০৮:৪৭:পিএম ৪ বছর আগে
পড়তে এসেছি, মরতে নয় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

পড়তে এসেছি, মরতে নয় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্বনামধন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাব (১২) এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) সকালে এই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে সৃষ্টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা সংলগ্ন বিশ্বাস বেতকা সড়কের মুখে এ মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিহাব ৫ম শ্রেণির ছাত্র, সে কি কারণে আত্মহত্যা করবে, তার আত্মহত্যা করার মতো মানসিকা তৈরি হয় নাই। তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তারা বলেন, শিহারেব মৃত্যুর ঘটনাই প্রথম নয়, এর আগেও আরো ঘটনা ঘটেছে। টাকা দিয়ে ধামাচাপা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আমরা এখানে পড়তে এসেছি, মরতে নয়। আমাদের পরিবার আমাদের পড়তে পাঠিয়েছেন। শিক্ষকরা শাসন করবেন, কিন্তু সেই শাসনের কেন পৈশাচিক হবে। শাসনের কারণে কেন আমাদের মরতে হবে।

এসময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, আমাদের শিক্ষকরা বইয়ের ভাষায় মানবতার কথা বলেন; কিন্তু তারা কি মানবিক?

এসময় শিক্ষকদের একটি অংশকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে ছবি তুলতেও দেখা যায়। কেন ছবি তুলছেন শিক্ষকরা, জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি?

উল্লেখ্য গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, গত জানুয়াারিতে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়; তখন থেকেই নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করতেছিল শিহাব। আজকে হঠাৎ সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন।

পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে; তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। পরে হাসপাতালে আসার পর শুনতে পাই শিহাব মারা গেছে, স্কুলের শিক্ষকরা জানান, স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় শিহাবকে দেখার পর সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২২ ০৮:৩৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একটি বেসরকারি স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একটি বেসরকারি স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে সোমবার (২০ জুন) বিকালে ৫ম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের (১২) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে, তার পরিবারের দাবী এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরোয়ার হোসেন জানান, এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

নিহত শিহাব টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বেরবাড়ি এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, গত জানুয়ারিতে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করতেছিল শিহাব। সোমবার বিকালে হঠাৎ সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন, পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে, তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য।

আল আমিন আরো জানান, হাসপাতালে আসার পর জানতে পারি শিহাব মারা গেছে, সৃষ্টি স্কুলের শিক্ষকরা তাকে জানান, স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় শিহাবকে দেখার পর সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল এর ভাইস-প্রিন্সিপাল আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি বিষয়টি পুরোপুরি জানেন না।। তিনি শুনেছেন, নিহত শিহাব আবাসিকের বাথরুমের ঝর্ণার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরোয়ার হোসেন জানান, অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা এসেছি, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রয়েছে, ময়নাতদন্তের পর রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারন সনাক্ত করা যাবে, এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২২ ০৩:১২:এএম ৪ বছর আগে
অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে ভাসানীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে ভাসানীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
রোববার (১৯ জুন) সকালে ঘন্টা ব্যাপি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের আহবানে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ ও কর্মকর্তা নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন সংক্রান্ত ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মজনু, সাধারণ সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজাদ সোবহানী আল ভাসানীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তাগণ বলেন, কর্মকর্তাদের উপর চাপিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন নীতিমালায় বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের দেয়া ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত না করা পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা তা মেনে নেবে না। কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে অভিন্ন নীতিমালায় এই ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত না করলে ভবিষ্যতে কর্মকর্তারা আরও কঠোর কর্মসুচি গ্রহণ করবে বলেও জানান তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২২ ০৭:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানববন্ধনে গিয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানববন্ধনে গিয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের মানববন্ধনে গিয়ে আইয়ুব আলী খান (৫৫) নামের এক কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের আদালত চত্বরের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া আইয়ুব আলী জেলার কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের কৃষি শিক্ষা বিভাগের প্রদর্শক (প্যাকটিক্যাল ক্লাস করান) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি একেএম আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে মঙ্গলবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। আইয়ুব আলী ওই মানববন্ধনে অংশ নেন। এসময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আইয়ুব আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি- তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক খালিদ হক তমাল জানান, ‘আইয়ুব আলীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, এটা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব না।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২২ ০৪:১৫:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।